খুঁজুন
                               
, ,

ইরান লড়ছে, রাশিয়া শুধু দেখছে, কিন্তু কেন?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫, ২:৫০ অপরাহ্ণ
ইরান লড়ছে, রাশিয়া শুধু দেখছে, কিন্তু কেন?

মধ্যপ্রাচ্যে কোনো শান্ত দিন নেই। সশস্ত্র যুদ্ধ চলছে। ইসরায়েল ইরানের সাথে সরাসরি মুখোমুখি হয়েছে। ইরানই ইসরায়েলের প্রধান ভূ-রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ,কারণ ইরান সম্ভাব্য ভবিষ্যতের পারমাণবিক শক্তি। ঠিকভাবে বলতে গেলে, ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ গত ১৩ জুন শুরু হয়নি। দুটি দেশ ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সরাসরি হামলা বিনিময় করেছে। তার আগে কয়েক দশক ধরে, তারা প্রাথমিকভাবে গোয়েন্দা অপারেশন, সাইবার আক্রমণ এবং আঞ্চলিক প্রক্সিদের সমর্থনের মাধ্যমে “ছায়া যুদ্ধ” করে গেছে। এখন, ইসরায়েলের উদ্যোগে, সংঘাত প্রকাশ্য যুদ্ধে রূপ নিয়েছে।

কেন প্রতীকী আক্রমণ নয়। একে অন্যের কৌশলগত অবকাঠামো, সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্র এবং এমনকি শহরগুলোকে শেষ করে দেয়ার চেষ্টা করছে দেশ দুটি। ইরান এবং ইসরায়েলের মধ্যে কোন সীমান্ত নেই। তাই স্থল অভিযানের সম্ভাবনা কম। যার ফলে চলছে দূরপাল্লার হামলা এবং ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্টাপাল্টি আঘাত। চলছে বিমান আক্রমণও। যে পক্ষ প্রথমে তার সামরিক ও রাজনৈতিক পুঁজি নিঃশেষ করে দেবে তারাই হেরে যাবে এই যুদ্ধে।

কে প্রথমে ভাঙবে তা অনিশ্চিত রয়ে গেছে। ইরানের কাছে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র অস্ত্র রয়েছে। ইসরায়েল অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের অটুট সমর্থন উপভোগ করে। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বিশ্বাস করেন এবারের আক্রমণে “আয়াতুল্লাহ শাসন” বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ চাপে ভেঙে পড়তে বাধ্য হবে।

নেতানিয়াহু নিজে কিন্তু রাজনৈতিকভাবে দুর্বল সরকার। কেলেঙ্কারি এবং অভ্যন্তরীণ মতবিরোধে বিপর্যস্ত তিনি। একটি দীর্ঘায়িত এবং অমীমাংসিত দ্বন্দ্ব সহজেই তার মন্ত্রীসভার টিকে থাকাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। ইসরায়েলের জন্য আদর্শ ফলাফল হবে হিজবুল্লাহর সাথে অতীতের সংঘর্ষের মতোই একটি দ্রুত, সিদ্ধান্তমূলক আক্রমণ। এই ক্ষেত্রে, বিমানের শ্রেষ্ঠত্ব এবং দ্রুত অভিযান শত্রুকে বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করেছিল। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বিবৃতি থেকে বোঝা যায় যে এটিই এবারের উদ্দেশ্য। ইরানের আক্রমণাত্মক ক্ষমতাকে পঙ্গু করার জন্য একটি দুই সপ্তাহের অপারেশন।

তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে: ইরান হিজবুল্লাহ নয়। তেহরান ১৩ জুন হোঁচট খেয়ে থাকতে পারে, তবে এটি বিশাল দেশ এবং সামরিক সম্পদের অধিকারী। ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ভূখণ্ড এবং জনসংখ্যা উভয় ক্ষেত্রেই ইসরায়েলের চেয়ে কয়েকগুণ বড়,যার অর্থ এর সহ্য ক্ষমতা অনেক বেশি। এখন পর্যন্ত এটি বোঝা গেছে যে,ইসরায়েলি বিজয়ের পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই ম্লান হয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধ চলতে থাকলে নেতানিয়াহু দেশে রাজনৈতিক আঘাত এবং বিদেশ থেকে সমালোচনার সম্মুখীন হতে পারেন।

নেতানিয়াহু মনে করছেন তার হারানোর কিছু নেই। ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সোচ্চার সমর্থন তার কাছের মানুষদেরও আতংকিত করছে। তারা আরেকটি বিদেশী দ্বন্দ্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে জড়ানোর অভিযোগ আনছে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। এখন ট্রাম্প ইরানকে নি:শর্ত আত্মসমর্পণ করতে বলছেন।

প্রশ্ন হলো রাশিয়ার পুতিন নিরব কেন। ইরানের সাথে গভীর বন্ধুত্বের পরও মস্কোর নিরবতা প্রশ্নবোধক। বলা হচ্ছে, মস্কো পরিস্থিতি আগ্রহের সাথে পর্যবেক্ষণ করছে। তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে রাশিয়া অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে। আরও গুরুত্বপূর্ণ,ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে একটি বড় যুদ্ধ ওয়াশিংটনকে ইউক্রেনের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি থেকে সরিয়ে নিতে পারে। তেহরান রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদার তাই মস্কো চাচ্ছে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হোক তাহলে সেটা মস্কোর পক্ষে যাবে।

