খুঁজুন
                               
, ,

তথ্য গোপনের অভিযোগে চাঁদপুরে কেন্দ্র সচিবকে অব্যাহতি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ
তথ্য গোপনের অভিযোগে চাঁদপুরে কেন্দ্র সচিবকে অব্যাহতি

চাঁদপুরে চলমান এসএসসি পরীক্ষাকে ঘিরে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালনকালে তথ্য গোপনের অভিযোগে এক শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি চাঁদপুর সদর উপজেলার ফরাক্কাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব মো. ইলিয়াছ মিয়া। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএমএন জামিউল হিকমা তাকে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। এ ঘটনায় শিক্ষা প্রশাসন ও স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, গত সোমবার (২০ এপ্রিল) ফরাক্কাবাদ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসাইন চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা যদি পরীক্ষার্থীর অভিভাবক হন—বিশেষ করে তার সন্তান একই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে—তাহলে তিনি কোনোভাবেই কেন্দ্র সচিব বা পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। এটি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য বাধ্যতামূলক বিধান।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মো. ইলিয়াছ মিয়ার মেয়ে রাইসা অরিন আনিকা চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। তিনি চাঁদপুর শহরের আল-আমিন একাডেমির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। অথচ এ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন রেখে ইলিয়াছ মিয়া কেন্দ্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন, যা শিক্ষা বোর্ডের নীতিমালার সরাসরি লঙ্ঘন।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সচেতন মহলের দাবি, পরীক্ষার মতো সংবেদনশীল বিষয়ে দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন তথ্য গোপন করা শুধু অনৈতিকই নয়, বরং তা পুরো পরীক্ষা ব্যবস্থার ওপর আস্থা নষ্ট করে। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের অনিয়ম ভবিষ্যতে প্রশ্নফাঁস, পক্ষপাতিত্ব বা অন্যান্য গুরুতর অনিয়মের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেয় উপজেলা প্রশাসন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএমএন জামিউল হিকমা কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব থেকে ইলিয়াছ মিয়াকে অব্যাহতি দেওয়ার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, আমরা অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাওয়ায় তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এখন বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, অভিযুক্ত কেন্দ্র সচিব মো. ইলিয়াছ মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে তার মেয়ে পরীক্ষার্থী হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে পরে তিনি নিজের বক্তব্য থেকে সরে এসে বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার এই দ্বৈত অবস্থান আরও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল। পরীক্ষা কেন্দ্রের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও বিতরণ, পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা—সবকিছুই তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। তাই এ পদে থাকা ব্যক্তির সততা ও নিরপেক্ষতা প্রশ্নাতীত হওয়া জরুরি। কোনো ধরনের স্বার্থের দ্বন্দ্ব থাকলে তা আগে থেকেই প্রকাশ করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্ব থেকে বিরত থাকা উচিত।
এ ঘটনায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেক অভিভাবক বলেন, তারা চান তাদের সন্তানরা একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পরিবেশে পরীক্ষা দিক। এ ধরনের ঘটনা সেই আস্থাকে নষ্ট করে। তারা দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। সকলে মনে করছেন, শুধু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। কেন্দ্র সচিব ও পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করতে হবে। পাশাপাশি নীতিমালা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
চাঁদপুরে ঘটে যাওয়া এ ঘটনা দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা বজায় রাখতে নিয়ম-কানুন কঠোরভাবে অনুসরণ করা ছাড়া বিকল্প নেই—এমনটাই মত সচেতন মহলের।

একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ (বুধবার, ২২ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত! অনুমোদিত নতুন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে; স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে ‘বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প’। ১ হাজার ৪৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পটি ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিন জেলার গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২ হাজার ৮২ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প’ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৮ বিভাগের ৬৪ জেলার ৪৯৫টি উপজেলায় ৯১ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার পল্লী সড়ক নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পরিবারপ্রধান ৪৫ হাজার ৭৮০ জন দুঃস্থ নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অনুসন্ধান ও উৎপাদন কোম্পানি (বাপেক্স) এবং পেট্রোবাংলার উদ্যোগে ৭২৯ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘১টি মূল্যায়ন কূপ (বেগমগঞ্জ-৫) এবং ২টি অনুসন্ধান কূপ (বেগমগঞ্জ-৬ ও সুনেত্র-২) খনন’ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পটি সরকারি ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।

বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৭ সালের হজের জন্য তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার প্যাকেজগুলোর ঘোষণা দেন। এ সময় হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবার খাওয়া ও কোরবানিসহ তিনটি হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজের খরচ রাখা হয়েছে ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা এবং সর্বনিম্ন প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা।
হাব জানায়, তিনটি প্যাকেজের মধ্যে বিশেষ প্যাকেজ ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা, সাধারণ প্যাকেজ ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ও সাশ্রয়ী প্যাকেজ ৫ লাখ ১৩ হজার ৫৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর বিশেষ হজ প্যাকেজের খরচ ছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সাধারণ প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা এবং সাশ্রয়ী প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। সে হিসাবে এবার সাশ্রয়ী প্যাকেজের ব্যয় বেড়েছে ৩ হাজার ৫৪৫ টাকা। আর সাধারণ প্যাকেজের ব্যয় ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৭ হাজার টাকা বেশি। এ ছাড়া বিশেষ হজ প্যাকেজে ব্যয় বেড়েছে ৪১ হাজার ৬০ টাকা।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ২০২৭ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের ২টি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। হজ প্যাকেজ-১-এর খরচ ধরা হয়েছে ছয় লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী) এর খরচ ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ৬৪৮ টাকা।

প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ
প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

ভারতের মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা (নিটের) প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বিক্ষোভ গড়িয়েছে টানা তৃতীয় দিনে। সংঘাত ও বিক্ষোভের মধ্যেই বুধবার (২২ জুলাই) সরকারি সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় সরকার পার্লামেন্টে প্রশ্নফাঁস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে সরকারি সূত্রগুলো। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি সামনে আসার পরপরই সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সহিংসতার পর থেকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, সেদিনের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
এদিকে নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তাটি পড়ে শোনান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। প্রধানমন্ত্রীর বার্তা উদ্ধৃত করে কিরেন রিজিজু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এনডিএ শরিকদের সংসদের সব ধরনের কাজে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বিরোধী দলগুলোকে সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে দেশের ভবিষ্যৎ এবং যুবসমাজের কল্যাণে কাজ করা সব সংসদ সদস্যের যৌথ দায়িত্ব।’