খুঁজুন
                               
, ,

ক্যামব্রিজ ও লেভেলে সাত বিষয়ে এ প্লাস পেলেন সাফওয়ান হোসেন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৮ অপরাহ্ণ
ক্যামব্রিজ ও লেভেলে সাত বিষয়ে এ প্লাস পেলেন সাফওয়ান হোসেন

ক্যামব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের জুন ২০২৬ Cambridge O Level পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফল অর্জন করেছেন সাফওয়ান হোসেন। রাজধানীর Scholastica Uttara-এর এই মেধাবী শিক্ষার্থী সাতটি বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে প্রতিটিতেই A + গ্রেড অর্জন করেছেন। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, Mathematics Syllabus D বিষয়ে সাফওয়ান হোসেন পেয়েছেন ৯৯ নম্বর, Physics-এ ৯৮, Biology-তে ৯৬, English Language-এ ৯৫, Chemistry-তে ৯৪, Additional Mathematics-এ ৯৩ এবং Bengali-তে ৯২ নম্বর। সাতটি বিষয়ের মোট নম্বরের গড় দাঁড়িয়েছে ৯৫.৬ শতাংশ।
বিশেষ করে Mathematics-এ ৯৯ এবং Physics-এ ৯৮ নম্বর অর্জন তাঁর অসাধারণ একাডেমিক দক্ষতার প্রমাণ বহন করছে। বিজ্ঞান ও গণিতের পাশাপাশি ভাষাভিত্তিক বিষয়েও সর্বোচ্চ গ্রেড অর্জন তাঁর বহুমুখী মেধা ও ধারাবাহিক অধ্যবসায়ের পরিচয় দিয়েছে। সাফওয়ান হোসেন বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ডাচ-বাংলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (DBCCI) প্রেসিডেন্ট শাখাওয়াত হোসেন মামুন এবং শিল্প উদ্যোগতা শেখ সুবর্ণা রসুলের জ্যেষ্ঠ সন্তান। দুই ভাইয়ের মধ্যে সাফওয়ান বড় তাঁর ছোট ভাই সারওয়ান হোসেন। সাফওয়ানের এই কৃতিত্বে তাঁর পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। একজন শিক্ষার্থীর এমন সাফল্য শুধু পরিবারের জন্য নয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং দেশের জন্যও গর্বের বিষয়।
শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাব্যবস্থায় এমন ফলাফল অর্জনের পেছনে শিক্ষার্থীর মেধার পাশাপাশি নিয়মিত অধ্যয়ন, কঠোর পরিশ্রম, আত্মনিয়ন্ত্রণ, অভিভাবকের সহযোগিতা এবং শিক্ষকদের যথাযথ দিকনির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাফওয়ানের সাত বিষয়ে A + অর্জন বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর এই সাফল্য দেশের অন্যান্য শিক্ষার্থীকেও পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে নিজেদের স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সাফওয়ান হোসেনের এই অসাধারণ সাফল্যে দেশবাসীর পক্ষ থেকে তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছে। তাঁর মেধা, পরিশ্রম ও সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনে তিনি দেশের জন্য আরও গৌরব বয়ে আনবেন এমন প্রত্যাশা সবার।

বাংলাদেশি পণ্যে ভারতের নতুন শর্ত, বাড়বে রপ্তানি ব্যয়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪১ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশি পণ্যে ভারতের নতুন শর্ত, বাড়বে রপ্তানি ব্যয়

বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে নতুন শর্ত আরোপ করেছে ভারত। নির্দিষ্ট কিছু পাটজাত পণ্য এখন স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে প্রবেশ করতে পারবে না। এসব পণ্য মহারাষ্ট্রের নাভা শেভা সমুদ্রবন্দর দিয়ে পাঠাতে হবে। ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএফটি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা নির্দিষ্ট পাট ও পাটজাত পণ্যের ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ কার্যকর হয়েছে। ফলে এসব পণ্য রপ্তানিতে আগের স্থলপথের পরিবর্তে সমুদ্রপথ ব্যবহার করতে হবে। ব্যবসায়ীদের মতে, এর ফলে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের পরিবহন খরচ ও পণ্য পৌঁছাতে সময় দুটোই বাড়বে। বিশেষ করে যেসব পণ্য আগে সীমান্তবর্তী স্থলবন্দর দিয়ে দ্রুত ভারতের বাজারে পৌঁছাত, সেগুলো এখন দীর্ঘ সমুদ্রপথে পাঠাতে হবে।
তবে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব শুধু বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের ওপর পড়ছে না বলে দাবি করেছেন ভারতের কয়েকজন ব্যবসায়ী। তাদের মতে, বাংলাদেশি পাটের ওপর আমদানি বাধা তৈরি হলে ভারতের পাটশিল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
ফেডারেশন অব স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ অব ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও ভারতীয় এপেক্স কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক চিরঞ্জীব ঘোষ বলেন, বাংলাদেশ থেকে পাট আমদানি কমে গেলে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশি পাটের মান ভারতের উৎপাদিত পাটের চেয়ে আলাদা। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পাট যে দামে পাওয়া যায়, সেই দামের সঙ্গে ভারতীয় পাটের পক্ষে প্রতিযোগিতা করা কঠিন।
চিরঞ্জীব ঘোষের ভাষ্য, দুই দেশের ব্যবসায়ীরা পরস্পরের সঙ্গে ব্যবসা করতে চান। কিন্তু সরকারি পর্যায়ের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত সেই বাণিজ্যে বাধা তৈরি করছে। তার কথায়, ‘মানুষের মধ্যে দূরত্ব না বাড়লেও সরকারের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে।’ বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্সের সদস্য ও পাটজাত পণ্যের ব্যবসায়ী প্রলয় ব্রহ্মচারীও বাংলাদেশি পাটের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন। তার মতে, বাংলাদেশের পাটের মান ভারতের পাটের তুলনায় আলাদা এবং ভারতের পাটশিল্পে বাংলাদেশি পাটের প্রয়োজন রয়েছে।
প্রলয় বলেন, ভারতীয় কৃষকেরা বাংলাদেশি পাটের আমদানি কমানোর পক্ষে থাকতে পারেন। তবে বাংলাদেশের মতো পাট উৎপাদনের উপযোগী জলবায়ু ভারতের সব এলাকায় নেই। তাই দেশের পাটশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে উৎপাদনের মান বাড়ানোর পাশাপাশি গবেষণার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, একসময় দুই বাংলার মধ্যে পাটের বাণিজ্য ছিল স্বাভাবিক। বাংলাদেশের পাটের ওপর পশ্চিমবঙ্গের অনেক কারখানাও নির্ভর করত। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পাটের বিকল্প তৈরি করা সহজ হবে না।
ভারতের পক্ষ থেকে এসব বিধিনিষেধের উদ্দেশ্য হিসেবে দেশের অভ্যন্তরীণ শিল্প ও কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার কথা বলা হয়েছে। তবে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের একটি অংশ মনে করছে, আমদানি নিয়ন্ত্রণের ফলে দুই দেশের ব্যবসার পাশাপাশি ভারতের নিজস্ব পাটশিল্পও সমস্যায় পড়তে পারে।
বাংলাদেশি পাট ও পাটজাত পণ্যের ওপর ভারতের এ ধরনের বিধিনিষেধ এর আগেও আরোপ করা হয়েছে। নতুন শর্তের ফলে এখন এসব পণ্য ভারতের বাজারে নিতে রপ্তানিকারকদের নাভা শেভা সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করতে হবে।

মহারাষ্ট্রের বিশেষ সম্মাননা পেলেন রানি মুখার্জি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৪ অপরাহ্ণ
মহারাষ্ট্রের বিশেষ সম্মাননা পেলেন রানি মুখার্জি

বলিউডে দীর্ঘ অভিনয়জীবনের স্বীকৃতি হিসেবে বিশেষ সম্মাননা পেলেন অভিনেত্রী রানি মুখার্জি। ৬২তম মহারাষ্ট্র রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ‘রাজ কাপুর স্পেশাল কন্ট্রিবিউশন অ্যাওয়ার্ড’। ভারতীয় চলচ্চিত্রে প্রায় তিন দশক ধরে অবদানের জন্য রানিকে এই বিশেষ পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়। মুম্বাইয়ে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী সাজে হাজির হয়ে নজর কাড়েন অভিনেত্রী। সবুজ শাড়িতে লাল পাড়, মাথায় গাজরা ও গলায় মঙ্গলসূত্র—সব মিলিয়ে রানির সাজে ছিল বাঙালি-ভারতীয় ঐতিহ্যের ছোঁয়া।
পুরস্কার গ্রহণের পর মঞ্চে বক্তব্য দিতে উঠে উপস্থিত সবাইকে চমকে দেন রানি। পুরো বক্তব্যই তিনি দেন মারাঠি ভাষায়। তার এই উদ্যোগ অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা পায়। বক্তব্যে মুম্বাইয়ের সঙ্গে নিজের গভীর সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন রানি। তিনি জানান, এই শহরেই তার জন্ম এবং এখান থেকেই গড়ে উঠেছে তার চলচ্চিত্রজীবন। সাফল্যের পাশাপাশি ব্যর্থতাকে কীভাবে সামলাতে হয়, জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা মুম্বাই থেকেই পেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মহারাষ্ট্রে মারাঠি ভাষা ও স্থানীয় সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নানা আলোচনা চলছে। এমন সময়ে পুরস্কার মঞ্চে রানির সাবলীল মারাঠি বক্তব্য বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।
অনুষ্ঠানে রানি মুখার্জির পাশাপাশি বিনোদন জগতের আরও কয়েকজন প্রবীণ ও গুণী ব্যক্তিত্বকেও বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।

