খুঁজুন
                               
, ,

সাহিত্য একাডেমী আমাদের শিল্পগৌরব সৃষ্টিশীল লেখনিতে আনন্দের পৃথিবী

সামীম আহমেদ খান
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
সাহিত্য একাডেমী আমাদের শিল্পগৌরব সৃষ্টিশীল লেখনিতে আনন্দের পৃথিবী

সাহিত্য মানেই আড়ালে থেকে যাওয়া সুন্দর, সাহিত্য মানেই ঊষাবেলার রঙ, সাহিত্য মানেই সন্ধ্যার সাজ, সাহিত্য মানেই কালোত্তীর্ণ কর্মের অনবদ্য ফসল। সাহিত্য মানেই শেক্সপীয়র, শেলী, কীট্স, পাবলো নেরুদা, বেঞ্জামিন মলিয়ের, রবীন্দ্র, নজরুল, জীবনানন্দ ও সুকান্ত অর্থাৎ সাহিত্য শিল্পী মননশীল শিল্পকর্মের স্রষ্টা। শিল্প-সাহিত্য এবং সংস্কৃতির শতাব্দীপ্রাচীন পূর্ণতার ঐতিহ্য বহন করছে চাঁদপুর জেলা। এক অর্থে সংস্কৃতির এক চারণভূমি চাঁদপুর। মেধা ও প্রজ্ঞার সমন্বয় ঘটিয়ে চাঁদপুরের সংস্কৃতিকর্মীরা স্বাক্ষর রেখেছেন বিভিন্ন পর্যায়ে। ভৌগোলিক পরিচিতিকে করেছেন আপন মহিমায় ভাস্বর। এখানকার প্রত্যেকটি সাংস্কৃতিক সংগঠন স্ব স্ব আভিজাত্য এবং শুভ্রতা নিয়ে সাংস্কৃতিক তথা সামাজিক বলয় সৃষ্টি করে চলছে অবিরত। প্রশান্ত সৃজনশীল বৃত্তিগুলো ব্যক্তিত্ব বিকাশে যেমন সহায়ক, তেমনি সহায়ক মানসিক উৎকর্ষ অর্জনের পথ সুগম করতে। এ উৎকর্ষতার পরিপূর্ণতায় কেটে উঠবে স্থবিরতা, পাশাপাশি আবদ্ধতা। প্রয়োজন তাই মুক্ত চিন্তা এবং সৃষ্টিশীল কর্ম, যা সময়ের দাবিতে উপজীব্য মাধ্যম। এই মহামিলনের অঙ্কুরিত স্বপ্নকে বুকে ধারণ করেই কবি খুরশেদুল ইসলাম তৎকালীন জেলা প্রশাসক জনাব এস.এম. শামসুল আলম সাহেবের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে তুলেছিলেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমী এবং তিনি নিজেই ছিলেন সাহিত্য একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক।
|আরো খবর

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পাঁচদিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা উদ্বোধন
সাহিত্য একাডেমী চাঁদপুর-এর ভোটার তালিকায় প্রকাশ
আরিফুল ইসলাম শান্তের ‘মৌন বৃক্ষের রাত্রিদিন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের বরাত দিয়েই বলতে হয়, অন্তত পনেরো বছর যাবৎ সাহিত্য একাডেমীর ওপর নিষ্ক্রিয়তার জগদ্দল পাথর চেপে বসেছিলো। কমিটিতে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি লোকজনের শতকরা ৯০ ভাগই নানান উপাধি, পদবীতে ভারাক্রান্ত, বয়সের ভারে এদের গতিশীলতা হারিয়ে গেছে। অতএব গ্রহণযোগ্য যে কোনো পদ্ধতিতে সাহিত্য একাডেমীর কমিটিতে গতিশীল, কর্মোদ্যমী নতুন মুখ আনা দরকার। এজন্যে বিদ্যমান গঠনতন্ত্রের মধ্যে যদি পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় তাও করা দরকার।

উল্লেখিত অংশটুকু নিয়ে ‘সাহিত্য একাডেমী হোক আমাদের সমতা সম্পদ আর আনন্দের পৃথিবী’ এ শিরোনামে এ পত্রিকায়ই লিখেছিলাম ২০০৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি। তখন কলম ধরেছিলাম সাহিত্য একাডেমীর ব্যর্থতার দায়ভার প্রতিটি প্রতীক্ষিত সুন্দরকে যাতে ম্লান করে না দেয় তার জন্যে, কলম ধরেছিলাম সাহিত্য একাডেমীর অর্বাচীন ভূমিকায় সাহিত্যপিপাসুদের যাতে আলোহীন অন্ধকারে যেতে না হয় তার জন্যে। কিন্তু এবারের প্রেক্ষাপট কিছুটা ভিন্ন।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের আরো একটি শিরোনাম মনকে নাড়া দিয়েছিলো। ২০০৯ সালে চাঁদপুরের তৎকালীন জেলা প্রশাসক আ.ক.ম. শাহীদুর রহমান মহোদয় বললেন, সাহিত্য একাডেমী ভবন শিশু একাডেমীকে হস্তান্তর করা হবে। সাহিত্যপ্রেমীদের প্রাণের দাবির প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই আবার কলম ধরলাম ২০০৯ সালের ২৫ জানুযারি।

