খুঁজুন
                               
, ,

তামিম ইকবাল কেন এত আলোচনায়?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৫, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
তামিম ইকবাল কেন এত আলোচনায়?

কখনো প্রতিপক্ষ, কখনো ম্যানেজমেন্ট আবার কখনো সতীর্থ—তামিম ইকবালের মেজাজ হারানোর ভুক্তভোগী হওয়া থেকে বাদ পড়ছেন না কেউই। এবারের বিপিএলে মাঠের পারফরম্যান্সের আলোচনার বাইরে মূলত আলাপটা চলছে ফরচুন বরিশাল অধিনায়কের ঘন ঘন মেজাজ গরম করা নিয়েই। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে পক্ষে-বিপক্ষে বহু আলোচনা।

রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচে অ্যালেক্স হেলস, ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে সাব্বির আহমেদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছিলেন তামিম ইকবাল। ফরচুন বরিশাল অধিনায়কের মেজাজ হারানোর কথা স্ট্যাম্প মাইকের সুবাদে শুনেছেন দর্শকরাও। আবার বিসিবি সভাপতি মঞ্চে দেরিতে ওঠায় ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার নেননি—এমন ঘটনাও ঘটেছে।

সবশেষ তামিম ইকবালের মেজাজ হারানোর ঘটনা দেখা গিয়েছে চিটাগাং কিংসের বিপক্ষে ম্যাচে। সতীর্থ ওপেনার ডেভিড মালানের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির সূত্রে আউট হয়েছিলেন তামিম। এরপরই রাগত চাহনি ছিল তার। এ নিয়েও সরব ছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিলেও এখনো ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ব্যস্ততায় কাটছে তামিম ইকবালের। চলমান বিপিএলে ব্যাট হাতে মন্দ কাটছে না। এখন পর্যন্ত ৭ ম্যাচে ২৩০ রানে দলের হয়ে সর্বোচ্চ সংগ্রাহক এই ওপেনার। খারাপ অবস্থায় নেই তার দল ফরচুন বরিশালও। ৭ ম্যাচে ৫ জয় নিয়ে টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফরচুন বরিশাল। তবুও মাঠের পারফরম্যান্স ছাপিয়ে বাইরের কর্মকাণ্ডে বেশি আলোচনায় তামিম।
তামিম-হেলস কাণ্ড

বিপিএল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এক ম্যাচ দেখা গিয়েছিল সেদিন সিলেটে। অবিশ্বাস্য ও শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে শেষ ওভারে ২৬ রান তাড়া করে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশালকে হারায় আরেক জায়ান্ট রংপুর রাইডার্স। এদিন ম্যাচ শেষেই ঘটেছিল অপ্রীতিকর ঘটনাটি। জানা গেছে, ম্যাচ শেষে দুই দলের ক্রিকেটাররা যখন হাত মেলাতে যান তখন হেলস আপত্তিকর মুখভঙ্গি করেন তামিমকে উদ্দেশ করে। বরিশাল অধিনায়ক সেটা ভালোভাবে নেননি।

হেলসকে উদ্দেশ্য করে তখন তামিম বলেন, ‘এ রকম করছ কেন? কিছু বলার থাকলে মুখে বলো। বি আ ম্যান।’ এরপর হেলসও জবাব দিয়েছেন। তাতে তর্কে জড়িয়ে পরেন এই দুই ক্রিকেটার। এক পর্যায়ে মেজাজ হারিয়ে হেলসের দিকে তেড়ে যেতে চান তামিম। তখন তামিমকে টেনে ধরেন রংপুরের টিম ডিরেক্টর শাহনিয়ান তানিম। বাকি ক্রিকেটার ও স্টাফরাও দুজনকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। ম্যাচশেষে তামিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন হেলস। আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় শাস্তিও পেতে হয়কে বরিশাল কাপ্তানকে।
‘বেশি লাগতে আইসো না সাব্বির’

