খুঁজুন
                               
রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১৫ চৈত্র, ১৪৩২

ধানের শীষের পক্ষে মুফতি সিরাজুল ইসলামের গণপ্রচারণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
ধানের শীষের পক্ষে মুফতি সিরাজুল ইসলামের গণপ্রচারণা

 আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের পক্ষে চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকায়  গণপ্রচারণা ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দিনব্যাপী চাঁদপুর সদর উপজেলার সফরমালী, বাংলা বাজার, কাজির বাজার, বউবাজার, কল্যান্দি আব্দুল খালেক পীরে কামেল (রহ.)-এর মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ, মিলিটারি বাজার ও বাবুরহাট বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
গণপ্রচারণা ও পথসভাগুলোতে নেতৃত্ব দেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুফতি সিরাজুল ইসলাম কাসেমী। তাঁর সাথে ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম চাঁদপুর জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের জেলা প্রচার সম্পাদক হাফেজ মাওলানা ওমর ফারুক বাদশা, যুব জমিয়তের আহ্বায়ক হাফেজ মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, মাওলানা নাজমুল হাসান, মাওলানা জাহিদুল ইসলাম, মাওলানা সাব্বির আহমদ, মাওলানা মুবারক হুসাইন, মাওলানা মাসুদুর রহমানসহ জমিয়ত ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
পথসভাগুলোতে বক্তারা বলেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য ও সংগ্রামী ইতিহাস। এই সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন ছারছিনার পীরে কামেল নেছার আহমেদ (রহ.), বাহাদুরপুরের পীর দুদুমিয়া সাহেব, শাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক (রহ.), শাইখে কুরিয়া ইমামবাড়ি সিলেট এবং মাসিক ‘মদিনা’-র সম্পাদক মাওলানা মহিউদ্দিন খান (রহ.)-এর মতো দেশবরেণ্য আলেম-ওলামা।
বক্তারা আরও বলেন, সেই ঐতিহ্যবাহী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম আজ ধানের শীষের পক্ষে মাঠে নেমেছে এবং গণতন্ত্র ও দেশরক্ষার স্বার্থে নির্বাচনী জোটবদ্ধ হয়েছে। বক্তারা মওদুদীবাদী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সতর্ক করে বলেন, দেশের শীর্ষ আলেম-ওলামা ও পীর-মাশায়েখরা ইতোমধ্যে দাঁড়িপাল্লার বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন। ছারছিনার পীর, বাহাদুরপুরের পীর, উজানির পীর, চরমোনাইয়ের পীর, জৈনপুরীর পীর এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী (হা.)সহ দেশের প্রখ্যাত ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এই বিষয়ে জাতির সামনে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।
বক্তারা আরো বলেন, কোনোভাবেই যেন মওদুদীবাদী জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনে জয়ী হতে না পারে সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
সভা থেকে সকল ভোটারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, আগামী ১২ তারিখ ফজরের পর সারিবদ্ধভাবে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিককে বিজয়ী করতে হবে।

মহান স্বাধীনতা দিবস আজ

উজ্জ্বল হোসাইন
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
মহান স্বাধীনতা দিবস আজ

আজ (২৬ মার্চ)— মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল দিন, পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর আক্রমণের বিরুদ্ধে শুরু হয় বাঙালির সশস্ত্র প্রতিরোধ। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে অর্জিত হয় স্বাধীনতার লাল-সবুজ পতাকা। এ বছর পালিত হচ্ছে স্বাধীনতার ৫৬তম বার্ষিকী। দিনটি উপলক্ষে সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো দিবসটি পালন করছে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে।
রক্তঝরা ইতিহাসের সূচনা
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। কিন্তু দমে যায়নি বাঙালি জাতি। সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে গড়ে তোলে প্রতিরোধ। নয় মাসের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও বীরত্বের মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর আসে চূড়ান্ত বিজয়— জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী
দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ জাতিকে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণা জোগায়। তিনি সাম্য, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে স্বাধীনতার অপূর্ণ স্বপ্ন বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে জাগ্রত করে। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।
দেশব্যাপী কর্মসূচি
দিবসটি উপলক্ষে ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে সূচনা হয়। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ পরিবার এবং বিদেশি কূটনীতিকরাও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাজধানীসহ সারা দেশে আয়োজন করা হয়েছে কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে বিএনপির শ্রদ্ধা
বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের জাহাজ বিভিন্ন ঘাটে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। সিনেমা হলে বিনা টিকিটে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। জাদুঘরগুলোও উন্মুক্ত রাখা হয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য। দেশের মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া হাসপাতাল, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রমসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রীতিভোজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জাতীয় ঐক্যের আহ্বান
মহান স্বাধীনতা দিবস শুধু অতীতের গৌরব স্মরণের দিন নয়, বরং ভবিষ্যৎ নির্মাণের অঙ্গীকারের দিন। জাতির এই মহান অর্জনকে অর্থবহ করতে প্রয়োজন ঐক্য, সহমর্মিতা ও দেশপ্রেমের চেতনায় উজ্জীবিত হওয়া। স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক আজকের দিনের অঙ্গীকার।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবির ঘটনায় নিহত বেড়ে ২৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবির ঘটনায় নিহত বেড়ে ২৫

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় বাসডুবির ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২৫ জনে দাঁড়িয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছে ১১ জন নারী, ৭ শিশু ও ৭ জন পুরুষ। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) তাপস কুমার পাল ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর মো. হাফিজুর রহমান।
রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর মো. হাফিজুর রহমান বলেন, দৌলতদিয়া নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ঘাটের ৩নং পন্টুন থেকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের ওই বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়।

মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ওয়াশিংটনে ভাষণ দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ওয়াশিংটনে ভাষণ দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান

মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণ ও হোয়াইট হাইসের উদ্যোগে ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার গ্লোবাল কলিউশন সামিটে যোগ দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে পররাষ্ট্র দপ্তরের আয়োজিত শীর্ষ এই সম্মেলনে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এআই-এর দায়িত্বশীল ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব। এজন্য বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে উন্নত বিশ্বের কাছে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসেবা শিশুদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুদিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ঐতিহাসিক ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট’-এ আপনাদের সবার সাথে যোগ দিতে পারা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমাদের শিশুদের সম্ভাবনা এবং প্রতিটি জাতির আগামীর অঙ্গীকারের মতো মহৎ উদ্দেশ্যে আমাদের একত্রিত করার জন্য আমি ফার্স্ট লেডিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি দেশের ভবিষ্যৎ লেখা হয় সেই দেশের শিশুদের জীবনের পাতায়। আজ আমরা তাদের যে শিক্ষা প্রদান করি এবং যে মূল্যবোধে তাদের বড় করি, তার মাধ্যমেই তারা আগামীদিনের জাতি গঠন করে।’
তিনি আরও বলেন, একজন চিকিৎসক হিসেবে আমি প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি কেবল চিকিৎসার ওপর নয়, বরং জীবনের প্রাথমিক পর্যায় থেকে রোগ প্রতিরোধের ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছি। ডা. জুবাইদা বলেন, শহর ও গ্রামের বৈষম্য দূর করতে প্রযুক্তি, বিশেষ করে ‘এড-টেক’ (Ed-tech) কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে। একইসঙ্গে, আমরা এই প্রযুক্তিগুলোর নিরাপদ এবং নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ, যাতে শিশুরা একটি নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে। তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী উত্তরাধিকার রয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মানবাধিকার সমুন্নত করেছেন এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন। আমাদের সরকার নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।