খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ঈদের দিনের ৪ রকমের স্পেশাল রেসিপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫, ১২:১১ অপরাহ্ণ
ঈদের দিনের ৪ রকমের স্পেশাল রেসিপি

মুসলিমদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-ফিতর। আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। একমাস সিয়াম সাধনা শেষে বন্ধুবান্ধব, পরিবারের সঙ্গে একত্রিত হয়ে ঈদের উৎসবে মেতে ওঠেন। আর এই দিনটিতে সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত থাকে গৃহিণীর রসুইঘর। ঈদ উপলক্ষ্যে সবার ঘরেই নানা ধরনের মুখরোচক খাবারের আয়োজন করা হয়। এছাড়া আত্মীয় ও বন্ধুদের বাসাতেও ঈদে দাওয়াত থাকে। সব মিলিয়ে ঈদ ও এর পরবর্তী দিনগুলোতে সবাই কমবেশি সুস্বাদু ও মজাদার খাবার খাওয়ার মধ্যেই থাকেন।
তবে ঈদের দিনের সেই আয়োজনে যুক্ত হতে পারে আরও চারটি পদ। জেনে নিন চারটি রেসিপি-

লাচ্ছা সেমাইয়ের খিরসা

ঈদের দিনে সবার ঘরে কমবেশি সেমাই, জর্দা বা পায়েস রান্না করা হয়। সেমাইতো সবসময় একিভাবেই রান্না করা হয় তবে এবারের ঈদে চাইলে সেমাই রান্নায় আনতে পারেন নতুনত্ব। এবার ঈদে তৈরি করতে পারেন লাচ্ছা সেমাইয়ের খিরসা।

লাচ্ছা সেমাইয়ের খিরসা তৈরির রেসিপি-

উপকরণ লাচ্ছা সেমাই ২২৫ গ্রাম, ঘি ১৫০ গ্রাম, পেস্তাবাদাম ১০০ গ্রাম, জাফরান রং সামান্য, খিরসা লিকুইড দুধ ৩ কাপ, গুড়া দুধ এক কাপ, কাস্টার্ড পাউডার ২ টেবিল চামচ ও চিনি আধা কাপ, সিরার জন্য পানি এক কাপ, চিনি এক কাপ লেবুর রস এক টেবিল চামচ।

যেভাবে করবেন প্রথমে লাচ্ছা সেমাই ও ঘি দিয়ে ভেজে তুলে রাখুন। অল্প একটু ভাজা সেমাইয়ের সঙ্গে জাফরান রং মিশিয়ে রাখুন। একটা পাত্রে দুধের সঙ্গে গুঁড়া দুধ মিশিয়ে জ্বাল দিন। এতে কাস্টার্ড পাউডার, চিনি মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে খিরসা তৈরি করুন। এখন চুলায় পাত্রে পানি, চিনি ও লেবুর রস দিয়ে সিরা করুন। পাত্রে প্রথমে অর্ধেক সেমাই দিয়ে ওপরে খিরসার লেয়ার দিন। তার ওপর বাকি সেমাই দিয়ে আরেকবার খিরসা দিয়ে রঙিন সেমাই ওপরে ছড়িয়ে দিন। এবার সেমাইয়ের ওপর চিনির সিরা ছড়িয়ে দিন। সব শেষে ওভেনে ১৮০ ডিগ্রিতে বেক করুন ১৫ মিনিট। সেরা স্বাদ পেতে ব্যবহার করতে পারেন ড্যান ফুডস বা যে কোনো ভালো ব্র্যান্ডের ঘিয়ে ভাজা লাচ্ছা সেমাই।

ঠান্ডা করে ওপরে বাদাম কুচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন দারুণ মজার সেমাইয়ের খিরসা।

