খুঁজুন
                               
, ,

এক ম্যাচেই মেসির চার গিনেস রেকর্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১:২৬ অপরাহ্ণ
এক ম্যাচেই মেসির চার গিনেস রেকর্ড

লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ যেন এখন শুধুই রেকর্ড বাড়ানোর মঞ্চ। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে আর্জেন্টিনাকে শেষ ৩২-এ তোলার দিনে শুধু বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতাই হননি তিনি, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের হিসাবেও চারটি বড় বিশ্বকাপ রেকর্ডে নিজের নাম আরও উঁচুতে তুলেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
ডালাসে গ্রুপ ‘জে’-এর ম্যাচে অস্ট্রিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের দুই গোলই মেসির। ৩৮ মিনিটে প্রথম গোল করে তিনি মিরোস্লাভ ক্লোসের ১৬ গোলের রেকর্ড ছাড়িয়ে যান। যোগ করা সময়ে আরেক গোল করে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা নিয়ে যান ১৮-তে। এই জয়ে দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। অস্ট্রিয়া ম্যাচের পর গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের আলোচনায় মেসির চারটি বড় রেকর্ড উঠে এসেছে। গোল, জয়, ম্যাচ ও মিনিট—বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সূচকেই এখন তাঁর নাম সবার ওপরে। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলের আগে মেসি ছিলেন ক্লোসের পাশে। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে পুরুষদের বিশ্বকাপে ১৬ গোলে পৌঁছেছিলেন তিনি। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে প্রথম গোল তাকে ক্লোসের ওপরে তোলে, দ্বিতীয় গোল রেকর্ডটা আরও বাড়িয়ে দেয়।
মেসির বিশ্বকাপ গোল এখন ১৮। এতে তিনি শুধু পুরুষদের বিশ্বকাপে ক্লোসেকে ছাড়াননি, নারী-পুরুষ মিলিয়েও সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। ব্রাজিলের নারী ফুটবল কিংবদন্তি মার্তা বিশ্বকাপে করেছিলেন ১৭ গোল। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় গোলের পর মেসি সেই সংখ্যাটিও ছাড়িয়ে যান। তবে এই রেকর্ড পুরোপুরি নিরাপদ নয়। ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপে ১৬ গোলে পৌঁছেছেন। বয়স মাত্র ২৭। তাই মেসি এখন শীর্ষে থাকলেও এমবাপে তার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জার হয়ে উঠেছেন।
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জয় মেসির বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের ১৮তম জয়। এই রেকর্ডেও তিনি ছাড়িয়ে গেছেন ক্লোসেকে। জার্মান কিংবদন্তির বিশ্বকাপ জয় ছিল ১৭টি। ২০০২, ২০০৬, ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপ মিলিয়ে সেই রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। মেসির প্রথম বিশ্বকাপ জয় ২০০৬ সালে সার্বিয়া ও মন্টেনেগ্রোর বিপক্ষে। এরপর ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬—ছয় বিশ্বকাপজুড়ে জয় যোগ হতে থাকে। কাতার ২০২২-এ মেক্সিকো, পোল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, ক্রোয়েশিয়া ও ফ্রান্সের বিপক্ষে জয়ের পথ ধরে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন তিনি। ২০২৬ সালে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জয়ে সেই সংখ্যা এখন ১৮।
এই রেকর্ড মেসির দীর্ঘস্থায়িত্বের বড় প্রমাণ। শুধু অনেক বিশ্বকাপ খেলেছেন, তা নয়; প্রায় প্রতিটি আসরেই দলকে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিয়ে গেছেন। ২০১৪ সালে ফাইনাল, ২০২২ সালে শিরোপা, ২০২৬ সালে আবার নকআউট—একই খেলোয়াড়ের এমন ধারাবাহিকতা বিশ্বকাপ ইতিহাসে বিরল।
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড মেসি আগেই নিজের করেছিলেন। কাতার ২০২২ ফাইনালে জার্মানির লোথার ম্যাথিউসকে ছাড়িয়ে ২৬ ম্যাচে পৌঁছেছিলেন তিনি। ২০২৬ বিশ্বকাপে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে খেলে সেই সংখ্যা এখন ২৮। মেসির বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু ২০০৬ সালে। তখন তিনি ছিলেন তরুণ প্রতিভা। ২০১০ সালে খেলা গড়ার কারিগর, ২০১৪ সালে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তোলা অধিনায়ক, ২০১৮ সালে হতাশার আসর, ২০২২ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং ২০২৬ সালে রেকর্ডের পর রেকর্ড বাড়ানো অভিজ্ঞ মহাতারকা—মেসির ২৮ ম্যাচের ভেতরেই এক পূর্ণ ফুটবল-জীবনের গল্প আছে।
এই রেকর্ড শুধু উপস্থিতির নয়, প্রাসঙ্গিক থাকারও। অনেক ফুটবলার দীর্ঘ ক্যারিয়ার পান, কিন্তু এত বছর ধরে বিশ্বকাপের কেন্দ্রে থাকা অন্য ব্যাপার। মেসি সেই জায়গাটাই আলাদা করেছেন। ম্যাচ সংখ্যার মতো মিনিটের রেকর্ডেও মেসি সবার ওপরে। ২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালে তিনি ইতালির কিংবদন্তি ডিফেন্ডার পাওলো মালদিনিকে ছাড়িয়েছিলেন। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে প্রায় পুরো ম্যাচ খেলে মেসির মোট মিনিট এখন ২,৪৮৯।
এই রেকর্ড মেসির দীর্ঘ সময় সর্বোচ্চ পর্যায়ে টিকে থাকার আরেকটি দিক দেখায়। ৩৯-এর কাছাকাছি বয়সেও তিনি শুধু নামমাত্র মাঠে থাকছেন না; গোল করছেন, ম্যাচের ভাগ্য বদলাচ্ছেন, চাপ প্রয়োগে অংশ নিচ্ছেন, নিচে নেমে বল নিচ্ছেন। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি মিসের পরও জোড়া গোল করে তিনি দেখিয়েছেন, তার প্রভাব এখনো ম্যাচ-নির্ধারক।
মেসির জন্য অস্ট্রিয়া ম্যাচটি শুরু হয়েছিল হতাশায়। নবম মিনিটে পেনাল্টি মিস করেন তিনি। কিন্তু ৩৮ মিনিটে রেকর্ডগড়া গোল, পরে যোগ করা সময়ে আরেক গোল—এই ঘুরে দাঁড়ানোই তার বিশ্বকাপ জীবনের প্রতীক। ভুল হতে পারে, কিন্তু শেষ কথা লেখার ক্ষমতা এখনো তাঁর আছে।
চলতি বিশ্বকাপে দুই ম্যাচে মেসির গোল ৫টি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক, অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল। আর্জেন্টিনার সব গোলই এসেছে তার পা থেকে। সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়েও তিনি আপাতত সামনে, যদিও এমবাপে ও আর্লিং হলান্ড খুব কাছেই আছেন।

