খুঁজুন
                               
, ,

টিএইচএম জাহাঙ্গীর গণফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক মনোনিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫, ৮:৪৬ পূর্বাহ্ণ
টিএইচএম জাহাঙ্গীর গণফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক মনোনিত

সিনিয়র সাংবাদিক ও যুব গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য টি এইচ এম জাহাঙ্গীর গণফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক মনোনিত হয়েছেন। অদ্য ২৬ জুলাই ২০২৫ শনিবার সকালে তোপখানাস্হ শিশু কল্যাণ পরিষদের মিলনায়তনে অনুষ্টিত গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। গণফোরামের সভাপতি মন্ডলির সিনিয়র সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম আলতাফ আহমদ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ডা: মিজানুর রহমান এর পরিচালনায় অনুষ্টিত সভায় কেন্দ্রীয় কমিটির শুন্য এই পদে সর্বসম্মতিক্রমে এ মনোনয়ন প্রদান করা হয়। এসময় গণফোরামের সভাপতি মোস্তফা মোহসীন মন্টুর মৃত্যুতে শুন্য পদে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পদে মনোনিত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সিনিয়র আইনজীবী এড.সুব্রত চৌধুরী।
মহান মুক্তিযোদ্ধের চেতনায় উজ্জিবিত, অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যশীন সমাজ ব্যবস্হা প্রতিষ্ঠার মানবিক কর্মী টি এইচ এম জাহাঙ্গীর বাংলাদেশ রিপোর্টার্স কাউন্সিলের সভাপতি, চ্যানেল এস এর জয়েন্ট নিউজ এডিটর ও দৈনিক নতুন আশা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনরত। এর আগে তিনি দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার এর নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন। এছাড়াও তিনি সিটিজেন রিসার্চ কমিউনিকেশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ স্টাডি ট্রাস্টের মহাসচিব, সিলেট রত্ন ফাউন্ডেশন ও স্পীকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী স্মৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা,জালালাবাদ এসোসিয়েশন, ঢাকার কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য,  স্বাস্হ্য-শিক্ষা অধিকার আন্দোলনের সভাপতি, সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও জালালাবাদ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেশ ও জনগণের কল্যাণে গুরুত্বপুর্ণ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন।
টি এইচ এম জাহাঙ্গীর ১৯৭৬ সালের ২০ জুলাই সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায়  জন্মগ্রহণ করেন। হাইস্কুল জীবন থেকেই তিনি ছাত্র রাজনীতির পাশাপাশি সাংবাদিকতা পেশায় সক্রিয় হন। ১৯৯০ সালে টি এইচ এম জাহাঙ্গীর সিলেট থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের সিলেট পত্রিকার  দক্ষিণ ছাতক প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পান। পরবর্তীতে সিলেট মদনমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে পড়াকালিন সময়ে দৈনিক মানচিত্র, দৈনিক যুগভেরী পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং সিলেট বিভাগের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, অবহেলিত মুক্তিযোদ্ধাদের অসহায় জীবন- যাপন ও মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাঁথা  নিয়ে গবেষণা ও সাক্ষাতকার নিয়ে উল্লেখিত পত্রিকাগুলোতে নিয়মিত নিবন্ধন লিখেন। তৎকালীন সময়ে সিলেটের সাংবাদিকতা, সাহিত্য,সংস্কৃতি, ইতিহাস চর্চা সংগঠক হিসেবে টি এইচ এম জাহাঙ্গীর ছিলেন ব্যাপক পরিচিত। তিনি চেতনায়-৭১ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক, কচিকাঁচার মেলা, উদিচী, যুব রেডক্রস, লিও ক্লাব, সিলেট যুব পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধ চর্চা কেন্দ্র, ভোরের কাগজ পাঠক ফোরাম, ছড়া মঞ্চে ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ও পরবর্তীতে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সক্রিয় সংগঠক ছিলেন। ১৯৯৪ সালের ডিসেম্বরে “রক্তাক্ত স্বাধীনতা” ও ১৯৯৮ সালের মার্চে “মুক্তিযোদ্ধার শেষ কথা” নামে তাঁর প্রকাশিত গ্রন্হ দুটি পাঠক ও সুধিমহলে ব্যাপক প্রসংশিত হয়।
২০০২ সালে তিনি ঢাকায় কর্মজীবন শুরু করেন সাংবাদিকতার পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনে। ঢাকায় বসবাসকারী সিলেট বিভাগবাসীর ঐক্য, যোগাযোগ ও সম্প্রীিতর লক্ষে ২০০৪ সালে প্রকাশ করেন জালালাবাদ ডাইরেক্টরী, সিলেট বিভাগের গুণীজনদের জীবনী নিয়ে ২০০৫ সালে প্রকাশ করেন রত্নগর্ভা সিলেট ও একনজরে সিলেট বিভাগের গুণীজন গ্রন্হ। বই দুটি প্রকাশিত হলে তিনি সর্বমহলে ব্যাপক পরিচিতি ও প্রসংশিত হন। টিএইচএম জাহাঙ্গীর সিলেট রত্ন ফাউন্ডেন প্রতিষ্ঠা করে ঢাকায় সিলেট বিভাগের জীবীত গুণীজনদের সিলেট রত্ন এ্যাওয়ার্ড, সম্মাননা, সংর্বধনা, রত্নগর্ভা মা এ্যাওয়ার্ড ও বিষয় ভিত্তিক আলোচনা আয়োজন করে গুণীজন মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হন এবং তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে সিলেটরত্ন উপাধি গ্রহণ করেন।তার লেখা ও সম্পাদিত গ্রন্হের সংখ্যা ১৯ টি।তিনি লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ক্লাব, বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাংলাদেশ রাইফেলস ক্লাব, এশিয়া সোসাইটি, বাংলাদেশ লেখক ফোরাম, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ- আমেরিকা সোসাইটির আজীবন সদস্য।
উল্লেখ্য যে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পররাষ্ট্র মন্রী ড.কামাল হোসেন ১৯৯২ সালের ২৯ আগষ্ট মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ, আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করণের প্রয়োজনে গণফোরাম প্রতিষ্ঠা করেন।

সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য সার্ক সাহিত্য সম্মেলন-২০২৬ এ যোগ দিতে যাচ্ছেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক ও সাংবাদিক কাদের পলাশসহ চার লেখক। আগামী ১৪ থেকে ১৯ নভেম্বর ছয় দিনব্যাপী এ সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে ১৪ জন কবি ও লেখক অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, আফগানিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানের কবি-সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। এতে বিভিন্ন দেশের সাহিত্যিকদের মধ্যে পারস্পরিক ভাববিনিময়, সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন অংশগ্রহণকারীরা।

সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়া চাঁদপুরের অন্য তিন লেখক হলেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির পরিচালক (গবেষণা) ও গবেষক মুহাম্মদ ফরিদ হাসান, কবি ও লেখক নুরুন্নাহার মুন্নি এবং কবি ও সংগঠক ম. নূরে আলম পাটওয়ারী।

আন্তর্জাতিক এ সাহিত্য সম্মেলনে চাঁদপুরের চার লেখকের অংশগ্রহণকে জেলার সাহিত্যাঙ্গনের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি চাঁদপুরের সাহিত্যচর্চা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক লেখক ও সাংবাদিক কাদের পলাশ বলেন, সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে পারা নিঃসন্দেহে আনন্দের ও গর্বের বিষয়। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের কবি-লেখকদের সঙ্গে ভাববিনিময়, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সাহিত্যিক সম্পর্ক জোরদার হবে। চাঁদপুরের লেখক হিসেবে এ সম্মেলনে অংশ নিয়ে আমরা আমাদের জেলার সাহিত্যচর্চা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে তুলে ধরতে চাই। আশা করি, এ আয়োজন দক্ষিণ এশিয়ার সাহিত্যিকদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে।

সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ণ
সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

রাঙামাটির সাজেকে স্থানীয় সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের মুখে আটকে পড়া প্রায় দুই হাজার পর্যটককে সম্পূর্ণ নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুর রকিব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের কঠোর পাহারায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হন পর্যটকরা। তবে দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের ডাকা অবরোধের কারণে মাঝপথে উজো বাজারসহ কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে বাধার মুখে পড়েন তারা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং শেষ পর্যন্ত পর্যটকদের বহর নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছায়।
উল্লেখ্য, সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের কারণে জেলা প্রশাসন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে পর্যটকদের নিরাপদে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল। বারবার এমন অবরোধের ফলে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং সাধারণ মানুষের জনজীবনও ব্যাহত হচ্ছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে বর্তমানে দেশটিতে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক ও যৌথ সংবাদ সম্মেলন শেষে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন। বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুরে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সানায়ে তাকাইচি। এ সময় জাপানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দুই নেতা নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইয়াসুতাকা নাকাসোনে। সফরকালে তিনি বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন এবং জাপানি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে সফরের প্রথম দিন তিনি জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসো, মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকি এবং জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।