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে হস্তান্তর প্রক্রিয়ার কিছু নান্দনিক দৃষ্টিভঙ্গি চোখে পড়ে। যেমন : ১৭৬৫ সালের ১২ আগস্ট রবার্ট ক্লাইভ যখন দ্বিতীয় বারের মতো বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন, তিনি এসেই সম্রাট দ্বিতীয় শাহআলম ও অযোধ্যার নবাবের সঙ্গে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানী হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পাদন করেন।

ইতিহাসে এর একটি ইতিবাচক দিক রয়েছে।

ফ্রান্স স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের মূর্ত প্রতীক ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ ১৮৮৬ সালের ২৮ অক্টোবর আমেরিকার নিকট হস্তান্তর করে, যা মার্কিনীরা লিবার্টি আইল্যান্ড, নিউইয়র্কে ১৯২৪ সালের ১৫ অক্টোবর তাদের জাতীয় স্থাপনা হিসেবে বিশ্বকে পরিচয় করে দেয়।

১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সরকারি নির্দেশে হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মাঝে রাখী বন্ধন হস্তান্তর করেন, যা উভয় সম্প্রদায়ের ঐক্যের প্রতীক ছিলো। তৎকালীন জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সে সময়ের প্রেক্ষাপটে সাহিত্য একাডেমী হস্তান্তর প্রক্রিয়া আমাদের জন্যে গৌরবের ছিলো না বরং হতাশার, সুদীপ্ত ইচ্ছার প্রতিফলনতো নয়ই বরং নির্লিপ্ত চেয়ে থাকা মাত্র।

প্রেক্ষাপট সমৃদ্ধ লেখাটি তৎকালীন জেলা প্রশাসক হৃদয়ঙ্গম করায় সাহিত্য একাডেমী তার নিজস্বতা হারায়নি। সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব বর্তমান জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন মহোদয়কে দূর থেকে যতটুকু আবিষ্কার করেছি, ওনার রয়েছে বর্ণাঢ্য ও মেধাবী জীবনের ইতিবৃত্ত। পাশাপাশি তিনি একজন সফল ও সৃষ্টিশীল জীবনবোধের অধিকারী। এমন অনুভবে সমৃদ্ধ বর্তমান জেলা প্রশাসক মহোদয় সাহিত্য একাডেমীর স্বকীয়তা বজায় রাখার ঘোষণা দিয়েছেন ইতোমধ্যে। গত ১৭ মার্চ জেলা প্রশাসক মহোদয়ের স্বাক্ষরিত ১২০ সদস্যের একটি ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, যা বাস্তবিক অর্থে ইতিবাচক। এ কথা স্পষ্টতই প্রতীয়মান যে, প্রতিভাধর ব্যক্তির আনন্দবোধের উৎসারণ ঘটে বিভিন্ন উৎস থেকে। সাহিত্যপ্রেমীদের তেমনি এক উৎসের নাম সাহিত্য একাডেমী।

