খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৫ আষাঢ়, ১৪৩৩

বিশ্বকাপে মেসির প্রথম হেট্টিক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপে মেসির প্রথম হেট্টিক

কানসাসের রাতটা যেন লিওনেল মেসির জন্যই সাজানো ছিল। বিশ্বকাপের মঞ্চে ষষ্ঠবার। আর্জেন্টিনার জার্সিতে ২০০তম ম্যাচ। আর সেই ম্যাচেই হ্যাটট্রিক। শুধু হ্যাটট্রিক নয়, সেই তিন গোলেই মিরোস্লাভ ক্লোসের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসালেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। আর আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু করল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
মেসির ক্যারিয়ারে বড় রাতের অভাব নেই। কিন্তু আলজেরিয়ার বিপক্ষে এই রাত অন্যরকম। ৩৮ বছর বয়সেও তিনি যেন সময়কে থামিয়ে রেখেছেন। ফুটবল তাঁকে যা দিতে পারত, প্রায় সবই দিয়েছে। বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা, ব্যালন ডি’অর, অসংখ্য রেকর্ড। তবু বড় মঞ্চে তাঁর ক্ষুধা কমেনি। কানসাসে সেই পুরোনো মেসিকেই দেখা গেল, যিনি বল পেলেই ম্যাচের ভাষা বদলে দিতে পারেন।
ম্যাচের শুরুতেই আর্জেন্টিনা গোল পেয়ে যাচ্ছিল। ৬ মিনিটে মেসি বল জালে পাঠান, কিন্তু অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। দুই মিনিট পর আলজেরিয়ার ফারেস চাইবিও দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল করেন। ভিএআরের সিদ্ধান্তে সেটিও অফসাইড। প্রথম ১০ মিনিটেই দুই দলের দুটি গোল বাতিল হওয়ায় ম্যাচে তৈরি হয় আলাদা উত্তেজনা।
তবে সেই উত্তেজনার কেন্দ্রে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করেননি মেসি। ১৭ মিনিটে রদ্রিগো দি পলের পাস পেয়ে জায়গা তৈরি করেন তিনি। এরপর বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে বল পাঠান জালে। আলজেরিয়া গোলরক্ষক লুকা জিদান ঝাঁপিয়েছিলেন, কিন্তু শটের দিক, গতি ও নিখুঁততা সামলাতে পারেননি। ২০০তম ম্যাচে মেসির প্রথম উদ্‌যাপন তখনই হয়ে যায়।
গোলের পর আর্জেন্টিনা আর তাড়াহুড়ো করেনি। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের মতোই ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করেছে তারা। এনজো ফের্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও দি পলের মাঝমাঠ বলের দখল ধরে রাখে। আলজেরিয়া কখনো কখনো পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করলেও এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে বড় পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি। বিরতিতে আর্জেন্টিনা এগিয়ে ছিল ১-০ গোলে।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গল্প আরও পরিষ্কার হয়ে যায়। ৬০ মিনিটে মেসির দ্বিতীয় গোল। ম্যাক অ্যালিস্টারের দূরপাল্লার শট ঠিকমতো ধরে রাখতে পারেননি লুকা জিদান। বল বক্সের ভেতরে সামনে পড়ে গেলে মেসি সবার আগে প্রতিক্রিয়া দেখান। ডান পায়ের ঠান্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন ২-০ করেন তিনি। বয়স তাঁর ৩৯ ছুঁইছুঁই, কিন্তু বক্সে প্রতিক্রিয়ার গতিতে তিনি এখনো অনেকের চেয়ে এগিয়ে।
এরপর ৭৬ মিনিটে আসে সেই মুহূর্ত, যা রাতটাকে ইতিহাসে পরিণত করে। মাঝমাঠ থেকে বল টেনে নিয়ে নিকোলাস গনসালেসের সঙ্গে পাস বিনিময় করেন মেসি। ফিরতি বল পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের শটে জালের কোণ খুঁজে নেন। এটাই তাঁর বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৬।
এই ১৬ গোল তাঁকে নিয়ে যায় মিরোস্লাভ ক্লোসের পাশে। জার্মানির সাবেক স্ট্রাইকার এত দিন এককভাবে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন। মেসি এখন সেই রেকর্ডে ভাগ বসালেন। আর একটি গোল করলেই তিনি এককভাবে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যাবেন।
মেসির এই রাত আরও বিশেষ, কারণ তিনি এখন পুরুষ বিশ্বকাপে ছয়টি আসরে মাঠে নামা বিরল ফুটবলারদের তালিকায় একক উচ্চতায়। ২০০৬ সালে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করেছিলেন। ২০১০-এ গোল পাননি, কিন্তু এরপর ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬ বিশ্বকাপে গোল করে চলেছেন। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকে পাঁচটি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করা ফুটবলারদের তালিকায়ও তাঁর অবস্থান আরও উজ্জ্বল হলো।
৮০ মিনিটে মেসিকে তুলে নেন লিওনেল স্কালোনি। পুরো স্টেডিয়াম দাঁড়িয়ে তাঁকে অভিবাদন জানায়। নিকো পাজ তাঁর জায়গায় নামেন, কিন্তু ম্যাচের গল্প তখন শেষ। বাকি সময় আর্জেন্টিনা নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে। রিয়াদ মাহরেজ নেমে আলজেরিয়ার আক্রমণে কিছুটা প্রাণ আনার চেষ্টা করলেও আর্জেন্টিনার রক্ষণ ভাঙতে পারেনি।
আর্জেন্টিনার জন্য জয়টা শুধু ভালো শুরু নয়, শক্ত বার্তাও। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা আবারও দেখাল, তারা শুধু মেসির আবেগের ওপর দাঁড়িয়ে নেই; দল হিসেবে পরিণত, মাঝমাঠে শক্ত, রক্ষণে সংগঠিত। তবে এমন রাতে সব আলো শেষ পর্যন্ত এক মানুষের ওপরই গিয়ে পড়ে।
মেসি আবার মেসিই রইলেন। সময়ের বিপক্ষে, বয়সের বিপক্ষে, যুক্তির বিপক্ষে দাঁড়িয়ে তিনি আরেকবার ইতিহাস লিখলেন। কানসাসের রাত তাই শুধু আর্জেন্টিনার জয় নয়। এটি মেসির আরেকটি অমর অধ্যায়।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।