খুঁজুন
                               
, ,

আবারও সমীকরণের মুখোমুখি বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:০৮ অপরাহ্ণ
আবারও সমীকরণের মুখোমুখি বাংলাদেশ

এশিয়া কাপে গ্রুপপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানকে হারিয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল বাংলাদেশ। সুপার ফোরে যেতে লাল সবুজদের এখন তাকিয়ে থাকতে হবে শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান ম্যাচের দিকে। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে আফগানদের ৮ রানের ব্যবধানে হারিয়েছে লিটন দাসের দল। তবে ম্যাচটি ২৫ বা তার বেশি রানে জিতলে গ্রুপের অন্য ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হতো না টাইগারদের। সুযোগও তৈরি হয়েছিল। তবে ১৯তম ওভারের পঞ্চম বলে রান আউট মিস করে সে সুযোগ নষ্ট করে মোস্তাফিজুর রহমান। আফগানদের শেষ এ উইকেটটি তখন তুলে নিতে পারলে ২২ রানের জয় পেত লাল সবুজরা। হংকংয়ের বিপক্ষে ৭ উইকেটের জয়ে এবারের আসর শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে পরের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাজে হারে কঠিন সমীকরণে পড়েছে টাইগারদের সুপার ফোরের যাত্রা।
গ্রুপ পর্বের ৩ ম্যাচ শেষে ৪ পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে টেবিলের দুইয়ে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। তবে নেট রান রেটে অনেকটা পিছিয়ে লিটনরা। তাদের নেট রান রেট -০.২৭০। অন্যদিকে ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট ও ১.৫৪৬ নেট রান রেট নিয়ে সুপার ফোর অনেকটা নিশ্চিত শ্রীলঙ্কার। ২ ম্যাচে ২ পয়েন্ট ও ২.১৫০ নেট রান রেট নিয়ে আশা বাঁচিয়ে রেখেছে আফগানিস্তানও।
সুপার ফোরে যেতে বাংলাদেশের সামনে সমীকরণ : বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান। এ ম্যাচে শ্রীলঙ্কা জিতলে কোনো সমীকরণ ছাড়াই লঙ্কানদের সঙ্গে সুপার ফোর নিশ্চিত করবে বাংলাদেশ। কারণ সেক্ষেত্রে আফগানদের তুলনায় পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে থাকবে লাল সবুজরা। তবে শ্রীলঙ্কা হারলে প্রসঙ্গ আসবে নেট রান রেটের। কারণ তখন তিন দলেরই পয়েন্ট হবে সমান ৪ করে। সেক্ষেত্রে নেট রান রেটে এগিয়ে থাকা দুদল যাবে সুপার ফোরে। ভালো অবস্থানে থাকায় শেষ ম্যাচে জিতলেই সুপার ফোর নিশ্চিত হয়ে যাবে আফগানিস্তানের। তখন বাংলাদেশকে প্রার্থনা করতে হবে রশিদের বড় জয়ে।
আগে ব্যাট করলে আফগানদের জিততে হবে ৬৫ বা তার বেশি ব্যবধানে। আর পরে ব্যাট করলে জয় তুলে নিতে হবে ৫০ বল হাতে রেখেই। কেবল তখনই নেট রান রেটে লঙ্কানদের তুলনায় এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।
আবুধাবির পিচে লঙ্কানদের বিপক্ষে আফগানদের এত বড় জয় অসম্ভবই বলা চলে। তার চেয়ে টাইগারদের সহজ সমীকরণ লঙ্কানদের জয়। গ্রুপ পর্বের সবগুলো ম্যাচ হেরে ইতোমধ্যে আসর থেকে বিদায় নিশ্চিত করেছে ‘বি’ গ্রুপের অন্য দল হংকং।
অন্যদিকে ‘এ’ গ্রুপ থেকে সুপার ফোরের পথে আছে ভারত ও পাকিস্তান। বড় দুই পরাশক্তির ভিড়ে গ্রুপের অন্য দুদল সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানের পরের ধাপে যাওয়া একপ্রকার অসম্ভব।

সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য সার্ক সাহিত্য সম্মেলন-২০২৬ এ যোগ দিতে যাচ্ছেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক ও সাংবাদিক কাদের পলাশসহ চার লেখক। আগামী ১৪ থেকে ১৯ নভেম্বর ছয় দিনব্যাপী এ সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে ১৪ জন কবি ও লেখক অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, আফগানিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানের কবি-সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। এতে বিভিন্ন দেশের সাহিত্যিকদের মধ্যে পারস্পরিক ভাববিনিময়, সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন অংশগ্রহণকারীরা।

সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়া চাঁদপুরের অন্য তিন লেখক হলেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির পরিচালক (গবেষণা) ও গবেষক মুহাম্মদ ফরিদ হাসান, কবি ও লেখক নুরুন্নাহার মুন্নি এবং কবি ও সংগঠক ম. নূরে আলম পাটওয়ারী।

আন্তর্জাতিক এ সাহিত্য সম্মেলনে চাঁদপুরের চার লেখকের অংশগ্রহণকে জেলার সাহিত্যাঙ্গনের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি চাঁদপুরের সাহিত্যচর্চা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক লেখক ও সাংবাদিক কাদের পলাশ বলেন, সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে পারা নিঃসন্দেহে আনন্দের ও গর্বের বিষয়। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের কবি-লেখকদের সঙ্গে ভাববিনিময়, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সাহিত্যিক সম্পর্ক জোরদার হবে। চাঁদপুরের লেখক হিসেবে এ সম্মেলনে অংশ নিয়ে আমরা আমাদের জেলার সাহিত্যচর্চা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে তুলে ধরতে চাই। আশা করি, এ আয়োজন দক্ষিণ এশিয়ার সাহিত্যিকদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে।

সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ণ
সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

রাঙামাটির সাজেকে স্থানীয় সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের মুখে আটকে পড়া প্রায় দুই হাজার পর্যটককে সম্পূর্ণ নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুর রকিব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের কঠোর পাহারায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হন পর্যটকরা। তবে দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের ডাকা অবরোধের কারণে মাঝপথে উজো বাজারসহ কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে বাধার মুখে পড়েন তারা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং শেষ পর্যন্ত পর্যটকদের বহর নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছায়।
উল্লেখ্য, সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের কারণে জেলা প্রশাসন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে পর্যটকদের নিরাপদে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল। বারবার এমন অবরোধের ফলে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং সাধারণ মানুষের জনজীবনও ব্যাহত হচ্ছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে বর্তমানে দেশটিতে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক ও যৌথ সংবাদ সম্মেলন শেষে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন। বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুরে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সানায়ে তাকাইচি। এ সময় জাপানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দুই নেতা নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইয়াসুতাকা নাকাসোনে। সফরকালে তিনি বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন এবং জাপানি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে সফরের প্রথম দিন তিনি জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসো, মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকি এবং জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।