খুঁজুন
                               
, ,

বিশ্ববাজারে চার সপ্তাহে সর্বোচ্চ জ্বালানি তেলের দাম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
বিশ্ববাজারে চার সপ্তাহে সর্বোচ্চ জ্বালানি তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া হামলা পাল্টা হামলার জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে চার সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। অপরিশোধিত তেল সরবরাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে বড় ধরনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ বাজার পরিস্থিতি অনুসারে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার বা ১ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৮৪ দশমকি ৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমকি ৭০ ডলার বা ২ দশমকি ২ শতাংশ বেড়ে ৭৯ দশমিক ৮৪ ডলারে পৌঁছেছে।
এর আগে গত সেশনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক লাফে ৯ দশমকি ৬ শতাংশ বেড়েছিল, যা ২০২০ সালের মে মাসের পর থেকে তেলের মূল্যের সর্বোচ্চ দৈনিক বৃদ্ধির রেকর্ড। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নতুন করে নৌ অবরোধ পুনর্বহাল করার পর বাজারে এই অস্থিরতা তৈরি হয়। একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী সমস্ত বাণিজ্যিক কার্গো বা পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ হারে বিশেষ শুল্ক আরোপের বিতর্কিত প্রস্তাব দিয়েছেন। মার্কিন ও ইরানি সামরিক বাহিনীর মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া দফায় দফায় হামলা ও পাল্টা হামলার পরই ওয়াশিংটন এই কঠোর পদক্ষেপ নেয়, যা আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহের চেইনে মারাত্মক অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার এই বিষয়ে জানান, আমেরিকার নতুন অবরোধ এবং ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া বিশ্ববাজারে বড় ধরনের নতুন ঝুঁকি ইনজেক্ট বা যুক্ত করেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালি এখনও পুরোপুরি বন্ধ না হলেও দুই দেশের যুদ্ধ মনোভাবের কারণে তেল সরবরাহের ভবিষ্যৎ চিত্র সংকটের মুখে পড়েছে। এই সংঘাতের জেরে বর্তমানে হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক তেলবাহী ট্যাংকার ও জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে ধীর হয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক তথ্য অনুযায়ী, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে তেলবাহী জাহাজের যাতায়াত কমে গত দুই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে। ফিলিপ নোভার বাজার বিশ্লেষক প্রিয়াংকা সাচদেবা বলেন, বিশ্ব বাজারের জন্য সবচেয়ে বড় ভীতি হলো হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে তেলের বাস্তব বা ভৌত চলাচল স্বাভাবিক থাকে কি না। যদি ট্যাংকার চলাচলে কোনো বড় ধরনের দীর্ঘমেয়াদি বাধা বা রপ্তানি প্রবাহে বিঘ্ন ঘটে, তবে জ্বালানি তেলের দাম আরও এক দফা বাড়তে পারে।
এর মধ্যেই ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী সৌদি আরবের ওপর আকস্মিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোয় মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলো থেকে তেল সরবরাহে নতুন করে বড় ধরনের ঝুঁকির সৃষ্টি হয়েছে।

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫২ পূর্বাহ্ণ
ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ

নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠান ‘গ্রামীণ কল্যাণ’-কে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতেই হবে। এ বিষয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে এবং রায়ে আগামী তিন অর্থবছরের মধ্যে এই বকেয়া অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের বিচারকদের স্বাক্ষরের পর রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়। এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর গ্রামীণ কল্যাণকর্তৃক দায়ের করা দুটি রিট আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির কাছে এনবিআরের দাবি করা কর আদায়ের ক্ষেত্রে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পুনর্বমূল্যায়নের পর ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ করবর্ষ পর্যন্ত পাঁচ বছরের আয়কর দাবিকে চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট আবেদন করেছিল গ্রামীণ কল্যাণ। প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টের একটি নতুন বেঞ্চে দীর্ঘ শুনানি শেষে রুলগুলো খারিজ করা হয়।
গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী খাজা তানভীর জানান, এনবিআরের কর দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করা হলেও আদালত তা খারিজ করে দেওয়ায় এনবিআরের দাবিই বহাল রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের ৪ অক্টোবর এসংক্রান্ত একটি রায় স্বতঃপ্রণোদিতভাবে প্রত্যাহার করে মামলাটি নতুন বেঞ্চে পাঠানো হয়েছিল, যেখানে শুনানির পর রিট আবেদনটি খারিজ হয়।

সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ
সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। একই সঙ্গে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের জারি করা কঠোর নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
গতকাল রোববার (১১ অক্টোবর) রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষভাবে সতর্ক করে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে যেকোনো ধরনের তথ্য, ছবি বা ভিডিও ধারণ, আদান-প্রদান কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা সৌদি আইনে একটি দণ্ডনীয় বা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ কারণে পরিস্থিতি-সংশ্লিষ্ট কোনো সংবেদনশীল তথ্য, ছবি বা ভিডিও ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স (সাবেক টুইটার)সহ কোনো মাধ্যমেই প্রচার বা মোবাইলে সংরক্ষণ না করার জন্য কঠোরভাবে অনুরোধ জানিয়েছে দূতাবাস। পাশাপাশি প্রবাসীদের যেকোনো ঝুঁকিপূর্ণ ও জনবহুল স্থান এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরব প্রবাসী বাংলাদেশিদের যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে দূতাবাসের নির্ধারিত হটলাইন নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার জন্য বলা হয়েছে। নম্বরগুলো হলো:
শ্রমসংক্রান্ত টোল-ফ্রি নম্বর: ৮০০১০০০১২৫
পাসপোর্টসংক্রান্ত টোল-ফ্রি নম্বর: ৮০০১০০০১২৬
ডিপ্লোম্যাটিক উইংয়ের নম্বর: ৮০০১০০০১২৮
মৃত্যু-সংক্রান্ত জরুরি প্রয়োজনে: +৯৬৬৫৬৭০২১১৮০
এছাড়া যেকোনো ধরনের গুজব বা বিভ্রান্তি এড়াতে রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের অফিসিয়াল ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ নিয়মিত অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সীমান্ত এলাকায় মোতায়েন হচ্ছে ১০ হাজার বিজিবি সদস্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সীমান্ত এলাকায় মোতায়েন হচ্ছে ১০ হাজার বিজিবি সদস্য

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে সীমান্ত সংলগ্ন এবং ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের নিকটবর্তী ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সীমান্ত এলাকায় বিশেষ নজরদারিসহ সার্বিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিজিবি সদর দপ্তরের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত মণ্ডপগুলো এবং ব্যাটালিয়ন সদরের কাছাকাছি এলাকার পূজামণ্ডপগুলোতে বিজিবি নিরাপত্তা সহায়তা দেবে। পাশাপাশি দুর্গম ও দূরবর্তী অঞ্চলগুলোতে দ্রুত টহল ও তাৎক্ষণিক সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজধানীতে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহবুব মুর্শেদ রহমান জানান, সরকারি নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদার আলোকে ঢাকার দায়িত্বের পরিধি নির্ধারিত হবে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নিরাপত্তা জোরদারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যেন সম্পূর্ণ নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে বাহিনীর পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।