খুঁজুন
                               
, ,

ধানের শীষের পক্ষে মুফতি সিরাজুল ইসলামের গণপ্রচারণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
ধানের শীষের পক্ষে মুফতি সিরাজুল ইসলামের গণপ্রচারণা

 আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের পক্ষে চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকায়  গণপ্রচারণা ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দিনব্যাপী চাঁদপুর সদর উপজেলার সফরমালী, বাংলা বাজার, কাজির বাজার, বউবাজার, কল্যান্দি আব্দুল খালেক পীরে কামেল (রহ.)-এর মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ, মিলিটারি বাজার ও বাবুরহাট বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
গণপ্রচারণা ও পথসভাগুলোতে নেতৃত্ব দেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুফতি সিরাজুল ইসলাম কাসেমী। তাঁর সাথে ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম চাঁদপুর জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের জেলা প্রচার সম্পাদক হাফেজ মাওলানা ওমর ফারুক বাদশা, যুব জমিয়তের আহ্বায়ক হাফেজ মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, মাওলানা নাজমুল হাসান, মাওলানা জাহিদুল ইসলাম, মাওলানা সাব্বির আহমদ, মাওলানা মুবারক হুসাইন, মাওলানা মাসুদুর রহমানসহ জমিয়ত ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
পথসভাগুলোতে বক্তারা বলেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য ও সংগ্রামী ইতিহাস। এই সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন ছারছিনার পীরে কামেল নেছার আহমেদ (রহ.), বাহাদুরপুরের পীর দুদুমিয়া সাহেব, শাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক (রহ.), শাইখে কুরিয়া ইমামবাড়ি সিলেট এবং মাসিক ‘মদিনা’-র সম্পাদক মাওলানা মহিউদ্দিন খান (রহ.)-এর মতো দেশবরেণ্য আলেম-ওলামা।
বক্তারা আরও বলেন, সেই ঐতিহ্যবাহী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম আজ ধানের শীষের পক্ষে মাঠে নেমেছে এবং গণতন্ত্র ও দেশরক্ষার স্বার্থে নির্বাচনী জোটবদ্ধ হয়েছে। বক্তারা মওদুদীবাদী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সতর্ক করে বলেন, দেশের শীর্ষ আলেম-ওলামা ও পীর-মাশায়েখরা ইতোমধ্যে দাঁড়িপাল্লার বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন। ছারছিনার পীর, বাহাদুরপুরের পীর, উজানির পীর, চরমোনাইয়ের পীর, জৈনপুরীর পীর এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী (হা.)সহ দেশের প্রখ্যাত ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এই বিষয়ে জাতির সামনে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।
বক্তারা আরো বলেন, কোনোভাবেই যেন মওদুদীবাদী জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনে জয়ী হতে না পারে সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
সভা থেকে সকল ভোটারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, আগামী ১২ তারিখ ফজরের পর সারিবদ্ধভাবে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিককে বিজয়ী করতে হবে।

‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে কাজ করছে সরকার’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে কাজ করছে সরকার’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা ও আত্মমর্যাদা রক্ষায় সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে চায় সরকার। তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে ও সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণে কাজ করছে সরকার। রোববার (১৮ অক্টোবর) সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় পতাকা স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। পতাকার মান রক্ষা করা সব সৈনিকের দায়িত্ব।’
তারেক রহমান বলেন, ‘শুধু সামরিক সক্ষমতাই নয়, সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি, শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও জনগণের আস্থার মধ্য দিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ শৃঙ্খলা পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’ এর আগে, সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিনি গুলশানের নিজ বাড়ি থেকে সাভার সেনানিবাসে পৌঁছান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল। এ সময় তিনি উপস্থিত সেনাদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন। এরপরে তিনি সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করেন।

দুই বছর পর স্বস্তি, টাকা পাচ্ছেন ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ
দুই বছর পর স্বস্তি, টাকা পাচ্ছেন ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকরা

