খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

এআই দিয়ে চুপিসারে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ভিডিও এডিট

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫, ১০:২০ পূর্বাহ্ণ
এআই দিয়ে চুপিসারে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ভিডিও এডিট

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের অনুমতি ছাড়াই কিছু ভিডিওতে গোপনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে পরিবর্তন এনেছে ইউটিউব। বিষয়টি নজরে আসার পর সৃষ্ট হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ। অনেক ইউটিউবার বলছেন, ভিডিওগুলো দেখতে এখন এমন লাগছে যেন বাস্তবতা নয়, কোনো এআই কনটেন্ট।
মার্কিন ইউটিউবার রিক বিআটো বললেন, ‘আমি ভাবলাম, আমার চুলটা কেমন অদ্ভুত লাগছে, আর মুখটাও যেন কেউ মেকআপ করে দিয়েছে।’ ভিডিওর সূক্ষ্ম পরিবর্তন বুঝতে তাঁর সময় লেগেছে। উল্লেখ্য, বিআটোর চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ৫০ লাখের বেশি।
সাম্প্রতিক সময়ে ইউটিউব চুপিচুপি কিছু ভিডিওতে এআই ব্যবহার করে শার্টের ভাঁজকে আরও স্পষ্ট, ত্বককে কোথাও আরও মসৃণ আবার কোথাও আরও তীক্ষ্ণ করে তোলে। কারও কারও কান লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, সেগুলো কিছুটা বিকৃত। এ পরিবর্তন এতটাই সূক্ষ্ম যে আলাদা করে না দেখলে বোঝা যায় না।
সংগীতভিত্তিক আরেক জনপ্রিয় ইউটিউবার রেট শুলও তাঁর ভিডিওতেও অস্বাভাবিকতা লক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, ‘যতই দেখছি, ততই বিরক্ত লাগছে। আমি চাইলে নিজের মতো করে ভিডিও শার্প বা স্পষ্ট করতে পারতাম। ভিডিওগুলো দেখলে মনে হয় এআই দিয়ে তৈরি। আমার দর্শকদের সঙ্গে আমার যে বিশ্বাসের সম্পর্ক, এটা তা ক্ষুণ্ন করছে। এটা আমাকে ভীষণভাবে বিরক্ত করছে।’
এমন অভিযোগ শুধু বিআটো বা শালের নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গত জুন থেকেই এমন অভিযোগ উঠে আসছে। কেউ কেউ কাছ থেকে স্ক্রিনশট নিয়ে দেখিয়েছেন, তাঁদের মুখের বা শরীরের অংশ কেমন যেন বিকৃত। তখনো নিশ্চিত ছিল না, ইউটিউব কি আসলেই কিছু করছে কি না।
অবশেষে বিষয়টি স্বীকার করেছে ইউটিউব। তারা বলছে, শুধু ইউটিউব শর্টসের কিছু ভিডিওতে পরীক্ষামূলকভাবে এআই ব্যবহার করা হচ্ছে।
এক্স-এ দেওয়া পোস্টে ইউটিউবের সম্পাদকীয় ও নির্মাতা লিয়াজোঁ প্রধান রেনে রিচি লেখেন, ‘আমরা কিছু ইউটিউব শর্টসে প্রচলিত মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে ভিডিও প্রসেসিংয়ের সময় আনব্লার, ডিনয়েজ এবং ক্ল্যারিটি উন্নত করার পরীক্ষা চালাচ্ছি। স্মার্টফোনে যেভাবে ভিডিও রেকর্ডিংয়ের সময় প্রক্রিয়াকরণ হয়, বিষয়টি অনেকটা সেরকম।’
