খুঁজুন
                               
, ,

বট আইডি কী? এরা কীভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করে?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ণ
বট আইডি কী? এরা কীভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করে?

বট আইডি হলো একটি অনন্য পরিচয়সংখ্যা যা কোনো বটকে (চ্যাটবট, ওয়েববট, বা সিকিউরিটি বট) শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি তৈরি হয় যাতে বটকে আলাদা করে চেনা যায়, তার কার্যক্রম ট্র্যাক করা যায় এবং নিরাপত্তা ও যোগাযোগ সঠিকভাবে পরিচালিত হয়। বট আইডি কাজ করে মূলত একটি ডিজিটাল আইডেন্টিফায়ার হিসেবে, যা বটের সাথে ব্যবহারকারী, সার্ভার বা অন্য সিস্টেমের যোগাযোগকে সুশৃঙ্খল করে তোলে।
মূলত বট আইডি (Bot ID) বলতে একটি স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামের পরিচিতি বোঝায়, যা মানুষের মতো আচরণ করে ইন্টারনেট বা সোশ্যাল মিডিয়াতে স্বয়ংক্রিয় কাজ (যেমন – পোস্ট করা, লাইক দেওয়া) করে থাকে; এটি একটি নির্দিষ্ট সফটওয়্যার বা প্ল্যাটফর্মের (যেমন : স্ল্যাক, ডিসকর্ড) ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি ইউনিক শনাক্তকরণ কোড, যা সেই বটটিকে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে। বট আইডি বলতে একটি বট অ্যাকাউন্টের আইডি বা বটকে নিয়ন্ত্রণকারী সফটওয়্যারটির আইডিকেও বোঝানো যেতে পারে।
বট আইডি : ধারণা, উদ্দেশ্য ও কার্যপদ্ধতি
১. বট আইডি কী
– সংজ্ঞা : বট আইডি হলো একটি ইউনিক আইডেন্টিফায়ার, যা কোনো বটকে শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
– প্রকারভেদ :
– চ্যাটবট আইডি : যেমন Microsoft Bot Framework-এ প্রতিটি বটের একটি App ID থাকে।
– সিকিউরিটি বট আইডি : যেমন Vercel BotID, যা ওয়েবসাইটে অটোমেটেড ট্রাফিক শনাক্ত করে।
– চ্যানেল আইডি : বট কোন প্ল্যাটফর্মে কাজ করছে (Slack, Teams, WhatsApp ইত্যাদি) তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
২. কেন বট আইডি তৈরি হয়
– শনাক্তকরণ : প্রতিটি বটকে আলাদা করে চেনার জন্য।
– নিরাপত্তা : ক্ষতিকর বট ও বৈধ বট আলাদা করার জন্য।
– ট্র্যাকিং ও লগিং : বটের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে।
– ইন্টিগ্রেশন : বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বটকে সংযুক্ত করতে।
– অ্যাক্সেস কন্ট্রোল : কোন বট কোন কাজ করতে পারবে তা নির্ধারণ করতে।
৩. বট আইডি কীভাবে কাজ করে
– ধাপ ১ : রেজিস্ট্রেশন
– বট তৈরি হলে তাকে একটি ইউনিক আইডি দেওয়া হয় (যেমন App ID বা Bot Handle)।
– ধাপ ২ : অথেন্টিকেশন
– বট আইডি ব্যবহার করে সিস্টেম যাচাই করে যে বটটি বৈধ কিনা।
– ধাপ ৩ : কমিউনিকেশন
– ব্যবহারকারী বা সার্ভার যখন বটের সাথে কথা বলে, তখন বট আইডি দিয়ে সেই যোগাযোগ ট্র্যাক হয়।
– ধাপ ৪ : সিকিউরিটি ফিল্টারিং
– BotID সিস্টেম ওয়েবসাইটে আসা ট্রাফিক বিশ্লেষণ করে দেখে এটি মানুষ নাকি বট।
– ধাপ ৫ : ডিরেক্টরি ভেরিফিকেশন
– Verified Bot Directory ব্যবহার করে ভালো বট (যেমন সার্চ ইঞ্জিন ক্রলার) ও ক্ষতিকর বট আলাদা করা হয়।
৪. উদাহরণ
প্ল্যাটফর্ম, বট আইডি ব্যবহার ও উদ্দেশ্য :
Microsoft Bot Framework, App ID, Channel ID : বটকে চ্যানেল ও ব্যবহারকারীর সাথে যুক্ত করা।
Vercel BotID, Basic ও Deep Analysis : ক্ষতিকর বট ব্লক করা, বৈধ বট অনুমোদন করা।
Slack/Teams, Channel ID : কোন্ প্ল্যাটফর্মে বট কাজ করছে তা নির্ধারণ।
৫. সুবিধা ও গুরুত্ব
– নিরাপত্তা বৃদ্ধি : ক্ষতিকর বট ব্লক হয়।
– সঠিক ট্র্যাকিং : বটের কার্যক্রম লগ হয়।
– ইন্টিগ্রেশন সহজ হয় : বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বট সহজে যুক্ত হয়।
– ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত হয় : অপ্রয়োজনীয় বট ট্রাফিক কমে যায়।
৬. সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ
– বট আইডি জাল করা সম্ভব : হ্যাকাররা ভুয়া আইডি ব্যবহার করতে পারে।
– অতিরিক্ত জটিলতা : অনেক প্ল্যাটফর্মে আলাদা আলাদা আইডি ব্যবস্থাপনা করতে হয়।
– গোপনীয়তা : ব্যবহারকারীর ডেটা সঠিকভাবে সুরক্ষিত না হলে ঝুঁকি থাকে।
৭. ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
– এআই-ভিত্তিক বট আইডি : আরও স্মার্ট অথেন্টিকেশন।
– ব্লকচেইন ইন্টিগ্রেশন : বট আইডি আরও নিরাপদ হবে।
– গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড : সব প্ল্যাটফর্মে統一 আইডি সিস্টেম।
বট আইডি হলো ডিজিটাল জগতে বটের পরিচয়পত্র। এটি তৈরি হয় বটকে শনাক্ত, নিরাপদ এবং কার্যকরভাবে পরিচালনা করার জন্য। বট আইডি কাজ করে মূলত একটি অথেন্টিকেশন ও ট্র্যাকিং সিস্টেম হিসেবে, যা ব্যবহারকারী ও সিস্টেমকে ক্ষতিকর বট থেকে রক্ষা করে এবং বৈধ বটকে কার্যকরভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বট আইডি কীভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করে?

