খুঁজুন
                               
, ,

উত্তরায় বিমান বিধ্বস্ত, সারাদিন যা যা ঘটলো

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
উত্তরায় বিমান বিধ্বস্ত, সারাদিন যা যা ঘটলো

আর কিছুক্ষণ পরেই ছুটি হতো জুনিয়রদের। কিন্তু সবকিছু শেষ হয়ে গেল- এমনটাই বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও বিএনসিসির এক সদস্য। সোমবার (২১ জুলাই) দুপরে বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান প্রতিষ্ঠানটির জুনিয়র সেকশনের একটি ভবনে আছড়ে পড়ে। এতে মুহূর্তেই বিকট বিস্ফোরণে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ওই শিক্ষার্থী গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, ক্যাম্পাসের মোট ১১টা ভবনের মধ্যে ৪-৫টি ভবনে জুনিয়র সেকশনের ক্লাস। হয়। দুপুরে ছুটির কিছুক্ষণ আগে প্রশিক্ষণ বিমানটি একটি জুনিয়র সেবশনের ভবনের ওপর আছড়ে পড়ে। এ সময় ওই শিক্ষার্থী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন চোখের সামনে দেখেছি ভাই। আমি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারছি না। আর কিছুক্ষণ পরেই সবার ছুটি হতো।
এদিকে দুর্ঘটনার পরে আতঙ্কে ছুটতে থাকেন শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও কর্মচারীরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুইতলা ভবনের নিচ তলায় আঘাত লেগে মুহূর্তেই বিমানের ট্যাংক বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে যায়। আগুন ছড়িয়ে পড়ে দুইতলায়। মাইলস্টোন কলেজের এই ভবনে তখন নিয়মিত পাঠদান চলছিল। বিমান বিধ্বস্তের পর দিকবিদিক ছোটাছুটি করতে থাকেন সবাই। চিৎকার আর আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠে চারপাশ। দুর্ঘটনার পরপরই একে একে বের করে আনা হয় হতাহতদের। ঘটনাস্থলে আসে আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স, গুরুতর আহতদের উদ্ধার কাজে যোগ দেয় হেলিকপ্টার। কয়েক দফায় হেলিকপ্টারে করে আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বিভিন্ন হাসপাতালে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বিমানটি বিধস্ত হওয়ার সময় যে বিকট শব্দ হয় তা কোনো বোমার থেকে কম নয়। প্রথমদিকে ঘটনাস্থলে আগুনের তীব্রতায় কেউ কাছে পৌঁছাতে পারেনি।
নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০
এ পর্যন্ত বিমানটির পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামসহ ২০ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)। আর আহত ও দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১৭১ জন।
ডিএনএ পরীক্ষায় হস্তান্তর হবে মরদেহ
উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক‍্যাম্পাসে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ডিএনএ স্যাপম্পলিংয়ের মাধ্যমে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, হতাহতের ঘটনায় যাদের পরিচয় শনাক্ত করা যাবে তাদের মরদেহ দ্রুততম সময়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আর যাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যাবে না, তাদের মরদেহ ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করে পরবর্তীতে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
দুর্ঘটনার তদন্তে কমিটি গঠন
দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটনে বিমান বাহিনীর একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব এবং ফায়ার সার্ভিস দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে এবং পরিস্থিতি উত্তরণের সর্বাত্মক চেষ্টা করছে বলেও বার্তায় জানায় আইএসপিআর।
রাষ্ট্রীয় শোক
বিমান বিধ্বস্তে হতাহতের ঘটনায় মঙ্গলবার (২২ জুলাই) একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। পাশাপাশি সকল সরকারি, বেসরকারি ভবন ও বিদেশে বাংলাদেশি মিশনেও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।
এছাড়া দুর্ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শোকবার্তায় তিনি বলেন, এই দুর্ঘটনায় বিমানসেনা ও মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক-কর্মচারীসহ অন্যান্যদের যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়। জাতির জন্য এটি একটি গভীর বেদনার ক্ষণ।
শোক জানালেন রাজনৈতিক দলের নেতারা
বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি স্বজন হারানো পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও তারকারা শোক প্রকাশ করেছেন।
জাতিসংঘের সমবেদনা
প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত এবং আহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে জাতিসংঘ। বিকেলে জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এক বার্তায় এ সমবেদনার বার্তা জানানো হয়।
শোক জানিয়ে সহায়তার প্রস্তাব মোদির
বিমান বিধ্বস্তে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলাদেশের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে, সম্ভাব্য সব সমর্থন ও সহায়তা দিতে ভারত প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন তিনি।  সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে মোদি বলেছেন, ‘ঢাকায় এক মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায়—যাদের মধ্যে অনেকেই তরুণ শিক্ষার্থী–আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। ভারত বাংলাদেশের সাথে সংহতি প্রকাশ করে এবং সম্ভাব্য সকল সহায়তা ও সমর্থন দিতে প্রস্তুত।’