এ ছাড়া রাশিয়ার সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ইউক্রেন সংঘাত দেশটির সামরিক ও শিল্প ক্ষমতার বেশিরভাগই গ্রাস করছে। তদুপরি, ইরানের সাথে সদ্য স্বাক্ষরিত কৌশলগত অংশীদারিত্বের চুক্তিতে সরাসরি সামরিক সহায়তার জন্য কোনও বাধ্যবাধকতা অন্তর্ভুক্ত নেই। এটি সহজভাবে বলে যে কোন পক্ষই আক্রমণকারীকে সাহায্য করবে না।

তাই আপাতত, রাশিয়ার সর্বোত্তম পথ হতে পারে পাশে থাকা, কূটনৈতিক এবং অলঙ্কারপূর্ণ সমর্থন দেওয়া এবং আশা করা যায় যে ইরান তার হাত বাড়াবে না। এটি লক্ষণীয় যে তেহরান প্রথম হামলার পরে তুলনামূলকভাবে দ্রুত পুনরুদ্ধার করেছে। ইসরায়েলি বিমান কৌশলের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া,পাল্টা বুদ্ধিমত্তাকে শক্তিশালী করা এবং কার্যকরভাবে প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা যুদ্ধের পরবর্তী পর্যায় নির্ধারণ করবে।

এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে রাশিয়ার উপস্থিতি রয়েছে বিভিন্ন স্বার্থে। ফলে এই অঞ্চলে যেকোনো ধরনের অনিয়ন্ত্রিত বিশৃঙ্খলা এড়াতে পছন্দ করছে রাশিয়া। পুতিন ট্রাম্পের সাথে সম্পর্কও নষ্ট করতে চাচ্ছেন না। পুতিন চান আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান হোক। একই সময়ে,বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে ক্রেমলিন অবশ্যই ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ থেকে পশ্চিমাদের দৃষ্টি অন্যদিকে চলে যাওয়াকে উপভোগ করছে। এর মধ্যেই গত মঙ্গলবার, রাশিয়া সাম্প্রতিক মাসগুলিতে কিয়েভে তার সবচেয়ে মারাত্মক আক্রমণগুলির একটি করেছে। ১৪ জন নিহত এবং কয়েক ডজন আহত হয়েছে সেই হামলায়। পুতিন এটাই চান যে, যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপ ইউক্রেন বাদ দিয়ে অন্য ইস্যুতে ব্যস্ত থাকুক।

একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ (বুধবার, ২২ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত! অনুমোদিত নতুন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে; স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে ‘বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প’। ১ হাজার ৪৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পটি ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিন জেলার গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২ হাজার ৮২ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প’ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৮ বিভাগের ৬৪ জেলার ৪৯৫টি উপজেলায় ৯১ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার পল্লী সড়ক নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পরিবারপ্রধান ৪৫ হাজার ৭৮০ জন দুঃস্থ নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অনুসন্ধান ও উৎপাদন কোম্পানি (বাপেক্স) এবং পেট্রোবাংলার উদ্যোগে ৭২৯ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘১টি মূল্যায়ন কূপ (বেগমগঞ্জ-৫) এবং ২টি অনুসন্ধান কূপ (বেগমগঞ্জ-৬ ও সুনেত্র-২) খনন’ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পটি সরকারি ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।

বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৭ সালের হজের জন্য তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার প্যাকেজগুলোর ঘোষণা দেন। এ সময় হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবার খাওয়া ও কোরবানিসহ তিনটি হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজের খরচ রাখা হয়েছে ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা এবং সর্বনিম্ন প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা।
হাব জানায়, তিনটি প্যাকেজের মধ্যে বিশেষ প্যাকেজ ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা, সাধারণ প্যাকেজ ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ও সাশ্রয়ী প্যাকেজ ৫ লাখ ১৩ হজার ৫৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর বিশেষ হজ প্যাকেজের খরচ ছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সাধারণ প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা এবং সাশ্রয়ী প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। সে হিসাবে এবার সাশ্রয়ী প্যাকেজের ব্যয় বেড়েছে ৩ হাজার ৫৪৫ টাকা। আর সাধারণ প্যাকেজের ব্যয় ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৭ হাজার টাকা বেশি। এ ছাড়া বিশেষ হজ প্যাকেজে ব্যয় বেড়েছে ৪১ হাজার ৬০ টাকা।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ২০২৭ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের ২টি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। হজ প্যাকেজ-১-এর খরচ ধরা হয়েছে ছয় লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী) এর খরচ ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ৬৪৮ টাকা।

প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ
প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

ভারতের মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা (নিটের) প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বিক্ষোভ গড়িয়েছে টানা তৃতীয় দিনে। সংঘাত ও বিক্ষোভের মধ্যেই বুধবার (২২ জুলাই) সরকারি সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় সরকার পার্লামেন্টে প্রশ্নফাঁস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে সরকারি সূত্রগুলো। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি সামনে আসার পরপরই সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সহিংসতার পর থেকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, সেদিনের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
এদিকে নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তাটি পড়ে শোনান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। প্রধানমন্ত্রীর বার্তা উদ্ধৃত করে কিরেন রিজিজু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এনডিএ শরিকদের সংসদের সব ধরনের কাজে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বিরোধী দলগুলোকে সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে দেশের ভবিষ্যৎ এবং যুবসমাজের কল্যাণে কাজ করা সব সংসদ সদস্যের যৌথ দায়িত্ব।’