খুঁজুন
                               
, ,

সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী সভা

মো. রমিজ আলী, সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি (চট্টগ্রাম)
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:২০ অপরাহ্ণ
সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী সভা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ৬নং বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) সন্ধা ৬টায় মধ্যম আকিঁলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গনে ৯নং ওয়ার্ড সভাপতি মো. ফোরকান উদ্দিনের সভাপতিত্বে  মোঃআবুল কাসেম এর সঞ্চলনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কাজী মো:সালাউদ্দীন। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডা:কমল কদর এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মো:মোরসালিন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহ্বায়ক মো. সোলাইমান রাজ,মো:সালামত উল্ল্যাহ সালাম বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো: আলাউদ্দিন মনি, সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো.হেলাল উদ্দিন বাবর,মো: ইদ্রিস মিয়া সাধারণ সম্পাদক বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন, বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মো:ইউচুপ আজাদ, মো:হারুনউর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক, মো:কাজী বদরউদ্দিন, সভাপতি বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন যুবদল, মো:আলাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক, আক্তারুজ্জামান সদস্য সচিব, স্বেচ্ছাসেবকদল বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন, মো:দেলোয়ার হোসেন সভাপতি বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন ছাত্রদল, মো. ওয়াহিদ মুরাদ সাধারণ সম্পাদক বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন ছাত্রদল।

আরো উপস্থিত ছিলেন ৭নং কুমিরা ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মো :ইদ্রিস মিয়া মনির,৭নং কুমিরা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো:কাইয়ুম চৌধুরী, ৭নং কুমিরা ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো:ইব্রাহিম,৩নং ওয়ার্ড যুদলের সাবেক সভাপতি মো:শফিউল আলম,ইব্রাহিম সদস্য সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদল,৭নং কুমিরা ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ড শ্রমিক দল সভাপতি মো:ছবির আহম্মদ প্রমুখ।

প্রধান অতিথি কাজী মো. সালাউদ্দিন বলেন  স্বৈরাচারী, খুনি হাসিনার আমলে আমরা শান্তিপূর্ণ মিছিল পর্যন্ত করতে পারিনি। আমাদের মতামত জানিয়ে একটি লিফলেট বিতরণ করলেও তার পেটুয়া পুলিশ বাহিনী আমাদের তাড়িয়ে দিয়েছে। যৌক্তিক আন্দোলন করতে দেয়নি। আওয়ামী লীগ বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলেছিলো। বাংলাদেশকে একটি জিম্মি রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলো ফ্যাসিস্ট হাসিনা। পালিয়ে যাওয়া সরকার আমাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা করেছিলো, গত ১৫টি বছর আমরা পালিয়ে থেকেছি। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি, ঐক্যবদ্ধ থেকে দল ও দেশকে এগিয়ে নেওয়ার কাজে দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার আহব্বান জানান।

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।