খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

NEIR বাস্তবায়নের মাধ্যমে হ্যান্ডসেট শিল্পে শুরু হচ্ছে নতুন অধ্যায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ২:১০ অপরাহ্ণ
NEIR বাস্তবায়নের মাধ্যমে হ্যান্ডসেট শিল্পে শুরু হচ্ছে নতুন অধ্যায়

আমদানির পাশাপাশি বাংলাদেশে ২০১৭ সালে মোবাইল ফোন উৎপাদন শিল্পের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে দেশী-বিদেশী মিলে প্রায় ১৭টি মোবাইল ফোন কারখানা দেশে উৎপাদন করছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করেছে, যেখানে প্রায় ১ লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।
দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোন এখন কেবল স্থানীয় বাজারেই নয়, ভবিষ্যতে বিদেশেও রপ্তানির সম্ভাবনা তৈরি করছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য নতুন বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। মোবাইল ফোন উৎপাদন ঘিরে দেশে আধুনিক প্যাকেজিং, প্রিন্টিং, ব্যাটারি, চার্জার, হেডফোন, ডাটা কেবলসহ আরো অনেক ধরনের কম্পোনেন্ট এর শিল্প গড়ে উঠেছে যেখানে কমপক্ষে ১৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে এবং আরো প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার মানুষ এখানে কাজ করছে।
এছাড়াও, এই শিল্পের সঙ্গে সারাদেশে প্রায় ২০ হাজার অনুমোদিত মোবাইল ফোন বিক্রেতা যুক্ত আছেন, যেখানে প্রায় ৮০ হাজার কর্মী সরাসরি কর্মরত। উৎপাদন ও বিতরণ পর্যায়ে মোট প্রায় ১ লক্ষ ৬০ হাজার মানুষ সরাসরি এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত। গড়ে প্রতি পরিবারের ৫ জন সদস্য হিসেবে ধরা হলে, কমপক্ষে ৮ লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অনুমোদিত মোবাইল কারখানাগুলোর উপর নির্ভরশীল।
তবে দীর্ঘদিন ধরে বৈধ শিল্পের প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অবৈধ বা “গ্রে” হ্যান্ডসেটের প্রবেশ ও ব্যবহার। দেশের মোট মোবাইল বাজারের প্রায় ৬০ শতাংশ এখন এই অবৈধ মার্কেটের দখলে। এর ফলে বৈধভাবে ব্যবসা করা কোম্পানিগুলোর হাজার হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ঝুকির মধ্যে পড়েছে এবং সরকার বছরে প্রায় ২০০০ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। বাজারে অসুস্থ প্রতিযোগিতার পাশাপাশি বাজার চোরাকারবারীদের হাতে চলে যাচ্ছে। এছাড়া, অবৈধ ফোন দিয়ে আর্থিক প্রতারণাসহ অনেক অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, যার প্রকৃত অপরাধীকে খুজে বের করা যায় না।
অবশেষে সরকার এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে এগিয়ে এসেছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ২০২৫ সালের ১৬ই ডিসেম্বর থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (NEIR) চালু করার ঘোষণা দিয়েছে। এর মাধ্যমে অবৈধভাবে আমদানিকৃত বা নিবন্ধনবিহীন ফোন দেশে ব্যবহার করা যাবে না। এই উদ্যোগের ফলে সরকারের হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় নিশ্চিত হবে এবং বাজারে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং ভোক্তার অধিকার সুনিশ্চিত হবে। আমরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
NEIR ভোগান্তি না সুরক্ষা : কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গোষ্ঠী NEIR–এর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ও ভয় ছড়ানোর চেষ্টা করছে—যাদেরকে সাধারণভাবে “লাগেজ পার্টি” বলা হয়। এদের মাধ্যমে দেশে চোরাই, নকল, কপি ও রিফার্বিশড হ্যান্ডসেটের ব্যবসা গড়ে উঠেছে। এতে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে, আর প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। কারণ এসব পণ্য ট্যাক্স ও ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে দেশে প্রবেশ করে, ফলে দাম কম মনে হলেও গ্রাহকরা আসলে পাচ্ছেন কম মানের এবং অনিরাপদ পণ্য। এরা প্রচার করছে NEIR ব্যবহারে মানুষের ভোগান্তি হবে। প্রকৃতপক্ষে NEIR ব্যবহার যথাসম্ভব সহজ করার জন্য বিটিআরসি দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। গ্রাহক যাতে হয়রানি না হয় তার জন্য যা যা করার দরকার আমাদের দিক থেকে আমরাও তা করবো। তাই এই ভয় অমুলক।
