খুঁজুন
                               
, ,

গুনী সাংবাদিক রোটা. কাজী শাহাদাত-এর জন্মদিন নিবন্ধন

উজ্জ্বল হোসাইন
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৫, ১:৫৬ অপরাহ্ণ
গুনী সাংবাদিক রোটা. কাজী শাহাদাত-এর জন্মদিন নিবন্ধন

সাংবাদিক কাজী শাহাদাত সাংবাদিকতা ও সাহিত্য জগতে এক সুপরিচিত নাম। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতা পেশায় সক্রিয় রয়েছেন এবং এই সময়ে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। রোটারিয়ান কাজী শাহাদাত চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ পৌরসভার বলাখাল গ্রামের উত্তর পাড়ার সম্ভ্রান্ত কাজী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম কাজী ছেফায়েত উল্লাহ এবং মাতার নাম জোবায়দা বেগম। ছোটবেলা থেকেই তিনি লেখালেখির প্রতি আগ্রহী ছিলেন এবং পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াকালীন সময়ে লেখালেখির জগতে প্রবেশ করেন।
কাজী শাহাদাত প্রায় ৪৩ বছর ধরে সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। তিনি আশির দশকের শুরুতে ‘নির্ভীক’ ও ‘নির্ঝর’ নামে সারাদেশে প্রচারিত সাহিত্য মাসিকের সম্পাদক ছিলেন। দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ পত্রিকায় তিনি ২৫ বছর যাবত প্রধান সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত রয়েছেন। এই চাঁদপুর কন্ঠ পত্রিকায় লেখা সম্পাদকীয়র কারণে এটি চাঁদপুর তথা পার্শ্ববর্তী জেলায় জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এছাড়াও তিনি সাপ্তাহিক হাজীগঞ্জের প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম সম্পাদক, সাপ্তাহিক চাঁদপুরের বার্তা সম্পাদক এবং দৈনিক জনতায় জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি কাজী শাহাদাত সাহিত্য ও সাংগঠনিক কার্যক্রমেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি সাহিত্য একাডেমি, চাঁদপুর-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য এবং পরবর্তীতে সাড়ে ৯ বছর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চাঁদপুর প্রেসক্লাবে তিনি দুই মেয়াদে সভাপতি এবং সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), চাঁদপুরে চার মেয়াদে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি চাঁদপুর রোটারী ক্লাবে এক মেয়াদে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং রোটারী জেলায় লেফটেন্যান্ট গভর্নর ও অ্যাডভাইজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
কাজী শাহাদাত তার সাংবাদিকতা ও সাহিত্যকর্মের জন্য বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। এর মধ্যে জাতীয় সাহিত্য পরিষদ পদক, হাজীগঞ্জ ফোরাম সাহিত্য সম্মাননা, ব্র্যাক মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সুবর্ণজয়ন্তীতে আজীবন সম্মাননা এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পদক উল্লেখযোগ্য। সর্বশেষ, ২০২৪ সালের ২৬ মার্চ শাহরাস্তি প্রেসক্লাব তাকে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করে।
কাজী শাহাদাত বর্তমানে চাঁদপুর শহরে বসবাস করছেন। তিনি একসময় কবিতা, ছড়া ও গল্প লিখলেও বর্তমানে প্রবন্ধ-নিবন্ধ ও প্রতিবেদন লেখায় বেশি মনোযোগী। ভ্রমণ বিষয়ক লেখায় তার বিশেষ আগ্রহ ও দক্ষতা রয়েছে। চাঁদপুর জেলায় স্কুল ও কলেজ শিক্ষার্থীদের বিতর্কের প্রসারে একটানা এক যুগ ধরে  চাঁদপুর কন্ঠ বিতর্ক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কন্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করেছেন।
সাংবাদিকতা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে কাজী শাহাদাতের অবদান বাংলাদেশের গণমাধ্যম ও সাহিত্য জগতে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

লেখক পরিচিতি : রোটা. উজ্জ্বল হোসাইন, সংগঠক, সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক, চাঁদপুর।

দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ
দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। সে হিসেবে ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৩২৪ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে নতুন এ দর কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় দেশের বাজারে স্বর্ণের বিক্রয় মূল্য কমানো হচ্ছে। নতুন এই মূল্য আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হবে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা।
এর আগে গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছিলো বাজুস। ওই সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩৯১ টাকায়।
বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রুপার গহনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকবে। ক্রেতার কাছ থেকে ভ্যাট আলাদাভাবে আদায় করা যাবে না। মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলংকারের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। অলংকার ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে ঘোষিত বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।

রুমির হাতে ‘চড় খাওয়া’ সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
রুমির হাতে ‘চড় খাওয়া’ সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক শিশু শিক্ষার্থীকে (৭) যৌন নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক মো. মোসলেহ উদ্দিনের (মোসলেম আহম্মদ) জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অভিযুক্ত মোসলেহ উদ্দিন টঙ্গীর মধ্য আউচপাড়া এলাকার ‘ক্বারীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র উপাধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত আছেন। এদিকে, যৌন নিপীড়নের বিষয়টি জানতে পেরে ওই শিশুর অভিভাবক শাহজালাল রুমি অভিযুক্ত শিক্ষককে চড় মারেন। চড় দেওয়ার এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকের কাছে বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) ওই মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে নিজ কক্ষে যৌন হয়রানি করেন উপাধ্যক্ষ মোসলেহ উদ্দিন। এ সময় বিষয়টি কাউকে না জানাতে শিশুটিকে নানা ধরনের ভয়ভীতিও দেখানো হয়। পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারকে পুরো বিষয়টি খুলে বলে। পরদিন ২১ অক্টোবর (বুধবার) সকালে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মাদ্রাসায় গিয়ে ওই শিক্ষকের কাছে ঘটনার জবাবদিহি চান।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসায় জড়ো হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে মারধর করেন। খবর পেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় অভিযুক্ত মোসলেহ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) তাকে গাজীপুর আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে শিশু নির্যাতনের সত্যতা পাওয়া গেছে। পাশাপাশি গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুক্তভোগী শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে, শিক্ষকের ওপর হামলা, মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও টাকা লুটের অভিযোগে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও পাল্টা আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে কাজ করছে সরকার’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে কাজ করছে সরকার’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা ও আত্মমর্যাদা রক্ষায় সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে চায় সরকার। তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে ও সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণে কাজ করছে সরকার। রোববার (১৮ অক্টোবর) সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় পতাকা স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। পতাকার মান রক্ষা করা সব সৈনিকের দায়িত্ব।’
তারেক রহমান বলেন, ‘শুধু সামরিক সক্ষমতাই নয়, সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি, শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও জনগণের আস্থার মধ্য দিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ শৃঙ্খলা পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’ এর আগে, সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিনি গুলশানের নিজ বাড়ি থেকে সাভার সেনানিবাসে পৌঁছান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল। এ সময় তিনি উপস্থিত সেনাদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন। এরপরে তিনি সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করেন।