মহারাষ্ট্রের বিশেষ সম্মাননা পেলেন রানি মুখার্জি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৪ অপরাহ্ণ
মহারাষ্ট্রের বিশেষ সম্মাননা পেলেন রানি মুখার্জি

বলিউডে দীর্ঘ অভিনয়জীবনের স্বীকৃতি হিসেবে বিশেষ সম্মাননা পেলেন অভিনেত্রী রানি মুখার্জি। ৬২তম মহারাষ্ট্র রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ‘রাজ কাপুর স্পেশাল কন্ট্রিবিউশন অ্যাওয়ার্ড’। ভারতীয় চলচ্চিত্রে প্রায় তিন দশক ধরে অবদানের জন্য রানিকে এই বিশেষ পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়। মুম্বাইয়ে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী সাজে হাজির হয়ে নজর কাড়েন অভিনেত্রী। সবুজ শাড়িতে লাল পাড়, মাথায় গাজরা ও গলায় মঙ্গলসূত্র—সব মিলিয়ে রানির সাজে ছিল বাঙালি-ভারতীয় ঐতিহ্যের ছোঁয়া।
পুরস্কার গ্রহণের পর মঞ্চে বক্তব্য দিতে উঠে উপস্থিত সবাইকে চমকে দেন রানি। পুরো বক্তব্যই তিনি দেন মারাঠি ভাষায়। তার এই উদ্যোগ অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা পায়। বক্তব্যে মুম্বাইয়ের সঙ্গে নিজের গভীর সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন রানি। তিনি জানান, এই শহরেই তার জন্ম এবং এখান থেকেই গড়ে উঠেছে তার চলচ্চিত্রজীবন। সাফল্যের পাশাপাশি ব্যর্থতাকে কীভাবে সামলাতে হয়, জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা মুম্বাই থেকেই পেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মহারাষ্ট্রে মারাঠি ভাষা ও স্থানীয় সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নানা আলোচনা চলছে। এমন সময়ে পুরস্কার মঞ্চে রানির সাবলীল মারাঠি বক্তব্য বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।
অনুষ্ঠানে রানি মুখার্জির পাশাপাশি বিনোদন জগতের আরও কয়েকজন প্রবীণ ও গুণী ব্যক্তিত্বকেও বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।

