খুঁজুন
                               
, ,

খেজুর আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১:৪৫ অপরাহ্ণ
খেজুর আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী?

স্বাস্থ্যকর উপায়ে মিষ্টি খেতে চাইলে খেজুর খেতে পারেন। কারণ এটি খেতে মিষ্টি স্বাদের ঠিকই, কিন্তু এতে ক্যালোরি থাকে কম। খেজুর নামের এই পুষ্টিকর ফল প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে সমৃদ্ধ যা অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে আসে। নিয়মিত খেজুর খাওয়ার অভ্যাস করলে সুস্থ থাকা সহজ হবে। এই ফলে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, কপার, ম্যাঙ্গানিজ এবং বি ভিটামিন সহ প্রয়োজনীয় পুষ্টি রয়েছে। এছাড়া আছে ফাইবার এবং প্রাকৃতিক শর্করা। চলুন জেনে নেওয়া যাক, খেজুর কতটা উপকারী-
ফাইবারের চমৎকার উৎস
৩.৫ আউন্স খেজুরে প্রায় ৭ গ্রাম ফাইবার থাকে, যা হজমের স্বাস্থ্যের জন্য দুর্দান্ত। এই ফাইবার নিয়মিত মলত্যাগে সাহায্য করে, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে এবং সুস্থ অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমে অবদান রাখে।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর
খেজুর শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যার মধ্যে রয়েছে ফ্ল্যাভোনয়েড, ক্যারোটিনয়েড এবং ফেনোলিক অ্যাসিড। এই যৌগগুলো প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং কোষকে ফ্রি র‍্যাডিক্যাল ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে, যা দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমায়।
প্রাকৃতিক শ্রম বৃদ্ধি করতে পারে
গবেষণায় দেখা গেছে যে, গর্ভাবস্থার শেষ সপ্তাহগুলোতে খেজুর খেলে তা প্রসব বেদনা কমাতে সাহায্য করে। খেজুর সার্ভিকাল প্রসারণে সাহায্য করে, যে কারণে সঠিক সময়ে সন্তান প্রসব সহজ হয়।
প্রাকৃতিক মিষ্টি
খেজুর পরিশোধিত চিনির একটি চমৎকার ও স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে। এর প্রাকৃতিক মিষ্টিতে ফাইবার এবং পুষ্টির অতিরিক্ত সুবিধা রয়েছে, যা বেকিং, স্মুদি বা প্রাকৃতিক সিরাপ হিসাবে একটি দুর্দান্ত বিকল্প হতে পারে।
মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টবিশেষ করে ফ্ল্যাভোনয়েড, মস্তিষ্কের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে বলে প্রমাণিত হয়েছে। নিয়মিত খেজুর খেলে তা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতে এবং নিউরোডিজেনারেটিভ রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
প্রাকৃতিক শক্তি বৃদ্ধি
গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং সুক্রোজের মতো প্রাকৃতিক শর্করা থাকায় খেজুর শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। বিশেষ করে ওয়ার্কআউটের আগে নাস্তা হিসেবে এটি খেতে পারেন। প্রক্রিয়াজাত চিনির নেতিবাচক প্রভাব ছাড়াই দ্রুত এবং টেকসই শক্তি বৃদ্ধি করতে চাইলে খেজুর খেতে পারেন।
হাড়ের স্বাস্থ্য উন্নত করে
খেজুরে হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু খনিজ পদার্থ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং ক্যালসিয়াম। নিয়মিত খেজুর খেলে তা হাড়কে শক্তিশালী করতে এবং অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে
মিষ্টি হওয়া সত্ত্বেও খেজুরের গ্লাইসেমিক সূচক কম থাকে, যার অর্থ এটি রক্তে শর্করার দ্রুত বৃদ্ধি ঘটায় না। উচ্চ ফাইবারযুক্ত উপাদান চিনির শোষণকে ধীর করতে সাহায্য করে।

‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে কাজ করছে সরকার’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে কাজ করছে সরকার’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা ও আত্মমর্যাদা রক্ষায় সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে চায় সরকার। তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে ও সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণে কাজ করছে সরকার। রোববার (১৮ অক্টোবর) সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় পতাকা স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। পতাকার মান রক্ষা করা সব সৈনিকের দায়িত্ব।’
তারেক রহমান বলেন, ‘শুধু সামরিক সক্ষমতাই নয়, সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি, শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও জনগণের আস্থার মধ্য দিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ শৃঙ্খলা পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’ এর আগে, সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিনি গুলশানের নিজ বাড়ি থেকে সাভার সেনানিবাসে পৌঁছান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল। এ সময় তিনি উপস্থিত সেনাদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন। এরপরে তিনি সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করেন।

দুই বছর পর স্বস্তি, টাকা পাচ্ছেন ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ
দুই বছর পর স্বস্তি, টাকা পাচ্ছেন ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকরা

