খুঁজুন
                               
, ,

সভাপতি অ্যাড. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক হাসান আল জায়েদ রিফাই

চাঁদপুর অঙ্গনা ক্লাবের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:২৪ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর অঙ্গনা ক্লাবের কমিটি গঠন

 চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন অঙ্গনা ক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাড. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক হাসান আল জায়েদ রিফাই। শুক্রবার ৩১ জানুয়ারি  নিউ টাক রোড বটতলা সফু কোম্পানির এস্টেটে ক্লাবের সাবেক বর্তমান খেলোয়ার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সকলের সর্বসম্মতিতে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফারুক খান। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। কোরআন তেলাওয়াত করেন ক্লাবের সদস্য সাংবাদিক মোঃ সালাহউদ্দিন খান। কোরআন তেলাওয়াতের পরে সাংবাদিক সালাহউদ্দিন খান অঙ্গনা ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সাবেক আহ্বায়ক মোঃ জাহাঙ্গীর কবীর খান, সাবেক সভাপতি শফিক সরকার, সাবেক ক্রিকেটার রিয়াজ এবং আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোঃ ইমরান খান মৃত্যুতে সভায় শোক প্রস্তাব আনেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবু তাহের পাটোয়ারী,প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক খান, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোঃ মিজানুর রহমান খান লিটন, সাবেক খেলোয়াড় শেখ সোহেল, সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মোঃ গাউসুল আলম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ কালাম পাঠান।

নবনির্বাচিত সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন খান অসুস্থতার কারণে ভারতের চিকিৎসারত থাকায় সভায় উপস্থিত হতে পারেননি। তাই নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক  হাসান আল জায়েদ রিফাইকে সবাই ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন। সভায় নবাগত সম্পাদকের বক্তব্য হাসান আল জায়েদ রিফাই বলেন, এই অঙ্গনা ক্লাব দিয়েই আমার ক্রিকেট শুরু এবং শেষ। জাহাঙ্গীর ভাই ক্লাবের ব্যাপারে খুব নিবেদিত ছিলেন। তিনি ক্রিকেট খেলাটাকে খুব বেশি ভালবাসতেন। অনেক কষ্ট করেছেন এ ক্লাবের জন্য। তাই অঙ্গনার সাবেক খেলোয়ার হিসেবে ক্লাবের উন্নয়নের জন্য সবাইকে সাথে নিয়ে কাজ করব। মাদক মুক্ত সমাজ গঠনে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। চাঁদপুর শহরের এ গুরুত্বপূর্ণ এলাকার কিশোর, তরুণরা যেন খেলায় মনোনিবেশ করতে পারে সেজন্য আমরা সচেষ্ট থাকবো।

ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান খান লিটন বলেন, ক্লাবের স্থানীয় কার্যালয় এখন খুব গুরুত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এত প্রাচীন একটি ক্লাবের স্থানীয় কার্যালয়ে নাই যা খুবই দুঃখজনক। ১৯৮৬ সালে আমরা কয়েকজন এ ক্লাবটিকে প্রতিষ্ঠা করি। ক্লাবের নামকরণের সাথে বাস্তবিক আমাদের কাজের অনেক মিল ছিল। অঙ্গনা সাহিত্য-সংস্কৃতিক ক্রিয়া সংগঠন সাহিত্য ক্ষেত্রে এবং অসহায়দের পড়াশোনার জন্য ভূমিকা রেখেছিল সেসময়। ক্লাবের একটি নির্দিষ্ট জায়গা ছিল। আমি প্রভাসে চলে যাওয়ার পর এসে দেখি একটি চক্র ক্লাবের জায়গাটি দখল করে নিয়েছে। এ পর্যন্ত ক্লাবটি পরিচালনা করতে আমাদের অনেক বেগ পেতে হয়েছে।

ক্রীড়া সংগঠক কবির খানের পরিচালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সদস্য সফিক খান, মোঃ মোস্তফা কামাল, মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান অপু, মোঃ মহসিন পাটোয়ারী, মোহাম্মদ বদিউজ্জামান  মুন্না, মোঃ টিপু খান, মোহাম্মদ নূরুন্নবী, নুরুল আমিন সরকার সোহাগ, মোহাম্মদ মেহেদী হাসান খান জনি, মোহাম্মদ ওমর ফারুক  রিপন খান, আলিফ ইব্রাহিম খুকু, মাজহারুল হক বাবু  মোহাম্মদ ওসমান গনি, মাসুদ আহমেদ আখন্দ,   শিবলু খান, মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, মোহাম্মদ কাউছার তালুকদার,  নির্মল চন্দ্র দাস, স্বপন দাস,মোহাম্মদ মোস্তফা ঢালি, মোঃ শওকত খান, মোঃ মাহবুব খান, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, মোঃ মমিন, শামসুল ইসলাম, খালেক মোল্লা, বোরহান ভূঁইয়া, আবুল হাসান, মোঃ ফয়সাল, জুয়েল সরকার, মোহাম্মদ আনিসুল কবির, আবু সাঈদ, সোহাগ খান  প্রমুখ।
সভা শেষে অঙ্গনা ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সাবেক আহ্বায়ক মোঃ জাহাঙ্গীর কবীর খান মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ মোস্তফা কামাল।

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।