খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ইরান লড়ছে, রাশিয়া শুধু দেখছে, কিন্তু কেন?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫, ২:৫০ অপরাহ্ণ
ইরান লড়ছে, রাশিয়া শুধু দেখছে, কিন্তু কেন?

মধ্যপ্রাচ্যে কোনো শান্ত দিন নেই। সশস্ত্র যুদ্ধ চলছে। ইসরায়েল ইরানের সাথে সরাসরি মুখোমুখি হয়েছে। ইরানই ইসরায়েলের প্রধান ভূ-রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ,কারণ ইরান সম্ভাব্য ভবিষ্যতের পারমাণবিক শক্তি। ঠিকভাবে বলতে গেলে, ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ গত ১৩ জুন শুরু হয়নি। দুটি দেশ ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সরাসরি হামলা বিনিময় করেছে। তার আগে কয়েক দশক ধরে, তারা প্রাথমিকভাবে গোয়েন্দা অপারেশন, সাইবার আক্রমণ এবং আঞ্চলিক প্রক্সিদের সমর্থনের মাধ্যমে “ছায়া যুদ্ধ” করে গেছে। এখন, ইসরায়েলের উদ্যোগে, সংঘাত প্রকাশ্য যুদ্ধে রূপ নিয়েছে।

কেন প্রতীকী আক্রমণ নয়। একে অন্যের কৌশলগত অবকাঠামো, সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্র এবং এমনকি শহরগুলোকে শেষ করে দেয়ার চেষ্টা করছে দেশ দুটি। ইরান এবং ইসরায়েলের মধ্যে কোন সীমান্ত নেই। তাই স্থল অভিযানের সম্ভাবনা কম। যার ফলে চলছে দূরপাল্লার হামলা এবং ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্টাপাল্টি আঘাত। চলছে বিমান আক্রমণও। যে পক্ষ প্রথমে তার সামরিক ও রাজনৈতিক পুঁজি নিঃশেষ করে দেবে তারাই হেরে যাবে এই যুদ্ধে।

কে প্রথমে ভাঙবে তা অনিশ্চিত রয়ে গেছে। ইরানের কাছে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র অস্ত্র রয়েছে। ইসরায়েল অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের অটুট সমর্থন উপভোগ করে। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বিশ্বাস করেন এবারের আক্রমণে “আয়াতুল্লাহ শাসন” বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ চাপে ভেঙে পড়তে বাধ্য হবে।

নেতানিয়াহু নিজে কিন্তু রাজনৈতিকভাবে দুর্বল সরকার। কেলেঙ্কারি এবং অভ্যন্তরীণ মতবিরোধে বিপর্যস্ত তিনি। একটি দীর্ঘায়িত এবং অমীমাংসিত দ্বন্দ্ব সহজেই তার মন্ত্রীসভার টিকে থাকাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। ইসরায়েলের জন্য আদর্শ ফলাফল হবে হিজবুল্লাহর সাথে অতীতের সংঘর্ষের মতোই একটি দ্রুত, সিদ্ধান্তমূলক আক্রমণ। এই ক্ষেত্রে, বিমানের শ্রেষ্ঠত্ব এবং দ্রুত অভিযান শত্রুকে বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করেছিল। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বিবৃতি থেকে বোঝা যায় যে এটিই এবারের উদ্দেশ্য। ইরানের আক্রমণাত্মক ক্ষমতাকে পঙ্গু করার জন্য একটি দুই সপ্তাহের অপারেশন।

তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে: ইরান হিজবুল্লাহ নয়। তেহরান ১৩ জুন হোঁচট খেয়ে থাকতে পারে, তবে এটি বিশাল দেশ এবং সামরিক সম্পদের অধিকারী। ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ভূখণ্ড এবং জনসংখ্যা উভয় ক্ষেত্রেই ইসরায়েলের চেয়ে কয়েকগুণ বড়,যার অর্থ এর সহ্য ক্ষমতা অনেক বেশি। এখন পর্যন্ত এটি বোঝা গেছে যে,ইসরায়েলি বিজয়ের পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই ম্লান হয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধ চলতে থাকলে নেতানিয়াহু দেশে রাজনৈতিক আঘাত এবং বিদেশ থেকে সমালোচনার সম্মুখীন হতে পারেন।