পুজোর আগে ত্বকের যত্নে জরুরি যে ৪ বিষয়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩১ অপরাহ্ণ
পুজোর আগে ত্বকের যত্নে জরুরি যে ৪ বিষয়

দুর্গাপুজো মানেই নতুন পোশাক, সাজগোজ, ঠাকুর দেখা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর প্যান্ডেল হপিং। পুজোর কয়েক দিনে বদলে যায় দৈনন্দিন রুটিনও। রাত জাগা, দীর্ঘ সময় বাইরে থাকা, নিয়মিত মেকআপ করা এবং অনিয়মিত খাওয়াদাওয়ার প্রভাব পড়ে ত্বকে। তাই পুজোর সাজে মুখের জেল্লা ধরে রাখতে আগে থেকেই ত্বকের যত্নে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি।
পর্যাপ্ত জল ও ঘুম
পুজোর ব্যস্ততায় অনেকেই পর্যাপ্ত জল খাওয়া ও ঘুমের বিষয়টি ভুলে যান। দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলেও নিয়ম করে জল পান করতে হবে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমও জরুরি।
অতিরিক্ত মিষ্টি ও বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রেও সংযমী হওয়া ভালো। বেশি চিনি কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ত্বকের প্রদাহ বা ব্রণের সমস্যা বাড়াতে পারে। তবে পুজোয় মিষ্টি পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই, শুধু পরিমাণের দিকে নজর রাখলেই হবে।
মেকআপ ব্যবহারে সতর্কতা
পুজোর সাজে মেকআপ থাকবেই। তবে ত্বকের ধরন বুঝে প্রসাধনী বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
শুষ্ক ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজ়িং বা ক্রিমভিত্তিক প্রসাধনী, তৈলাক্ত ও ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য নন-কমেডোজেনিক মেকআপ এবং সংবেদনশীল ত্বকের জন্য কম জ্বালাপোড়া তৈরি করে এমন প্রসাধনী ব্যবহার করা যেতে পারে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মেকআপ করে কখনও ঘুমিয়ে পড়া যাবে না। বাইরে থেকে ফিরে ভালোভাবে মেকআপ তুলে মুখ পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজ়ার ব্যবহার করা উচিত।
হঠাৎ নতুন স্কিন কেয়ার নয়
পুজোর ঠিক আগে নতুন কোনও স্কিন কেয়ার পণ্য ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকাই ভালো। নতুন সিরাম, ক্রিম বা সক্রিয় উপাদানযুক্ত পণ্য হঠাৎ ব্যবহার করলে কারও কারও ত্বকে অস্বস্তি, শুষ্কতা কিংবা ব্রণের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তাই পুজোর সময় ত্বক যে পরিচর্যায় অভ্যস্ত, সেটিই নিয়মিত চালিয়ে যাওয়া ভালো। সাধারণভাবে ক্লিনজ়ার, ময়েশ্চারাইজ়ার ও সানস্ক্রিন—এই তিনটি ধাপকে গুরুত্ব দেওয়া যায়।
নতুন ট্রিটমেন্টে সতর্ক থাকুন
পুজোর আগে ত্বকে নতুন কোনও বিশেষ চিকিৎসা বা ট্রিটমেন্ট করানোর ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কেমিক্যাল পিল, লেজার বা মাইক্রোনিডলিংয়ের মতো কিছু পদ্ধতির পর ত্বকে সাময়িক লালচে ভাব, খসখসে হওয়া বা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
তাই পুজোর ঠিক আগে প্রথমবার এমন কোনও ট্রিটমেন্ট না করিয়ে প্রয়োজন হলে আগেই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
সব মিলিয়ে পুজোর সময় ত্বক ভালো রাখতে অনেক ধাপের স্কিন কেয়ার রুটিনের প্রয়োজন নেই। পর্যাপ্ত জল পান, ভালো ঘুম, সুষম খাবার, সানস্ক্রিন ব্যবহার, নিয়মিত ত্বকের পরিচর্যা এবং ঘুমানোর আগে মেকআপ ভালোভাবে পরিষ্কার করাই হতে পারে সুন্দর ও সতেজ ত্বকের সহজ নিয়ম।
সূত্র: এই সময়

