খুঁজুন
                               
, ,

নমিনেশন দিক বা না দিক রাঙ্গুনিয়ার গোলামী করে যাবো : হুমাম কাদের চৌধুরী

এম. মতিন, রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ১২:০১ অপরাহ্ণ
নমিনেশন দিক বা না দিক রাঙ্গুনিয়ার গোলামী করে যাবো : হুমাম কাদের চৌধুরী

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী বলেছেন, ‘অনেকেই অনেক কথা বলে, চৌধুরী পরিবারের আসল শক্তি হলো নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবর।’

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লিচু বাগান চত্বরে ১১নং চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়ন ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব করেন।

হুমাম কাদের চৌধুরী ‘নারায়ে তাকবির’ স্লোগানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘আমাকে নেতাকর্মীরা তাকবির দিতে বলা হচ্ছে। কিন্তু আমি বলছি, এটা শুধু আমার তাকবির নয়, এটা প্রতিটি মুসলমানের তাকবির। তবে এখন থেকে দুইটা স্লোগান দিতে হবে, ‘জিয়ার সৈনিক’ আর ‘নারায়ে তাকবির’।’

আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থিতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রার্থী যেই হোন না কেন, আমাদের দায়িত্ব একটাই—বিএনপির প্রার্থীকে জয়ী করে সংসদে পাঠানো। এজন্য আমার ও আমার দলের পাশে দাঁড়িয়ে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে আপনাদের। আমরা যদি একসাথে থাকি, একে অপরের পাশে দাঁড়াই, আমাদের হারানোর কেউ থাকবে না।’

এসময় বাবা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে হুমাম বলেন, ‘আজ আপনাদের দেখে মনে হলো আমি এতিম নই, আমি বাবা হারাইনি। আজ আমার পরিবার আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।’

বাবার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘রাঙ্গুনিয়ার মানুষ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ভুলে যাইনি, যেই ব্যাক্তি প্রথম বার বলেছিল ‘বাংলাদেশের জনগণ দিল্লির কাছে মাথা নত কোন সময় করবেনা। বাংলাদেশের মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরা ঠিক করবে। আমাদের কপাল খারাপ সেই মানুষটিকে শেখ হাসিনা হত্যা করে ফেললো। আজকে আমি সেই কথাটিকে একটু সংশোধন করে দিতে চাই, ‘রাঙ্গুনিয়ার মানুষ, রাঙ্গুনিয়ার ভবিষ্যৎ তারা নিজেরা ঠিক করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা যুবকেরা যারা এখানে এসেছেন, মুরব্বিদের একবার জিজ্ঞেস করেন, সকলে বলবে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ‘বাঘ ছিল বাঘ’, বাঘের গর্জন তাঁরা শুনেছে। আপনার যারা জোয়ান আছেন, আপনারা দেখেছেন, যে চৌধুরীর ছেলে মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করে, মাথা ঠান্ডা রেখে বক্তব্য রাখে। বহু হয়েছে ঠান্ডা, ঠান্ডা রাজনীতি, এখন গরম দেখাতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে নমিনেশন দিক বা না দিক, আমি দলে থাকি বা না থাকি, আমি বেঁচে থাকি বা না থাকি—ওয়াদা করে যাচ্ছি, আমার পরিবার সারাজীবন এই রাঙ্গুনিয়ার গোলামী করে যাবে।’

সম্প্রতিক ‘রাউজান না রাঙ্গুনিয়া’ স্লোগানের রেশ টেনে হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, ‘আপনারা যারা এখানে আছেন, বিএনপির প্রোগ্রামে গেলে আপনাদের ‘টিটকারি’ মারা হয়, ‘রাউজান না রাঙ্গুনিয়া’। আমি আজকে বলে যাচ্ছি, রাঙ্গুনিয়া, রাঙ্গুনিয়া, রাঙ্গুনিয়া। বলে যাচ্ছি, এখানে বাইরের মানুষদের রাজনীতি করার আর কোন সম্ভাবনা নেই। ‘বাবাজান’ আঠারো বছর বয়স থেকে আমি রাঙ্গুনিয়ার ভোটার। মোকাবিলা যদি করতে হয়, সামনাসামনি করো, টিটকারি যদি মারতে হয়, সামনাসামনি করে দেখো।’

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, ‘যদি মনে হয় বিএনপির কোনো নেতা আপনার কাছ থেকে চাঁদা চেয়েছে, তবে এর চেয়ে বড় অপরাধ আর কিছু হতে পারে না। এর শাস্তি আমি নিজেই দেব। দল হয়তো বহিষ্কার করবে, কিন্তু আমি খালি বহিষ্কার করব না—চোখে চোখ রেখে বলতে হবে কে চাঁদা চেয়েছে, তারপর পরিস্থিতি কী হবে আপনারাই জানবেন।’

তিনি বলেন, ‘অনেকেই বলে ভাইয়া চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমি বলছি, আমি একশন নেব না—আপনারাই ব্যবস্থা নেবেন। এটা আপনাদের দায়িত্ব।’

