খুঁজুন
                               
, ,

সাংবাদিকতায় কম্পোজিট স্টোরি : একটি সমন্বিত প্রতিবেদন

উজ্জ্বল হোসাইন
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৫, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকতায় কম্পোজিট স্টোরি : একটি সমন্বিত প্রতিবেদন

সাংবাদিকতা হলো সমাজের চিত্র তুলে ধরা এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও তথ্য বিশ্লেষণ করে পাঠকের সামনে একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র উপস্থাপন করা। কম্পোজিট স্টোরি সাংবাদিকতার এমন একটি ধরণ, যা জটিল বা বহুস্তরীয় বিষয়ের গভীর বিশ্লেষণ করতে এবং বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে ব্যবহৃত হয়। এটি একাধিক সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এবং একত্রিত করে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর আলোকপাত করে।

এ প্রতিবেদনে আমরা কম্পোজিট স্টোরির কার্যকারিতা, প্রক্রিয়া, উপাদান এবং এর গুরুত্ব নিয়ে বিশদ আলোচনা করব।

কম্পোজিট স্টোরি কী?

সাংবাদিকতায় কম্পোজিট স্টোরি এমন একটি প্রতিবেদন, যেখানে একটি বিষয়কে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিশ্লেষণ করে একটি সুসংগঠিত ও সমন্বিত চিত্র তৈরি করা হয়। এটি একাধিক উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্য ও সাক্ষাৎকার, প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ এবং পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তৈরি করা হয়।

উদাহরণস্বরূপ, শহরের পানি সংকট নিয়ে একটি কম্পোজিট স্টোরিতে থাকতে পারে :

1. পানির অভাবের কারণ।

2. সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতা।

3. বিশেষজ্ঞদের মতামত।

4. সরকারের কার্যক্রম ও নীতিমালা।

5. পানির সংকটের ভবিষ্যৎ প্রভাব।

কম্পোজিট স্টোরি তৈরির প্রক্রিয়া : কম্পোজিট স্টোরি তৈরির সময় একটি নির্দিষ্ট কাঠামো অনুসরণ করা হয়। এর প্রক্রিয়াগুলো হলো:

১. বিষয় নির্বাচন : প্রথম ধাপে এমন একটি বিষয় নির্বাচন করতে হয়, যা বহুমুখী এবং জটিল। বিষয়টি অবশ্যই পাঠকের কাছে প্রাসঙ্গিক হতে হবে।

২. উৎস ও তথ্য সংগ্রহ : তথ্য সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন উৎস ব্যবহার করা হয়। যেমন:

সাক্ষাৎকার: প্রাসঙ্গিক ব্যক্তিদের (বিশেষজ্ঞ, ভুক্তভোগী, নীতিনির্ধারক) সঙ্গে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করা।

পরিসংখ্যান: সরকারি বা বেসরকারি সংস্থার ডেটা বিশ্লেষণ।

নথি ও প্রতিবেদন: পূর্বের গবেষণা বা প্রতিবেদন পর্যালোচনা।

৩. দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্লেষণ:

একই বিষয় নিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর দৃষ্টিভঙ্গি কী, তা বিশ্লেষণ করা। উদাহরণস্বরূপ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে কৃষক, বিজ্ঞানী এবং পরিবেশবাদীদের মতামত ভিন্ন হতে পারে।

৪. তথ্যের সংহতকরণ:

প্রাপ্ত তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে একটি সুসংগঠিত কাঠামো তৈরি করা হয়।

৫. স্টোরির কাঠামো নির্ধারণ:

কম্পোজিট স্টোরির ক্ষেত্রে সাধারণত নিম্নলিখিত কাঠামো অনুসরণ করা হয় :

ভূমিকা বা প্রারম্ভিকা।

সমস্যার বিশ্লেষণ।

বিভিন্ন পক্ষের মতামত।

সমাধানের দিকনির্দেশনা।

উপসংহার

কম্পোজিট স্টোরির উপাদান :একটি কার্যকরী কম্পোজিট স্টোরি তৈরির জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান প্রয়োজন। সেগুলো হলো:

১. প্রাসঙ্গিকতা :পাঠকের জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় নির্বাচন করা।

২. বিশ্বাসযোগ্যতা:

তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা এবং বিশ্বাসযোগ্য উৎস থেকে তা সংগ্রহ করা।

৩. ভারসাম্যপূর্ণ উপস্থাপন:

স্টোরিতে কোনো পক্ষপাতিত্ব না করে বিভিন্ন দিক সমানভাবে তুলে ধরা।

৪. গভীর বিশ্লেষণ:

বিষয়টির গভীরে গিয়ে এর কারণ, প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করা।

৫. পাঠকের আকর্ষণ ধরে রাখা:

গল্প বলার কৌশল এবং সহজ ভাষার ব্যবহার।

একটি উদাহরণ: শহরের বায়ু দূষণ নিয়ে কম্পোজিট স্টোরি

বায়ু দূষণ বিশ্বব্যাপী একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে শহুরে এলাকাগুলোতে এর প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। ঢাকার মতো ব্যস্ত শহরে বায়ু দূষণ জনস্বাস্থ্য এবং অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।

বায়ু দূষণের কারণ:

যানবাহনের কালো ধোঁয়া।

শিল্প কারখানার বর্জ্য।

নির্মাণ কাজের ধুলো।

উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য পোড়ানো।

ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতা:

রিকশাচালক আব্দুল মালেক বললেন, “দিনশেষে আমার মাথা ব্যথা শুরু হয়, আর নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়।”