দীর্ঘ দুই বছরের অনিশ্চয়তা আর ভোগান্তির পর স্বস্তি ফিরছে ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকদের মধ্যে। আজ থেকে আবারও স্বাভাবিকভাবে টাকা তুলতে পারছেন গ্রাহকরা। নেই আগের মতো নির্দিষ্ট অঙ্কের সীমাবদ্ধতা। দীর্ঘদিন নিজের জমানো টাকা তুলতে না পারার পর অর্থ হাতে পেয়ে খুশি গ্রাহকরা। ব্যাংক কর্মকর্তারাও বলছেন, গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিতে পেরে তারা সন্তুষ্ট। এখন প্রত্যাশা, ঘুরে দাঁড়াবে ন্যাশনাল ব্যাংক।
নিজের জমানো টাকা হাতে পাওয়ার স্বস্তি যেন গ্রাহকদের চোখেমুখে। দীর্ঘদিনের অপেক্ষা, অনিশ্চয়তা আর নানা দুশ্চিন্তার পর আবারও প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা তুলতে পারছেন তারা। কারও টাকা লাগবে সংসারের খরচে, কারও ব্যবসায়, আবার কারও জরুরি প্রয়োজনে। এত দিন এসব চাহিদা পূরণে ছিল নানা সীমাবদ্ধতা। এখন সেই পরিস্থিতির পরিবর্তনে স্বস্তি ফিরেছে গ্রাহকদের মধ্যে।
অনেকগুলো গ্রাহকের সাথে কথা বলেছে ঢাকা জার্নাল। তারা জানিয়েছে, ‘অনেক দিন পর নিজের টাকা তুলতে পেরে খুব ভালো লাগছে। আগে টাকা তুলতে গিয়ে নানা সমস্যায় পড়তে হতো। এখন টাকা তুলতে পারছি, এতে আমরা খুবই খুশি’।
গ্রাহকদের আস্থা ফেরানোই এখন ন্যাশনাল ব্যাংকের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ ব্যাংকিং ব্যবস্থার মূল ভিত্তি গ্রাহকের বিশ্বাস। সেই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে আমানতকারীদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা পরিশোধ এবং সেবার মান উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ন্যাশনাল ব্যাংকের বাংলামোটর শাখার ম্যানেজার মোহাম্মাদ দেলোয়ার হোসেন ঢাকা জার্নালকে বলেন, ‘গ্রাহকদের টাকা দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা চাই, গ্রাহকরা আবারও স্বাভাবিকভাবে ব্যাংকিং সেবা নিন এবং আমাদের ওপর আস্থা রাখুন’।
তবে এই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী করতে হলে শুধু টাকা উত্তোলনের সুযোগ চালু রাখাই যথেষ্ট নয়। নিয়মিত ব্যাংকিং সেবা, আমানতের নিরাপত্তা এবং গ্রাহকদের সঙ্গে স্বচ্ছ যোগাযোগ নিশ্চিত করাও জরুরি। গ্রাহকদের আস্থা ফিরে এলে তা ব্যাংকের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে পারে।
দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে নিজের জমানো টাকা তুলতে পারছেন ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকরা। এতে স্বস্তি ফিরলেও ব্যাংকটির সামনে এখন বড় দায়িত্ব, এই স্বাভাবিক লেনদেন ধরে রাখা এবং গ্রাহকদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা। গ্রাহকদের প্রত্যাশা, আবারও আগের অবস্থানে ফিরে আসবে ন্যাশনাল ব্যাংক। গ্রাহকের আস্থা আর স্বাভাবিক লেনদেনের ধারাবাহিকতাই পারে ন্যাশনাল ব্যাংককে ঘুরে দাঁড়ানোর পথে এগিয়ে নিতে।

হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধের ঘোষণা ইরানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ণ
হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধের ঘোষণা ইরানের

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সাম্প্রতিক সময়ে এই নৌপথে একাধিক তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। শনিবার (১৭ অক্টোবর) আইআরজিসির নৌবাহিনী জানায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো দেশের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোনো জাহাজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করলে কঠোর পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে সতর্ক করেছে বাহিনীটি।
এ ছাড়া মার্কিন সামরিক বাহিনীর সহায়তার ওপর নির্ভর করে জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করলেও বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এর আগে হরমুজ প্রণালিতে পানির নিচে থাকা মাইনের আঘাতে একটি বড় তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন লাগার খবর প্রকাশিত হয়। এর পরদিন সৌদি আরবের সমুদ্রসীমার কাছাকাছি এলাকায় আরও অন্তত দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।
পরপর এসব হামলা ও বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ এই সামুদ্রিক পথে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই প্রণালিটি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিল আইআরজিসি। পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যে এ নৌপথের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। এর মধ্য দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য জ্বালানি পরিবহন করা হয়। ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি তেলের দামেও ঊর্ধ্বগতির চাপ তৈরি হতে পারে। সূত্র:আল-জাজিরা, ইরনা