খুঁজুন
                               
, ,

মেঘনা-ধনাগোদা বেড়িবাঁধ সড়ক যেনো মরণ ফাঁদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:৫২ পূর্বাহ্ণ
মেঘনা-ধনাগোদা বেড়িবাঁধ সড়ক যেনো মরণ ফাঁদ

মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের ৬৪ কি. মি. বেড়িবাঁধ। এ বেড়িবাঁধ সড়কের বিভিন্ন স্থান  ধসে গিয়ে  ছোট-বড় শতাধিক বিপজ্জনক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তগুলো যেনো মরণ ফাঁদ। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে পথচারী ও যানবাহন। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, যে কোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড়ো ধরনের দুর্ঘটনা। মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বেড়িবাঁধটি পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)-এর হলেও পাকা সড়কটি সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের  ব্যবস্থাপনায় নির্মিত । এ সড়কটি ব্যবহার করে মতলব উত্তর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা, ঢাকা থেকে চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালীসহ দক্ষিণ অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় চলাচল করা যায়।
এ এলাকার বাসিন্দারা জানান, বৃষ্টির কারণে এই রাস্তার দু পাশে অনেক গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এ রাস্তা দিয়ে সবসময় গাড়ি  চলাচল করে। রাস্তার গর্তগুলো পূরণের ব্যবস্থা না করলে যে কোনো মুহূর্তে প্রাণহানির মতো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কথা হলো, দুর্ঘটনা ঘটলে দায় হবে কার? স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি জানার পরও সওজ বিভাগ এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।
অটোবাইক চালক ওমর আলী জানান, রাস্তা নির্মাণের ২/৩ বছর যেতে না যেতেই রাস্তার দুপাশে ছোট-বড় বহু গর্ত হয়েছে। যার কারণে সব সময় সতর্ক হয়ে গাড়ি চালাতে হয়। যাতে করে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে। মোটরসাইকেল চালক রুবেল জানান, ‘দিনে কোনোভাবে চলাচল করা গেলেও রাতে অতিরিক্ত ঝুঁকি নিয়ে চলতে হয়।’ পিকাপের ড্রাইভার আলী হোসেন জানান, রাস্তাটা তৈরির  কয়েক বছর না যেতেই  সড়কে বিভিন্ন জায়গায়  বড়ো গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু মেরামত করা হচ্ছে না। দূর থেকে এ গর্তগুলো অনেক সময় দেখা যায় না। রাতে সমস্যা আরো ভয়াবহ। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে আমাদের।
ষাটনল ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম জানান, বেড়িবাঁধ সড়কে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তগুলো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। দ্রুত মেরামত করা না হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরো বাড়বে। সাংবাদিক গোলাম নবী খোকন জানান, এ সড়কে অনেক  মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ গর্ত রয়েছে। এগুলো দুর্ঘটনা প্রবণ। মেরামত না হলে যে কোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। সংশ্লিষ্ট বিভাগকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অতিবৃষ্টিতে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। আমরা মেরামতের ব্যবস্থা নিয়েছি ও নেবো।
চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন জানান, এ সড়কটির গর্তগুলো   মেরামতের জন্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মতলব ব্রীজ থেকে বেড়িবাঁধের পূর্ব অংশে সংস্কার কাজের জন্যে টেন্ডার দেয়া হয়েছে। পশ্চিম এলাকার মেরামতের কাজ এখনও ঠিকাদারের আওতায় আছে। আমরা তাদেরকে চিঠি দিয়েছি এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যে।
মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী (চ. দা.) সেলিম শাহেদ জানান, মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের হলো বেড়িবাঁধটি। যান চলাচলের জন্যে বেড়িবাঁধের ওপরে পাকা সড়ক নির্মাণ করেছে চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। বেড়িবাঁধের দুপাশে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হলে আমরা মেরামতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করি। পাকা সড়ক সংস্কারের দায়িত্ব হলো সওজ বিভাগের।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, বেড়িবাঁধের বিভিন্ন জায়গায় গর্ত দেখা গেছে। এগুলো সড়ক দুর্ঘটনার কারণ হতে পাড়ে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলবো, এ বিষয়ে যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ব্যবস্থা নিচ্ছি, নেবো, ঠিকাদারকে বলেছি, এ কথাগুলো শুনতে  শুনতেই অভ্যস্ত হয়ে গেছেন বলে জানালেন সচেতন মহল। কিন্তু কাজটা সঠিক সময়ে হচ্ছে না। যদি সড়কের এ গর্তে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে করো প্রাণ যায়, তাহলে এর দায় কে নেবে? তারা মনে করছেন, দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা নিতে হবে।

একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ (বুধবার, ২২ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত! অনুমোদিত নতুন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে; স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে ‘বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প’। ১ হাজার ৪৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পটি ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিন জেলার গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২ হাজার ৮২ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প’ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৮ বিভাগের ৬৪ জেলার ৪৯৫টি উপজেলায় ৯১ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার পল্লী সড়ক নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পরিবারপ্রধান ৪৫ হাজার ৭৮০ জন দুঃস্থ নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অনুসন্ধান ও উৎপাদন কোম্পানি (বাপেক্স) এবং পেট্রোবাংলার উদ্যোগে ৭২৯ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘১টি মূল্যায়ন কূপ (বেগমগঞ্জ-৫) এবং ২টি অনুসন্ধান কূপ (বেগমগঞ্জ-৬ ও সুনেত্র-২) খনন’ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পটি সরকারি ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।

বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৭ সালের হজের জন্য তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার প্যাকেজগুলোর ঘোষণা দেন। এ সময় হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবার খাওয়া ও কোরবানিসহ তিনটি হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজের খরচ রাখা হয়েছে ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা এবং সর্বনিম্ন প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা।
হাব জানায়, তিনটি প্যাকেজের মধ্যে বিশেষ প্যাকেজ ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা, সাধারণ প্যাকেজ ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ও সাশ্রয়ী প্যাকেজ ৫ লাখ ১৩ হজার ৫৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর বিশেষ হজ প্যাকেজের খরচ ছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সাধারণ প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা এবং সাশ্রয়ী প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। সে হিসাবে এবার সাশ্রয়ী প্যাকেজের ব্যয় বেড়েছে ৩ হাজার ৫৪৫ টাকা। আর সাধারণ প্যাকেজের ব্যয় ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৭ হাজার টাকা বেশি। এ ছাড়া বিশেষ হজ প্যাকেজে ব্যয় বেড়েছে ৪১ হাজার ৬০ টাকা।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ২০২৭ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের ২টি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। হজ প্যাকেজ-১-এর খরচ ধরা হয়েছে ছয় লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী) এর খরচ ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ৬৪৮ টাকা।

প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ
প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

ভারতের মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা (নিটের) প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বিক্ষোভ গড়িয়েছে টানা তৃতীয় দিনে। সংঘাত ও বিক্ষোভের মধ্যেই বুধবার (২২ জুলাই) সরকারি সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় সরকার পার্লামেন্টে প্রশ্নফাঁস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে সরকারি সূত্রগুলো। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি সামনে আসার পরপরই সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সহিংসতার পর থেকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, সেদিনের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
এদিকে নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তাটি পড়ে শোনান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। প্রধানমন্ত্রীর বার্তা উদ্ধৃত করে কিরেন রিজিজু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এনডিএ শরিকদের সংসদের সব ধরনের কাজে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বিরোধী দলগুলোকে সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে দেশের ভবিষ্যৎ এবং যুবসমাজের কল্যাণে কাজ করা সব সংসদ সদস্যের যৌথ দায়িত্ব।’