খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

আমরা চাই ভূমি বিষয়ে মানুষ যেন কোনো হয়রানির শিকার না হয় : অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:৪০ অপরাহ্ণ
আমরা চাই ভূমি বিষয়ে মানুষ যেন কোনো হয়রানির শিকার না হয় : অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর ২০২৫) ‘ভূমিখাতে চাই স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সেবার সহজীকরণ ও জনভোগান্তি হ্রাস’ এই শ্লোগান নিয়ে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), চাঁদপুর-এর আয়োজনে এবং উপজেলা ভূমি অফিস ও শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় ভূমি অফিসের সেবা সম্পর্কিত তথ্য জনসাধারণকে জানানো ও ভূমি অফিসের সেবায় সুশাসন বৃদ্ধির লক্ষ্যে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। সনাক সভাপতি মো. আলমগীর পাটওয়ারীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) একরামুল ছিদ্দিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাপ্পী দত্ত রনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) একরামুল ছিদ্দিক বলেন, আইনের মধ্যে থাকলে ভূমি সম্পর্কিত সকল সমস্যার সমাধান করা হবে। আমরা চাই ভূমি বিষয়ে মানুষ যেন কোনো ধরনের হয়রানি শিকার না হয়। সেবা নিতে সাধারণ জনগণকে আরও বেশি সহনশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। ভূমিসেবা নিতে গিয়ে আপনার কাছ থেকে অফিসের কোনো লোক যদি সরকার নির্ধারিত টাকার বাইরে অতিরিক্ত কোনো টাকা নেয়, তাহলে প্রমাণ সাপেক্ষে আমার কাছে অভিযোগ করবেন, আমি তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করবো। আপনারা আমাকে এ বিষয়ে সরাসরি বা আমার হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে ম্যাসেজ দিতে পারেন। আপনারা ভূমি নিয়ে কোনো জটিলতায় পড়লে প্রথমে এসিল্যান্ডের কাছে যাবেন। সমাধান না হলে আমার কাছে চলে আসবেন। তিনি আরও বলেন, ভূমি সেবাখাতে জনসাধারণের সেবাপ্রাপ্তি বিষয়ে অনেক পরিবর্তন এসেছে। চাঁদপুরে ৫টি ভূমি সহায়তা কেন্দ্র রয়েছে। আপনারা সেখান থেকেও সেবা নিতে পারেন। স্বল্প খরচে অনলাইনে আবেদন করাসহ যে কোন সহায়তা আপনারা ভূমি সেবা কেন্দ্রে পাবেন। আপনারা আজ লিখিত ও মৌখিকভাবে যে সমস্যাগুলোর কথা বলেছেন, পরবর্তীতে আপনারা আজকের এই গণশুনানির রেফারেন্স দিলে আমি চেষ্টা করবো আপনাদের সমস্যাগুলো সমাধান করতে। তবে আপনাদেরকে জমিজমা বিষয়ে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। ভূমি সেবাখাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনয়নের জন্যে সনাক-টিআইবি’র এটি একটি ভালো উদ্যোগ। তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্যে সবাইকে ধন্যবাদ জানান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাপ্পী দত্ত রনি জনসাধারণের কাছ থেকে উত্থাপিত লিখিত ও মৌখিক বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। তিনি বলেন, ভূমি সংক্রান্ত বা ভূমি আইন নিয়ে সাধারণ জনগণের তেমন কোনো ধরাণা নেই। তবে ভূমি আইন ও ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে আপনার কিছু ধারণা থাকা দরকার। ভূমি নিয়ে আপনাদের অজ্ঞতা কারণেই আপনাদেরকে অনেক বেশি হয়রানি হতে হয়। তিনি আরও বলেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি এলাকার সাধারণ মানুষদের জিম্মি করে হয়রানি করে। আপনারা দালালের মাধ্যমে ভূমিসেবা নিতে গিয়ে প্রতারিত হবেন না। তিনি ভূমি অফিসের সেবা সম্পর্কিত তথ্য জনসাধারণকে অবহিত করেন। তিনি গণশুনানিতে অংশগ্রহণ করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান।
সভাপতির বক্তব্যে সনাক সভাপতি মো. আলমগীর পাটওয়ারী বলেন, আমাদের ভূমি বিষয়ে অজ্ঞতার কারণেই বিভিন্ন জটিলতায় পড়তে হয়। আমরা যদি সচেতন ও আন্তরিক হই তাহলে যে কোনো সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। আমরা লক্ষ্য করছি সদর উপজেলায় ভূমিসেবা নিয়ে যারা কাজ করছেন তারা জনসাধারণের সেবা প্রদানে খুবই আন্তরিক। আর আন্তরিক বলেই আজ ভূমিখাতে সমস্যাগুলো নিয়ে আপনাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। আজকের উত্থাপিত সুপারিশ ও সমস্যাগুলো ছাড়াও যদি কারো কোনো সমস্যা থাকে আপনারা সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তার সাথে সরাসরি দেখা করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনারা ভুল, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক তথ্য নিয়ে যাবেন না। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্যে তিনি সকলকে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে উপজেলা ভূমি অফিস ও শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সেবা সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর পর্বটি সঞ্চালনা করেন সনাকের সাবেক সভাপতি কাজী শাহাদাত। মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মো. মমিন পাটওয়ারী, মো. সেলিম চৌধুরী, মো. মিজানুর রহমান, স্বপন মাহমুদ, মাসুদ বেপারী, তাহের বেপারী, রমজান মিজি, মোস্তফা খাঁন, মো. শাহজালাল, ফাতেমা বেগম ও মো. মাহবুব খাঁন প্রমুখ।
সনাক চাঁদপুরের ভূমি বিষয়ক এসিজি গ্রুপের সমন্বয়কারী মো. উজ্জ্বল হোসাইনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সনাকের সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ মো. মোশারেফ হোসেন। ভূমিখাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় স্থানীয় পর্যায়ে সনাক-টিআইবি’র লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোচনা করেন টিআইবি’র এরিয়া কোঅর্ডিনেটর মো. মাসুদ রানা। এছাড়াও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান স্বপন মাহমুদ। উপস্থিত ছিলেন সনাকের সহ-সভাপতি অ্যাড. পলাশ মজুমদার ও জেসমিন আক্তার জেসী, সনাক সদস্য রুমা সরকার, ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ কুদ্দছ আখন্দ রোকন, ইউনিয়ন উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম সোহাগ, এসিজি গ্রুপের সদস্যবৃন্দ ও ইয়েস গ্রুপের সদস্যবৃন্দসহ ইউনিয়নের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী। এছাড়াও উপজেলা ভূমি অফিসের সেবা সম্পর্কিত বিষয়ে সুশাসন বৃদ্ধির লক্ষ্যে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে মাইকিং-এর মাধ্যমে প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।