খুঁজুন
                               
, ,

শিশুদের কিভাবে ডিজিটাল প্রযুক্তির অপরাধপ্রবণতা থেকে দূরে রাখবো?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫, ৯:০৩ পূর্বাহ্ণ
শিশুদের কিভাবে ডিজিটাল প্রযুক্তির অপরাধপ্রবণতা থেকে দূরে রাখবো?

প্রযুক্তি কেড়ে নিয়েছে বর্তমান প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের স্বর্ণালি শৈশব। আধুনিকায়নের যুগে তৈরি হচ্ছে ডিজিটাল প্রজন্ম। ছেলেমেয়েদের শৈশবের দুরন্তপনা এখন প্রযুক্তির দেয়ালে বন্দি। যে বয়সে ছেলেমেয়েদের বাধাহীন জীবনযাপন, খেলার মাঠে ছুটে চলা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় মেতে ওঠার কথা, সে বয়সেই ছেলেমেয়েরা ঘরবন্দি থেকে স্মার্টফোনসহ প্রযুক্তিগত বিভিন্ন ডিভাইসের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে ক্রমেই পরিবর্তনে রূপ নিয়েছে ছেলেমেয়েদের বর্তমান শৈশব।
এদিকে শহরাঞ্চলে বিনোদন কেন্দ্র ও পর্যাপ্ত খেলার মাঠ না থাকায় অপরাধপ্রবণতা ক্রমেই বাড়ছে। অনেকে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে, শিশু-কিশোরদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে এক ধরনের হতাশা। প্রযুক্তির সহজলভ্যতা ও অপব্যবহার তরুণ প্রজন্মকে ক্রমশ বিপথগামিতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। শিশুবান্ধব পরিবেশ, পর্যাপ্ত খেলার মাঠ সংরক্ষণ ও পরিচর্যায় দায়িত্বশীল সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তা না হলে প্রযুক্তির করালগ্রাসে অচিরেই বর্তমান প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাবে। বর্তমান প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের বিনোদনের একমাত্র সঙ্গী হচ্ছে প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্র। বেশির ভাগ ছেলেমেয়েই এখন গেমিং আসক্ত হয়ে পড়েছে। মাত্রাতিরিক্ত গেমিংয়ে আসক্তির ফলে শিশু-কিশোরদের মধ্যে বাড়ছে নিঃসঙ্গতা ও একাকিত্বের অনুভূতি। শিশুদের মানসিক বিকাশ হচ্ছে বাধাগ্রস্ত। এ ছাড়া প্রযুক্তির মায়াজালে থাকতে থাকতে শিশু-কিশোরদের শরীরে বিভিন্ন রোগ বাসা বাঁধছে। খেলাধুলা না করাতে শিশুরা বাড়ছে স্থূলকায় শরীর নিয়ে। এ ছাড়া চোখে সমস্যা, নিদ্রাহীন, মাথাব্যথা ইত্যাদি বিভিন্ন রোগ এখন শিশু-কিশোরদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। ইন্টারনেটের সহজলভ্য ও পারিবারিক দৃঢ়তার অভাবে বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা প্রযুক্তির অপব্যবহারে মেতেছে। বর্তমানে অনেক বাবা-মা তাদের শিশু সন্তানকে শান্ত রাখতে স্মার্টফোনে বিভিন্ন ভিডিও বের করে দেখতে দেন। শিশুরা অনুকরণপ্রিয়, এভাবে সমাজে বেশির ভাগ পরিবারের শিশুদের মধ্যে প্রযুক্তি উপভোগ করার অভ্যাস গড়ে উঠছে। এ ছাড়া বাবা-মায়ের অগোচরেই বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা প্রযুক্তির অপব্যবহারে পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত হয়ে পড়ছে।
শুধু তা-ই নয়, প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সাইবার অপরাধ ও ফেসবুকে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছে অনেক শিশু-কিশোর। এ ছাড়া প্রায়ই বর্তমানে উঠতি বয়সী শিশু-কিশোরদের আত্মহত্যার খবর শোনা যাচ্ছে। প্রযুক্তির নেতিবাচক ব্যবহারের ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে সমাজে। বর্তমানে সমাজে প্রতিনিয়ত ঘটছে যৌন নির্যাতন, নিপীড়ন, ধর্ষণ ও খুনের মতো ঘটনা। শিশু-কিশোরদের বেড়ে ওঠার পেছনে পরিবারের সহযোগিতামূলক আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বর্তমানে বেশির ভাগ পরিবারে সন্তানের সঙ্গে সহযোগিতামূলক আচরণের অভাব দেখা যায়, যা সন্তানের জন্যে সুফল বয়ে আনে না। পিতা-মাতার অতিরিক্ত শাসন এবং বয়ঃসন্ধিকালে সঠিক পরিচর্যার অভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়ে একপর্যায়ে মাদকাসক্ত, খুন, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। তাই পরিবারের উচিত সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা এবং শৈশব থেকেই একজন শিশুর ভেতর মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার বীজ বুনে দেওয়া। সন্তানের শৈশবকে সুন্দর করতে অভিভাবকের ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি। আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষ্যৎ। তাই তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামিতার হাত থেকে রক্ষা করতে শিশু-কিশোরদের জন্যে পর্যাপ্ত বিনোদনের ব্যবস্থা, প্রযুক্তির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার রোধ ও শিশুদের মানসিক গঠনে পরিবারের সদস্যদের সচেতন হতে হবে। শিশুর সুন্দর জীবন ও ভবিষ্যতের জন্যে শিশুর শৈশবকে করে তুলতে হবে আরো আনন্দময়।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: এখনও নিখোঁজ ৫ জেলে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: এখনও নিখোঁজ ৫ জেলে

উত্তাল বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে বরগুনার পাথরঘাটার ‘এফবি বরকত’ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় এখনও পাঁচ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে আরও আট জেলেকে। নিখোঁজ জেলেদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে ট্রলার মালিক সমিতি। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে গভীর সমুদ্রে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া ট্রলারটির মালিক বরগুনার পাথরঘাটার আশরাফ কোম্পানি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চার দিন আগে ১৩ জন জেলে পাথরঘাটা থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যায় ‘এফবি বরকত’। গতকাল সোমবার বিকেলে সাগরে বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। পরে ডুবে যাওয়া ট্রলারের কাছাকাছি থাকা পাথরঘাটার অপর একটি মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা পানিতে ভাসতে থাকা আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া জেলেদের বরাত দিয়ে তারা ট্রলারডুবির বিষয়টি মালিকপক্ষকে জানান। এ ঘটনায় এখনো পাঁচ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের উদ্ধারে কাজ করছে ট্রলার মালিক সমিতি। নিখোঁজ পাঁচ জেলের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, ‘এফবি বরকত’ নামে একটি ট্রলার বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়ার খবর তারা অপর একটি ট্রলারের জেলেদের মাধ্যমে পেয়েছেন। খবর পাওয়ার পর ট্রলার ও জেলেদের উদ্ধারের জন্য ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বঙ্গোপসাগরে একটি ট্রলার পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া আট জেলেকে উপকূলে নিয়ে আসা হচ্ছে।