খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

তথ্য গোপনের অভিযোগে চাঁদপুরে কেন্দ্র সচিবকে অব্যাহতি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ
তথ্য গোপনের অভিযোগে চাঁদপুরে কেন্দ্র সচিবকে অব্যাহতি

চাঁদপুরে চলমান এসএসসি পরীক্ষাকে ঘিরে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালনকালে তথ্য গোপনের অভিযোগে এক শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি চাঁদপুর সদর উপজেলার ফরাক্কাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব মো. ইলিয়াছ মিয়া। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএমএন জামিউল হিকমা তাকে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। এ ঘটনায় শিক্ষা প্রশাসন ও স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, গত সোমবার (২০ এপ্রিল) ফরাক্কাবাদ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসাইন চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা যদি পরীক্ষার্থীর অভিভাবক হন—বিশেষ করে তার সন্তান একই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে—তাহলে তিনি কোনোভাবেই কেন্দ্র সচিব বা পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। এটি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য বাধ্যতামূলক বিধান।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মো. ইলিয়াছ মিয়ার মেয়ে রাইসা অরিন আনিকা চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। তিনি চাঁদপুর শহরের আল-আমিন একাডেমির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। অথচ এ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন রেখে ইলিয়াছ মিয়া কেন্দ্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন, যা শিক্ষা বোর্ডের নীতিমালার সরাসরি লঙ্ঘন।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সচেতন মহলের দাবি, পরীক্ষার মতো সংবেদনশীল বিষয়ে দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন তথ্য গোপন করা শুধু অনৈতিকই নয়, বরং তা পুরো পরীক্ষা ব্যবস্থার ওপর আস্থা নষ্ট করে। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের অনিয়ম ভবিষ্যতে প্রশ্নফাঁস, পক্ষপাতিত্ব বা অন্যান্য গুরুতর অনিয়মের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেয় উপজেলা প্রশাসন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএমএন জামিউল হিকমা কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব থেকে ইলিয়াছ মিয়াকে অব্যাহতি দেওয়ার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, আমরা অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাওয়ায় তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এখন বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, অভিযুক্ত কেন্দ্র সচিব মো. ইলিয়াছ মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে তার মেয়ে পরীক্ষার্থী হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে পরে তিনি নিজের বক্তব্য থেকে সরে এসে বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার এই দ্বৈত অবস্থান আরও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল। পরীক্ষা কেন্দ্রের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও বিতরণ, পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা—সবকিছুই তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। তাই এ পদে থাকা ব্যক্তির সততা ও নিরপেক্ষতা প্রশ্নাতীত হওয়া জরুরি। কোনো ধরনের স্বার্থের দ্বন্দ্ব থাকলে তা আগে থেকেই প্রকাশ করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্ব থেকে বিরত থাকা উচিত।
এ ঘটনায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেক অভিভাবক বলেন, তারা চান তাদের সন্তানরা একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পরিবেশে পরীক্ষা দিক। এ ধরনের ঘটনা সেই আস্থাকে নষ্ট করে। তারা দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। সকলে মনে করছেন, শুধু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। কেন্দ্র সচিব ও পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করতে হবে। পাশাপাশি নীতিমালা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
চাঁদপুরে ঘটে যাওয়া এ ঘটনা দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা বজায় রাখতে নিয়ম-কানুন কঠোরভাবে অনুসরণ করা ছাড়া বিকল্প নেই—এমনটাই মত সচেতন মহলের।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।