খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

চাঁদপুর-৩ সদর আসনে নৌকাবিহীন ধানের শীষের জোয়ার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
চাঁদপুর-৩ সদর আসনে নৌকাবিহীন ধানের শীষের জোয়ার

 ভোটের আর মাত্র চারদিন বাকি।  মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীবেষ্টিত ত্রিমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থার জনপদ চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর)  আসনটি বিএনপির ধানের শীষের দুর্গ হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক মাঠে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এ আসনটিতে এই প্রথম নৌকাবিহীন ধানের শীষের সঙ্গে ভোটের লড়াই হতে যাচ্ছে দাঁড়িপাল্লার। সেই লড়াইয়ের দৌড়ে  আরো আছেন চরমোনাই পীরের হাতপাখা, ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি ও কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ কে  সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে চলছে শেষ মুহূর্তের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা, মিছিল, পথসভা, উঠান বৈঠক ও দলীয় নেতাকর্মীদের তৎপরতা।
প্রতিদিনই বাড়ছে সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠক, মিছিল এবং বাড়ি বাড়ি ভোটারদের কাছে ভোট চাওয়ার ব্যস্ততা। আগামী বৃহস্পতিবার  (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটের দিন, তাই নির্বাচনকেন্দ্রিক শেষ প্রস্তুতি  জোড়তোড়ভাবে চলছে। তবে সাধারণ ভোটারদের অধিকাংশই মুখ খুলছে না। হ্যাঁ বা না, ধানের শীষ না দাঁড়িপাল্লা, হাতপাখা বা অন্য মার্কা–এ ব্যাপারে এমন ভোটাররা স্পষ্ট কিছু বলছে না। কাকে ভোট দেবেন সেটা অনেকে চাপা রাখছেন। অনেকে আবার ভোট দিতে যাবেন কি যাবেন না সেটা নিয়ে আছেন দ্বিধাদ্বন্দ্বে।
সবদিক থেকে নির্বাচনী মাঠের আলোচনায় বরাবর এগিয়ে  বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। তাঁর পক্ষে  ধানের শীষের জোয়ার বইছে।
এরপর  আছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ১১ দলীয় জোট প্রার্থী  অ্যাড. শাহজাহান মিয়ার দাঁড়িপাল্লার প্রচারণা ও গণসংযোগ। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত হাত পাখার প্রার্থী শেখ মো. জয়নাল আবেদীন, এএইচএম আহসান উল্লাহ (ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি) ও
কমরেড জাহাঙ্গীর হোসেন (কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে)–নির্বাচনী লড়াইয়ে তারাও মাঠে আছেন সক্রিয়ভাবে। উল্লেখিত প্রার্থীদের ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড এবং মাইকিং প্রচারণা নির্বাচনী এলাকায়  শোভা পেলেও মাঠে নেই অ্যাড. সেলিম আকবর (গণফোরামের উদীয়মান সূর্য) এবং সাংবাদিক জাকির হোসেন (গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক)। এ দুজন প্রার্থী ধানের শীষের প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তবে ব্যালটে তাদের নাম ও মার্কা থাকছে।
আগের নির্বাচনগুলোতে ধানের শীষের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলো নৌকা। এবার নৌকাবিহীন নির্বাচনী মাঠে  উত্তেজনা কম। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এবার এই আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা দাঁড়িয়েছে বিএনপির ধানের শীষ ও জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মধ্যে। তবে স্থানীয় রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রচারণার দৃশ্যমান গতি ধানের শীষের দিকে থাকলেও ভোটের প্রকৃত সমীকরণে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাড. শাহজাহানের অবস্থান কী হতে পারে নীরব থাকা ভোটের হিসেবে সেটা ধারণা  করতে হচ্ছে।
জাতীয় পার্টি, গণ ফোরাম, গণঅধিকার পরিষদ, হেফাজতের অংশ জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম এবং সনাতনী সম্প্রদায় বিএনপি ও ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।তারপর আছে বিএনপির বিশাল নেতাকর্মী ও সমর্থকবৃন্দ। এতো কিছুতে এই আসনে ধানের শীষের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকাবিহীন অন্য কোনো মার্কাকে দেখছে না স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহল। তবে আওয়ামী লীগ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভোট কোন দিকে যায়, সেই সমীকরণ মিলাচ্ছেন তারা।  নির্বাচনী মাঠে জামায়াত তথা ১১ দলীয় জোটের অবস্থানকে সহজে দুর্বল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ভোটারদের ভাষ্য, নির্বাচনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তুলনামূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, ২৬২ চাঁদপুর-৩  (চাঁদপুর সদর-  হাইমচর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৩শ’ ৩৪ জন। এর মধে নারী ভোটার ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬শ’ ২৮ জন এবং পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮২ হাজার ৭শ’ ৪ জন।হিজড়া ২ জন। কেন্দ্র ১শ’ ৬৫টি এবং কক্ষ ৯শ’ ৯৪ টি।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।