খুঁজুন
                               
, ,

৩৭ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান

ম্যানহোলে পড়ে নিখোঁজ তাসনিমের মরদেহ মিলল বিলে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫, ৯:৪২ পূর্বাহ্ণ
ম্যানহোলে পড়ে নিখোঁজ তাসনিমের মরদেহ মিলল বিলে

মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সকালে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে টেকবাড়ি বিলে তার মরদেহটির সন্ধান পায় ফায়ার সার্ভিস। এর আগে, রোববার (২৭ জুলাই) ঢাকা ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের সামনে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে থাকা স্ল্যাববিহীন ম্যানহোলে পরে নিখোঁজ হন ফারিয়া তাসনিম জ্যোতি। এর পর থেকেই চলছিলো উদ্ধার অভিযান। টানা ৩৭ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযানের পর মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে বাঁশপট্টি এলাকার টেকবাড়ি বিলে তার মরদেহটির সন্ধান পায় ফায়ার সার্ভিস।
দুর্ঘটনায় নিহত ফারিয়া তাসনিম জ্যোতির আট বছর বয়সী যমজ সন্তানের মা। কাজ করতেন একটি বেসরকারি কোম্পানির মার্কেটিং বিভাগে। কাজের সুবাদে এসেছিলেন হোসেন মার্কেট এলাকায়। হালকা বৃষ্টি হলেই সড়কটি পরিণত হয় মৃত্যুকূপে। এমন বাস্তবতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। স্থানীয়রা জানান, টঙ্গীর হোসেন মার্কেট ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের সামনের ম্যানহোলটি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকনাবিহীন অবস্থায় ছিল। এ বিষয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তারা অভিযোগ করেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, সিটি করপোরেশন ও সড়ক বিভাগের অবহেলার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনার পর রাতেই ২০ সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল ম্যানহোলে অভিযান শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের টঙ্গী স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহীন আলম জানান, ম্যানহোলটির গভীরতা প্রায় ১০ ফুট এবং টানা বৃষ্টির কারণে সেটি পানিতে পূর্ণ হয়ে গেছে, ফলে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে। দ্বিতীয় দিন সিটি করপোরেশনের সহায়তায় আশপাশের ড্রেনের ঢাকনাও খুলে অনুসন্ধান চালানো হয়। তৃতীয় দিনে তাসনিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে তার একজোড়া জুতা উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে, সোমবার (২৮ জুলাই) সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) মুহাম্মদ সোহেল হাসান। তিনি বলেন, ‘এ সড়কটি সিটি করপোরেশনের আওতায় নয়, এটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের তত্ত্বাবধানে। তবে মানবিক বিবেচনায় সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও জনবল দিয়ে উদ্ধার কাজে সহায়তা করেছে।’ এদিকে, এ ঘটনায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সচিবকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে ফায়ার সার্ভিস ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সেবা প্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

‘আম্মু কি আর আসবে না’, জ্যোতির দাফনে জমজ সন্তানের কান্না
গাজীপুরের টঙ্গীতে খোলা নালায় পড়ে প্রাণ হারানো ফারিয়া তাসনিম জ্যোতির (৩২) মরদেহ দাফন সম্পন্ন হয়েছে। দাফনের সময় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়- জ্যোতির জমজ সন্তানরা মায়ের কবরের পাশে কান্নায় ভেঙে পড়ে। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) রাতে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার পুরাতন গোরস্থান জামে মসজিদে জানাজা শেষে পুরাতন কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। নিহত জ্যোতি চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার বাগানপাড়ার মৃত বাবলু মেম্বারের মেয়ে। তিন ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। এরআগে গত রোববার রাত সোয়া ৯টার দিকে গাজীপুরের টঙ্গীর হোসেন মার্কেট এলাকায় খোলা ম্যানহোলে পড়ে নিখোঁজ হন জ্যোতি।
জানা যায়, জ্যোতি যে ড্রেনে পড়েছিল, ওই ড্রেনের পানি গিয়ে পড়ে শালিকচূড়া বিলে। ঘটনার পর টানা উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে শালিকচূড়া (টেকপাড়া) বিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কর্মীরা। জ্যোতি ঢাকার মিরপুরে সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন এবং ‘মনি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল হেলথ’ নামের একটি ওষুধ কোম্পানিতে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার দিন তিনি টঙ্গীর ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ওষুধ সরবরাহের কাজে গিয়েছিলেন।
জ্যোতির বড় ভাই মো. আক্তারুজ্জামান শোভন জানান, ‘রোববার রাতে বোনের ফোন বন্ধ পেয়ে আমরা খোঁজাখুঁজি শুরু করি। পরে সোমবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার ব্যবহৃত জুতা পাই, তখনই নিশ্চিত হই তিনি নিখোঁজ হয়েছেন।’ আক্তারুজ্জামান শোভন আরও জানান, ‘মঙ্গলবার আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুরে মরদেহ চুয়াডাঙ্গায় নিয়ে আসা হয়। রাত ১০টায় জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠিত হয়।’ বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে জানাজায় অংশ নেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। জমজ সন্তান আরিয়ান ও আইয়ানের কান্নায় আবেগে ভেঙে পড়েন অনেকেই। ‘আম্মু কি আর আসবে না?’- শিশুদের এই প্রশ্নে উপস্থিত অনেকের চোখের পানি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
নিহতের বড় ভাইয়ের ছেলে আশিকুজ্জামান নিশাত বলেন, ‘এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আমাদের হৃদয় ভেঙে দিয়েছে। নিষ্পাপ দুই শিশুকে কীভাবে সান্ত্বনা দেব? ঢাকনাবিহীন ড্রেন তাদের জীবন থেকে মাকে কেড়ে নিল।’ জানাজা ও দাফনে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম পিটু, পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, জেলা দোকান মালিক সমিতির সদস্যসচিব সুমন পারভেজ খানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা ও স্থানীয় জনগণ অংশ নেন।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: এখনও নিখোঁজ ৫ জেলে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: এখনও নিখোঁজ ৫ জেলে

উত্তাল বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে বরগুনার পাথরঘাটার ‘এফবি বরকত’ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় এখনও পাঁচ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে আরও আট জেলেকে। নিখোঁজ জেলেদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে ট্রলার মালিক সমিতি। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে গভীর সমুদ্রে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া ট্রলারটির মালিক বরগুনার পাথরঘাটার আশরাফ কোম্পানি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চার দিন আগে ১৩ জন জেলে পাথরঘাটা থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যায় ‘এফবি বরকত’। গতকাল সোমবার বিকেলে সাগরে বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। পরে ডুবে যাওয়া ট্রলারের কাছাকাছি থাকা পাথরঘাটার অপর একটি মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা পানিতে ভাসতে থাকা আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া জেলেদের বরাত দিয়ে তারা ট্রলারডুবির বিষয়টি মালিকপক্ষকে জানান। এ ঘটনায় এখনো পাঁচ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের উদ্ধারে কাজ করছে ট্রলার মালিক সমিতি। নিখোঁজ পাঁচ জেলের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, ‘এফবি বরকত’ নামে একটি ট্রলার বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়ার খবর তারা অপর একটি ট্রলারের জেলেদের মাধ্যমে পেয়েছেন। খবর পাওয়ার পর ট্রলার ও জেলেদের উদ্ধারের জন্য ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বঙ্গোপসাগরে একটি ট্রলার পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া আট জেলেকে উপকূলে নিয়ে আসা হচ্ছে।