খুঁজুন
                               
, ,

ঈদের দিনের ৪ রকমের স্পেশাল রেসিপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫, ১২:১১ অপরাহ্ণ
ঈদের দিনের ৪ রকমের স্পেশাল রেসিপি

মুসলিমদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-ফিতর। আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। একমাস সিয়াম সাধনা শেষে বন্ধুবান্ধব, পরিবারের সঙ্গে একত্রিত হয়ে ঈদের উৎসবে মেতে ওঠেন। আর এই দিনটিতে সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত থাকে গৃহিণীর রসুইঘর। ঈদ উপলক্ষ্যে সবার ঘরেই নানা ধরনের মুখরোচক খাবারের আয়োজন করা হয়। এছাড়া আত্মীয় ও বন্ধুদের বাসাতেও ঈদে দাওয়াত থাকে। সব মিলিয়ে ঈদ ও এর পরবর্তী দিনগুলোতে সবাই কমবেশি সুস্বাদু ও মজাদার খাবার খাওয়ার মধ্যেই থাকেন।
তবে ঈদের দিনের সেই আয়োজনে যুক্ত হতে পারে আরও চারটি পদ। জেনে নিন চারটি রেসিপি-

লাচ্ছা সেমাইয়ের খিরসা

ঈদের দিনে সবার ঘরে কমবেশি সেমাই, জর্দা বা পায়েস রান্না করা হয়। সেমাইতো সবসময় একিভাবেই রান্না করা হয় তবে এবারের ঈদে চাইলে সেমাই রান্নায় আনতে পারেন নতুনত্ব। এবার ঈদে তৈরি করতে পারেন লাচ্ছা সেমাইয়ের খিরসা।

লাচ্ছা সেমাইয়ের খিরসা তৈরির রেসিপি-

উপকরণ লাচ্ছা সেমাই ২২৫ গ্রাম, ঘি ১৫০ গ্রাম, পেস্তাবাদাম ১০০ গ্রাম, জাফরান রং সামান্য, খিরসা লিকুইড দুধ ৩ কাপ, গুড়া দুধ এক কাপ, কাস্টার্ড পাউডার ২ টেবিল চামচ ও চিনি আধা কাপ, সিরার জন্য পানি এক কাপ, চিনি এক কাপ লেবুর রস এক টেবিল চামচ।

যেভাবে করবেন প্রথমে লাচ্ছা সেমাই ও ঘি দিয়ে ভেজে তুলে রাখুন। অল্প একটু ভাজা সেমাইয়ের সঙ্গে জাফরান রং মিশিয়ে রাখুন। একটা পাত্রে দুধের সঙ্গে গুঁড়া দুধ মিশিয়ে জ্বাল দিন। এতে কাস্টার্ড পাউডার, চিনি মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে খিরসা তৈরি করুন। এখন চুলায় পাত্রে পানি, চিনি ও লেবুর রস দিয়ে সিরা করুন। পাত্রে প্রথমে অর্ধেক সেমাই দিয়ে ওপরে খিরসার লেয়ার দিন। তার ওপর বাকি সেমাই দিয়ে আরেকবার খিরসা দিয়ে রঙিন সেমাই ওপরে ছড়িয়ে দিন। এবার সেমাইয়ের ওপর চিনির সিরা ছড়িয়ে দিন। সব শেষে ওভেনে ১৮০ ডিগ্রিতে বেক করুন ১৫ মিনিট। সেরা স্বাদ পেতে ব্যবহার করতে পারেন ড্যান ফুডস বা যে কোনো ভালো ব্র্যান্ডের ঘিয়ে ভাজা লাচ্ছা সেমাই।

ঠান্ডা করে ওপরে বাদাম কুচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন দারুণ মজার সেমাইয়ের খিরসা।

