খুঁজুন
                               
, ,

নবনির্বাচিত এমপি ও মন্ত্রিপরিষদের শপথ আজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
নবনির্বাচিত এমপি ও মন্ত্রিপরিষদের শপথ আজ

দেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। এদিন সকাল ১০টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন। এরপর দুপুর ১২টায় সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সভায় সংসদ নেতা নির্বাচন করা হবে। একই দিনে বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীসহ নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথগ্রহণ করবেন। সাধারণত বঙ্গভবনে এই শপথ অনুষ্ঠান হলেও এবার প্রথা ভেঙ্গে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় উন্মুক্ত মঞ্চে এই আয়োজন করা হয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বিএনপির ইচ্ছাতেই এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদ ভবন ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের ত্যাগ ও স্মৃতির কেন্দ্রবিন্দু। এখানেই ‘জুলাই সনদ’ ও ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠের মতো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা এই দক্ষিণ প্লাজাতেই সম্পন্ন হয়েছিলো। এসব আবেগ ও স্মৃতিকে সম্মান জানাতেই তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের জন্যে এই স্থানটি বেছে নেওয়া হয়েছে।
সংসদ সচিবালয় সূত্র নিশ্চিত করেছে, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ইতোমধ্যে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। আজ সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এস এম নাসির উদ্দীন নবনির্বাচিতদের শপথ পাঠ করাবেন। বর্তমান স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সংবিধান অনুযায়ী সিইসি এই দায়িত্ব পালন করবেন। শপথের পর সংসদ সদস্যরা খাতায় স্বাক্ষর করবেন এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেবেন।
শপথ গ্রহণের পর দুপুর ১২টায় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বিএনপির সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচন করা হবে। এরপর নির্বাচিত নেতা রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎ করে সরকার গঠনের দাবি জানাবেন। রাষ্ট্রপতি তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন এবং তিনি তাঁর মন্ত্রিসভা গঠন করবেন। বিকেল ৪টায় উৎসবমুখর পরিবেশে রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিন প্রথমে প্রধানমন্ত্রীকে এবং পরে পর্যায়ক্রমে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পাঠ করাবেন।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের গেজেট অনুযায়ী, ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭টির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে বিএনপি জোট ২১২টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। ৭৭টি আসন নিয়ে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকছে জামায়াতে ইসলামী জোট। অন্যদিকে, অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাকি ৮টি আসনে জয়ী হয়েছেন।
নতুন সরকারের এই শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়েই বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিলুপ্তি ঘটবে।
আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, রাষ্ট্রক্ষমতা হস্তান্তরের সব প্রস্তুতি চূড়ান্ত। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংসদ সচিবালয় সমন্বিতভাবে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন করছে। ঐতিহাসিক এই মুহূর্তকে ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ।  নতুন সরকারে শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে নেয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দায়িত্ব পালন করবেন পুলিশ, র‌্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ১৫ হাজার সদস্য। স্ট্যান্ডবাই থাকবে সোয়াট, বোম্ব ডিস্পোজাল ও কেনাইনের মতো বিশেষায়িত ইউনিট।
শপথ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় এরই মধ্যে দক্ষিণ প্লাজাজুড়ে সুইপিং করেছে বোম্ব ডিস্পোসাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাদা পোশাকে অবস্থান করছেন গোয়েন্দারা। সংসদের প্রবেশপথ ও ভেতরে মিলিয়ে নেয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা। এছাড়াও স্ট্যান্ডবাই থাকবে বিশেষায়িত সব ইউনিট।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) বলছে, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের বাসা থেকে সংসদের দক্ষিণ প্লাজার উদ্দেশে রওনা দেয়ার সময় থেকেই দেয়া হবে নিরাপত্তা। প্রটোকলের জন্যে প্রস্তুত রাখা হয়েছে অর্ধশত গাড়ি।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আনা-নেয়া থেকে শুরু করে রুটকেন্দ্রিক এবং সংসদ ভবনের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।’
শপথ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় থাকবেন পুলিশ, র‌্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ১৫ হাজার সদস্য। কোনো শঙ্কা না থাকলেও নেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। -দেশ রূপান্তর।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: এখনও নিখোঁজ ৫ জেলে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: এখনও নিখোঁজ ৫ জেলে

উত্তাল বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে বরগুনার পাথরঘাটার ‘এফবি বরকত’ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় এখনও পাঁচ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে আরও আট জেলেকে। নিখোঁজ জেলেদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে ট্রলার মালিক সমিতি। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে গভীর সমুদ্রে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া ট্রলারটির মালিক বরগুনার পাথরঘাটার আশরাফ কোম্পানি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চার দিন আগে ১৩ জন জেলে পাথরঘাটা থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যায় ‘এফবি বরকত’। গতকাল সোমবার বিকেলে সাগরে বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। পরে ডুবে যাওয়া ট্রলারের কাছাকাছি থাকা পাথরঘাটার অপর একটি মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা পানিতে ভাসতে থাকা আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া জেলেদের বরাত দিয়ে তারা ট্রলারডুবির বিষয়টি মালিকপক্ষকে জানান। এ ঘটনায় এখনো পাঁচ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের উদ্ধারে কাজ করছে ট্রলার মালিক সমিতি। নিখোঁজ পাঁচ জেলের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, ‘এফবি বরকত’ নামে একটি ট্রলার বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়ার খবর তারা অপর একটি ট্রলারের জেলেদের মাধ্যমে পেয়েছেন। খবর পাওয়ার পর ট্রলার ও জেলেদের উদ্ধারের জন্য ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বঙ্গোপসাগরে একটি ট্রলার পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া আট জেলেকে উপকূলে নিয়ে আসা হচ্ছে।