খুঁজুন
                               
, ,

সাংবাদিকতায় মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণীতে তৃতীয় নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকতায় মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণীতে তৃতীয় নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া

অদম্য ইচ্ছাশক্তি, অধ্যবসায় এবং পেশার প্রতি গভীর ভালোবাসা থাকলে কোনো বাধাই শেষ পর্যন্ত বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না—এ কথারই বাস্তব প্রতিফলন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার সাম্প্রতিক সাফল্য। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) পরিচালিত গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিষয়ে মাস্টার্স পরীক্ষায় তিনি প্রথম শ্রেণীতে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন। তার এই অর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবসহ সাংবাদিক সমাজে আনন্দের বন্যা বইছে।
মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার এই অর্জন কেবল একটি একাডেমিক ফলাফল নয়; এটি এক দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল। পেশাগত ব্যস্ততার পাশাপাশি নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া, ক্লাসে উপস্থিত থাকা এবং নির্ধারিত সময়ে সবকিছু সম্পন্ন করা—এসবই তার জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত। মাঠপর্যায়ে কাজের চাপ, সংবাদ সংগ্রহ, সম্পাদনা ও প্রকাশনার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সময়ই ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষাজীবনের মধ্যে ভারসাম্য রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু সেই প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করেই তিনি নিজের লক্ষ্য অর্জন করেছেন।
নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এই বয়সে এসে সহপাঠীদের সঙ্গে বসে পড়াশোনা করা সহজ ছিল না। সুদূর ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকায় এসে ক্লাস করা আমাদের জন্য সত্যিই কষ্টকর ছিল। প্রতিটি ক্লাসের জন্য দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হতো, অনেক সময় ক্লান্তি ভর করতো। তবুও শেখার আগ্রহই আমাদের সামনে এগিয়ে নিয়েছে।
তার এই বক্তব্যে উঠে আসে একজন সংগ্রামী শিক্ষার্থীর বাস্তব চিত্র। ভোরে রওনা দিয়ে রাজধানীতে ক্লাস করা, আবার রাতে ফিরে যাওয়া—এই চক্রের মধ্যেই কেটেছে তার শিক্ষাজীবনের বড় একটি অংশ।
গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি বলেন, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল পেশা। এখানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আসে। তাই নিজেকে দক্ষ ও আপডেট রাখতে পড়াশোনার বিকল্প নেই। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং পিআইবির এই কোর্সটি তাকে সাংবাদিকতার তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দিক সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জনের সুযোগ করে দিয়েছে। সংবাদ লেখার কৌশল, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, গণমাধ্যমের নৈতিকতা, ডিজিটাল সাংবাদিকতা—এসব বিষয়ে তিনি নতুন করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষকদের অবদান গভীরভাবে স্মরণ করেছেন নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া। তিনি বলেন, আমি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক পঙ্কজ কর্মকার, মুনিরা শারমিন, শুভ কর্মকার, লাজিনা জাসলিনসহ প্রেস ইনস্টিটিউটের সকল শিক্ষককে। তাদের দিকনির্দেশনা, আন্তরিকতা এবং সহযোগিতা আমাকে এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন শিক্ষকদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা তাকে প্রতিটি ধাপে সাহস জুগিয়েছে। কঠিন বিষয়গুলো সহজভাবে বুঝিয়ে দেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি তাদের আন্তরিক আচরণ তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।
শিক্ষাজীবনের এই পথচলায় সহপাঠীদের ভূমিকাও কম নয়। নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, আমাদের সহপাঠীদের মধ্যে একটি চমৎকার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। আমরা একে অপরকে সহযোগিতা করেছি, একসঙ্গে পড়াশোনা করেছি। বিশেষভাবে প্রিয় সহপাঠী উজ্জ্বল হোসাইন ও মোহাম্মদ কামাল উদ্দিনের কথা উল্লেখ করতে চাই, যারা সবসময় পাশে ছিল। তিনি জানান, ক্লাসরুমের আলোচনা, গ্রুপ স্টাডি, পরীক্ষা প্রস্তুতি—সবকিছু মিলিয়ে তাদের মধ্যে এক ধরনের বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, যা তাদের এগিয়ে যেতে সহায়তা করেছে। নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার এই সাফল্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সদস্যদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। সহকর্মী সাংবাদিকরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং তার এই অর্জনকে পুরো জেলার জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে অভিহিত করেছেন। প্রেসক্লাবের একাধিক সদস্য বলেন, নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া সবসময় নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন। তার এই একাডেমিক সাফল্য প্রমাণ করে, তিনি নিজেকে আরও উন্নত করতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন।
এই সাফল্যের পেছনে পরিবারের সমর্থন ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত পড়াশোনা, ক্লাসে অংশগ্রহণ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালন—সবকিছু একসঙ্গে সামলাতে পরিবারের সহযোগিতা তাকে মানসিকভাবে শক্তি জুগিয়েছে। তিনি বলেন, আমার পরিবারের সদস্যরা সবসময় আমাকে উৎসাহ দিয়েছে। তাদের সমর্থন না থাকলে এই পথচলা এত সহজ হতো না। এই অর্জন তার পেশাগত জীবনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া। তিনি বলেন, এই কোর্স আমাকে নতুনভাবে ভাবতে শিখিয়েছে। এখন আমি আরও দায়িত্বশীলভাবে এবং দক্ষতার সঙ্গে সাংবাদিকতা করতে পারবো। তিনি ভবিষ্যতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং গবেষণাধর্মী প্রতিবেদন তৈরিতে আরও মনোযোগী হতে চান। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
তরুণ সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শেখার কোনো শেষ নেই। পেশার পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। নিজের দক্ষতা বাড়াতে হবে, সত্যের প্রতি অটল থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বপূর্ণ পেশা, যেখানে সততা, নৈতিকতা এবং সাহসিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার এই অর্জন নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কর্মজীবনের ব্যস্ততা, পারিবারিক দায়িত্ব এবং দূরপাল্লার যাত্রার ক্লান্তি—সবকিছু অতিক্রম করে তিনি যে সাফল্য অর্জন করেছেন, তা প্রমাণ করে—ইচ্ছাশক্তি থাকলে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়।
তার এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এটি পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য একটি গর্বের বিষয়। বিশেষ করে যারা কর্মজীবনের পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চান, তাদের জন্য নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার এই গল্প একটি শক্ত প্রেরণা হয়ে থাকবে। স্বপ্ন দেখুন, পরিশ্রম করুন—সাফল্য আসবেই—এই বিশ্বাসকেই নতুন করে দৃঢ় করেছে তার এই অর্জন।

একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ (বুধবার, ২২ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত! অনুমোদিত নতুন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে; স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে ‘বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প’। ১ হাজার ৪৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পটি ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিন জেলার গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২ হাজার ৮২ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প’ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৮ বিভাগের ৬৪ জেলার ৪৯৫টি উপজেলায় ৯১ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার পল্লী সড়ক নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পরিবারপ্রধান ৪৫ হাজার ৭৮০ জন দুঃস্থ নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অনুসন্ধান ও উৎপাদন কোম্পানি (বাপেক্স) এবং পেট্রোবাংলার উদ্যোগে ৭২৯ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘১টি মূল্যায়ন কূপ (বেগমগঞ্জ-৫) এবং ২টি অনুসন্ধান কূপ (বেগমগঞ্জ-৬ ও সুনেত্র-২) খনন’ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পটি সরকারি ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।

বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৭ সালের হজের জন্য তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার প্যাকেজগুলোর ঘোষণা দেন। এ সময় হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবার খাওয়া ও কোরবানিসহ তিনটি হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজের খরচ রাখা হয়েছে ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা এবং সর্বনিম্ন প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা।
হাব জানায়, তিনটি প্যাকেজের মধ্যে বিশেষ প্যাকেজ ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা, সাধারণ প্যাকেজ ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ও সাশ্রয়ী প্যাকেজ ৫ লাখ ১৩ হজার ৫৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর বিশেষ হজ প্যাকেজের খরচ ছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সাধারণ প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা এবং সাশ্রয়ী প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। সে হিসাবে এবার সাশ্রয়ী প্যাকেজের ব্যয় বেড়েছে ৩ হাজার ৫৪৫ টাকা। আর সাধারণ প্যাকেজের ব্যয় ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৭ হাজার টাকা বেশি। এ ছাড়া বিশেষ হজ প্যাকেজে ব্যয় বেড়েছে ৪১ হাজার ৬০ টাকা।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ২০২৭ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের ২টি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। হজ প্যাকেজ-১-এর খরচ ধরা হয়েছে ছয় লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী) এর খরচ ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ৬৪৮ টাকা।

প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ
প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

ভারতের মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা (নিটের) প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বিক্ষোভ গড়িয়েছে টানা তৃতীয় দিনে। সংঘাত ও বিক্ষোভের মধ্যেই বুধবার (২২ জুলাই) সরকারি সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় সরকার পার্লামেন্টে প্রশ্নফাঁস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে সরকারি সূত্রগুলো। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি সামনে আসার পরপরই সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সহিংসতার পর থেকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, সেদিনের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
এদিকে নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তাটি পড়ে শোনান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। প্রধানমন্ত্রীর বার্তা উদ্ধৃত করে কিরেন রিজিজু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এনডিএ শরিকদের সংসদের সব ধরনের কাজে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বিরোধী দলগুলোকে সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে দেশের ভবিষ্যৎ এবং যুবসমাজের কল্যাণে কাজ করা সব সংসদ সদস্যের যৌথ দায়িত্ব।’