খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

বিষ্ণপুরবাসীকে প্রকৃত সেবা দিতে নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে চাই : এনাম চৌধুরী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ণ
বিষ্ণপুরবাসীকে প্রকৃত সেবা দিতে নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে চাই : এনাম চৌধুরী

চাঁদপুর জেলার ১নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব গোলাম ইয়াজদানী চৌধুরী (এনাম)। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত এই সদালাপী মানুষটি এবার সরাসরি জনপ্রতিনিধি হয়ে ইউনিয়নের উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। মনোহরখাদী চৌধুরী বাড়ির কৃতী সন্তান এনাম চৌধুরী একটি রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত পরিবারের উত্তরসূরি। তার পিতা গোলাম জিলানী চৌধুরী এবং মাতা সালেহা চৌধুরীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় তিনি নিজেও জনসেবায় আত্মনিয়োগ করেছেন। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে গোলাম মোস্তফা চৌধুরী (দুইবার), গোলাম মাওলা চৌধুরী মানিক মিয়া (ছয়বার) এবং গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী (একবার) বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা ও ঐতিহ্যকে সামনে রেখে এনাম চৌধুরীও নিজেকে জনগণের সেবায় নিয়োজিত করতে চান।
একান্ত সাক্ষাাতে এনাম চৌধুরী বলেন, আমি এনাম চৌধুরী ১নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার জন্য আগ্রহী। মূলত জনগণের আহ্বান, ভালোবাসা এবং ইউনিয়নের উন্নয়ন নিয়ে দীর্ঘদিনের অভাব-অভিযোগ আমাকে এ সিদ্ধান্ত নিতে উদ্বুদ্ধ করেছে। তিনি জানান, শুরুতে তার নির্বাচনে অংশগ্রহণের কোনো ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু গত প্রায় ১৫ বছরে ইউনিয়নের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন না হওয়ায় এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দেখে তার মধ্যে দায়িত্ববোধ সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, আমাদের ইউনিয়নের অনেক অবহেলিত মানুষ রয়েছে, যারা এখনো মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিত। তাদের জন্য কিছু করতে হলে একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম প্রয়োজন, আর সেটি হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ।
এনাম চৌধুরী আরও বলেন, তাদের পরিবার দীর্ঘ ৪০ থেকে ৫০ বছর ধরে এই ইউনিয়নের মানুষের পাশে ছিল। এখনও তারা বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। ফলে ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে তাদের একটি গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তিনি বিশ্বাস করেন, সেই আস্থা ও ভালোবাসা তার নির্বাচনী যাত্রাকে আরও শক্তিশালী করবে।
রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়ে তিনি জানান, তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন নিবেদিত কর্মী। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইউনিয়ন পর্যায়ে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হওয়ায় তিনি নির্দলীয়ভাবেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। যদিও দলের নেতাকর্মীদের সমর্থন তিনি পাবেন বলে আশাবাদী। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান যুবদল সভাপতি মানিকুর রহমান মানিক তার শৈশবের বন্ধু এবং ১৯৯১ সালে ছাত্রদলের মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়।
নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে এনাম চৌধুরী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, আমি শুধুমাত্র পরিচিতি লাভের জন্য নির্বাচন করতে চাই না। আমি নির্বাচিত হওয়ার জন্যই মাঠে নামতে চাই। কারণ এই ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি মানুষ আমাকে ও আমার পরিবারকে চেনে। তিনি জানান, এর আগে তিনি সরাসরি কোনো নির্বাচনে অংশ নেননি, তবে ১৯৯১ সাল থেকে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে পরিচালনা কমিটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও জনসংযোগ সম্পর্কে তার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। নির্বাচনী পরিকল্পনা সম্পর্কে এনাম চৌধুরী বলেন, তার লক্ষ্য একটি উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও স্বনির্ভর ইউনিয়ন গড়ে তোলা। তিনি মনে করেন, উন্নয়ন মানে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়; বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানুষের মর্যাদা নিশ্চিত করাই প্রকৃত উন্নয়ন। তিনি বলেন, আমাদের ইউনিয়নে উন্নয়নের অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মানোন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং নারীর ক্ষমতায়ন—এসব ক্ষেত্রেই কাজ করতে চাই।
সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের পরিবার সবসময়ই বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। ইতোমধ্যে তিনি ভোটারদের সঙ্গে গণসংযোগ শুরু করেছেন এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের মতামত নিচ্ছেন। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেবে। আমরা চাই, জনগণের ভোটাধিকার সঠিকভাবে প্রতিফলিত হোক। ভোটারদের উদ্দেশ্যে এনাম চৌধুরী বলেন, আমাদের ইউনিয়ন শুধু একটি প্রশাসনিক এলাকা নয়—এটি আমাদের পরিচয়, আমাদের ভবিষ্যৎ। এই উন্নয়নের দায়িত্ব আমাদের সবার। আমি একা কিছু করতে পারবো না, তবে সবার সহযোগিতা পেলে অবশ্যই একটি মডেল ইউনিয়ন গড়ে তুলতে পারবো।
তিনি দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তার মতে, একটি সুস্থ সমাজ গঠনের জন্য এই দুটি বিষয়কে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। এ জন্য তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন। এনাম চৌধুরী আরও বলেন, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি, সততার সঙ্গে কাজ করি, তাহলে কোনো বাধাই আমাদের অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না। আমি চাই, আমাদের সন্তানরা একটি নিরাপদ, শিক্ষিত ও সুন্দর পরিবেশে বেড়ে উঠুক।
নিজের সংক্ষিপ্ত পরিচিতিতে তিনি জানান, তিনি চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে ঢাকায় একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে সিনিয়র ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন, যেখানে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি নিজস্ব একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। সর্বশেষে তিনি ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আমি আপনাদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি। আমরা সবাই মিলে এমন একটি বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন গড়ে তুলবো, যা হবে শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির প্রতীক।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এনাম চৌধুরীর পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা তাকে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। তবে নির্বাচনের মাঠে অন্যান্য প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেমন হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। সবমিলিয়ে, বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের আসন্ন নির্বাচন ঘিরে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে এনাম চৌধুরীর নাম আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসায় নির্বাচনটি যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে যাচ্ছে, তা বলাই যায়।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।