তবে ইউটিউব বিবিসির প্রশ্নের উত্তরে স্পষ্ট করে বলেনি, নির্মাতাদের সম্মতি ছাড়া এআই ব্যবহারের বিষয়টি ভবিষ্যতেও চলবে কি না।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, এটা সাধারণ স্মার্টফোন প্রসেসিংয়ের মতো নয়। যুক্তরাষ্ট্রের পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজইনফরমেশন স্টাডিজের অধ্যাপক স্যামুয়েল উলি বলেন, ‘স্মার্টফোনে আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কোন ফিচার চালু রাখবেন। তবে এখানে দেখা যাচ্ছে, ইউটিউব নির্মাতাদের না জানিয়ে এবং অনুমতি না নিয়েই তাদের কনটেন্ট পরিবর্তন করছে। এটা দর্শকদের সামনে এমন এক বাস্তবতা হাজির করছে যা নির্মাতার ইচ্ছার প্রতিফলন নয়।’
তিনি বলেন, ইউটিউবের পক্ষ থেকে ‘মেশিন লার্নিং’ শব্দটি ব্যবহার করার মধ্যেও কৌশল রয়েছে। কারণ, মেশিন লার্নিং আসলে এআই-এরই একটি উপধারা। ইউটিউব হয়তো ‘এআই’ শব্দটি ব্যবহার না করে আতঙ্ক এড়াতে চেয়েছে।
রিচি আরও বলেন, তারা মূলত জেনারেটিভ এআই নয়, বরং প্রচলিত মেশিন লার্নিং ব্যবহার করছে। তবে অধ্যাপক উলি বলেন, এ দুইয়ের ব্যবধান এখানে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। মূল বিষয় হলো—ইউটিউব এমন কিছু পরিবর্তন করছে, যা দর্শক বা নির্মাতাদের অজান্তেই বাস্তবতাকে বদলে দিচ্ছে।
এটা শুধু ইউটিউব নয়। ২০২৩ সালে স্যামসাং ধরা পড়ে, তারা নাকি চাঁদের ছবি এআই দিয়ে উন্নত করছে। পরে প্রতিষ্ঠানটি বিষয়টি স্বীকার করে এবং প্রযুক্তি কীভাবে কাজ করে, সে বিষয়ে একটি ব্লগপোস্ট প্রকাশ করে।
এদিকে, গুগল পিক্সেল ফোনের ‘বেস্ট টেক’ ফিচার তো আরও এগিয়ে গেছে। একাধিক গ্রুপ ছবির মধ্যে সব মানুষের সবচেয়ে সুন্দর এক্সপ্রেশনগুলো বেছে নিয়ে একটি ‘আদর্শ মুহূর্ত’ তৈরি করে দেয়—যা বাস্তবে কখনো ঘটেনি। এমনকি পিক্সেল ১০–এর একটি ফিচার জেনারেটিভ এআই দিয়ে ১০০ গুণ পর্যন্ত জুম করতে পারে। যেটা ক্যামেরার প্রকৃত সীমা ছাড়িয়ে যায়।
এই প্রযুক্তিগুলোর ফলে প্রশ্ন ওঠে, আজকের ছবি বা ভিডিও আসলে কী তুলে ধরে?
প্রযুক্তি বিশ্লেষক উলি বলছেন, এটি নতুন কিছু নয়। ৩০ বছর আগে ফটোশপ যখন জনপ্রিয় হচ্ছিল, তখনো এমন উদ্বেগ ছিল। এরপর এসেছে এয়ারব্রাশিং, বিউটি ফিল্টার—সবই একরকম বাস্তবতার বিকৃতি।
গুগলের প্রকৌশলীরা বিষয়টি উপলব্ধি করছেন বলেই সম্ভবত পিক্সেল ১০ ফোনে নতুন কনটেন্ট ক্রেডেনশিয়াল যুক্ত করা হয়েছে—যা এআই ব্যবহৃত হলে ছবিতে ডিজিটাল ওয়াটারমার্ক বা জলছাপ দিয়ে তা জানিয়ে দেয়।
তবে নির্মাতাদের না জানিয়ে ভিডিও বদলে ফেলার ইউটিউবের এই সিদ্ধান্ত অনলাইন কনটেন্টের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
উলি বলেন, ‘এটি দেখায়, কীভাবে এআই ধীরে ধীরে আমাদের জীবনের অংশ হয়ে উঠছে, আমাদের বাস্তবতার পর্দা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মানুষ তো এমনিতেই সোশ্যাল মিডিয়ার কনটেন্ট নিয়ে সন্দিহান। এখন যদি জানতে পারে, কোম্পানিগুলোও ওপর থেকে কনটেন্ট পরিবর্তন করছে, নির্মাতাদের না জানিয়ে—তাহলে বিশ্বাস কোথায় থাকবে?’
তবে সবাই আবার এ নিয়ে বিরক্ত নন। রিক বিআটো বলেন, ‘শোনো, ইউটিউব তো সব সময় নতুন কিছু নিয়ে কাজ করে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। তারা সেরা মানের কোম্পানি। ইউটিউব আমার জীবন বদলে দিয়েছে।’

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।