খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

চাঁদপুরে পুরানবাজার ভূঁইয়ার ঘাটে পন্টুন সংকটে বাড়ছে দুর্ঘটনা ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ
চাঁদপুরে পুরানবাজার ভূঁইয়ার ঘাটে পন্টুন সংকটে বাড়ছে দুর্ঘটনা ঝুঁকি

চাঁদপুরের পুরানবাজার এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌ-বাণিজ্য কেন্দ্র।  এ বাণিজ্য কেন্দ্রের ভূঁইয়ার ঘাট দীর্ঘদিন ধরে পল্টুন সংকটে ভুগছে।  এ সংকট এখন শুধু ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি কমিয়ে দিচ্ছে না বরং প্রতিদিনই বাড়িয়ে তুলছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের অভিযোগ—বারবার দাবি জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি, ফলে পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর জেলার বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত পুরানবাজারের এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পণ্য পরিবহন হয়। মেঘনা নদী ও ডাকাতিয়া নদী সংলগ্ন এ ঘাটটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ওঠানামার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। কিন্তু বর্তমানে এখানে মাত্র একটি পন্টুন থাকায় সেই সুবিধা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল হয়ে পড়েছে।
বিশেষ করে শুকনো মৌসুমে নদীর পানির স্তর কমে গেলে পন্টুনটি কার্যত ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে করে নৌযান থেকে পণ্য ওঠানো-নামানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। শ্রমিকদের অনেক সময় সরাসরি নৌকা থেকে পণ্য মাথায় নিয়ে পিচ্ছিল ও অস্থায়ী বাঁধ দিয়ে ওঠানামা করতে হয়, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। ইতোমধ্যে ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটলেও বড় কোনো প্রাণহানির ঘটনা না ঘটায় বিষয়টি তেমন গুরুত্ব পায়নি—এমন অভিযোগও রয়েছে স্থানীয়দের।
চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায় বলেন, ২০১৭ সালের মে মাসে আমরা বিআইডব্লিউটিএ’র উপ-পরিচালকের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করেছিলাম। তখন দেওয়ানঘাট, ১নং ঘাট এবং জনতা মিল সংলগ্ন নতুন রাস্তার মাথায় তিনটি পল্টুন স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সে সময় আমাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু এত বছর পেরিয়ে গেলেও বাস্তবে কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। তিনি আরও বলেন, এই ঘাটটি শুধু পুরানবাজার নয়, পুরো চাঁদপুরের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পল্টুন সংকটের কারণে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন এবং শ্রমিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং উদ্বেগজনক একটি বিষয়।
চাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নাজমুল আলম পাটওয়ারী বলেন, আমরা বহুবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, কোনো কার্যকর পদক্ষেপ এখনো দেখা যায়নি। প্রতিদিন শত শত টন পণ্য এই ঘাট দিয়ে ওঠানামা করে। পর্যাপ্ত পল্টুন না থাকায় সময় বেশি লাগছে, খরচ বাড়ছে এবং ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, একটি দুর্ঘটনা ঘটলেই বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। আমরা চাই না এমন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটুক। তাই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
স্থানীয় শিল্প উদ্যোক্তা ও জনতা লবণ মিলসের মালিক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ভূঁইয়ার ঘাটের পন্টুনটি পুরানবাজারের ব্যবসার প্রাণ। এখানে প্রতিদিন অসংখ্য নৌযান ভিড়ে। কিন্তু একটি মাত্র পন্টুন দিয়ে সেই চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। নতুন পল্টুন স্থাপন না করলে ব্যবসার গতি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।
শ্রমিকদের অবস্থাও খুবই নাজুক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শ্রমিক বলেন, আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করি। পন্টুন ঠিকমতো না থাকায় অনেক সময় পা পিছলে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। কেউ পড়ে গেলে তাকে বাঁচানোও কঠিন হয়ে যায়। তবুও জীবিকার তাগিদে কাজ করতে হচ্ছে।
অন্য এক শ্রমিক বলেন, বর্ষাকালে কিছুটা সুবিধা থাকলেও শুকনো মৌসুমে কাজ করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। পন্টুন নিচে নেমে যায়, তখন আমাদের অস্থায়ীভাবে কাঠ বা বাঁশ দিয়ে ব্যবস্থা করতে হয়। এটা খুবই বিপজ্জনক।
এ বিষয়ে বন্দর কর্মকর্তা বলেন, আমি বিষয়টি নতুনভাবে জেনেছি। খুব শিগগিরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবো। এরপর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করবো। প্রয়োজনে সেখানে জেটি স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হতে পারে।
তবে স্থানীয়দের মতে, শুধু আশ্বাসে আর কাজ হবে না। দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ প্রয়োজন। তারা মনে করেন, অন্তত তিনটি নতুন পন্টুন স্থাপন করা হলে বর্তমান সংকট অনেকটাই দূর হবে। পাশাপাশি একটি স্থায়ী জেটি নির্মাণ করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব। নদীবন্দরভিত্তিক অর্থনীতির ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত দুর্বলতা বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটে পর্যাপ্ত পন্টুন না থাকলে শুধু ব্যবসায়িক ক্ষতি নয়, মানবিক ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। নতুন পন্টুন স্থাপন ও আধুনিক জেটি নির্মাণের মাধ্যমে ভূঁইয়ার ঘাটকে একটি নিরাপদ ও কার্যকর নৌবাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এতে যেমন ব্যবসার গতি বাড়বে, তেমনি শ্রমিকদের জীবনও নিরাপদ হবে।
পুরানবাজারের ভূঁইয়ার ঘাটের পন্টুন সংকট এখন আর শুধুমাত্র একটি অবকাঠামোগত সমস্যা নয়—এটি হয়ে উঠেছে জননিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।  দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগই পারে এই দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান এনে দিতে।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।