শাহী মোরগ মোসাল্লাম

এই ঈদে প্রিয়জন কিংবা অতিথি আপ্যায়নে তৈরি করুন দারুণ মজাদার সুস্বাদু শাহী মোরগ মোসাল্লাম। তাহলে দেখে নিন, ঈদের স্পেশাল রেসিপিটি তৈরির উপকরণ ও প্রক্রিয়া প্রণালী।

উপাদান:

১. মাঝারী আকারের মুরগী – ১টি

২. আদা ও রসুন বাটা – ২ চা চামচ

৩. পিঁয়াজ বাঁটা – ২ টেবিল চামচ

৪. পিঁয়াজ বেরেস্তা – হাফ কাপ

৫. বাদাম বাটা – ১ চা চামচ

৬. টমেটো সস – ১ চা চামচ

৭. গরম মসলার গুঁড়া – হাফ চা চামচ

৮. টক দই – ২ টেবিল চামচ

৯. ঘি – ২ টেবিল চামচ

১০. তেল – হাফ চামচ

১১. এলাচী, দারচিনি, তেজপাতা- ২/৩টি করে

১২. কেওড়া জল – ১ চা চামচ

প্রণালী: প্রথমে একটি কড়াইয়ে তেল ও ঘি মিশিয়ে পিঁয়াজ কুঁচি বেরেস্তা করে উঠিয়ে রাখতে হবে। তারপর আস্ত মুরগীর গায়ে হালকা জর্দার রং মিশিয়ে কমলা কালার করে তেলের মধ্যে হালকা লাল করে ভেজে নিতে হবে।

তারপর মুরগীটি তুলে নিয়ে ওই কড়াইয়ের তেলেই টকদই ছাড়া সব মশলাগুলোকে ভালোভাবে কষিয়ে নিতে হবে। মশল্লা কষানো হলে এতে ২ কাপ পানি দিয়ে টকদই দিয়ে ও কিছুটা বেরেস্তা দিয়ে ঝোল তৈরি করে নিতে হবে। ঝোলে মুরগিটি দিয়ে জ্বাল দিতে হবে এবং পানি শুকিয়ে এলে মশল্লা যখন ভুনা ভুনা হয়ে আসবে তখন নামিয়ে এর ওপরে বাদাম কুঁচি দিয়ে পরিবেশন করতে হবে। ব্যস, হয়ে গেল ঈদের স্পেশাল রান্না- শাহী মোরগ মোসাল্লাম।

শাহি পোলাও

ঈদের আনন্দ অনেকটাই মাটি হয়ে যেতে পারে ঝরঝরে পোলাও না হওয়ার কারণে। এ সমস্যা সমাধানে আজকের রেসিপিতে থাকছে ঝরঝরে শাহি পোলাও তৈরির সহজ একটি টেকনিক।

এ পদ্ধতিতে একেবারে রান্নায় নতুন যারা তারাও সহজেই খাবারটি ঝরঝরেভাবে তৈরি করতে পারবেন। চলুন জেনে নিই ঈদে শাহি পোলাও তৈরি করতে কী কী প্রয়োজন–

প্রয়োজনীয় উপকরণ: এ খাবারটি তৈরি করতে যে উপকরণগুলো আপনার প্রয়োজন হবে তা হলো পোলাওয়ের চাল ২৫০ গ্রাম, বড় সাইজের আলু বোখরা ১২টি, কিশমিশ ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ, তেল ১ কাপ, ঘি ১ চা-চামচ, আদা-রসুন কুচি ২ চা-চামচ, আদা পেস্ট ২ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ৪টি, তেজপাতা ২টি, দারুচিনি ২টি, এলাচ ২টি, লবঙ্গ ৪টি, কেওড়া জল ৩ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে ভাজা বা বেরেস্তা ৩ টেবিল চামচ, জাফরান ভেজানো পানি ৩ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো।

যেভাবে তৈরি করবেন: প্রথমেই ঝরঝরে পোলাও তৈরি করার জন্য চাল ধুয়ে তা ঝরিয়ে রাখুন রান্না করার ১/২ ঘণ্টা আগেই। এবার শাহি পোলাও তৈরি করার জন্য চুলায় বসিয়ে দিন একটি সসপ্যান।

