খুঁজুন
                               
, ,

নিরপেক্ষ সংবাদের অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা এশিয়া পোস্টের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৯:২০ পূর্বাহ্ণ
নিরপেক্ষ সংবাদের অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা এশিয়া পোস্টের

নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে আরও বেগবান করার প্রত্যয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা করেছে অনলাইন সংবাদমাধ্যম এশিয়া পোস্ট। এ উপলক্ষে সোমবার (১১ মে) রাজধানীর তোপখানা রোডে প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সন্ধ্যায় কেক কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে এশিয়া পোস্টের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
এর আগে এশিয়া পোস্টে এসে পৌঁছলে মন্ত্রীকে স্বাগত জানান সম্পাদক পলাশ মাহমুদ। এ সময় তাকে অফিসের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরিয়ে দেখালে সামগ্রিক কর্মপরিবেশে সন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিজিটাল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি কার্যকর স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের অঙ্গীকার করেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের আগেই আমরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার সব অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন করতে যাচ্ছে। এটি উপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত হবে না, বরং সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমেই এই কমিশন গঠিত হবে যা মানুষের তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করবে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়টি একটি রূপান্তরের কাল। নতুন প্রজন্মের সদস্যরা এই গতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারলেও পুরোনো প্রজন্মের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অবাধ তথ্যপ্রবাহের এই যুগে একদিকে যেমন আশীর্বাদ রয়েছে, অন্যদিকে অপতথ্য ও ভুয়া তথ্য প্রচারের ঝুঁকিও অনেক বেড়েছে। এই অপতথ্যের হাত থেকে ডিজিটালের দর্শকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই এই সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মাধ্যমে তৈরি হওয়া নতুন সংকট মোকাবিলায় এশিয়া পোস্টসহ সব সংবাদমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।
এশিয়া পোস্টের সম্পাদক পলাশ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে অনলাইন ও মাল্টিমিডিয়া নিবন্ধনের প্রক্রিয়া থাকলেও এই খাতের কর্মীদের জন্য সরকারের কোনো নীতিমালা এখনো নেই। সরকার যেন অনলাইন মিডিয়ার জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে, যা কর্মীদের জন্য সহায়ক হবে। এ ক্ষেত্রে ‘অনলাইন এডিটর্স অ্যালায়েন্স’-এর পক্ষ থেকে সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। কেননা, এটি অনলাইন সংবাদকর্মীদের একটি প্রাণের দাবি।
এর আগে এশিয়া পোস্টের কার্যালয় পরিদর্শন করে শুভেচ্ছা জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক। জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদের।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, সংবাদমাধ্যম ছাড়া গণতন্ত্র অচল। এশিয়া পোস্টকে ধন্যবাদ জানাই। সম্পাদক, প্রকাশক এবং এর সঙ্গে যারা নানা পর্যায়ে যুক্ত আছেন তারা একটি ভালো কাজের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত করেছেন।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন, দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এশিয়া পোস্টের নবযাত্রায় শুভেচ্ছা জানান।
এনসিপির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, মাহবুব আলম, উত্তরাঞ্চলে মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
এবি পার্টির পক্ষে দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু শুভকামনা জানান।
দেশ ও জনগণের পক্ষে এশিয়া পোস্টকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। তিনি বলেন, সরকারি বা বিরোধী দলের যে কোনো সমালোচনা যেন সংশোধনের উদ্দেশ্যে করা হয়। এটি করতে হবে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে।
এশিয়া পোস্টকে শুভেচ্ছা জানান, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিশিষ্ট কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাইফুল হক, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ূব ভূইয়া, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকন, ব্যারিষ্টার এএসএম শাহরিয়ার কবির, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান, মিডিয়া সেল সমন্বয়ক আবু হানিফ, ইনকিলাব মঞ্চের আব্দুল্লাহ আল জাবের ও ফাতিমা তাসনিম জুমা, ডাকসু নেতা এবি জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ।
এছাড়াও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী, ইসলামী আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলে করীম মারুফ, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আব্দুর রব ইউসুফী, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমাদ আব্দুল কাদের প্রমুখ এশিয়া পোস্টকে স্বাগত জানান।
কার্যালয় পরিদর্শন করেন ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির নেতারা।
দিনব্যাপী অনুষ্ঠান সমন্বয় করেন এশিয়া পোস্টের হেড অব নিউজ শাকিল ফারুক, হেড অব এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন ইসহাক আহমেদ চৌধুরী, হেড অব মার্কেটিং মনেশ অধিকারী, যুগ্ম বার্তা সম্পাদক সাজ্জাদ শোভন, রিপোর্টিং কোঅর্ডিনেটর জাকারিয়া নূরী, মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ সুরুজ আহমেদ, হেড অব সোশ্যাল মিডিয়া মো. জোবায়ের, হেড অব এসইও মো. শাহীনুজ্জামান, হেড অব প্রোগ্রাম মো. শামসুজ্জামান, হেড অব এন্টারটেইনমেন্ট আবু হুরায়রা মুরাদ এবং হেড অব স্পোর্টস সাজ্জাদ হোসেন খান।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: এখনও নিখোঁজ ৫ জেলে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: এখনও নিখোঁজ ৫ জেলে

উত্তাল বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে বরগুনার পাথরঘাটার ‘এফবি বরকত’ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় এখনও পাঁচ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে আরও আট জেলেকে। নিখোঁজ জেলেদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে ট্রলার মালিক সমিতি। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে গভীর সমুদ্রে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া ট্রলারটির মালিক বরগুনার পাথরঘাটার আশরাফ কোম্পানি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চার দিন আগে ১৩ জন জেলে পাথরঘাটা থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যায় ‘এফবি বরকত’। গতকাল সোমবার বিকেলে সাগরে বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। পরে ডুবে যাওয়া ট্রলারের কাছাকাছি থাকা পাথরঘাটার অপর একটি মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা পানিতে ভাসতে থাকা আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া জেলেদের বরাত দিয়ে তারা ট্রলারডুবির বিষয়টি মালিকপক্ষকে জানান। এ ঘটনায় এখনো পাঁচ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের উদ্ধারে কাজ করছে ট্রলার মালিক সমিতি। নিখোঁজ পাঁচ জেলের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, ‘এফবি বরকত’ নামে একটি ট্রলার বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়ার খবর তারা অপর একটি ট্রলারের জেলেদের মাধ্যমে পেয়েছেন। খবর পাওয়ার পর ট্রলার ও জেলেদের উদ্ধারের জন্য ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বঙ্গোপসাগরে একটি ট্রলার পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া আট জেলেকে উপকূলে নিয়ে আসা হচ্ছে।