আগের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও আলোচনায় উঠে আসেন তামিম। এবার সাব্বির রহমানের সঙ্গে বিবাদে জড়াতে দেখা যায় তাকে। ঘটনাটি ঘটে ফরচুন বরিশাল বনাম ঢাকা ক্যাপিটালস ম্যাচে। সাব্বিরের ফেইক ফিল্ডিং করা নিয়ে মেজাজ হারান তামিম। এ সময় মাঠেই তাকে বলতে শোনা যায় ‘বেশি লাগতে যেও না সাব্বির, বেশি লাগতে যেও না।’ আরও কিছু বলছিলেন, যা স্পষ্ট শোনা যায়নি। ঘটনার পর সাব্বির তামিমের দিকে এগিয়ে আসতে থাকলে পরিস্থিতি সামাল দেন ঢাকার অধিনায়ক থিসারা পেরেরা। সাব্বিরকে থামিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা চালান। একই ম্যাচে পুরস্কার বিতরণীর মঞ্চে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ দেরি করে আসায় ম্যাচসেরার পুরস্কার নেননি তামিম।

এক সময়ের সতীর্থর মাঠের বিষয়টি অবশ্য ‘হিট অব দ্য মোমেন্ট’ হিসেবেই মেনে নিয়েছিলেন সাব্বির। তামিমের মেজাজ গরম করা নিয়ে পরে বলছিলেন, ‘মাঠের মধ্যে যে ঘটনাই হোক, এটা মাঠের মধ্যেই শেষ হয়ে যায় আমাদের। তামিম ভাই আমার সিনিয়র বড় ভাই। রেসপেক্টেড বড় ভাই এবং লেজেন্ড ক্রিকেটার। এরকম ক্রিকেটার বাংলাদেশে আসবে ও না, আমি জানি। ওনার হিট অব দ্য মোমেন্টে এটা হয়ে গেছে। আমি ওটা কিছু মনে করিনি।’
‘টিভির এক-দুই ঝলক দেখেই সিদ্ধান্ত নয়’

তাকে নিয়ে চারদিকে যে আলোচনা সমালোচনা হচ্ছিল, সেটি বুঝতে পারছিলেন তামিম নিজেও। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো নিয়ে শেষমেশ ফেসবুকে এক পোস্টে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন তারকা এই ক্রিকেটার। তামিম বলছিলেন, ‘অনেক সময়ই অনেকে টিভিতে দু-একটি দৃশ্য দেখে নানা রকম ধারণা করে ফেলেন। গত কয়েক দিনে আমাকে নিয়েও এরকম হয়েছে। কিন্তু কোনো ঘটনা তো হুট করে হয় না। এটার পেছনেও অনেক ঘটনা থাকে। মাঠে এরকম অনেক কিছুই হয়, যা টিভিতে পুরোপুরি ফুটে ওঠে না এবং সেটা উচিতও নয়।’

তামিম পরে যোগ করেন, ‘টিভিতে দু-একটি দৃশ্য দেখেই চূড়ান্ত ধারণা নেওয়া উচিত নয়। যাদের নিয়ে ঘটনা, যারা মাঠে থাকেন, তারা সবকিছু জানেন। আজকের উদাহরণ দিয়েই আবার বলছি, টিভিতে এক-দুই ঝলক দেখেই সিদ্ধান্তে পৌঁছে যাওয়া উচিত নয়।’

সতীর্থ অনেক ক্রিকেটারের চোখেই তামিম সত্যিকারের টিমম্যান। ঠান্ডা মাথার তামিমকেই এতদিন চিনতো তার ভক্ত সমর্থকরাও। সেই তামিম হঠাৎ যেন কারও কারও কাছে কত অচেনা। ঘন ঘন মেজাজ হারানোর ঘটনায় তৈরি করছে বিস্ময়ও। রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সেই সঙ্গে সমালোচনাও হচ্ছে তামিমের।

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।