খুঁজুন
                               
, ,

শুল্ক ২০ শতাংশের নিচে রাখতে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ভারত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫, ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ
শুল্ক ২০ শতাংশের নিচে রাখতে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ভারত

যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত একটি ‘অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি’র অগ্রগতি নিয়ে কাজ করছে, যা প্রস্তাবিত শুল্ক ২০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনতে পারে। এটি হলে, ভারত দক্ষিণ এশিয়ায় অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় একটি সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে। শনিবার (১২ জুলাই) এক প্রতিবেদনে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনোমিক টাইমস এমনটাই জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, আলোচনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ভারত অন্যান্য অনেক দেশের মতো ট্রাম্পের ‘শুল্ক পত্র’ পাওয়ার আশা করছে না। তারা আশা করছে, একটি বিবৃতির মাধ্যমে বাণিজ্য ব্যবস্থা ঘোষণা করা হবে। তারা বলেছে, অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিটি অব্যাহত আলোচনার সুযোগ করে দেবে। এটি নয়াদিল্লিকে ভবিষ্যতে প্রত্যাশিত চুক্তির আগে অমীমাংসিত সমস্যাগুলো সমাধানের সুযোগও দেবে।
সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির সময়কাল কতটুকু হতে, তা অস্পষ্ট। বিবৃতিতে সম্ভবত সম্প্রতি প্রাথমিকভাবে প্রস্তাবিত ২৬% এর তুলনায় – ২০ শতাংশের নিচে নির্ধারণ করা হবে। ইকোনোমিক টাইমস বলছে, এটি যদি চূড়ান্ত হয়, তবে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করা বাণিজ্য অংশীদারদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ভারতও থাকবে। এসব বিষয়ে ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় ই-মেইলের জবাব দেয়নি এবং হোয়াইট হাউস ও বাণিজ্য বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি বলে জানিয়েছে ইকোনোমিক টাইমস। গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্প এনবিসি নিউজকে বলেন, তিনি বেশিরভাগ অংশীদার দেশগুলোর ওপর ১৫% থেকে ২০% পর্যন্ত সর্বনিম্ন শুল্ক আরোপের দিকে নজর রাখছেন – যাদের এখনো শুল্কের হার উল্লেখ করে চিঠি দেওয়া হয়নি।
এশীয় দেশগুলোর জন্য ঘোষিত শুল্ক হার ভিয়েতনাম এবং ফিলিপাইনের জন্য ২০% থেকে শুরু করে লাওস এবং মায়ানমারের জন্য ৪০% পর্যন্ত উঠেছে। ইকোনোমিক টাইমস অনুসারে, এই বছর বাণিজ্য আলোচনার জন্য হোয়াইট হাউসে যোগাযোগ করা প্রথম দেশগুলোর মধ্যে ভারত ছিল, তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে চাপের লক্ষণ দেখা দিয়েছে। ট্রাম্প এই সপ্তাহের শুরুতে বলেছিলেন, ভারতের সঙ্গে তারা একটি চুক্তির কাছাকাছি। তবে, ব্রিকস গ্রুপে থাকায় ভারতের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ব্লুমবার্গ নিউজের বরাতে ইকোনোমিক টাইমস উল্লেখ করেছে, আলোচনা এগিয়ে নিতে ভারতীয় আলোচকদের একটি দল শিগগিরই ওয়াশিংটন সফর করবে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারত ইতোমধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে তাদের প্রস্তাবটি পেশ করেছে।

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।