খুঁজুন
                               
, ,

বাংলাদেশে ফিরতে ভারতীয় সীমান্তে শত শত মানুষ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে ফিরতে ভারতীয় সীমান্তে শত শত মানুষ

পশ্চিমবঙ্গে অবৈধভাবে বসবাসকারী ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের জন্য হোল্ডিং সেন্টার চালু করা হবে। গত রোববার (২৪ মে) এমন ঘোষণা দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এরপর সোমবারের (২৫ মে) মধ্যে রাজ্যের জেলায় জেলায় চালু হয়ে যায় হোল্ডিং সেন্টার।
প্রথম দিনেই ১২ জন বাংলাদেশিকে হোল্ডিং সেন্টারে আটক করে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসন। আর এরপরেই বাংলাদেশে ফিরে যেতে ভারতীয় সীমান্তে মানুষের ঢল নেমেছে।
পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর সেসময় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে লম্বা লাইন দেখা গিয়েছিল। কাঁটাতার পার করে যারা অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাদের দেশে ফেরার হিড়িক চোখে পড়েছিল মাস কয়েক আগে। এবার রাজ্য সরকারের নতুন ঘোষণার পর ফের একই ছবি দেখা গেল। এসআইএর প্রক্রিয়ার পরেও যারা অবৈধভাবে ভারতে থেকে গিয়েছিল মূলত তারাই আবারও বাংলাদেশে ফিরে যেতে ভিড় জমাচ্ছেন সীমান্তে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকে উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের হাকিমপুর থানার বিঠারি হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্থ হাকিমপুর চেকপয়েন্টে দেখা গেল লম্বা লাইন। পশ্চিমবঙ্গের দাবি, ভিড় জমাচ্ছেন বাংলাদেশি নাগরিকরা। অবৈধভাবে যারা ভারতে বসবাস করতেন, যারা দালালদের ধরে এ দেশে প্রবেশ করেছিলেন, তারাই এবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছেন।
সীমান্তে একদিনেই ভিড় করেছেন নারী শিশু সহ অন্তত ৬০০ জন মানুষ। যারা এতদিন ভারতে এসে আত্মগোপন করে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে, বিভিন্ন পেশায় যুক্ত ছিলেন, তারা আবার বাংলাদেশে ফেরার জন্য স্বরূপনগরের হাকিমপুর সীমান্তে উপস্থিত হয়েছেন।
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান যে, অবৈধ বাংলাদেশি বাসিন্দাদের শনাক্ত করে পুলিশের হাতে তুলে দিতে হবে, এরপর বিএসএফ তাদের দেশে ফেরার ব্যবস্থা করবে। এই ধরনের পদক্ষেপ শুরু হওয়ার আগেই শত শত বাংলাদেশি সীমান্তে ভিড় জমাচ্ছেন।
কোনরকম দ্বিধা দ্বন্দ্বের মধ্যে না গিয়ে তারা স্বীকার করছে যে তারা ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করতেন। এক ব্যক্তিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘সরকার আর রাখবে না, কী করব বলুন।’ কেউ বলছেন, এ দেশে এসে দোকানে কাজ করতেন, কেউ পরিচারিকার কাজ করতেন।
প্রসঙ্গত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোট প্রচারে পশ্চিমবঙ্গে অবৈধভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের ডিটেক্ট, ডিলিট ও ডিপোর্ট করার ঘোষণা দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ক্ষমতায় আসার ২০ দিনের মধ্যেই মাসের মধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শুরু করে দেওয়ার ঘোষণা দেয় শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার।
শুভেন্দুর আরও ঘোষণা, আইনি প্রক্রিয়া নয়। অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে সরাসরি বিএসএফের কাছে তুলে দেওয়া হবে তাকে, এরপর হবে পুসব্যাক। যার জন্য কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা মেনে রাতারাতি চালু করা হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার। এমন অবস্থায় আতঙ্ক বেড়েছে অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে। ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সীমান্তে ভিড় বাড়ছে অনুপ্রবেশকারীদের।

একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ (বুধবার, ২২ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত! অনুমোদিত নতুন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে; স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে ‘বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প’। ১ হাজার ৪৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পটি ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিন জেলার গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২ হাজার ৮২ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প’ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৮ বিভাগের ৬৪ জেলার ৪৯৫টি উপজেলায় ৯১ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার পল্লী সড়ক নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পরিবারপ্রধান ৪৫ হাজার ৭৮০ জন দুঃস্থ নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অনুসন্ধান ও উৎপাদন কোম্পানি (বাপেক্স) এবং পেট্রোবাংলার উদ্যোগে ৭২৯ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘১টি মূল্যায়ন কূপ (বেগমগঞ্জ-৫) এবং ২টি অনুসন্ধান কূপ (বেগমগঞ্জ-৬ ও সুনেত্র-২) খনন’ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পটি সরকারি ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।

বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৭ সালের হজের জন্য তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার প্যাকেজগুলোর ঘোষণা দেন। এ সময় হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবার খাওয়া ও কোরবানিসহ তিনটি হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজের খরচ রাখা হয়েছে ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা এবং সর্বনিম্ন প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা।
হাব জানায়, তিনটি প্যাকেজের মধ্যে বিশেষ প্যাকেজ ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা, সাধারণ প্যাকেজ ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ও সাশ্রয়ী প্যাকেজ ৫ লাখ ১৩ হজার ৫৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর বিশেষ হজ প্যাকেজের খরচ ছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সাধারণ প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা এবং সাশ্রয়ী প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। সে হিসাবে এবার সাশ্রয়ী প্যাকেজের ব্যয় বেড়েছে ৩ হাজার ৫৪৫ টাকা। আর সাধারণ প্যাকেজের ব্যয় ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৭ হাজার টাকা বেশি। এ ছাড়া বিশেষ হজ প্যাকেজে ব্যয় বেড়েছে ৪১ হাজার ৬০ টাকা।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ২০২৭ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের ২টি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। হজ প্যাকেজ-১-এর খরচ ধরা হয়েছে ছয় লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী) এর খরচ ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ৬৪৮ টাকা।

প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ
প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

ভারতের মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা (নিটের) প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বিক্ষোভ গড়িয়েছে টানা তৃতীয় দিনে। সংঘাত ও বিক্ষোভের মধ্যেই বুধবার (২২ জুলাই) সরকারি সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় সরকার পার্লামেন্টে প্রশ্নফাঁস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে সরকারি সূত্রগুলো। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি সামনে আসার পরপরই সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সহিংসতার পর থেকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, সেদিনের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
এদিকে নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তাটি পড়ে শোনান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। প্রধানমন্ত্রীর বার্তা উদ্ধৃত করে কিরেন রিজিজু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এনডিএ শরিকদের সংসদের সব ধরনের কাজে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বিরোধী দলগুলোকে সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে দেশের ভবিষ্যৎ এবং যুবসমাজের কল্যাণে কাজ করা সব সংসদ সদস্যের যৌথ দায়িত্ব।’