খুঁজুন
                               
, ,

চাঁদপুর জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫, ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ
চাঁদপুর জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রোববার (৯ মার্চ ২০২৫) সকাল দশটায় জেলার আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুপ্রভাত চাকমা। সভায় জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা করা হয়। জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন ঠিক থাকে, সেদিকে সভায় উপস্থিত সকলকে নজর রাখার জন্যে জোর তাগিদ দেয়া হয়। জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন স্বাভাবিক থাকে এবং কোনো কারণে তার অবনতি হয়ে জনসাধারণের জান-মালের ক্ষতিসাধন না হয় সেদিকে সকলকে সজাগ থাকার জন্যে সভায় বিশেষ তাগাদা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া সভায় চাঁদপুর জেলা সংশ্লিষ্ট নানান আইন-শৃঙ্খলা বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়।
আইন-শৃঙ্খলা সভায় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের পৌর প্রশাসক ও ডিডিএলজি মো. গোলাম জাকারিয়া, নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান, চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চাঁদপুর সদর ও হাজীগঞ্জ সার্কেল) মুকুর চাকমা, এনএসআই’র যুগ্ম পরিচালক মো. আবু আব্দুল্লাহ, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন ১০ বিজিবি’র সহকারী পরিচালক মো. ইমাম হোসেন, আড়াইশ’ শয্যাবিশিষ্ট চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম মাহাবুবুর রহমান, চাঁদপুর সরকারি কলেজ অধ্যক্ষের পক্ষে প্রফেসর মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজ অধ্যক্ষের পক্ষে সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আফসার আলী শিকদার, প্রেসক্লাব সভাপতি রহিম বাদশা, চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চাঁদপুর-এর সরকারী পরিচালক এসএম মোরশেদ হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ এবং কমিটির সদস্য কোস্টগার্ডসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিগণ।
এবারের আইনশৃঙ্খলা সভার আলোচ্যসূচির মধ্যে ছিলো : ১. বিগত সভার কার্যবিবরণী পর্যালোচনা ও অনুমোদন। ২. সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও নিরাপদ সড়ক আইন বাস্তবায়ন সংক্রান্ত। ৩. নিয়মিত আইন-শৃঙ্খলা পর্যালোচনা ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা সংক্রান্ত। ৪. মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান সংক্রান্ত। ৫. বাজার মনিটরিং ও ভেজাল খাদ্য প্রতিরোধ সংক্রান্ত। ৬. নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন বন্ধের বিষয়ে আলোচনা। ৭. নারী নির্যাতন ও ইভটিজিং সংক্রান্ত। ৮. মানব পাচার পরিস্থিতি ও দালাল সংক্রান্ত আলোচনা ৯. গ্রাম আদালত কার্যক্রম পরিচালনা। ১০. বিবিধ।
সভাপ্রধানের বক্তব্যে বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন বলেন, সারাদেশের চেয়ে চাঁদপুর ভালো, এজন্যে আমরা সবাই যে ভালো আছি– এমনটা ভাবলে চলবে না। সব সময় সতর্ক থাকতে হবে। বিদ্যুৎ, উপজেলা, পৌরসভা, কোস্টগার্ড, আনসারসহ আমাদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর সিকিউরিটির দিকে নজরদারি বাড়াতে হবে। মানব পাচারের সাথে জড়িত চাঁদপুরের নয়জন দালাল রয়েছে। এদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে। হাজীগঞ্জে অনেক হজ এজেন্সি রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে মানব পাচারের অভিযোগ রয়েছে। হাজীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন এই বিষয়টি দেখবে। ইভটিজিং, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনাগুলোকে মহিলা অধিদপ্তর এড্রেস করবে। ঈদকে সামনে রেখে মানুষের আনাগোনা, ব্যস্ততা, আর্থিক লেনদেন বেড়ে যায়। এই সময় মলম পার্টির দৌরাত্ম্য, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং ডাকাতির কোনো ঘটনা যাতে না ঘটে সে ব্যাপারে স্থলপথ, নৌপথ ও রেলপথের নিরাপত্তা জোরদার রাখতে হবে। ২৬ শে মার্চ আমাদের জাতীয় দিবস। এ দিবসে কোনো কিছুতে যাতে হুমকি না থাকে এ ব্যাপারেও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে। জনস্বার্থে কোনো অবৈধ স্থাপনা রাখা যাবে না। চাঁদপুর শহরের যানজট নিরসনে নেয়া পদক্ষেপ হিসেবে দুই রংয়ের অটোবাইক আগামী মাস থেকে চলাচল করবে।
তিনি উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগকে চাঁদপুর জেলার আইন-শৃঙ্খলা যাতে অবনতি না ঘটে এ ব্যাপারে সজাগ এবং সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।