খুঁজুন
                               
, ,

আবাসনে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ থাকলেও কর হতে পারে ৫ গুণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ মে, ২০২৫, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
আবাসনে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ থাকলেও কর হতে পারে ৫ গুণ

আগামী বাজেটে আবাসন খাতে বিদ্যমান কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ থাকলেও তার জন্য বড় আকারের কর গুণতে হতে পারে, যার পরিমাণ হতে পারে বর্তমানের চেয়ে পাঁচগুণ পর্যন্ত বেশি। আগামী ২ জুন অর্থ উপদেষ্টা আগামী জাতীয় বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন। সেখানে তিনি এই কর বৃদ্ধির প্রস্তাব দেবেন বলে জানান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তারা। এ পদক্ষেপের লক্ষ্য রিয়েল এস্টেটে কালো টাকার ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা এবং করের হারকে বাজারমূল্যের কাছাকাছি আনা। এ খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে টাকা সাদা করা হলে ওই অর্থের উৎস সম্পর্কে যেকোনো সংস্থার প্রশ্ন করার সুযোগও থাকবে।  এছাড়া অপ্রদর্শিত সম্পদ ট্যাক্স ডিপার্টমেন্টের হাতে ধরা পড়লে স্বাভাবিক করের বাইরে জরিমানা বিদ্যমান হারের চেয়ে বাড়তে পারে। বর্তমানে রাজধানী ঢাকাসহ যেসব এলাকায় জমির দলিলমূল্যের চেয়ে প্রকৃত লেনদেন মূল্য অনেক বেশি, সেখানে এই হার পাঁচগুণ এবং যেসব এলাকায় এই ব্যবধান কম, সেখানে তিনগুণ কর বাড়ানো হতে পারে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, ‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের বেশ কিছু সুযোগ বাতিল করা হয়েছে। এই সুযোগ রাখা হলেও তাতে এমন বিধিনিষেধ আসবে যে, তাতে অপ্রদর্শিত অর্থের মালিকরা উৎসাহ হারাবেন।’ তিনি আরও বলেন, আসন্ন এবারের বাজেটে প্রতি বর্গমিটারের পরিবর্তে প্রতি বর্গফুট হিসাবে কর হিসাব করার বিধান আসতে পারে।

তবে সরকারের এমন উদ্যোগের বিরোধিতা করছেন আবাসন খাতের উদ্যোক্তারা। তারা বলছেন, এটি করা হলে ইতিমধ্যে ধুঁকতে থাকা রিয়েল এস্টেট খাত মুখ থুবড়ে পড়বে। বর্তমানে গুলশান, বনানী, বারিধারা, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকাসহ ঢাকার অভিজাত এলাকাগুলোতে ২০০ বর্গমিটারের বেশি অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়মূল্য যা-ই হোক, প্রতি বর্গমিটারের জন্য ৬ হাজার টাকা নির্ধারিত কর দিতে হয়। আর ২০০ বর্গমিটারের কম আয়তনের অ্যাপার্টমেন্ট হলে প্রতি বর্গমিটারের জন্য কর ৪ হাজার টাকা।

 মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, মহাখালী, লালমাটিয়া, উত্তরা, বসুন্ধরা, সিদ্ধেশ্বরী, কারওয়ান বাজার, বনশ্রী, বিজয়নগর, ওয়ারী, সেগুনবাগিচা, নিকুঞ্জ এবং চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ, খুলশী আগ্রাবাদ ও নাসিরাবাদ এলাকায় অপ্রদর্শিত অর্থের ক্ষেত্রে ২০০ বর্গমিটারের কম আয়তনের ফ্ল্যাটের কর বর্গমিটারপ্রতি ৩ হাজার টাকা ও বড় ফ্ল্যাটের কর প্রতি বর্গমিটারে ৩ হাজার ৫০০ টাকা। এসব এলাকার কর পাঁচগুণ বাড়তে পারে বলে জানান কর্মকর্তারা।

