খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

সাংবাদিকতায় মিস ইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনের প্রভাব

উজ্জ্বল হোসাইন
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৫, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকতায় মিস ইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনের প্রভাব

বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর যুগে সাংবাদিকতার ভূমিকা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। তথ্য প্রবাহের সহজলভ্যতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মিস ইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনের সমস্যা। সত্য-মিথ্যার মিশ্রণে তৈরি ভুল তথ্যের মাধ্যমে সমাজের উপর নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হয়। এই প্রবন্ধে মিস ইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনের সংজ্ঞা, প্রভাব, কারণ এবং এ থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে আলোচনা করা হবে।

মিস ইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনের সংজ্ঞা

মিস ইনফরমেশন (Misinformation) : মিস ইনফরমেশন হলো ভুল বা অসত্য তথ্য যা অজান্তে ছড়ানো হয়। এর উদ্দেশ্য সাধারণত ক্ষতিকারক নয়। যেমন: কেউ কোনো ভুল খবর বা তথ্য শেয়ার করলে, কিন্তু তিনি জানেন না যে সেটি ভুল।

ডিসইনফরমেশন (Disinformation) : ডিসইনফরমেশন হলো ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল বা মিথ্যা তথ্য ছড়ানো। এটি সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে করা হয়, যেমন বিভ্রান্তি তৈরি করা, জনমত প্রভাবিত করা বা রাজনৈতিক ফায়দা লুটার জন্য।

সাংবাদিকতায় মিস ইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনের ভূমিকা

১. তথ্য যাচাইয়ের অভাব : অনেক সময় সাংবাদিকরা তথ্য যাচাই না করেই সংবাদ প্রকাশ করেন। তথ্য যাচাইয়ের অভাবের ফলে মিস ইনফরমেশন ছড়িয়ে পড়ে।

২. ইচ্ছাকৃত মিথ্যাচার : ডিসইনফরমেশন অনেক সময় রাজনৈতিক বা আর্থিক লাভের জন্য করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, নির্বাচনের আগে ভুয়া তথ্য প্রচার করে ভোটারদের বিভ্রান্ত করা।

৩. সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব : সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে দ্রুত গতিতে তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে মিথ্যা তথ্য সত্যের চেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা যায়।

৪. ট্রলিং ও বট অ্যাকাউন্ট : বিভিন্ন ট্রল গ্রুপ ও বট অ্যাকাউন্ট ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।

মিস ইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনের প্রভাব

১. সামাজিক অস্থিরতা : ভুল তথ্য সমাজে বিভ্রান্তি ও উত্তেজনা তৈরি করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ভুয়া খবর ছড়িয়ে সংঘর্ষ বাধানো।

২. রাজনৈতিক প্রভাব : ডিসইনফরমেশন রাজনৈতিক মতামত প্রভাবিত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

৩. সাংবাদিকতার প্রতি বিশ্বাস কমানো : বারবার ভুল তথ্য প্রকাশিত হলে গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের বিশ্বাস কমে যায়।

৪. গুজবের প্রসার : মিস ইনফরমেশন থেকে গুজব সৃষ্টি হয়, যা ব্যবসা, স্বাস্থ্য, এবং ব্যক্তিগত জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

মিস ইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনের কারণ

১. তথ্য যাচাইয়ের অভাব : অনেক সময় তাড়াহুড়ো করে সংবাদ প্রকাশের জন্য তথ্য যাচাই করা হয় না।

২. সাংবাদিকতার উপর চাপ : সাংবাদিকদের উপর খবর দ্রুত প্রকাশের চাপ থাকে, যা ভুল তথ্য ছড়ানোর সুযোগ করে দেয়।

৩. সোশ্যাল মিডিয়ার সহজলভ্যতা : সোশ্যাল মিডিয়ার সহজলভ্যতা তথ্য ছড়ানোর গতি বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে ভুয়া খবর দ্রুত ভাইরাল হয়।

৪. অপর্যাপ্ত নীতিমালা : অনেক দেশে ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে কার্যকর আইন বা নীতিমালা নেই।

৫. অজ্ঞতা ও অসচেতনতা : অনেক ব্যবহারকারী ভুল তথ্যের সত্যতা যাচাই না করেই তা শেয়ার করেন।

মিস ইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন প্রতিরোধে করণীয়

১. তথ্য যাচাইয়ের কৌশল শেখানো : সাংবাদিকদের তথ্য যাচাইয়ের টুলস ও কৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত।

২. সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ : সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে ফ্যাক্ট-চেকিং অপশন উন্নত করতে হবে।

৩. সচেতনতা বৃদ্ধি : সাধারণ মানুষের মধ্যে তথ্য যাচাইয়ের গুরুত্ব নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

৪. কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন : ভুয়া খবর ছড়ানোর জন্য কঠোর আইন প্রণয়ন ও তার সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

৫. ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন : ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করা দরকার।

উপসংহার : মিস ইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন সাংবাদিকতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এ সমস্যার সমাধান করতে হলে গণমাধ্যম, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, এবং সাধারণ মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তথ্য যাচাইয়ের গুরুত্ব বোঝা এবং সচেতনতা বৃদ্ধি এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিমালা বজায় রেখে সঠিক তথ্য প্রকাশের প্রতি গুরুত্ব দেওয়াই এ সমস্যার দীর্ঘমেয়াদী সমাধান।

লেখক : উজ্জ্বল হোসাইন, গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতায় মাস্টার্স ২০২১, প্রেস ইনস্টিটিউট, ঢাকা।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।