নেতানিয়াহু মনে করছেন তার হারানোর কিছু নেই। ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সোচ্চার সমর্থন তার কাছের মানুষদেরও আতংকিত করছে। তারা আরেকটি বিদেশী দ্বন্দ্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে জড়ানোর অভিযোগ আনছে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। এখন ট্রাম্প ইরানকে নি:শর্ত আত্মসমর্পণ করতে বলছেন।

প্রশ্ন হলো রাশিয়ার পুতিন নিরব কেন। ইরানের সাথে গভীর বন্ধুত্বের পরও মস্কোর নিরবতা প্রশ্নবোধক। বলা হচ্ছে, মস্কো পরিস্থিতি আগ্রহের সাথে পর্যবেক্ষণ করছে। তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে রাশিয়া অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে। আরও গুরুত্বপূর্ণ,ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে একটি বড় যুদ্ধ ওয়াশিংটনকে ইউক্রেনের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি থেকে সরিয়ে নিতে পারে। তেহরান রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদার তাই মস্কো চাচ্ছে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হোক তাহলে সেটা মস্কোর পক্ষে যাবে।

এ ছাড়া রাশিয়ার সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ইউক্রেন সংঘাত দেশটির সামরিক ও শিল্প ক্ষমতার বেশিরভাগই গ্রাস করছে। তদুপরি, ইরানের সাথে সদ্য স্বাক্ষরিত কৌশলগত অংশীদারিত্বের চুক্তিতে সরাসরি সামরিক সহায়তার জন্য কোনও বাধ্যবাধকতা অন্তর্ভুক্ত নেই। এটি সহজভাবে বলে যে কোন পক্ষই আক্রমণকারীকে সাহায্য করবে না।

তাই আপাতত, রাশিয়ার সর্বোত্তম পথ হতে পারে পাশে থাকা, কূটনৈতিক এবং অলঙ্কারপূর্ণ সমর্থন দেওয়া এবং আশা করা যায় যে ইরান তার হাত বাড়াবে না। এটি লক্ষণীয় যে তেহরান প্রথম হামলার পরে তুলনামূলকভাবে দ্রুত পুনরুদ্ধার করেছে। ইসরায়েলি বিমান কৌশলের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া,পাল্টা বুদ্ধিমত্তাকে শক্তিশালী করা এবং কার্যকরভাবে প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা যুদ্ধের পরবর্তী পর্যায় নির্ধারণ করবে।

এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে রাশিয়ার উপস্থিতি রয়েছে বিভিন্ন স্বার্থে। ফলে এই অঞ্চলে যেকোনো ধরনের অনিয়ন্ত্রিত বিশৃঙ্খলা এড়াতে পছন্দ করছে রাশিয়া। পুতিন ট্রাম্পের সাথে সম্পর্কও নষ্ট করতে চাচ্ছেন না। পুতিন চান আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান হোক। একই সময়ে,বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে ক্রেমলিন অবশ্যই ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ থেকে পশ্চিমাদের দৃষ্টি অন্যদিকে চলে যাওয়াকে উপভোগ করছে। এর মধ্যেই গত মঙ্গলবার, রাশিয়া সাম্প্রতিক মাসগুলিতে কিয়েভে তার সবচেয়ে মারাত্মক আক্রমণগুলির একটি করেছে। ১৪ জন নিহত এবং কয়েক ডজন আহত হয়েছে সেই হামলায়। পুতিন এটাই চান যে, যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপ ইউক্রেন বাদ দিয়ে অন্য ইস্যুতে ব্যস্ত থাকুক।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।