খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

চাঁদপুরে পাবলিক টয়লেট এখন পরিত্যক্ত আস্তাবলে, চরম ভোগান্তিতে মানুষ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৯:০০ পূর্বাহ্ণ
চাঁদপুরে পাবলিক টয়লেট এখন পরিত্যক্ত আস্তাবলে, চরম ভোগান্তিতে মানুষ

চাঁদপুর শহরের অন্যতম ব্যস্ত এলাকা ডব্লিউ রহমান জুট মিলের সামনের চিত্রটি এখন এক ভয়াবহ জনদুর্ভোগের প্রতিচ্ছবি। জনসাধারণের সুবিধার্থে নির্মিত পৌরসভার পাবলিক টয়লেটটি দীর্ঘদিনের অবহেলা, অব্যবস্থাপনা আর রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এখন কার্যত একটি পরিত্যক্ত স্থাপনায় পরিণত হয়েছে। এক সময়ের পরিচ্ছন্ন এই স্থাপনাটি এখন ময়লা-আবর্জনা আর দুর্গন্ধের ভাগাড়ে রূপ নেয়ায় প্রতিদিন চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে হাজার হাজার পথচারী, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষকে।
সরেজমিনে এলাকাটি ঘুরে দেখা যায়, পাবলিক টয়লেটটির বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। স্থাপনার দেয়ালগুলো শ্যাওলা ধরে কালচে হয়ে গেছে, অনেক জায়গায় পলেস্তারা খসে পড়ছে। প্রবেশপথের অবস্থা এতটাই নাজুক যে, ময়লা-আবর্জনা ও মাটির স্তূপ ডিঙিয়ে ভেতরে প্রবেশ করা প্রায় অসম্ভব। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, টয়লেটের কোনো দরজাই অবশিষ্ট নেই। ভাঙাচোরা কাঠামো আর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে এটি এখন ব্যবহারের উপযোগিতা সম্পূর্ণ হারিয়েছে। পর্যাপ্ত পানি বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কোনো চিহ্ন সেখানে নেই। ডব্লিউ রহমান জুট মিল এলাকাটি অত্যন্ত জনবহুল। এখানে প্রতিদিন শত শত শ্রমিক কাজ করেন। এছাড়া অটোরিকশা চালক, স্থানীয় দোকান কর্মচারী এবং দূরপাল্লার যাত্রীদের আনাগোনা থাকে সবসময়। টয়লেটটি ব্যবহার অনুপযোগী হওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ।
স্থানীয় অটোরিকশা চালক হানিফ তার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সারাদিন রাস্তায় গাড়ি চালাই। প্রয়োজনে এখানে আসতে হয়, কিন্তু টয়লেটের যে দশা, তাতে ভেতরে পা দেওয়ার পরিবেশ নেই। দরজা নেই, নোংরা পানি জমে আছে। বাধ্য হয়ে অনেক সময় অনিচ্ছা সত্ত্বেও অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় এটি ব্যবহার করতে হয়। আমাদের কথা কেউ ভাবে না। একই প্রতিধ্বনি শোনা গেল স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নাজির পাটোয়ারীর কণ্ঠে। তিনি বলেন, পৌরসভা থেকে এটি নির্মাণ করা হয়েছিল মানুষের উপকারের জন্য। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কোনো সংস্কার নেই। রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় এটি এখন অপরাধীদের আড্ডাস্থল কিংবা ময়লা ফেলার জায়গায় পরিণত হচ্ছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুরা এই এলাকায় এসে কোনো টয়লেট সুবিধা পায় না, যা অত্যন্ত অমানবিক।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি জনাকীর্ণ এলাকায় এভাবে উন্মুক্ত ও নোংরা টয়লেট পড়ে থাকা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। নিয়মিত পরিষ্কার না করায় এখান থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে আশপাশের পরিবেশ বিষিয়ে উঠছে। এর ফলে মশা-মাছির উপদ্রব বাড়ছে এবং ডায়রিয়া, কলেরাসহ বিভিন্ন পানিবাহিত ও চর্মরোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত এটি সংস্কার করা না হলে জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি আরও অবনতি হবে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি বারবার নজরে এলেও চাঁদপুর পৌরসভা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। টয়লেটটি সংস্কারের জন্য কোনো বরাদ্দ বা তদারকি কমিটি আছে কি না, তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে সংশয় রয়েছে। জনস্বার্থে নির্মিত একটি সরকারি স্থাপনা এভাবে নষ্ট হতে দেওয়া কেবল অর্থের অপচয় নয়, বরং নাগরিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
সাধারণ মানুষের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে টয়লেটের ভাঙা অংশ সংস্কার ও নতুন দরজা স্থাপন করতে হবে। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ দিতে হবে। পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ ও আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। টয়লেটের চারপাশের ময়লা ও মাটির স্তূপ দ্রুত অপসারণ করতে হবে।
চাঁদপুরকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট শহর হিসেবে গড়ে তোলার যে লক্ষ্য, তার পথে এই ধরনের অব্যবস্থাপনা একটি বড় বাধা। ডব্লিউ রহমান জুট মিল এলাকার পাবলিক টয়লেটটি দ্রুত সংস্কার করে ব্যবহারের উপযোগী করা এখন সময়ের দাবি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি জনদুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে আসবে, নাকি এটি এভাবেই ‘পরিত্যক্ত স্থাপনা’ হিসেবে পড়ে থাকবে—এ প্রশ্নই এখন সাধারণ মানুষের মনে। জনস্বার্থে দ্রুত পৌর কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।