শাহী মোরগ মোসাল্লাম

এই ঈদে প্রিয়জন কিংবা অতিথি আপ্যায়নে তৈরি করুন দারুণ মজাদার সুস্বাদু শাহী মোরগ মোসাল্লাম। তাহলে দেখে নিন, ঈদের স্পেশাল রেসিপিটি তৈরির উপকরণ ও প্রক্রিয়া প্রণালী।

উপাদান:

১. মাঝারী আকারের মুরগী – ১টি

২. আদা ও রসুন বাটা – ২ চা চামচ

৩. পিঁয়াজ বাঁটা – ২ টেবিল চামচ

৪. পিঁয়াজ বেরেস্তা – হাফ কাপ

৫. বাদাম বাটা – ১ চা চামচ

৬. টমেটো সস – ১ চা চামচ

৭. গরম মসলার গুঁড়া – হাফ চা চামচ

৮. টক দই – ২ টেবিল চামচ

৯. ঘি – ২ টেবিল চামচ

১০. তেল – হাফ চামচ

১১. এলাচী, দারচিনি, তেজপাতা- ২/৩টি করে

১২. কেওড়া জল – ১ চা চামচ

প্রণালী: প্রথমে একটি কড়াইয়ে তেল ও ঘি মিশিয়ে পিঁয়াজ কুঁচি বেরেস্তা করে উঠিয়ে রাখতে হবে। তারপর আস্ত মুরগীর গায়ে হালকা জর্দার রং মিশিয়ে কমলা কালার করে তেলের মধ্যে হালকা লাল করে ভেজে নিতে হবে।

তারপর মুরগীটি তুলে নিয়ে ওই কড়াইয়ের তেলেই টকদই ছাড়া সব মশলাগুলোকে ভালোভাবে কষিয়ে নিতে হবে। মশল্লা কষানো হলে এতে ২ কাপ পানি দিয়ে টকদই দিয়ে ও কিছুটা বেরেস্তা দিয়ে ঝোল তৈরি করে নিতে হবে। ঝোলে মুরগিটি দিয়ে জ্বাল দিতে হবে এবং পানি শুকিয়ে এলে মশল্লা যখন ভুনা ভুনা হয়ে আসবে তখন নামিয়ে এর ওপরে বাদাম কুঁচি দিয়ে পরিবেশন করতে হবে। ব্যস, হয়ে গেল ঈদের স্পেশাল রান্না- শাহী মোরগ মোসাল্লাম।

শাহি পোলাও

ঈদের আনন্দ অনেকটাই মাটি হয়ে যেতে পারে ঝরঝরে পোলাও না হওয়ার কারণে। এ সমস্যা সমাধানে আজকের রেসিপিতে থাকছে ঝরঝরে শাহি পোলাও তৈরির সহজ একটি টেকনিক।

এ পদ্ধতিতে একেবারে রান্নায় নতুন যারা তারাও সহজেই খাবারটি ঝরঝরেভাবে তৈরি করতে পারবেন। চলুন জেনে নিই ঈদে শাহি পোলাও তৈরি করতে কী কী প্রয়োজন–

প্রয়োজনীয় উপকরণ: এ খাবারটি তৈরি করতে যে উপকরণগুলো আপনার প্রয়োজন হবে তা হলো পোলাওয়ের চাল ২৫০ গ্রাম, বড় সাইজের আলু বোখরা ১২টি, কিশমিশ ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ, তেল ১ কাপ, ঘি ১ চা-চামচ, আদা-রসুন কুচি ২ চা-চামচ, আদা পেস্ট ২ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ৪টি, তেজপাতা ২টি, দারুচিনি ২টি, এলাচ ২টি, লবঙ্গ ৪টি, কেওড়া জল ৩ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে ভাজা বা বেরেস্তা ৩ টেবিল চামচ, জাফরান ভেজানো পানি ৩ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো।

যেভাবে তৈরি করবেন: প্রথমেই ঝরঝরে পোলাও তৈরি করার জন্য চাল ধুয়ে তা ঝরিয়ে রাখুন রান্না করার ১/২ ঘণ্টা আগেই। এবার শাহি পোলাও তৈরি করার জন্য চুলায় বসিয়ে দিন একটি সসপ্যান।