স্থানীয় এক গৃহবধূ জানালেন, “আমার বাচ্চারা প্রায়ই সর্দি-কাশিতে ভোগে।”

বিশেষজ্ঞদের মতামত:

পরিবেশ বিজ্ঞানী ড. রফিকুল ইসলাম বললেন, “শহরের বায়ু দূষণ শ্বাসযন্ত্রের রোগ, হৃদরোগ এবং এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।”

সরকারি উদ্যোগ:

সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে, যেমন:

নির্গমন নিয়ন্ত্রণের নীতিমালা প্রণয়ন।

পুরোনো যানবাহন অপসারণ।
তবে এগুলো যথেষ্ট নয়।

সমাধানের উপায়:

যানবাহনের নির্গমন নিয়ন্ত্রণ।

নির্মাণ কাজের ধুলো কমানোর ব্যবস্থা।

জনসচেতনতা বৃদ্ধি।

বায়ু দূষণ একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। এটি সমাধানের জন্য সরকার, সাধারণ জনগণ এবং পরিবেশবাদীদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

কম্পোজিট স্টোরির গুরুত্ব:

১. গভীরতা প্রদান:

এটি একটি বিষয়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে পাঠককে বিষয়টি বুঝতে সাহায্য করে।

২. ভারসাম্যপূর্ণ উপস্থাপন:

স্টোরি সব পক্ষের মতামতকে সমান গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরে।

৩. সচেতনতা সৃষ্টি:

এটি পাঠকদের সচেতন করতে এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে সাহায্য করে।

৪. সমাধান প্রস্তাব করা:

কম্পোজিট স্টোরি সমস্যার সমাধানে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করতে পারে।

কম্পোজিট স্টোরি সাংবাদিকতার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। এটি পাঠকদের কাছে তথ্য তুলে ধরার পাশাপাশি তাদের চিন্তাভাবনা এবং দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে সহায়তা করে। বর্তমান সময়ের জটিল সামাজিক, রাজনৈতিক এবং পরিবেশগত সমস্যাগুলো বিশ্লেষণের জন্য এই পদ্ধতিটি অপরিহার্য।

এই ধরণের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা শুধু তথ্য পরিবেশন করেন না, বরং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেন।

লেখক : উজ্জ্বল হোসাইন, গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতায় মাস্টার্স ব্যাচ ২০২১, প্রেস ইনস্টিটিউট, ঢাকা।

দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ
দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। সে হিসেবে ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৩২৪ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে নতুন এ দর কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় দেশের বাজারে স্বর্ণের বিক্রয় মূল্য কমানো হচ্ছে। নতুন এই মূল্য আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হবে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা।
এর আগে গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছিলো বাজুস। ওই সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩৯১ টাকায়।
বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রুপার গহনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকবে। ক্রেতার কাছ থেকে ভ্যাট আলাদাভাবে আদায় করা যাবে না। মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলংকারের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। অলংকার ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে ঘোষিত বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।

রুমির হাতে ‘চড় খাওয়া’ সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
রুমির হাতে ‘চড় খাওয়া’ সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক শিশু শিক্ষার্থীকে (৭) যৌন নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক মো. মোসলেহ উদ্দিনের (মোসলেম আহম্মদ) জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অভিযুক্ত মোসলেহ উদ্দিন টঙ্গীর মধ্য আউচপাড়া এলাকার ‘ক্বারীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র উপাধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত আছেন। এদিকে, যৌন নিপীড়নের বিষয়টি জানতে পেরে ওই শিশুর অভিভাবক শাহজালাল রুমি অভিযুক্ত শিক্ষককে চড় মারেন। চড় দেওয়ার এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকের কাছে বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) ওই মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে নিজ কক্ষে যৌন হয়রানি করেন উপাধ্যক্ষ মোসলেহ উদ্দিন। এ সময় বিষয়টি কাউকে না জানাতে শিশুটিকে নানা ধরনের ভয়ভীতিও দেখানো হয়। পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারকে পুরো বিষয়টি খুলে বলে। পরদিন ২১ অক্টোবর (বুধবার) সকালে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মাদ্রাসায় গিয়ে ওই শিক্ষকের কাছে ঘটনার জবাবদিহি চান।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসায় জড়ো হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে মারধর করেন। খবর পেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় অভিযুক্ত মোসলেহ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) তাকে গাজীপুর আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে শিশু নির্যাতনের সত্যতা পাওয়া গেছে। পাশাপাশি গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুক্তভোগী শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে, শিক্ষকের ওপর হামলা, মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও টাকা লুটের অভিযোগে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও পাল্টা আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে কাজ করছে সরকার’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে কাজ করছে সরকার’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা ও আত্মমর্যাদা রক্ষায় সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে চায় সরকার। তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে ও সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণে কাজ করছে সরকার। রোববার (১৮ অক্টোবর) সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় পতাকা স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। পতাকার মান রক্ষা করা সব সৈনিকের দায়িত্ব।’
তারেক রহমান বলেন, ‘শুধু সামরিক সক্ষমতাই নয়, সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি, শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও জনগণের আস্থার মধ্য দিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ শৃঙ্খলা পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’ এর আগে, সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিনি গুলশানের নিজ বাড়ি থেকে সাভার সেনানিবাসে পৌঁছান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল। এ সময় তিনি উপস্থিত সেনাদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন। এরপরে তিনি সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করেন।