খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

এক স্বপ্ন ভরা জীবনের অসমাপ্ত বিদায়

উজ্জ্বল হোসাইন
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
এক স্বপ্ন ভরা জীবনের অসমাপ্ত বিদায়

চাঁদপুর শহরের মমিনপাড়ার একজন সাধারণ ছাত্র আল-আমিন। সে গনি মডেল হাই স্কুল থেকে সম্প্রতি এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। ভবিষ্যতের স্বপ্নে উজ্জীবিত এই তরুণের জীবনের জন্য এটি ছিল অবিস্মরণীয় সাফল্যের বছর । কিন্তু ১২ জুলাই (শনিবার) সন্ধ্যায় বন্ধুদের সঙ্গে চাঁদপুর শহরের লেকেরপাড়ে আড্ডার সময় বাজি ধরার নামে সাঁতার প্রতিযোগিতার এক অদ্ভুত দুর্বৃত্ততা আল-আমিনের জীবন ছিনিয়ে নেয় । তার মৃত্যুতে স্বপ্ন অসম্পূর্ণ থেকে যাচ্ছে—এটি হতে পারতো আনন্দঘন এক স্মরণযাত্রা, যা হয়ে দাঁড়ায় শোকাবহ পতনের গল্প। দুর্ঘটনা না পরিকল্পিত হত্যা—সন্ধানে এখনো অমীমাংসা। কারণ বন্ধুদের কথা অনুযায়ী ঘটেছে দুর্ঘটনা- ৫০০ টাকা বাজি ধরে সে লেকে সাঁতার কাটার চেষ্টা করছিল। আর হঠাৎ পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়। অথচ পরিবারের বক্তব্য ভিন্ন-কিশোর গ্যাং পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লেকে ফেলে দিয়েছে, চোখ ও হাতে আঘাতের চিহ্ন থেকে সন্দেহ জন্মে । এ ঘটনায় পুলিশ সাতজন সহপাঠীকে আটক করেছে এবং ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় ঘটনা তদন্ত চলছে । লেকেরপাড় এলাকায় তরুণদের ঘোরাঘুরি কমে না। মাঝে মাঝে আড্ডা, মাঝে মাঝে বাজি, বন্ধুত্বের ছলনা—এ সবই সাধারণ দৃশ্য লেকপাড়ে। কিন্তু সেটি কী সহজেই নিরাপদ? এই ঘটনা আমাদের এ বিষয়ে সতর্ক করে—পানির গভীরতা, মলিনতা, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকা ও অসচেতনতার মিশ্রণে এক সময় অভিশাপে পরিণত হয়। চাঁদপুর পৌরসভাসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগকে এখন থেকেই ব্যবস্থা নেয়া উচিত—চাঁদপুর লেকেরপাড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো, লাইফ‌গার্ডের ব্যবস্থা, নিরাপদ সতর্কতা বার্তা, স্কুল-কলেজ পর্যায়ে জলনিরাপত্তা বিষয়ে জাগরণমূলক পাঠদান। ছোট ছোট পদক্ষেপ এ রকম অকাল মৃত্যু থেকে প্রাণে বাঁচাতে পারে।

পরিবারের দাবি—পরিকল্পিত হত্যার পেছনে সামাজিক ব্যাধি বিদ্যমান। আদালতে দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার প্রণয়ন নিশ্চিত করতে হবে। যখতে এমন অনৈতিক পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রুখতে হবে। পুলিশ ও প্রশাসন যেন চলমান ময়নাতদন্ত  প্রমাণসহ সম্পূর্ণ তদন্ত নিশ্চিত করে দ্রুত অপরাধী হলে বিচারের আওতায় আনে।

বর্তমান কালে ফেসবুক, ইউটিউব, টিভি নিউজে ট্র্যাজেডি ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত। আল আমিনের পরিবারের কান্না, হতাশা, বিক্ষোভ—সবাই জানে, সবাই শোনে। কিন্তু আমরা বাস্তবে কজন এগিয়ে এসে পরিবারকে সহায়তা করলাম? আইন-আদালতের বাইরে জনবিচার কখনই স্থায়ী নয়। বরং, বজায় রাখা উচিত শুধু মানবিক সহানুভূতি ও সমাজের নৈতিক সুরক্ষা—যাতে নতুন কোনো আল আমিন আর কখনও প্রাণ না হারায়।

“জীবন বাজি নয়—নিরাপদ যাপনই জীবনের লক্ষ্য”—এই শিক্ষাটি নিশ্চয়ই যেকোনো পিতামাতার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে মৌলিক অভিযোজন। আমরা বলবো বন্ধুর প্রলুব্ধতা থেকে দূরে থাকো, ঝুঁকিপূর্ণ কাজ না করো—এরকম বার্তা যারা বুঝতে পারবে তারা জীবনকে বাজি করে কোনো বড় অপকর্ম সংঘটিত হতে দিবে না। এই ক্ষতিকারক বাজি প্রতিযোগিতা স্বাভাবিক না হয়ে আবারো শিক্ষাদানের প্রকল্প হিসেবে সে এক উদাহরণ।

আল-আমিনের মর্মান্তিক এই মৃত্যু আমাদের জাতি, সমাজের জন্য এক কঠিন পরীক্ষা—সমাজ কতটা সচেতন, বিপদের মুহূর্তে কতটা সজাগ, এবং কেউ কেউ কতটা উদাসীন। শিক্ষক, অভিভাবক, রাজনৈতিক নেতা সবাইকেই একত্রে কাজ করতে হবে, যাতে আর কোন তরুণ প্রকৃত মৃত্যুর মুখে না ঠেকতে হয়। বছরের পর বছর মৃত্যুর গল্প বলার আগে, এ জাতি কবে বুঝবে প্রতিটি অমীমাংসিত মৃত্যু ? বিচার, সতর্কতা ও নৈতিকতা এই তিন স্তম্ভ নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

আল-আমিনের জন্য আমরা যে চোখের জল ফেলি, তা যেন নিছকই বোবা কান্নায় রূপান্তরিত না হয়—তা যেনো সচেতনতা, সহানুভুতি ও আইন‌শৃঙ্খলার উদ্ভাবনী গোড়া হয়ে দাঁড়ায়। তাই এই লেকের পাড়ে আল আমিনের মৃত্যু শুধুমাত্র একটি প্রাসঙ্গিক সংবাদ নয়—এটি জাতির নিজস্বতার কম্পাস যা বলে দেয়, আল আমিন্‌দের মৃত্যু আমরা আর মেনে নিতে পারি না।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।