সসপ্যান হালকা গরম হয়ে এলে তাতে তেল ও ঘি দিয়ে দিন। এরপর তাতে আলু বোখরা, কিশমিশ, কাঁচা মরিচ বাদে সব উপকরণ দিয়ে দিন। বাদামি করে ভাজার পর রান্নায় এর ফ্লেভার চলে এলে তাতে দিয়ে দিন আগে থেকে ধুয়ে ঝরিয়ে রাখা পোলাওর চালগুলো।

পোলাওর চাল হালকা বাদামি হয়ে এলে তাতে দিয়ে দিন গরম পানি। মনে রাখবেন, চাল ভেজে বাদামি করা না হলে পোলাও ঝরঝরে হবে না আবার খেতেও সুস্বাদু হবে না। পানি দেওয়ার সময় সবসময় চালের দ্বিগুণ দিতে চেষ্টা করবেন।

বাজারে পাওয়া নতুন চালের পোলাও হলে এই পানির পরিমাণ আরও কমিয়ে দিন। রান্নায় পোলাওয়ের স্বাদ আরও বাড়াতে এই গরম পানির পরিবর্তে মুরগির মাংসের স্টকের পানি মেশাতে পারেন।

এ পর্যায়ে দিয়ে দিন কাঁচা মরিচ ও পরিমাণমতো লবণ। এবার মিডিয়াম আঁচে সসপ্যানে ঢাকনা দিয়ে অপেক্ষা করুন ১০ মিনিটের মতো। পানি এ পর্যায়ে পুরোপুরি শুকাবে না। তাই চালগুলোর সঙ্গে আলু বোখরা ও কেওড়ার জল ভালোভাবে মিশিয়ে দিয়ে ঢাকনা দিয়ে লো ফ্লেমে অপেক্ষা করুন পানি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত।

পোলাও হয়ে এলে পোলাওয়ের ওপর জাফরান ভেজানো পানি, পেঁয়াজের বেরেস্তা ও কিশমিশ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন মোগল আমলের বিখ্যাত শাহি পোলাও।

কাটা মসলায় গরুর মাংস

ঈদ মানে বাহারি সব খাবারের আয়োজন। ঈদে বাড়িতে বাড়িতে গরুর মাংস তো রান্না হয়ই, তবে স্বাদে একটু ভিন্নতা আনতে তৈরি করতে পারেন কাটা মসলায় গরুর মাংস।

উপকরণ : গরুর মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ বড় বড় টুকরা করা এক কাপ ,আদা কাটা এক কাপ, রসুন কোয়া ৮টি , শুকনা মরিচ ৭-৮টি, দারুচিনি ৩ টুকরা, এলাচ ৪টি, লেবুর রস ১ চামচ, জিরা ভাজা (আস্ত) ১ চা চামচ, গোল মরিচ ১০ টি, বেরেস্তা আধা কাপ, কাঁচামরিচ ৭-৮ টি, ঘি ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণ মতো, টক দই ২ চা চামচ, তেল পরিমাণ মতো

প্রস্তুত প্রণালি : গরুর মাংস লবণ ও টক দই দিয়ে মাখিয়ে আধা ঘণ্টা মেরিনেট করুন। এবার এর সঙ্গে আদা, রসুন, শুকনা মরিচ,এলাচ, দারুচিনি,গোল মরিচ, জিরা দিয়ে আরও আধা ঘণ্টা মেরিনেট করুন। প্যানে তেল গরম করে মাংস দিয়ে কষিয়ে নিন। কষানোর সময় লেবুর রস দিন। ভালো করে কষানো হলে পরিমাণমতো পানি দিয়ে মাংস সিদ্ধ করুন। মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে বেরেস্তা, ঘি ও কাঁচা মরিচ দিয়ে মৃদু আঁচে বসিয়ে রাখুন। নামিয়ে পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।