দীর্ঘ দুই বছরের অনিশ্চয়তা আর ভোগান্তির পর স্বস্তি ফিরছে ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকদের মধ্যে। আজ থেকে আবারও স্বাভাবিকভাবে টাকা তুলতে পারছেন গ্রাহকরা। নেই আগের মতো নির্দিষ্ট অঙ্কের সীমাবদ্ধতা। দীর্ঘদিন নিজের জমানো টাকা তুলতে না পারার পর অর্থ হাতে পেয়ে খুশি গ্রাহকরা। ব্যাংক কর্মকর্তারাও বলছেন, গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিতে পেরে তারা সন্তুষ্ট। এখন প্রত্যাশা, ঘুরে দাঁড়াবে ন্যাশনাল ব্যাংক।
নিজের জমানো টাকা হাতে পাওয়ার স্বস্তি যেন গ্রাহকদের চোখেমুখে। দীর্ঘদিনের অপেক্ষা, অনিশ্চয়তা আর নানা দুশ্চিন্তার পর আবারও প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা তুলতে পারছেন তারা। কারও টাকা লাগবে সংসারের খরচে, কারও ব্যবসায়, আবার কারও জরুরি প্রয়োজনে। এত দিন এসব চাহিদা পূরণে ছিল নানা সীমাবদ্ধতা। এখন সেই পরিস্থিতির পরিবর্তনে স্বস্তি ফিরেছে গ্রাহকদের মধ্যে।
অনেকগুলো গ্রাহকের সাথে কথা বলেছে ঢাকা জার্নাল। তারা জানিয়েছে, ‘অনেক দিন পর নিজের টাকা তুলতে পেরে খুব ভালো লাগছে। আগে টাকা তুলতে গিয়ে নানা সমস্যায় পড়তে হতো। এখন টাকা তুলতে পারছি, এতে আমরা খুবই খুশি’।
গ্রাহকদের আস্থা ফেরানোই এখন ন্যাশনাল ব্যাংকের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ ব্যাংকিং ব্যবস্থার মূল ভিত্তি গ্রাহকের বিশ্বাস। সেই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে আমানতকারীদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা পরিশোধ এবং সেবার মান উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ন্যাশনাল ব্যাংকের বাংলামোটর শাখার ম্যানেজার মোহাম্মাদ দেলোয়ার হোসেন ঢাকা জার্নালকে বলেন, ‘গ্রাহকদের টাকা দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা চাই, গ্রাহকরা আবারও স্বাভাবিকভাবে ব্যাংকিং সেবা নিন এবং আমাদের ওপর আস্থা রাখুন’।
তবে এই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী করতে হলে শুধু টাকা উত্তোলনের সুযোগ চালু রাখাই যথেষ্ট নয়। নিয়মিত ব্যাংকিং সেবা, আমানতের নিরাপত্তা এবং গ্রাহকদের সঙ্গে স্বচ্ছ যোগাযোগ নিশ্চিত করাও জরুরি। গ্রাহকদের আস্থা ফিরে এলে তা ব্যাংকের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে পারে।
দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে নিজের জমানো টাকা তুলতে পারছেন ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকরা। এতে স্বস্তি ফিরলেও ব্যাংকটির সামনে এখন বড় দায়িত্ব, এই স্বাভাবিক লেনদেন ধরে রাখা এবং গ্রাহকদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা। গ্রাহকদের প্রত্যাশা, আবারও আগের অবস্থানে ফিরে আসবে ন্যাশনাল ব্যাংক। গ্রাহকের আস্থা আর স্বাভাবিক লেনদেনের ধারাবাহিকতাই পারে ন্যাশনাল ব্যাংককে ঘুরে দাঁড়ানোর পথে এগিয়ে নিতে।

হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধের ঘোষণা ইরানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ণ
হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধের ঘোষণা ইরানের

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সাম্প্রতিক সময়ে এই নৌপথে একাধিক তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। শনিবার (১৭ অক্টোবর) আইআরজিসির নৌবাহিনী জানায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো দেশের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোনো জাহাজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করলে কঠোর পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে সতর্ক করেছে বাহিনীটি।
এ ছাড়া মার্কিন সামরিক বাহিনীর সহায়তার ওপর নির্ভর করে জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করলেও বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এর আগে হরমুজ প্রণালিতে পানির নিচে থাকা মাইনের আঘাতে একটি বড় তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন লাগার খবর প্রকাশিত হয়। এর পরদিন সৌদি আরবের সমুদ্রসীমার কাছাকাছি এলাকায় আরও অন্তত দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।
পরপর এসব হামলা ও বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ এই সামুদ্রিক পথে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই প্রণালিটি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিল আইআরজিসি। পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যে এ নৌপথের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। এর মধ্য দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য জ্বালানি পরিবহন করা হয়। ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি তেলের দামেও ঊর্ধ্বগতির চাপ তৈরি হতে পারে। সূত্র:আল-জাজিরা, ইরনা