খুঁজুন
                               
, ,

প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়

প্রকল্পের সঙ্গে জলে গেছে ২৭ কোটি, ফের বরাদ্দ ৫০ কোটি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ
প্রকল্পের সঙ্গে জলে গেছে ২৭ কোটি, ফের বরাদ্দ ৫০ কোটি

রাজধানীর গুলশানের উত্তর বারিধারার আট বিঘা জমিতে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পের নামে চলছে বিপুল অর্থের অপচয়। প্রথমে প্রবাসীদের জন্য কিডনি হাসপাতাল ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান নির্মাণের পরিকল্পনা চলে। পরে হাউজিং প্রকল্প নির্মাণের উদ্যোগে কেটেছে দুই দশকের বেশি সময়। সেখান থেকে সরে মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড আবারও ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডরমিটরি এবং একটি কমার্শিয়াল ভবন নির্মাণের মহাপরিকল্পনা নেয়। আড়াই দশকে এসব কর্মকাণ্ডে সাড়ে ২৭ কোটি টাকা খরচ হলেও কোনো প্রকল্পই আলোর মুখ দেখেনি।
প্রকল্পের জন্য গুলশানের প্রায় ৬০০ কোটি টাকার জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। অথচ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই তড়িঘড়ি করে পিপিআরের আইন ভেঙে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে মাত্র ২০ শয্যার হাসপাতাল তৈরি করছে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়। গত জুলাই থেকে আগামী ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত এর মেয়াদ। এই হাসপাতাল পরিচালনায় বোর্ডের আইন ভঙ্গ করেই বোর্ড সভা এবং মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না নিয়েই গঠন করা হচ্ছে কোম্পানি। এতেই কল্যাণ বোর্ডের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তাদের দাবি, অপরিকল্পিতভাবে প্রবাসীদের বিনিয়োগে হাসপাতাল নির্মাণে তাদের কোনো উপকারে আসবে না। এ ছাড়া সেবাধর্মী সরকারি প্রতিষ্ঠানে কোম্পানি গঠনে জটিলতা তৈরি হবে।
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালে তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে গুলশান-ভাটারার (উত্তর বারিধারা) প্রকল্পের মাধ্যমে প্রবাসীদের কল্যাণে কিডনি হাসপাতাল এবং তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার জন্য ১৫১ দশমিক ৫৪ কাঠা জমি ক্রয় করা হয়। পরবর্তী সময়ে বোর্ড সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এখানে প্রবাসীদের জন্য ৫০০ ফ্ল্যাট নির্মাণ করতে চাইলে আরও ১৫ দশমিক ৭৪ কাঠা জমি ক্রয় করা হয়। বর্তমানে এই জমির মূল্য ৬০০ কোটি টাকারও বেশি।
হাউজিং প্রকল্পে ছয়টি ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে কল্যাণ বোর্ড ২০০৪ সালে দুই হাউজিং কোম্পানিকে কার্যাদেশ প্রদান করে। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠান দুটি বেজমেন্টসহ একটি ভবনের লেভেল-২ পর্যন্ত,  অন্য একটি ভবনের লেভেল-৪ পর্যন্ত ফ্রেম স্ট্রাকচারের নির্মাণকাজ এবং পুরো জমিতে পাঁচটি ভবনের পাইলিং করার পর নির্মাণ মূল্য বৃদ্ধির জন্য আবেদন করে। এই জটিলতায় ২৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ব্যয় করে কাজ অসমাপ্ত করে ২০২০ সালে প্রকল্প বন্ধ করে সরকার।
এর মধ্যে গত ১৭ এপ্রিল প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল প্রবাসীদের পরিবারের এক অনুষ্ঠানে বারিধারার জায়গাটিতে নতুন করে হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণা দেন। নতুন এই প্রকল্পে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের ৫১ শতাংশ শেয়ার থাকবে এবং ৪৯ শতাংশ শেয়ার হবে প্রবাসীদের। এর পরিপ্রেক্ষিতে কল্যাণ বোর্ড উপদেষ্টার ঘোষণা বাস্তবায়নে তড়িঘড়ি করে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই আট বিঘা জমিতে নিজস্ব অর্থায়নে ৪৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) নির্মাণ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
গত ২৬ আগস্ট ৩৩৪তম বোর্ড সভায় মন্ত্রণালয়ের এসব কোনো মতামত গ্রহণ না করেই প্রকল্পটি অনুমোদন এবং ৩১ আগস্ট প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব আর্থিক অনুমোদনও দেন। তবে প্রকল্প প্রণয়নে কোনো ধরনের সমীক্ষা এবং নতুন করে মাস্টারপ্ল্যানও করা হয়নি। কারিগরি ও বিশেষজ্ঞ কমিটি ছাড়াই প্রকল্পের ডিপিপি প্রস্তুত করেছেন কল্যাণ বোর্ডের অর্থ, বাজেট ও কল্যাণ পরিচালক ড. এটিএম মাহবুব-উল করিম, ভূসম্পত্তি ব্যবস্থাপনার সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান, প্রশাসন ও সেবা সহকারী পরিচালক নাজমুল হক এবং বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী আবু শাহাদাত মো. শরীফ।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসীকল্যাণ হাসপাতাল পরিচালনার জন্য এর মধ্যেই বোর্ড এবং মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াই প্রবাসীকল্যাণ সার্ভিস পিএলসি নামে একটি কোম্পানির ছাড়পত্র গ্রহণ করেছে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড, যা বোর্ড আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
এ বিষয়ে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান সমকালকে বলেন, বারিধারার জায়গাটি অবস্থানগত কারণে অনেক মূল্যবান। সেখানে মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী ৩০০ শয্যার হাসপাতাল না করে মাত্র ২০ শয্যার হাসপাতাল করাটা কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত না।
প্রবাসীকল্যাণ হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থ ও বাজেট এবং কল্যাণ পরিচালক ড. এটিএম মাহবুব-উল করিম বলেন, উপদেষ্টা প্রবাসীদের জন্য একটি হাসপাতাল দ্রুত নির্মাণের নির্দেশনা ছিল। সেখানে বোর্ডের সঙ্গে প্রবাসীরাও শেয়ারের মাধ্যমে বিনিয়োগ করবেন। এই নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্যই প্রথম পর্যায়ে মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের সবাই মিলে প্রকল্পটি সাজানো হয়েছে। আগের মাস্টারপ্ল্যানের ৩০০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণের ফিজিবিলিটি স্টাডি এবং মাস্টারপ্ল্যান কিছুটা অনুসরণ করা হবে, তবে সম্পূর্ণটা না।
ডিপিপি প্রস্তুতে ভূসম্পত্তি ব্যবস্থাপনার সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান, প্রশাসন ও সেবা সহকারী পরিচালক নাজমুল হক এবং বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী আবু শাহাদাত মো. শরীফ জানান, এ ধরনের প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নে আমাদের অভিজ্ঞতা নেই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় আমরা ডিপিপির কাঠামো দেখে এ প্রকল্পের ডিপিপি প্রস্তুত করেছি। ওয়েজ আনার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার গোলাম সারোয়ার ভূঁইয়া বলেন, আপাতত ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প শুরু হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে প্রকল্পটি দুই হাজার কোটিতে দাঁড়াবে।
এ বিষয়ে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, এ সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই। ২০ শয্যার হাসপাতাল তৈরি করা হচ্ছে কিনা, জানি না। এটি বোর্ডের চেয়ারম্যান ভালো বলতে পারবেন।
প্রকল্প সম্পর্কে জানতে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুলকে একাধিকবার কল ও মেসেজ দিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি। এমনকি বুধবার দপ্তরে গিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ (বুধবার, ২২ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত! অনুমোদিত নতুন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে; স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে ‘বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প’। ১ হাজার ৪৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পটি ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিন জেলার গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২ হাজার ৮২ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প’ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৮ বিভাগের ৬৪ জেলার ৪৯৫টি উপজেলায় ৯১ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার পল্লী সড়ক নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পরিবারপ্রধান ৪৫ হাজার ৭৮০ জন দুঃস্থ নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অনুসন্ধান ও উৎপাদন কোম্পানি (বাপেক্স) এবং পেট্রোবাংলার উদ্যোগে ৭২৯ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘১টি মূল্যায়ন কূপ (বেগমগঞ্জ-৫) এবং ২টি অনুসন্ধান কূপ (বেগমগঞ্জ-৬ ও সুনেত্র-২) খনন’ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পটি সরকারি ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।

বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৭ সালের হজের জন্য তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার প্যাকেজগুলোর ঘোষণা দেন। এ সময় হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবার খাওয়া ও কোরবানিসহ তিনটি হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজের খরচ রাখা হয়েছে ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা এবং সর্বনিম্ন প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা।
হাব জানায়, তিনটি প্যাকেজের মধ্যে বিশেষ প্যাকেজ ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা, সাধারণ প্যাকেজ ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ও সাশ্রয়ী প্যাকেজ ৫ লাখ ১৩ হজার ৫৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর বিশেষ হজ প্যাকেজের খরচ ছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সাধারণ প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা এবং সাশ্রয়ী প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। সে হিসাবে এবার সাশ্রয়ী প্যাকেজের ব্যয় বেড়েছে ৩ হাজার ৫৪৫ টাকা। আর সাধারণ প্যাকেজের ব্যয় ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৭ হাজার টাকা বেশি। এ ছাড়া বিশেষ হজ প্যাকেজে ব্যয় বেড়েছে ৪১ হাজার ৬০ টাকা।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ২০২৭ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের ২টি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। হজ প্যাকেজ-১-এর খরচ ধরা হয়েছে ছয় লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী) এর খরচ ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ৬৪৮ টাকা।

প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ
প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

ভারতের মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা (নিটের) প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বিক্ষোভ গড়িয়েছে টানা তৃতীয় দিনে। সংঘাত ও বিক্ষোভের মধ্যেই বুধবার (২২ জুলাই) সরকারি সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় সরকার পার্লামেন্টে প্রশ্নফাঁস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে সরকারি সূত্রগুলো। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি সামনে আসার পরপরই সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সহিংসতার পর থেকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, সেদিনের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
এদিকে নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তাটি পড়ে শোনান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। প্রধানমন্ত্রীর বার্তা উদ্ধৃত করে কিরেন রিজিজু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এনডিএ শরিকদের সংসদের সব ধরনের কাজে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বিরোধী দলগুলোকে সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে দেশের ভবিষ্যৎ এবং যুবসমাজের কল্যাণে কাজ করা সব সংসদ সদস্যের যৌথ দায়িত্ব।’