তীব্র গরমে স্বস্তি পেতে যেসব খাবার খাবেন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২৩ অপরাহ্ণ
তীব্র গরমে স্বস্তি পেতে যেসব খাবার খাবেন

কয়েক দিন ধরেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় গরম বেড়েছে। বিশেষ করে দিনের বেলায় অস্বস্তিকর গরমে ঘাম ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। এমন আবহাওয়ায় শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করার পাশাপাশি খাবারের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।
গরমে শরীরকে স্বস্তিতে রাখতে খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন পানি ও পুষ্টি সমৃদ্ধ কিছু খাবার। চলুন জেনে নেওয়া যাক—
টকজাতীয় ফল
লেবু, বাতাবিলেবু, মালটা ও কমলালেবুর মতো সাইট্রাস ফলে পানি ও ভিটামিন সি থাকে। গরমের দিনে এসব ফল খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। তেঁতুলও খেতে পারেন। তবে ফলের জুসের চেয়ে পুরো ফল খাওয়াই ভালো, কারণ এতে আঁশও পাওয়া যায়।
দই
গরমে দই হতে পারে ভালো একটি খাবার। এতে পানি, প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি উপকারী ব্যাকটেরিয়া বা প্রোবায়োটিক থাকে। দই বা লাচ্ছি শরীরে তরল যোগাতেও সহায়তা করতে পারে। তবে অতিরিক্ত চিনি মিশিয়ে খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো।
পেঁয়াজ
গরমের খাবারের সঙ্গে কাঁচা পেঁয়াজ অনেকেরই পছন্দ। এতে পানির পরিমাণও রয়েছে। সালাদ হিসেবে অন্যান্য সবজির সঙ্গে পেঁয়াজ খেতে পারেন।
পান্তা ভাত
বাঙালির পরিচিত খাবার পান্তা ভাতেও পানির পরিমাণ বেশি থাকে। গরমের দিনে এটি খেলে খাবারের মাধ্যমে কিছুটা তরল পাওয়া যায়। তবে পান্তা ভাত তৈরিতে পরিষ্কার পানি ব্যবহার এবং খাবারটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা জরুরি।
সবুজ শাকসবজি
পালং, লালশাক, পুঁইশাকসহ বিভিন্ন সবুজ শাকসবজিতে পানি, ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। তাই গরমের দিনে খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত শাকসবজি রাখা যেতে পারে।
শুধু খাবার নয়, পানি পানও জরুরি
গরমে শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়। তাই তৃষ্ণা না পেলেও নিয়মিত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত মিষ্টি কোমল পানীয়ের পরিবর্তে পানি, ডাবের পানি বা কম চিনি দেওয়া পানীয় খাওয়া উত্তম। বিশেষ করে বাইরে দীর্ঘ সময় থাকলে পানিশূন্যতার লক্ষণ- অতিরিক্ত তৃষ্ণা, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা বা প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া দেখা দিলে দ্রুত বিশ্রাম নিয়ে তরল গ্রহণ করা উচিত।
তবে খাবার খেলেই শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে এমন নয়। প্রচণ্ড গরমে সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলা, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ঠান্ডা পরিবেশে বিশ্রাম নেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।