পুজোর আগে ত্বকের যত্নে জরুরি যে ৪ বিষয়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩১ অপরাহ্ণ
পুজোর আগে ত্বকের যত্নে জরুরি যে ৪ বিষয়

দুর্গাপুজো মানেই নতুন পোশাক, সাজগোজ, ঠাকুর দেখা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর প্যান্ডেল হপিং। পুজোর কয়েক দিনে বদলে যায় দৈনন্দিন রুটিনও। রাত জাগা, দীর্ঘ সময় বাইরে থাকা, নিয়মিত মেকআপ করা এবং অনিয়মিত খাওয়াদাওয়ার প্রভাব পড়ে ত্বকে। তাই পুজোর সাজে মুখের জেল্লা ধরে রাখতে আগে থেকেই ত্বকের যত্নে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি।
পর্যাপ্ত জল ও ঘুম
পুজোর ব্যস্ততায় অনেকেই পর্যাপ্ত জল খাওয়া ও ঘুমের বিষয়টি ভুলে যান। দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলেও নিয়ম করে জল পান করতে হবে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমও জরুরি।
অতিরিক্ত মিষ্টি ও বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রেও সংযমী হওয়া ভালো। বেশি চিনি কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ত্বকের প্রদাহ বা ব্রণের সমস্যা বাড়াতে পারে। তবে পুজোয় মিষ্টি পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই, শুধু পরিমাণের দিকে নজর রাখলেই হবে।
মেকআপ ব্যবহারে সতর্কতা
পুজোর সাজে মেকআপ থাকবেই। তবে ত্বকের ধরন বুঝে প্রসাধনী বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
শুষ্ক ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজ়িং বা ক্রিমভিত্তিক প্রসাধনী, তৈলাক্ত ও ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য নন-কমেডোজেনিক মেকআপ এবং সংবেদনশীল ত্বকের জন্য কম জ্বালাপোড়া তৈরি করে এমন প্রসাধনী ব্যবহার করা যেতে পারে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মেকআপ করে কখনও ঘুমিয়ে পড়া যাবে না। বাইরে থেকে ফিরে ভালোভাবে মেকআপ তুলে মুখ পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজ়ার ব্যবহার করা উচিত।
হঠাৎ নতুন স্কিন কেয়ার নয়
পুজোর ঠিক আগে নতুন কোনও স্কিন কেয়ার পণ্য ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকাই ভালো। নতুন সিরাম, ক্রিম বা সক্রিয় উপাদানযুক্ত পণ্য হঠাৎ ব্যবহার করলে কারও কারও ত্বকে অস্বস্তি, শুষ্কতা কিংবা ব্রণের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তাই পুজোর সময় ত্বক যে পরিচর্যায় অভ্যস্ত, সেটিই নিয়মিত চালিয়ে যাওয়া ভালো। সাধারণভাবে ক্লিনজ়ার, ময়েশ্চারাইজ়ার ও সানস্ক্রিন—এই তিনটি ধাপকে গুরুত্ব দেওয়া যায়।
নতুন ট্রিটমেন্টে সতর্ক থাকুন
পুজোর আগে ত্বকে নতুন কোনও বিশেষ চিকিৎসা বা ট্রিটমেন্ট করানোর ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কেমিক্যাল পিল, লেজার বা মাইক্রোনিডলিংয়ের মতো কিছু পদ্ধতির পর ত্বকে সাময়িক লালচে ভাব, খসখসে হওয়া বা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
তাই পুজোর ঠিক আগে প্রথমবার এমন কোনও ট্রিটমেন্ট না করিয়ে প্রয়োজন হলে আগেই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
সব মিলিয়ে পুজোর সময় ত্বক ভালো রাখতে অনেক ধাপের স্কিন কেয়ার রুটিনের প্রয়োজন নেই। পর্যাপ্ত জল পান, ভালো ঘুম, সুষম খাবার, সানস্ক্রিন ব্যবহার, নিয়মিত ত্বকের পরিচর্যা এবং ঘুমানোর আগে মেকআপ ভালোভাবে পরিষ্কার করাই হতে পারে সুন্দর ও সতেজ ত্বকের সহজ নিয়ম।
সূত্র: এই সময়