ভ্যাট/ট্যাক্স কাঠামো ও উৎপাদননীতি : দেশীয় উৎপাদনে ভ্যাট/ট্যাক্সের কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে, যা কোনো বৈষম্য নয় – এটি বিশ্বব্যাপী উন্নয়নশীল দেশগুলোর ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনসেনটিভ পলিসি। দেশে উৎপাদন শিল্প গড়ে তোলা একটি বড় বিনিয়োগ, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করে এবং আমদানি নির্ভরতা কমায়। তবে, আমদানিকৃত বৈধ হ্যান্ডসেটের ওপর ট্যাক্স আর দেশে উৎপাদিত হ্যান্ডসেটের ট্যাক্স পার্থক্য আরও কমিয়ে আনার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করতে  পারে, যাতে উভয় খাতই ভারসাম্যপূর্ণভাবে টিকে থাকতে পারে।
দেশীয় উৎপাদিত পণ্যের দাম ও মান :দেশে উৎপাদিত ফোনের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম ও সাশ্রয়ী।
গত দুই বছরে ডলার ও মোবাইল উপকরণের দাম প্রায় ৬০% বৃদ্ধি পেলেও, স্থানীয় উৎপাদকরা খরচ নিয়ন্ত্রণে রেখে দাম বাড়াননি। বরং আমরা ব্যাংক ঋণ রিশিডিউল করে, মার্কেটিং বাজেট সমন্বয় করে ও অন্যান্য উৎপাদন প্রক্রিয়ায় উৎকর্ষতা এনে দাম কমানোর নিরলস প্রচেষ্টা করে যাচ্ছি।
অন্যদিকে, আমদানিকৃত গ্রে ফোনের দাম কম এর কারণ হলো ট্যাক্স ফাঁকি ও নিম্নমানের কপি বা রিফার্বিশড পণ্য। এসব পণ্যে ওয়ারেন্টি সেবা নেই, সফটওয়্যার সাপোর্ট দুর্বল, এবং অনেক সময় চুরি যাওয়া ফোনও বিক্রি করা হয় – যা সরাসরি ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন।
নৈতিকতা ও গ্রাহক সুরক্ষা : NEIR চালু হলে গ্রাহকরা সহজেই জানতে পারবেন তাঁদের ফোনটি বৈধভাবে আমদানি বা উৎপাদিত কিনা। বৈধ হ্যান্ডসেট ক্রেতারা পাবেন— অফিশিয়াল ওয়ারেন্টি ও আফটার সেলস সার্ভিস, সফটওয়্যার আপডেট, নিরাপদ নেটওয়ার্ক ব্যবহারের নিশ্চয়তা। অবৈধ ফোনে প্রায়ই ম্যালওয়্যার, অননুমোদিত সফটওয়্যার ও ডাটা চুরির ঝুঁকি থাকে। অন্যদিকে, NEIR–এর মাধ্যমে হারানো ফোন ট্র্যাক ও বন্ধ করার সুবিধা পাবেন ব্যবহারকারীরা, যা গ্রাহক নিরাপত্তায় বড় অগ্রগতি।
বৈধভাবে ব্যবসা করা শুধু আইনি বাধ্যবাধকতা নয়—এটি নৈতিক দায়িত্বও বটে। একজন উদ্যোক্তা যখন শুল্ক ও কর পরিশোধ করে ব্যবসা করেন, তখন তিনি দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছেন। অন্যদিকে, ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া মানে রাষ্ট্র, সমাজ ও ভোক্তার সাথে প্রতারণা করা।
বিটিআরসির ভেন্ডর লাইসেন্স নিয়ে যে কেউ বৈধভাবে মোবাইল আমদানীর ব্যবসা করতে পারে – এই পথ সবসময়ই খোলা রয়েছে। এখানে বৈষম্য করা বা একচেটিয়া ব্যবসা করার সুযোগ নেই। কারো ব্যবসা বন্ধ করা বা ক্ষতি করা আমাদের কারো কাম্য না। কিন্তু অবৈধ প্রক্রিয়ায় অবৈধ ফোন, চোরাই ফোন, ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে আসা ফোনের ব্যবসা বন্ধ হোক সেটা আমরা সবাই চাই।
দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব : অবৈধভাবে দেশে আসা স্মার্টফোনের কারণে প্রতিবছর সরকার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারায়।এটি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতে উন্নয়নে সরাসরি প্রভাব ফেলে। এছাড়া অবৈধ ব্যবসা বৈধ উদ্যোক্তাদের সঙ্গে অন্যায় প্রতিযোগিতা তৈরি করে এবং সাইবার অপরাধ ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করে।
গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা প্রতিরোধের আহ্বান : বিগত সময়ে বিভিন্ন উদ্যোগে নিবন্ধনবিহীন ফোন বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হলেও তা সফল হয়নি। তবে এবার বিটিআরসি–র উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে এবং এটি দেশের মোবাইল শিল্পের জন্য একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। কিন্তু এরই মধ্যে কিছু অসাধু গোষ্ঠী জনমনে ভীতির সঞ্চার ও গুজব ছড়িয়ে এই উদ্যোগকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। MIOB মনে করে—এখন সময় এসেছে গ্রে মার্কেট নয়, ন্যায্য বাজার ব্যবস্থার পক্ষে দাঁড়ানোর।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।