আওয়ামী লীগে মাথাচাড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আজকে এখানে বহু ধরনের ষড়যন্ত্র শোনচ্ছি, শোনচ্ছি আওয়ামী লীগ নাকি আবার গর্ত থেকে মাথা বের করেছে। বহুত সুযোগ সুবিধা নিয়েছে, আওয়ামী লীগের মানুষরা হঠাৎ করে দেখি, নদীরপাড়ে মুজিবকোট খুলে পাঞ্জাবি পড়ে আমাদের মাঝে চলে আসার চেষ্টা করছে। গত ১৬ বছর এত অত্যাচার করেছে আমাদের ওপরে, সবগুলো চেহারা আমরা চিনি। আওয়ামী কোট খুলে কোন লাভ হবেনা, কবরে পাঠানোর সময়ও ঐ আওয়ামী কোট পড়ে পাঠাবো। এই আওয়ামী লীগের ব্যাক্তিরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ‘সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর কবর রাঙ্গুনিয়াতে হবেনা’ আপনারা কি এদেরকে মাফ করবেন? ইনশাআল্লাহ বিচার সবকিছুর হবে, বিচার হতেই হবে।’

চন্দ্রঘোনা কদমতলী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম আনোয়ারুল হক বাবুল মাস্টারের সভাপতিত্বে এবং নাছের উদ্দিন, মো. ইরফান ও সাজ্জাদ হোসেন খোকার যৌথ সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য শওকত আলী নূর, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড. কামাল হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক নিজামুল হক চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক হাজী ইলিয়াস শিকদার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সি. সহসভাপতি ইউসুফ চৌধুরী, নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, ফজলুল করিম মিনা, মুহাম্মদ হোসেন চেয়ারম্যান, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, খোরশেদ আলম, একতিয়ার হোসেন, মসিহউল্লা, ওয়াকিল আহমদ, নাসির উদ্দীন নসু, ভিপি আনিছুর উদ্দিন, ফারুকুল ইসলাম, দিদারুল আলম, আবু বক্কর ও হেলাল উদ্দিন আহমেদসহ দলের বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ (বুধবার, ২২ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত! অনুমোদিত নতুন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে; স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে ‘বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প’। ১ হাজার ৪৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পটি ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিন জেলার গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২ হাজার ৮২ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প’ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৮ বিভাগের ৬৪ জেলার ৪৯৫টি উপজেলায় ৯১ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার পল্লী সড়ক নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পরিবারপ্রধান ৪৫ হাজার ৭৮০ জন দুঃস্থ নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অনুসন্ধান ও উৎপাদন কোম্পানি (বাপেক্স) এবং পেট্রোবাংলার উদ্যোগে ৭২৯ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘১টি মূল্যায়ন কূপ (বেগমগঞ্জ-৫) এবং ২টি অনুসন্ধান কূপ (বেগমগঞ্জ-৬ ও সুনেত্র-২) খনন’ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পটি সরকারি ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।

বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৭ সালের হজের জন্য তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার প্যাকেজগুলোর ঘোষণা দেন। এ সময় হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবার খাওয়া ও কোরবানিসহ তিনটি হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজের খরচ রাখা হয়েছে ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা এবং সর্বনিম্ন প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা।
হাব জানায়, তিনটি প্যাকেজের মধ্যে বিশেষ প্যাকেজ ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা, সাধারণ প্যাকেজ ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ও সাশ্রয়ী প্যাকেজ ৫ লাখ ১৩ হজার ৫৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর বিশেষ হজ প্যাকেজের খরচ ছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সাধারণ প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা এবং সাশ্রয়ী প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। সে হিসাবে এবার সাশ্রয়ী প্যাকেজের ব্যয় বেড়েছে ৩ হাজার ৫৪৫ টাকা। আর সাধারণ প্যাকেজের ব্যয় ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৭ হাজার টাকা বেশি। এ ছাড়া বিশেষ হজ প্যাকেজে ব্যয় বেড়েছে ৪১ হাজার ৬০ টাকা।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ২০২৭ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের ২টি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। হজ প্যাকেজ-১-এর খরচ ধরা হয়েছে ছয় লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী) এর খরচ ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ৬৪৮ টাকা।

প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ
প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

ভারতের মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা (নিটের) প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বিক্ষোভ গড়িয়েছে টানা তৃতীয় দিনে। সংঘাত ও বিক্ষোভের মধ্যেই বুধবার (২২ জুলাই) সরকারি সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় সরকার পার্লামেন্টে প্রশ্নফাঁস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে সরকারি সূত্রগুলো। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি সামনে আসার পরপরই সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সহিংসতার পর থেকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, সেদিনের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
এদিকে নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তাটি পড়ে শোনান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। প্রধানমন্ত্রীর বার্তা উদ্ধৃত করে কিরেন রিজিজু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এনডিএ শরিকদের সংসদের সব ধরনের কাজে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বিরোধী দলগুলোকে সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে দেশের ভবিষ্যৎ এবং যুবসমাজের কল্যাণে কাজ করা সব সংসদ সদস্যের যৌথ দায়িত্ব।’