এর বাইরে অন্যান্য এলাকার কর বর্তমানে প্রতি বর্গমিটারের জন্য ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা; এগুলোর কর বাড়তে পারে তিনগুণ। ধরা যাক, গুলশান এলাকায় কেউ ২০০ বর্গমিটার আয়তনের অ্যাপার্টমেন্ট কিনবেন কালো টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে। তাহলে বর্তমান হিসাবে কর আসবে ৮ লাখ টাকা। পাঁচগুণ বাড়ানো হলে কর দিতে হবে ৪০ লাখ টাকা। এর কারণ ব্যাখ্যা করে এনবিআরের ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা হিসাব করে দেখেছি, বর্তমান ব্যবস্থায় দলিলমূ্ল্য বিবেচনায় গুলশানের মতো এলাকায় অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগে কর হয় মাত্র ৮ শতাংশ। আর যদি বাজারমূল্য হিসাব করা হয়, তাহলে আলোচ্য ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রকৃত করহার আরও অনেক কম। অথচ একজন নিয়মিত করদাতা সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কর দেন।’

গত বাজেটের পর সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এক হিসাবে জানায়, এলাকাভিত্তিক আবাসন খাতে কালো টাকা বিনিয়োগে যে কর ধরা হয়, তাতে গড় কার্যকর করহার (ইফেক্টিভ ট্যাক্স রেট) হয় মাত্র ২.৩৮ শতাংশ। সিপিডির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘বর্তমানের তুলনায় যদি কর পাঁচগুণ বাড়েও, তা-ও বাজারমূল্য বিবেচনায় ইফেক্টিভ ট্যাক্স রেট ১০ শতাংশের কাছে থাকবে, যা অনেক কম। ফলে যারা টাকা আবাসন খাতে বিনিয়োগ করে সাদা করবেন, তারা নিয়মিত করদাতাদের চেয়ে বেশি সুবিধাই পাবেন।’

‘যদিও কর বাড়ানো ভালো উদ্যোগ, তবে এই সুবিধা থাকাই উচিত নয়,’ বলেন তিনি। ২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকার অ্যাপার্টমেন্টসহ বিভিন্ন খাতে ঢালাওভাবে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়। এর ফলে ওই বছর ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি কালো টাকা সাদা হয়। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর বেশিরভাগই হয়েছে আবাসন খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে। তবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আবাসন খাতে কী পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য এনবিআর বা রিহ্যাবের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি।

৬৬৬ কোটি টাকার কর পরিশোধ: হাইকোর্টের রায় স্থগিতের আবেদনে সাড়া মিলল না

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
৬৬৬ কোটি টাকার কর পরিশোধ: হাইকোর্টের রায় স্থগিতের আবেদনে সাড়া মিলল না

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা আয়কর পরিশোধ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ পেল না ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান ‘গ্রামীণ কল্যাণ’। মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব মামলাটি কার্যতালিকা (কজ লিস্ট) থেকে বাদ দিয়ে আদেশ দেন। আদালত স্পষ্ট জানান, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পূর্বে হাইকোর্টের রায়ে আপাতত হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই। ২০১৭ সালে এনবিআরের ১৪ নম্বর কর অঞ্চল এক পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২০১২ থেকে ২০১৭—এই পাঁচ করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে মোট ৬৬৬ কোটি ৯১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা আয়কর দাবি করে।
কর দাবির বিরুদ্ধে গ্রামীণ কল্যাণ রিট করলে আদালত প্রাথমিক রুল জারি করলেও, দীর্ঘ শুনানি শেষে গত ১০ সেপ্টেম্বর বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট খারিজ করে রায় দেন। ফলে কর পরিশোধের আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়। হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করেন গ্রামীণ কল্যাণের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। শুনানিতে গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল্লাহ-আল-মামুন এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ আজাদ অংশ নেন। শুনানি শেষে আইনজীবী আবদুল্লাহ-আল-মামুন জানান, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত লিভ-টু-আপিল করা সম্ভব হচ্ছে না বলেই তারা অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ চেয়েছিলেন। তবে চেম্বার আদালত লিখিত রায় না আসা পর্যন্ত কোনো আদেশ দিতে অস্বীকৃতি জানান।
চেম্বার আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর এনবিআরের দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকার কর পরিশোধের চ্যালেঞ্জে বড় ধরনের ধাক্কা খেল গ্রামীণ কল্যাণ। এখন পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পরই কেবল তারা পরবর্তী আপিল প্রক্রিয়ায় যেতে পারবে।

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।