খুঁজুন
                               
, ,

ফরিদগঞ্জে হুফফাজুল কুরআনের জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০০ পূর্বাহ্ণ
ফরিদগঞ্জে হুফফাজুল কুরআনের জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের উদ্যোগে ৩১তম জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) উপজেলার ধানুয়া আল জামিয়াতুল আরাবিয়া আশরাফুল উলুম মাদরাসায় দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, ফরিদগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ৫, ১০, ২০ ও ৩০ পারা গ্রুপে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
প্রতিযোগিতায় প্রতিটি গ্রুপ থেকে যোগ্যতার ভিত্তিতে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়। পরে বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার ও সনদ তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা রাশেদ বিন মুহসিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান ও সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ক্বারী আব্দুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাফেজ মাওলানা রাশেদ বিন মুহসিন বলেন, পবিত্র কুরআনের হিফজ সংরক্ষণ, বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের চর্চা এবং হাফেজদের মেধা ও যোগ্যতা বিকাশে এ ধরনের প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কুরআন হিফজের প্রতি আগ্রহ বাড়বে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের যোগ্যতা তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের কুরআনের শিক্ষা বাস্তব জীবনে অনুসরণের পাশাপাশি নিয়মিত অধ্যয়ন ও অনুশীলন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, ফরিদগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা আবু হানিফ। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের পবিত্র কুরআনের প্রতি ভালোবাসা বৃদ্ধি, হিফজের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং মেধাবী হাফেজদের উৎসাহিত করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মনোযোগী হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের যোগ্যতা যাচাইয়ের সুযোগ করে দেয়। তিনি আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং কুরআনের খেদমতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির ফরিদগঞ্জ উপজেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মাওলানা আবু বকর, সহসভাপতি মাওলানা নেছার উদ্দিন, সেক্রেটারি মুফতি মাহবুবুর রহমান কাফী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ত্বহা খান, অর্থ সম্পাদক মুফতি নজরুল ইসলাম জিহাদী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শহিদুল্লাহ, প্রচার সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আলাউদ্দীন বিন সিদ্দিক ও দপ্তর সম্পাদক মাওলানা আকরাম হুসাইনসহ স্থানীয় আলেম, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন মাদরাসার প্রতিনিধিরা।
ধর্মীয় শিক্ষা, পবিত্র কুরআনের চর্চা ও মেধাবী হাফেজদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫২ পূর্বাহ্ণ
ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ

নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠান ‘গ্রামীণ কল্যাণ’-কে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতেই হবে। এ বিষয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে এবং রায়ে আগামী তিন অর্থবছরের মধ্যে এই বকেয়া অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের বিচারকদের স্বাক্ষরের পর রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়। এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর গ্রামীণ কল্যাণকর্তৃক দায়ের করা দুটি রিট আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির কাছে এনবিআরের দাবি করা কর আদায়ের ক্ষেত্রে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পুনর্বমূল্যায়নের পর ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ করবর্ষ পর্যন্ত পাঁচ বছরের আয়কর দাবিকে চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট আবেদন করেছিল গ্রামীণ কল্যাণ। প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টের একটি নতুন বেঞ্চে দীর্ঘ শুনানি শেষে রুলগুলো খারিজ করা হয়।
গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী খাজা তানভীর জানান, এনবিআরের কর দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করা হলেও আদালত তা খারিজ করে দেওয়ায় এনবিআরের দাবিই বহাল রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের ৪ অক্টোবর এসংক্রান্ত একটি রায় স্বতঃপ্রণোদিতভাবে প্রত্যাহার করে মামলাটি নতুন বেঞ্চে পাঠানো হয়েছিল, যেখানে শুনানির পর রিট আবেদনটি খারিজ হয়।

সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ
সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। একই সঙ্গে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের জারি করা কঠোর নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
গতকাল রোববার (১১ অক্টোবর) রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষভাবে সতর্ক করে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে যেকোনো ধরনের তথ্য, ছবি বা ভিডিও ধারণ, আদান-প্রদান কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা সৌদি আইনে একটি দণ্ডনীয় বা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ কারণে পরিস্থিতি-সংশ্লিষ্ট কোনো সংবেদনশীল তথ্য, ছবি বা ভিডিও ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স (সাবেক টুইটার)সহ কোনো মাধ্যমেই প্রচার বা মোবাইলে সংরক্ষণ না করার জন্য কঠোরভাবে অনুরোধ জানিয়েছে দূতাবাস। পাশাপাশি প্রবাসীদের যেকোনো ঝুঁকিপূর্ণ ও জনবহুল স্থান এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরব প্রবাসী বাংলাদেশিদের যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে দূতাবাসের নির্ধারিত হটলাইন নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার জন্য বলা হয়েছে। নম্বরগুলো হলো:
শ্রমসংক্রান্ত টোল-ফ্রি নম্বর: ৮০০১০০০১২৫
পাসপোর্টসংক্রান্ত টোল-ফ্রি নম্বর: ৮০০১০০০১২৬
ডিপ্লোম্যাটিক উইংয়ের নম্বর: ৮০০১০০০১২৮
মৃত্যু-সংক্রান্ত জরুরি প্রয়োজনে: +৯৬৬৫৬৭০২১১৮০
এছাড়া যেকোনো ধরনের গুজব বা বিভ্রান্তি এড়াতে রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের অফিসিয়াল ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ নিয়মিত অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সীমান্ত এলাকায় মোতায়েন হচ্ছে ১০ হাজার বিজিবি সদস্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সীমান্ত এলাকায় মোতায়েন হচ্ছে ১০ হাজার বিজিবি সদস্য

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে সীমান্ত সংলগ্ন এবং ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের নিকটবর্তী ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সীমান্ত এলাকায় বিশেষ নজরদারিসহ সার্বিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিজিবি সদর দপ্তরের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত মণ্ডপগুলো এবং ব্যাটালিয়ন সদরের কাছাকাছি এলাকার পূজামণ্ডপগুলোতে বিজিবি নিরাপত্তা সহায়তা দেবে। পাশাপাশি দুর্গম ও দূরবর্তী অঞ্চলগুলোতে দ্রুত টহল ও তাৎক্ষণিক সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজধানীতে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহবুব মুর্শেদ রহমান জানান, সরকারি নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদার আলোকে ঢাকার দায়িত্বের পরিধি নির্ধারিত হবে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নিরাপত্তা জোরদারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যেন সম্পূর্ণ নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে বাহিনীর পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।