সসপ্যান হালকা গরম হয়ে এলে তাতে তেল ও ঘি দিয়ে দিন। এরপর তাতে আলু বোখরা, কিশমিশ, কাঁচা মরিচ বাদে সব উপকরণ দিয়ে দিন। বাদামি করে ভাজার পর রান্নায় এর ফ্লেভার চলে এলে তাতে দিয়ে দিন আগে থেকে ধুয়ে ঝরিয়ে রাখা পোলাওর চালগুলো।

পোলাওর চাল হালকা বাদামি হয়ে এলে তাতে দিয়ে দিন গরম পানি। মনে রাখবেন, চাল ভেজে বাদামি করা না হলে পোলাও ঝরঝরে হবে না আবার খেতেও সুস্বাদু হবে না। পানি দেওয়ার সময় সবসময় চালের দ্বিগুণ দিতে চেষ্টা করবেন।

বাজারে পাওয়া নতুন চালের পোলাও হলে এই পানির পরিমাণ আরও কমিয়ে দিন। রান্নায় পোলাওয়ের স্বাদ আরও বাড়াতে এই গরম পানির পরিবর্তে মুরগির মাংসের স্টকের পানি মেশাতে পারেন।

এ পর্যায়ে দিয়ে দিন কাঁচা মরিচ ও পরিমাণমতো লবণ। এবার মিডিয়াম আঁচে সসপ্যানে ঢাকনা দিয়ে অপেক্ষা করুন ১০ মিনিটের মতো। পানি এ পর্যায়ে পুরোপুরি শুকাবে না। তাই চালগুলোর সঙ্গে আলু বোখরা ও কেওড়ার জল ভালোভাবে মিশিয়ে দিয়ে ঢাকনা দিয়ে লো ফ্লেমে অপেক্ষা করুন পানি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত।

পোলাও হয়ে এলে পোলাওয়ের ওপর জাফরান ভেজানো পানি, পেঁয়াজের বেরেস্তা ও কিশমিশ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন মোগল আমলের বিখ্যাত শাহি পোলাও।

কাটা মসলায় গরুর মাংস

ঈদ মানে বাহারি সব খাবারের আয়োজন। ঈদে বাড়িতে বাড়িতে গরুর মাংস তো রান্না হয়ই, তবে স্বাদে একটু ভিন্নতা আনতে তৈরি করতে পারেন কাটা মসলায় গরুর মাংস।

উপকরণ : গরুর মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ বড় বড় টুকরা করা এক কাপ ,আদা কাটা এক কাপ, রসুন কোয়া ৮টি , শুকনা মরিচ ৭-৮টি, দারুচিনি ৩ টুকরা, এলাচ ৪টি, লেবুর রস ১ চামচ, জিরা ভাজা (আস্ত) ১ চা চামচ, গোল মরিচ ১০ টি, বেরেস্তা আধা কাপ, কাঁচামরিচ ৭-৮ টি, ঘি ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণ মতো, টক দই ২ চা চামচ, তেল পরিমাণ মতো

প্রস্তুত প্রণালি : গরুর মাংস লবণ ও টক দই দিয়ে মাখিয়ে আধা ঘণ্টা মেরিনেট করুন। এবার এর সঙ্গে আদা, রসুন, শুকনা মরিচ,এলাচ, দারুচিনি,গোল মরিচ, জিরা দিয়ে আরও আধা ঘণ্টা মেরিনেট করুন। প্যানে তেল গরম করে মাংস দিয়ে কষিয়ে নিন। কষানোর সময় লেবুর রস দিন। ভালো করে কষানো হলে পরিমাণমতো পানি দিয়ে মাংস সিদ্ধ করুন। মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে বেরেস্তা, ঘি ও কাঁচা মরিচ দিয়ে মৃদু আঁচে বসিয়ে রাখুন। নামিয়ে পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।