বট আইডি দিয়ে বিভ্রান্তি তৈরির কৌশল
১. ভুয়া পরিচয় তৈরি
– অনেক বটকে এমনভাবে প্রোগ্রাম করা হয় যেন তারা আসল মানুষের মতো আচরণ করে।
– বট আইডি ব্যবহার করে তারা হাজার হাজার ভুয়া অ্যাকাউন্ট চালায়, যা দেখতে সাধারণ ব্যবহারকারীর মতো লাগে।
– এতে মানুষ বুঝতে পারে না কোনটি আসল আর কোনটি বট।
২. ভুয়া জনপ্রিয়তা দেখানো
– কোনো পোস্ট বা ভিডিওতে হঠাৎ হাজার হাজার লাইক, শেয়ার বা কমেন্ট দেখা যায়।
– এগুলো আসলে বট আইডি দিয়ে তৈরি ভুয়া ইন্টারঅ্যাকশন।
– ফলে সাধারণ মানুষ মনে করে বিষয়টি খুব জনপ্রিয় বা সত্যি।
৩. ভুল তথ্য ছড়ানো
– বট আইডি ব্যবহার করে একই ধরনের বার্তা একসাথে হাজারো জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
– যেমন : রাজনৈতিক প্রচারণা, স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ভুয়া তথ্য, বা ষড়যন্ত্রমূলক দাবি।
– মানুষ বারবার একই বার্তা দেখে সেটিকে সত্যি মনে করতে শুরু করে।
৪. ট্রেন্ড ম্যানিপুলেশন
– হ্যাশট্যাগ বা ট্রেন্ডিং টপিককে বট আইডি দিয়ে কৃত্রিমভাবে জনপ্রিয় করা হয়।
– এতে মানুষ ভাবে বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে আলোচনায় এসেছে, অথচ এটি পরিকল্পিত প্রচারণা।
৫. আস্থার সংকট তৈরি
– যখন মানুষ বুঝতে পারে অনেক অ্যাকাউন্ট আসলে বট, তখন তারা আসল তথ্যেও সন্দেহ করতে শুরু করে।
–এতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা কমে যায়।
কেন এটি বিপজ্জনক
– গণতন্ত্রে প্রভাব : নির্বাচনের সময় ভুয়া প্রচারণা ভোটারদের বিভ্রান্ত করে।
– স্বাস্থ্যঝুঁকি : ভুয়া মেডিকেল তথ্য ছড়িয়ে মানুষকে ক্ষতি করে।
– সামাজিক বিভাজন : বট আইডি দিয়ে উস্কানিমূলক বার্তা ছড়িয়ে সমাজে বিভেদ বাড়ানো হয়।
প্রতিরোধের উপায়
– প্ল্যাটফর্মগুলো এখন বট শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।
– Verified Bot Directory বা AI-ভিত্তিক ফিল্টার দিয়ে ভুয়া বট আইডি ব্লক করা হয়।
– ব্যবহারকারীদেরও সচেতন থাকতে হবে—অতিরিক্ত লাইক/শেয়ার বা একই ধরনের বার্তা বারবার দেখলে সন্দেহ করা উচিত।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বট আইডি হলো বিভ্রান্তি তৈরির একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। এগুলো দিয়ে ভুয়া জনপ্রিয়তা, ভুল তথ্য এবং কৃত্রিম ট্রেন্ড তৈরি করা হয়, যা মানুষের সিদ্ধান্ত ও বিশ্বাসকে প্রভাবিত করে।

দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ
দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। সে হিসেবে ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৩২৪ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে নতুন এ দর কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় দেশের বাজারে স্বর্ণের বিক্রয় মূল্য কমানো হচ্ছে। নতুন এই মূল্য আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হবে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা।
এর আগে গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছিলো বাজুস। ওই সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩৯১ টাকায়।
বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রুপার গহনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকবে। ক্রেতার কাছ থেকে ভ্যাট আলাদাভাবে আদায় করা যাবে না। মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলংকারের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। অলংকার ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে ঘোষিত বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।

রুমির হাতে ‘চড় খাওয়া’ সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
রুমির হাতে ‘চড় খাওয়া’ সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক শিশু শিক্ষার্থীকে (৭) যৌন নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক মো. মোসলেহ উদ্দিনের (মোসলেম আহম্মদ) জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অভিযুক্ত মোসলেহ উদ্দিন টঙ্গীর মধ্য আউচপাড়া এলাকার ‘ক্বারীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র উপাধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত আছেন। এদিকে, যৌন নিপীড়নের বিষয়টি জানতে পেরে ওই শিশুর অভিভাবক শাহজালাল রুমি অভিযুক্ত শিক্ষককে চড় মারেন। চড় দেওয়ার এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকের কাছে বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) ওই মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে নিজ কক্ষে যৌন হয়রানি করেন উপাধ্যক্ষ মোসলেহ উদ্দিন। এ সময় বিষয়টি কাউকে না জানাতে শিশুটিকে নানা ধরনের ভয়ভীতিও দেখানো হয়। পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারকে পুরো বিষয়টি খুলে বলে। পরদিন ২১ অক্টোবর (বুধবার) সকালে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মাদ্রাসায় গিয়ে ওই শিক্ষকের কাছে ঘটনার জবাবদিহি চান।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসায় জড়ো হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে মারধর করেন। খবর পেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় অভিযুক্ত মোসলেহ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) তাকে গাজীপুর আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে শিশু নির্যাতনের সত্যতা পাওয়া গেছে। পাশাপাশি গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুক্তভোগী শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে, শিক্ষকের ওপর হামলা, মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও টাকা লুটের অভিযোগে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও পাল্টা আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে কাজ করছে সরকার’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে কাজ করছে সরকার’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা ও আত্মমর্যাদা রক্ষায় সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে চায় সরকার। তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে ও সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণে কাজ করছে সরকার। রোববার (১৮ অক্টোবর) সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় পতাকা স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। পতাকার মান রক্ষা করা সব সৈনিকের দায়িত্ব।’
তারেক রহমান বলেন, ‘শুধু সামরিক সক্ষমতাই নয়, সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি, শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও জনগণের আস্থার মধ্য দিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ শৃঙ্খলা পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’ এর আগে, সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিনি গুলশানের নিজ বাড়ি থেকে সাভার সেনানিবাসে পৌঁছান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল। এ সময় তিনি উপস্থিত সেনাদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন। এরপরে তিনি সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করেন।