খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ে মুসলিমদের ভাগ্যে কী ঘটবে?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ১:০৭ অপরাহ্ণ
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ে মুসলিমদের ভাগ্যে কী ঘটবে?

দীর্ঘ ১৫ বছর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করে ভারতীয় জনতা পার্টি – বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে তার হিন্দুত্ববাদের ঝান্ডা নিয়ে উপস্থিত হয়েছে। বিজেপি শুধু জিতেই-নি, তৃণমূল কংগ্রেস ও তার নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে হারিয়েছে বড় ব্যবধানে। এতো বড় বিজয় হবে বিজেপি তা হয়তো নিজেও ভাবেনি।
বিতর্কিত ভোটার তালিকায় বড় বিজয়-এমন শিরোনাম করছে অনেক সংবাদমাধ্যম। কারণ এই বিধানসভা নির্বাচনের আগে চলতি মাসে নির্বাচন কমিশন বিশেষ নিবিড় সংশোধন- এসআইআর-এর মাধ্যমে ভোটার তালিকার হালনাগাদ করেছে। এটি একটি বিতর্কিত প্রক্রিয়া,যা নিয়ে বিহার,আসামসহ বিভিন্ন রাজ্যে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। বলা হয় এর লক্ষ্য ছিল মুসলিম ভোটারদের ভোট দিতে না দেওয়া।
এর ফলে-৯২ লাখের মধ্যে প্রায় ৬০ লাখ ভোটারকে ‘অনুপস্থিত’ বা ‘মৃত’ ঘোষণা করা হয়। বাকি ৩০ লাখ বিশেষ ট্রাইব্যুনালে যেতে পেরেছেন,কিন্তু শুনানি না হওয়া পর্যন্ত ভোট দিতে পারেন নি। যেসব জেলায় মুসলিম বেশি এবং যাঁরা নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারেন,সেখানেই নাম কাটার হার বেশি ছিল।
এটিই ছিল বড় ফ্যাক্টর। অন্যসব ব্যাপার তো ছিলই। দীর্ঘদিনের শাসন,তাই পরিবর্তন চাচ্ছিল মানুষ, ছিল মমতার বিরুদ্ধের ব্যাপক দুর্নীতি,সন্ত্রাস এবং দুর্বিনীত আচরণের অভিযোগ।
মমমতার দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার ভিত্তি ছিল ৩৪ শতাংশ মুসলিম ভোট। তাই এবার বিজেপির জয়ে জোরালোভাবে সামনে আসছে এই আলোচনা যে, সেখানকার মুসলিমদের ভাগ্যে কী হবে?

এসআইআর-এর মাধ্যমে এমন সব মুসলিম ভোটারদের বাদ দেওয়া হয়েছে যারা ভারতে হয়ে ১৯৭১ এর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ,কার্গিল যুদ্ধ এমনকি সর্বশেষ অপারেশন সিন্দুরেও ভারতীয় সেনাবাহিনীর হয়ে যুদ্ধ করে মেডেল পেয়েছেন। এমনসব মানুষকে বাদ দেওয়া হয়েছে যারা কয়েকশ বছর বংশ পরম্পরায় সেখানে বাস করছেন।
বলা হচ্ছে যে,মুসলিমদের আসলে পরিকল্পিতভাবে তালিকা থেকে বাদ দিতে এই কাজ করা হয়েছে। তাই এখন বড় চিন্তার বিষয়–পশ্চিবঙ্গের মুসলমানদের কী হবে?
নাগরিকত্ব,বৈধ কাগজপত্র এবং বসবাসের অধিকার এসব বিষয় সামনে আসতে পারে আরও গুরুত্বসহকারে। যদি নতুন সরকার কঠোর অভিবাসন নীতি গ্রহণ করে,তাহলে অনথিভুক্ত বা সন্দেহভাজন অভিবাসীদের ওপর নজরদারি বাড়তে পারে,এমনকি আইনি জটিলতা বা প্রত্যাবাসনের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এবং এসব নীতির একমাত্র টার্গেট হবে মুসলিমরা।
সেক্যুলার পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুত্বাদের উত্থানে বাংলাদেশেও চলছে ব্যাপক বিচার বিশ্লেষণ। অদ্ভুতভাবে বাংলাদেশে যারা ধর্মভিত্তিক রাজনীতি করে তারা পশ্চিমবঙ্গে আরেকটি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের বিজয় নিয়ে সমালোচনা করেছে। আবার বাংলাদেশে যারা সেক্যুলার রাজনীতি চায় তারা তৃণমূলের পরাজয়ে ব্যথিত। এ এক বড় বৈপরীত্যে।
বিজেপির এই জয় বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে একটি নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১১ সালে তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়িত হতে দেননি। বারবার এই প্রশ্নে তিনি কেন্দ্রের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন। কিন্তু বিজেপি শাসিত পশ্চিমবঙ্গ মানে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সেই টানাপড়েন আর থাকবে না। ফলে তিস্তার পানি বণ্টন প্রশ্নে দিল্লির সঙ্গে সরাসরি আলোচনার পথ যেমন সহজ হতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। তবে বিষয়টি এত সহজও নয় নানা কারণে। কালন তখন ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস, এখন বিজেপি, যাদের রাজ্য নেতারা ভয়ংকর বাংলাদেশ বিরোধী বক্তব্য দিয়ে থাকেন।
মুখ্যমন্ত্রী পদের দৌড়ে এগিয়ে থাকা শুভেন্দু অধিকারী পরিচিত একজন কঠোর হিন্দুত্ববাদী মুখ হিসেবে। নন্দিগ্রামে মমতাকে পরাজিত করে তিনি যে রাজনৈতিক পরিচিতি তৈরি করেছেন,তাতে বাংলাদেশ বিষয়ক তার অবস্থান কখনোই নমনীয় ছিল না।
ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এই পরিবর্তনটি সবচেয়ে স্পর্শকাতর। বিজেপির রাজনীতির কেন্দ্রে হিন্দুত্বের যে আদর্শ,তা পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে ঘিরে নানা রাজনৈতিক বয়ান আরও সোচ্চার হবে। এই বয়ানগুলো অনেক সময় বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে চাপে ফেলে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জনমানসে ভারত-বিরোধী অনুভূতি আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
অর্থনৈতিক বিবেচনায় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যের পরিমাণ বিশাল। পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে যে বাণিজ্য প্রবাহ,তা দুই দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমানের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। বিজেপি সরকার যদি সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় কড়াকড়ি আরোপ করে,তাহলে এই বাণিজ্যিক সম্পর্কে ভাটা পড়তে পারে।
বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। ঢাকার আলোচনা হবে দিল্লির সঙ্গে। তবে একথাও ঠিক পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া পতাকা ওড়ার মানে শুধু একটি রাজ্যের ক্ষমতা পরিবর্তন নয় এটি বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন কূটনৈতিক বাস্তবতার সূচনা। আমাদের নীতিনির্ধারকদের এখনই সতর্ক ও দূরদর্শী পদক্ষেপ নিতে হবে। আবেগের রাজনীতি নয়,বরং বাস্তববাদী কূটনীতিই হোক আমাদের পথচলার ভিত্তি। কারণ প্রতিবেশী বদলানো যায় না,কিন্তু সম্পর্কের ভাষা বদলানো যায় এবং সেই ভাষাটি আমাদেরই বেছে নিতে হবে।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।