খুঁজুন
                               
, ,

চাঁদপুর-৩ সদর আসনে নৌকাবিহীন ধানের শীষের জোয়ার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
চাঁদপুর-৩ সদর আসনে নৌকাবিহীন ধানের শীষের জোয়ার

 ভোটের আর মাত্র চারদিন বাকি।  মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীবেষ্টিত ত্রিমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থার জনপদ চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর)  আসনটি বিএনপির ধানের শীষের দুর্গ হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক মাঠে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এ আসনটিতে এই প্রথম নৌকাবিহীন ধানের শীষের সঙ্গে ভোটের লড়াই হতে যাচ্ছে দাঁড়িপাল্লার। সেই লড়াইয়ের দৌড়ে  আরো আছেন চরমোনাই পীরের হাতপাখা, ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি ও কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ কে  সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে চলছে শেষ মুহূর্তের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা, মিছিল, পথসভা, উঠান বৈঠক ও দলীয় নেতাকর্মীদের তৎপরতা।
প্রতিদিনই বাড়ছে সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠক, মিছিল এবং বাড়ি বাড়ি ভোটারদের কাছে ভোট চাওয়ার ব্যস্ততা। আগামী বৃহস্পতিবার  (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটের দিন, তাই নির্বাচনকেন্দ্রিক শেষ প্রস্তুতি  জোড়তোড়ভাবে চলছে। তবে সাধারণ ভোটারদের অধিকাংশই মুখ খুলছে না। হ্যাঁ বা না, ধানের শীষ না দাঁড়িপাল্লা, হাতপাখা বা অন্য মার্কা–এ ব্যাপারে এমন ভোটাররা স্পষ্ট কিছু বলছে না। কাকে ভোট দেবেন সেটা অনেকে চাপা রাখছেন। অনেকে আবার ভোট দিতে যাবেন কি যাবেন না সেটা নিয়ে আছেন দ্বিধাদ্বন্দ্বে।
সবদিক থেকে নির্বাচনী মাঠের আলোচনায় বরাবর এগিয়ে  বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। তাঁর পক্ষে  ধানের শীষের জোয়ার বইছে।
এরপর  আছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ১১ দলীয় জোট প্রার্থী  অ্যাড. শাহজাহান মিয়ার দাঁড়িপাল্লার প্রচারণা ও গণসংযোগ। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত হাত পাখার প্রার্থী শেখ মো. জয়নাল আবেদীন, এএইচএম আহসান উল্লাহ (ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি) ও
কমরেড জাহাঙ্গীর হোসেন (কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে)–নির্বাচনী লড়াইয়ে তারাও মাঠে আছেন সক্রিয়ভাবে। উল্লেখিত প্রার্থীদের ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড এবং মাইকিং প্রচারণা নির্বাচনী এলাকায়  শোভা পেলেও মাঠে নেই অ্যাড. সেলিম আকবর (গণফোরামের উদীয়মান সূর্য) এবং সাংবাদিক জাকির হোসেন (গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক)। এ দুজন প্রার্থী ধানের শীষের প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তবে ব্যালটে তাদের নাম ও মার্কা থাকছে।
আগের নির্বাচনগুলোতে ধানের শীষের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলো নৌকা। এবার নৌকাবিহীন নির্বাচনী মাঠে  উত্তেজনা কম। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এবার এই আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা দাঁড়িয়েছে বিএনপির ধানের শীষ ও জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মধ্যে। তবে স্থানীয় রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রচারণার দৃশ্যমান গতি ধানের শীষের দিকে থাকলেও ভোটের প্রকৃত সমীকরণে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাড. শাহজাহানের অবস্থান কী হতে পারে নীরব থাকা ভোটের হিসেবে সেটা ধারণা  করতে হচ্ছে।
জাতীয় পার্টি, গণ ফোরাম, গণঅধিকার পরিষদ, হেফাজতের অংশ জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম এবং সনাতনী সম্প্রদায় বিএনপি ও ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।তারপর আছে বিএনপির বিশাল নেতাকর্মী ও সমর্থকবৃন্দ। এতো কিছুতে এই আসনে ধানের শীষের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকাবিহীন অন্য কোনো মার্কাকে দেখছে না স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহল। তবে আওয়ামী লীগ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভোট কোন দিকে যায়, সেই সমীকরণ মিলাচ্ছেন তারা।  নির্বাচনী মাঠে জামায়াত তথা ১১ দলীয় জোটের অবস্থানকে সহজে দুর্বল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ভোটারদের ভাষ্য, নির্বাচনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তুলনামূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, ২৬২ চাঁদপুর-৩  (চাঁদপুর সদর-  হাইমচর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৩শ’ ৩৪ জন। এর মধে নারী ভোটার ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬শ’ ২৮ জন এবং পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮২ হাজার ৭শ’ ৪ জন।হিজড়া ২ জন। কেন্দ্র ১শ’ ৬৫টি এবং কক্ষ ৯শ’ ৯৪ টি।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: এখনও নিখোঁজ ৫ জেলে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: এখনও নিখোঁজ ৫ জেলে

উত্তাল বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে বরগুনার পাথরঘাটার ‘এফবি বরকত’ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় এখনও পাঁচ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে আরও আট জেলেকে। নিখোঁজ জেলেদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে ট্রলার মালিক সমিতি। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে গভীর সমুদ্রে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া ট্রলারটির মালিক বরগুনার পাথরঘাটার আশরাফ কোম্পানি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চার দিন আগে ১৩ জন জেলে পাথরঘাটা থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যায় ‘এফবি বরকত’। গতকাল সোমবার বিকেলে সাগরে বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। পরে ডুবে যাওয়া ট্রলারের কাছাকাছি থাকা পাথরঘাটার অপর একটি মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা পানিতে ভাসতে থাকা আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া জেলেদের বরাত দিয়ে তারা ট্রলারডুবির বিষয়টি মালিকপক্ষকে জানান। এ ঘটনায় এখনো পাঁচ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের উদ্ধারে কাজ করছে ট্রলার মালিক সমিতি। নিখোঁজ পাঁচ জেলের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, ‘এফবি বরকত’ নামে একটি ট্রলার বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়ার খবর তারা অপর একটি ট্রলারের জেলেদের মাধ্যমে পেয়েছেন। খবর পাওয়ার পর ট্রলার ও জেলেদের উদ্ধারের জন্য ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বঙ্গোপসাগরে একটি ট্রলার পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া আট জেলেকে উপকূলে নিয়ে আসা হচ্ছে।