খুঁজুন
                               
, ,

সকালে খালি পেটে যেসব খাবার খাওয়া উচিত না

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫, ১১:০০ পূর্বাহ্ণ
সকালে খালি পেটে যেসব খাবার খাওয়া উচিত না

আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস শরীরের সুস্থতা ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর বড় প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে দিনের শুরুটা যদি হয় স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে, তাহলে সারা দিনই শরীর ভালো থাকে। কিন্তু অনেকেই না জেনে সকালে এমন কিছু খাবার খেয়ে থাকেন, যেগুলো খালি পেটে শরীরের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। মার্কিন স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইন–এর বরাতে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন এমন কিছু খাবারের কথা, যেগুলো সকালের নাস্তায় না খাওয়াই ভালো।

ফলের জুস
অনেকেই মনে করেন, সকালে এক গ্লাস ফলের জুস খাওয়া মানেই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভিন্ন কথা। খালি পেটে ঠান্ডা ফলের জুস খেলে হজমের গতি কমে যেতে পারে এবং সর্দি-কাশির ঝুঁকিও বাড়ে। এছাড়া এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি খালি পেটে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়িয়ে অগ্ন্যাশয় ও যকৃতের ওপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে।

মিষ্টিজাতীয় খাবার
সন্দেশ, রসমালাই, গুড়, চিনি—এসব খালি পেটে খাওয়া একেবারেই ঠিক নয়। কারণ প্রক্রিয়াজাত চিনি খালি পেটে শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা হঠাৎ করে বাড়িয়ে দেয়, যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

কেক ও মাফিন
সকালে অনেকেই কেক, প্যানকেক বা মাফিন খেয়ে নাস্তা সারেন। কিন্তু এসব খাবারে অতিরিক্ত চিনি ও পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা খালি পেটে হজমের সমস্যা তৈরি করে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওজন বাড়ায়।

টকজাতীয় ফল
কমলালেবু, মালটা বা আপেলের মতো সাইট্রিক অ্যাসিডযুক্ত ফল খালি পেটে খেলে পেটে গ্যাস, অম্বল এবং অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এছাড়া এই ফলে থাকা ফ্রুক্টোজ হজমের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।

স্যান্ডউইচ
সকালে ব্যস্ততার কারণে স্যান্ডউইচ অনেকেরই প্রথম পছন্দ। কিন্তু এতে থাকা অতিরিক্ত মাখন ও ফ্যাট শরীরের ওজন বাড়ানোর পাশাপাশি হজমের সমস্যাও তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ফ্রায়েড স্যান্ডউইচ বা অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার সকালে একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত।

ইস্টযুক্ত খাবার
পাউরুটি, কেক, পেস্ট্রি, প্যাটিস এসব খাবারে ইস্ট থাকে। খালি পেটে এসব খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়ে এবং দীর্ঘদিন খেলে পাকস্থলীতে আলসার হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হতে পারে। খালি পেটে হালকা, সহজপাচ্য ও প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এক কাপ গরম পানি, সঙ্গে একটি কলা বা কিছুটা ভেজানো চিঁড়া হতে পারে ভালো বিকল্প। সকালের খাবারে প্রোটিন ও আঁশযুক্ত খাবার রাখলে সারাদিন শরীর চনমনে থাকে। সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের শুরুতেই সাবধান হতে হবে। খালি পেটে কী খাবেন আর কী খাবেন না—সেই বিষয়ে সচেতন হলেই অনেক রোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব।

সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য সার্ক সাহিত্য সম্মেলন-২০২৬ এ যোগ দিতে যাচ্ছেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক ও সাংবাদিক কাদের পলাশসহ চার লেখক। আগামী ১৪ থেকে ১৯ নভেম্বর ছয় দিনব্যাপী এ সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে ১৪ জন কবি ও লেখক অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, আফগানিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানের কবি-সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। এতে বিভিন্ন দেশের সাহিত্যিকদের মধ্যে পারস্পরিক ভাববিনিময়, সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন অংশগ্রহণকারীরা।

সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়া চাঁদপুরের অন্য তিন লেখক হলেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির পরিচালক (গবেষণা) ও গবেষক মুহাম্মদ ফরিদ হাসান, কবি ও লেখক নুরুন্নাহার মুন্নি এবং কবি ও সংগঠক ম. নূরে আলম পাটওয়ারী।

আন্তর্জাতিক এ সাহিত্য সম্মেলনে চাঁদপুরের চার লেখকের অংশগ্রহণকে জেলার সাহিত্যাঙ্গনের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি চাঁদপুরের সাহিত্যচর্চা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক লেখক ও সাংবাদিক কাদের পলাশ বলেন, সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে পারা নিঃসন্দেহে আনন্দের ও গর্বের বিষয়। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের কবি-লেখকদের সঙ্গে ভাববিনিময়, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সাহিত্যিক সম্পর্ক জোরদার হবে। চাঁদপুরের লেখক হিসেবে এ সম্মেলনে অংশ নিয়ে আমরা আমাদের জেলার সাহিত্যচর্চা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে তুলে ধরতে চাই। আশা করি, এ আয়োজন দক্ষিণ এশিয়ার সাহিত্যিকদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে।

সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ণ
সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

রাঙামাটির সাজেকে স্থানীয় সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের মুখে আটকে পড়া প্রায় দুই হাজার পর্যটককে সম্পূর্ণ নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুর রকিব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের কঠোর পাহারায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হন পর্যটকরা। তবে দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের ডাকা অবরোধের কারণে মাঝপথে উজো বাজারসহ কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে বাধার মুখে পড়েন তারা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং শেষ পর্যন্ত পর্যটকদের বহর নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছায়।
উল্লেখ্য, সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের কারণে জেলা প্রশাসন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে পর্যটকদের নিরাপদে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল। বারবার এমন অবরোধের ফলে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং সাধারণ মানুষের জনজীবনও ব্যাহত হচ্ছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে বর্তমানে দেশটিতে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক ও যৌথ সংবাদ সম্মেলন শেষে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন। বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুরে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সানায়ে তাকাইচি। এ সময় জাপানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দুই নেতা নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইয়াসুতাকা নাকাসোনে। সফরকালে তিনি বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন এবং জাপানি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে সফরের প্রথম দিন তিনি জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসো, মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকি এবং জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।