খুঁজুন
                               
, ,

চাঁদপুরে পাবলিক টয়লেট এখন পরিত্যক্ত আস্তাবলে, চরম ভোগান্তিতে মানুষ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৯:০০ পূর্বাহ্ণ
চাঁদপুরে পাবলিক টয়লেট এখন পরিত্যক্ত আস্তাবলে, চরম ভোগান্তিতে মানুষ

চাঁদপুর শহরের অন্যতম ব্যস্ত এলাকা ডব্লিউ রহমান জুট মিলের সামনের চিত্রটি এখন এক ভয়াবহ জনদুর্ভোগের প্রতিচ্ছবি। জনসাধারণের সুবিধার্থে নির্মিত পৌরসভার পাবলিক টয়লেটটি দীর্ঘদিনের অবহেলা, অব্যবস্থাপনা আর রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এখন কার্যত একটি পরিত্যক্ত স্থাপনায় পরিণত হয়েছে। এক সময়ের পরিচ্ছন্ন এই স্থাপনাটি এখন ময়লা-আবর্জনা আর দুর্গন্ধের ভাগাড়ে রূপ নেয়ায় প্রতিদিন চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে হাজার হাজার পথচারী, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষকে।
সরেজমিনে এলাকাটি ঘুরে দেখা যায়, পাবলিক টয়লেটটির বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। স্থাপনার দেয়ালগুলো শ্যাওলা ধরে কালচে হয়ে গেছে, অনেক জায়গায় পলেস্তারা খসে পড়ছে। প্রবেশপথের অবস্থা এতটাই নাজুক যে, ময়লা-আবর্জনা ও মাটির স্তূপ ডিঙিয়ে ভেতরে প্রবেশ করা প্রায় অসম্ভব। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, টয়লেটের কোনো দরজাই অবশিষ্ট নেই। ভাঙাচোরা কাঠামো আর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে এটি এখন ব্যবহারের উপযোগিতা সম্পূর্ণ হারিয়েছে। পর্যাপ্ত পানি বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কোনো চিহ্ন সেখানে নেই। ডব্লিউ রহমান জুট মিল এলাকাটি অত্যন্ত জনবহুল। এখানে প্রতিদিন শত শত শ্রমিক কাজ করেন। এছাড়া অটোরিকশা চালক, স্থানীয় দোকান কর্মচারী এবং দূরপাল্লার যাত্রীদের আনাগোনা থাকে সবসময়। টয়লেটটি ব্যবহার অনুপযোগী হওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ।
স্থানীয় অটোরিকশা চালক হানিফ তার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সারাদিন রাস্তায় গাড়ি চালাই। প্রয়োজনে এখানে আসতে হয়, কিন্তু টয়লেটের যে দশা, তাতে ভেতরে পা দেওয়ার পরিবেশ নেই। দরজা নেই, নোংরা পানি জমে আছে। বাধ্য হয়ে অনেক সময় অনিচ্ছা সত্ত্বেও অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় এটি ব্যবহার করতে হয়। আমাদের কথা কেউ ভাবে না। একই প্রতিধ্বনি শোনা গেল স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নাজির পাটোয়ারীর কণ্ঠে। তিনি বলেন, পৌরসভা থেকে এটি নির্মাণ করা হয়েছিল মানুষের উপকারের জন্য। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কোনো সংস্কার নেই। রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় এটি এখন অপরাধীদের আড্ডাস্থল কিংবা ময়লা ফেলার জায়গায় পরিণত হচ্ছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুরা এই এলাকায় এসে কোনো টয়লেট সুবিধা পায় না, যা অত্যন্ত অমানবিক।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি জনাকীর্ণ এলাকায় এভাবে উন্মুক্ত ও নোংরা টয়লেট পড়ে থাকা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। নিয়মিত পরিষ্কার না করায় এখান থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে আশপাশের পরিবেশ বিষিয়ে উঠছে। এর ফলে মশা-মাছির উপদ্রব বাড়ছে এবং ডায়রিয়া, কলেরাসহ বিভিন্ন পানিবাহিত ও চর্মরোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত এটি সংস্কার করা না হলে জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি আরও অবনতি হবে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি বারবার নজরে এলেও চাঁদপুর পৌরসভা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। টয়লেটটি সংস্কারের জন্য কোনো বরাদ্দ বা তদারকি কমিটি আছে কি না, তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে সংশয় রয়েছে। জনস্বার্থে নির্মিত একটি সরকারি স্থাপনা এভাবে নষ্ট হতে দেওয়া কেবল অর্থের অপচয় নয়, বরং নাগরিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
সাধারণ মানুষের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে টয়লেটের ভাঙা অংশ সংস্কার ও নতুন দরজা স্থাপন করতে হবে। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ দিতে হবে। পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ ও আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। টয়লেটের চারপাশের ময়লা ও মাটির স্তূপ দ্রুত অপসারণ করতে হবে।
চাঁদপুরকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট শহর হিসেবে গড়ে তোলার যে লক্ষ্য, তার পথে এই ধরনের অব্যবস্থাপনা একটি বড় বাধা। ডব্লিউ রহমান জুট মিল এলাকার পাবলিক টয়লেটটি দ্রুত সংস্কার করে ব্যবহারের উপযোগী করা এখন সময়ের দাবি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি জনদুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে আসবে, নাকি এটি এভাবেই ‘পরিত্যক্ত স্থাপনা’ হিসেবে পড়ে থাকবে—এ প্রশ্নই এখন সাধারণ মানুষের মনে। জনস্বার্থে দ্রুত পৌর কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: এখনও নিখোঁজ ৫ জেলে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: এখনও নিখোঁজ ৫ জেলে

উত্তাল বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে বরগুনার পাথরঘাটার ‘এফবি বরকত’ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় এখনও পাঁচ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে আরও আট জেলেকে। নিখোঁজ জেলেদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে ট্রলার মালিক সমিতি। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে গভীর সমুদ্রে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া ট্রলারটির মালিক বরগুনার পাথরঘাটার আশরাফ কোম্পানি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চার দিন আগে ১৩ জন জেলে পাথরঘাটা থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যায় ‘এফবি বরকত’। গতকাল সোমবার বিকেলে সাগরে বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। পরে ডুবে যাওয়া ট্রলারের কাছাকাছি থাকা পাথরঘাটার অপর একটি মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা পানিতে ভাসতে থাকা আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া জেলেদের বরাত দিয়ে তারা ট্রলারডুবির বিষয়টি মালিকপক্ষকে জানান। এ ঘটনায় এখনো পাঁচ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের উদ্ধারে কাজ করছে ট্রলার মালিক সমিতি। নিখোঁজ পাঁচ জেলের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, ‘এফবি বরকত’ নামে একটি ট্রলার বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়ার খবর তারা অপর একটি ট্রলারের জেলেদের মাধ্যমে পেয়েছেন। খবর পাওয়ার পর ট্রলার ও জেলেদের উদ্ধারের জন্য ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বঙ্গোপসাগরে একটি ট্রলার পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া আট জেলেকে উপকূলে নিয়ে আসা হচ্ছে।