সাহিত্যপ্রেমীদের প্রাণের দাবিকে মূল্যায়ন করে চাঁদপুরের প্রাক্তন জেলা প্রশাসক জনাব মো. আবদুর রব হাওলাদার গণি মডেল হাইস্কুলে সাহিত্যসেবীদের বিশাল সমাবেশে ২১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করেন। আমার প্রিয় শিক্ষক চাঁদপুর সরকারি কলেজের তৎকালীন ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কবি খুরশেদুল ইসলাম সাহিত্য একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক। সাহিত্য একাডেমীর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আমি একজন সাহিত্যসেবী হিসেবে এ প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের সাবেক সদস্য। প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক কবি খুরশেদুল ইসলাম চিরবিদায় নিয়েছেন। তবে তাঁর আত্মা শান্তি পাবে যদি তাঁর সন্তানতুল্যদের লালিত্যে গড়া সাহিত্য একাডেমী আবার জেগে উঠে। আবার এখানে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দ, সুকান্তচর্চা শুরু হয়। সময়ের ধমনীতে প্রবহমান স্বচ্ছ প্রাণবিন্দুগুলো, আবার নতুন অবয়বে তার সৌন্দর্য ফিরে পাবে, আবার আমরা সরলা জননীকে নিয়ে লিখবো কবিতা। বর্তমান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন মহোদয়কে বিনীতভাবে বলছি যে, সাহিত্য একাডেমীকে প্রাণসঞ্চার করার জন্যে অতীতের দগ্ধ-বিগলিত ও বিচ্ছিন্ন অসম্পূর্ণতা দূরে ঠেলে দিয়ে সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করে সাহিত্যপ্রেমীদের প্রতিভার মূল্যায়ন করা হোক। সাহিত্য একাডেমীর সৃষ্টিশীল কর্মকাণ্ডের ধমনীতে বিশুদ্ধ চেতনাবোধ প্রবাহিত হোক এটাই প্রত্যাশা। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রলয় শিখা কাব্যগ্রন্থের বিংশ শতাব্দী কবিতার পংক্তিমালা–“সংস্কারের জগদ্দল পাষান/তুলিয়া বিশ্বে আমরা করেছি প্রাণ/সর্ব আচার-বিচার-পঙ্ক হতে/তুলিয়া জগতে এনেছি মুক্ত স্রোতে/অচলায়তনে বাতায়ন খুলি-প্রাণ/এনেছি, গেয়েছি নব আলোকের গান”-এর বাণীমন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে সাহিত্য একাডেমী যথার্থভাবে উদ্ভাসিত হোক।
লেখক পরিচিতি : সামীম আহমেদ খান, সভাপতি, জাতীয় কবিতা পরিষদ, চাঁদপুর জেলা শাখা।

একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ (বুধবার, ২২ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত! অনুমোদিত নতুন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে; স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে ‘বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প’। ১ হাজার ৪৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পটি ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিন জেলার গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২ হাজার ৮২ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প’ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৮ বিভাগের ৬৪ জেলার ৪৯৫টি উপজেলায় ৯১ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার পল্লী সড়ক নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পরিবারপ্রধান ৪৫ হাজার ৭৮০ জন দুঃস্থ নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অনুসন্ধান ও উৎপাদন কোম্পানি (বাপেক্স) এবং পেট্রোবাংলার উদ্যোগে ৭২৯ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘১টি মূল্যায়ন কূপ (বেগমগঞ্জ-৫) এবং ২টি অনুসন্ধান কূপ (বেগমগঞ্জ-৬ ও সুনেত্র-২) খনন’ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পটি সরকারি ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।

বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৭ সালের হজের জন্য তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার প্যাকেজগুলোর ঘোষণা দেন। এ সময় হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবার খাওয়া ও কোরবানিসহ তিনটি হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজের খরচ রাখা হয়েছে ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা এবং সর্বনিম্ন প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা।
হাব জানায়, তিনটি প্যাকেজের মধ্যে বিশেষ প্যাকেজ ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা, সাধারণ প্যাকেজ ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ও সাশ্রয়ী প্যাকেজ ৫ লাখ ১৩ হজার ৫৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর বিশেষ হজ প্যাকেজের খরচ ছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সাধারণ প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা এবং সাশ্রয়ী প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। সে হিসাবে এবার সাশ্রয়ী প্যাকেজের ব্যয় বেড়েছে ৩ হাজার ৫৪৫ টাকা। আর সাধারণ প্যাকেজের ব্যয় ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৭ হাজার টাকা বেশি। এ ছাড়া বিশেষ হজ প্যাকেজে ব্যয় বেড়েছে ৪১ হাজার ৬০ টাকা।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ২০২৭ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের ২টি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। হজ প্যাকেজ-১-এর খরচ ধরা হয়েছে ছয় লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী) এর খরচ ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ৬৪৮ টাকা।

প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ
প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

ভারতের মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা (নিটের) প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বিক্ষোভ গড়িয়েছে টানা তৃতীয় দিনে। সংঘাত ও বিক্ষোভের মধ্যেই বুধবার (২২ জুলাই) সরকারি সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় সরকার পার্লামেন্টে প্রশ্নফাঁস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে সরকারি সূত্রগুলো। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি সামনে আসার পরপরই সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সহিংসতার পর থেকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, সেদিনের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
এদিকে নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তাটি পড়ে শোনান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। প্রধানমন্ত্রীর বার্তা উদ্ধৃত করে কিরেন রিজিজু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এনডিএ শরিকদের সংসদের সব ধরনের কাজে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বিরোধী দলগুলোকে সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে দেশের ভবিষ্যৎ এবং যুবসমাজের কল্যাণে কাজ করা সব সংসদ সদস্যের যৌথ দায়িত্ব।’