খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

অধ্যবসায়ের আলোয় উজ্জ্বল—একজন পেশাদার মানুষের অনুপ্রেরণার গল্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ
অধ্যবসায়ের আলোয় উজ্জ্বল—একজন পেশাদার মানুষের অনুপ্রেরণার গল্প

সমাজের অগ্রযাত্রায় শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই—এই চিরন্তন সত্য আবারও প্রমাণ করলেন দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের সিস্টেম ডেভলপার ও অনলাইন সংস্করণের মুখ্য কর্তাব্যক্তি উজ্জ্বল হোসাইন। কর্মব্যস্ততার মাঝেও নিজেকে জ্ঞানের আলোয় সমৃদ্ধ করে তিনি বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত গণমাধ্যম সাংবাদিকতায় মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এই অর্জন নিঃসন্দেহে ব্যক্তিগত গৌরবের পাশাপাশি পুরো চাঁদপুরবাসীর জন্যও এক অনুপ্রেরণার উৎস।
বর্তমান সময়ের বাস্তবতায় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকেই নিজেদের শিক্ষাজীবনকে আর এগিয়ে নিতে পারেন না। কিন্তু উজ্জ্বল হোসাইন প্রমাণ করেছেন—ইচ্ছাশক্তি, অধ্যবসায় এবং সময় ব্যবস্থাপনার সঠিক প্রয়োগ থাকলে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। একজন আইটি কর্মকর্তা হিসেবে চাঁদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালে দায়িত্ব পালন, একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা—এসবের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষায় এমন সাফল্য অর্জন সত্যিই প্রশংসনীয়।
শুধু পেশাগত জীবনেই নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। সাহিত্য একাডেমি, চাঁদপুরের নির্বাচিত নির্বাহী সদস্য হিসেবে সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক বিকাশে তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। একজন সুলেখক হিসেবে তাঁর চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতা সমাজকে আলোকিত করছে। পাশাপাশি চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের সাবেক সম্পাদক এবং ২০২৭-২০২৮ রোটারী বর্ষের নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে তাঁর নেতৃত্বগুণ ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড তাঁকে এক অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে।
এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য তাঁর পারিবারিক সহায়তা ও অনুপ্রেরণা। তাঁর সহধর্মিণী নাসরিন আক্তার একজন শিক্ষিকা এবং সমাজসেবী হিসেবেও পরিচিত। এমন একটি পরিবার, যেখানে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সমাজসেবার চর্চা একসঙ্গে বিকশিত হয়—সেখান থেকেই জন্ম নেয় এমন অসাধারণ সাফল্য।
উজ্জ্বল হোসাইনের এই অর্জন শুধু একটি ডিগ্রি অর্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি বার্তা—যে বার্তা তরুণ প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখতে শেখায়, সংগ্রাম করতে উদ্বুদ্ধ করে এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে উৎকর্ষ সাধনে অনুপ্রাণিত করে। বিশেষ করে গণমাধ্যম ও প্রযুক্তি খাতে যারা কাজ করছেন, তাদের জন্য এটি একটি দৃষ্টান্ত যে, পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি একাডেমিক জ্ঞান অর্জন কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
আমরা মনে করি, এমন সাফল্যকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত তুলে ধরলে তা অন্যদের মধ্যেও অনুপ্রেরণা জাগায়। উজ্জ্বল হোসাইনের এই কৃতিত্ব নতুন প্রজন্মকে জানাবে—নিজের অবস্থান যেখানেই হোক, চেষ্টা থাকলে সাফল্য অর্জন সম্ভব।
দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে জানানো আন্তরিক অভিনন্দন শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও গর্বের বহিঃপ্রকাশ। আমরা প্রত্যাশা করি, তিনি ভবিষ্যতেও তাঁর জ্ঞান, দক্ষতা ও সৃজনশীলতা দিয়ে সমাজ ও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
পরিশেষে বলা যায়, উজ্জ্বল হোসাইনের এই অর্জন একটি আলোকবর্তিকা—যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় প্রতিটি সাফল্যের পেছনে থাকে নিরলস পরিশ্রম, দৃঢ় মনোবল এবং স্বপ্ন পূরণের অদম্য আকাঙ্ক্ষা। তাঁর এই পথচলা হোক আরও উজ্জ্বল, আরও বিস্তৃত।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।