স্কুল আঙিনায় পড়ে আছে স্কুলব্যাগ, হয়তো তাদের অনেকেই আর ফিরবে না
উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুলের আঙিনায় পড়ে ছিল কয়েকটি ব্যাগ আর কিছুক্ষণ পরেই হয়তো তারা বাড়ি ফিরত। কিন্তু তাদের মধ্যে অনেকেই আর কখনোই বাড়ি ফিরবে না। আর কেউ হয়তো দগ্ধ হয়ে কাতরাচ্ছে যন্ত্রণায়। এই ঘটনায় আহত এক শিক্ষক বলেন, ‘এটা ঠিক স্কুল ছুটির সময় ছিল। শিক্ষার্থীরা গেটে অপেক্ষা করছিল। কী ঘটছে, তা বোঝার আগেই চারপাশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই দৃষ্টিসীমা কমে আসে। আমি শুধু আগুন দেখতে পাচ্ছিলাম, তারপর ধোঁয়া…। এই ঘটনায় মারা গেছে ১৯ জন। যাদের অধিকাংশই শিশু শিক্ষার্থী। এই ঘটনা সারা দেশের মানুষকে পীড়া দিচ্ছে। সামাজিক মাধ্যমে সেসব যন্ত্রণা ফুটে উঠছে।
তারা আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে প্রার্থনা করছেন। সোমবার দুপুর ১টার পর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে গিয়ে পড়ে বিমান এবং বিধ্বস্ত হয়। সঙ্গে সঙ্গে বিমান ও স্কুল ভবনটিতে আগুন ধরে যায়। যে ভবনে এটি বিধ্বস্ত হয় সেখানে বহু স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থী ছিল বলে জানা গেছে। যাদের বেশির ভাগই হতাহত হয়েছে।
দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। উত্তরাসহ আশপাশের ৮টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং হতাহতদের উদ্ধার করা শুরু করে। পরে উদ্ধার অভিযানে যোগ দেয় বিজিবি ও সেনাবাহিনী। বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে হতাহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। শেষ খবর পাওয়া অনুযায়ী—এ ঘটনায় ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৬৪ জন আহত হয়েছে।

একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ (বুধবার, ২২ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত! অনুমোদিত নতুন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে; স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে ‘বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প’। ১ হাজার ৪৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পটি ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিন জেলার গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২ হাজার ৮২ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প’ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৮ বিভাগের ৬৪ জেলার ৪৯৫টি উপজেলায় ৯১ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার পল্লী সড়ক নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পরিবারপ্রধান ৪৫ হাজার ৭৮০ জন দুঃস্থ নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অনুসন্ধান ও উৎপাদন কোম্পানি (বাপেক্স) এবং পেট্রোবাংলার উদ্যোগে ৭২৯ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘১টি মূল্যায়ন কূপ (বেগমগঞ্জ-৫) এবং ২টি অনুসন্ধান কূপ (বেগমগঞ্জ-৬ ও সুনেত্র-২) খনন’ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পটি সরকারি ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।

বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৭ সালের হজের জন্য তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার প্যাকেজগুলোর ঘোষণা দেন। এ সময় হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবার খাওয়া ও কোরবানিসহ তিনটি হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজের খরচ রাখা হয়েছে ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা এবং সর্বনিম্ন প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা।
হাব জানায়, তিনটি প্যাকেজের মধ্যে বিশেষ প্যাকেজ ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা, সাধারণ প্যাকেজ ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ও সাশ্রয়ী প্যাকেজ ৫ লাখ ১৩ হজার ৫৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর বিশেষ হজ প্যাকেজের খরচ ছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সাধারণ প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা এবং সাশ্রয়ী প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। সে হিসাবে এবার সাশ্রয়ী প্যাকেজের ব্যয় বেড়েছে ৩ হাজার ৫৪৫ টাকা। আর সাধারণ প্যাকেজের ব্যয় ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৭ হাজার টাকা বেশি। এ ছাড়া বিশেষ হজ প্যাকেজে ব্যয় বেড়েছে ৪১ হাজার ৬০ টাকা।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ২০২৭ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের ২টি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। হজ প্যাকেজ-১-এর খরচ ধরা হয়েছে ছয় লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী) এর খরচ ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ৬৪৮ টাকা।

প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ
প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে পার্লামেন্টে আলোচনায় প্রস্তুত ভারত সরকার

ভারতের মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা (নিটের) প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বিক্ষোভ গড়িয়েছে টানা তৃতীয় দিনে। সংঘাত ও বিক্ষোভের মধ্যেই বুধবার (২২ জুলাই) সরকারি সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় সরকার পার্লামেন্টে প্রশ্নফাঁস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে সরকারি সূত্রগুলো। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি সামনে আসার পরপরই সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সহিংসতার পর থেকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, সেদিনের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
এদিকে নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তাটি পড়ে শোনান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। প্রধানমন্ত্রীর বার্তা উদ্ধৃত করে কিরেন রিজিজু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এনডিএ শরিকদের সংসদের সব ধরনের কাজে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বিরোধী দলগুলোকে সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে দেশের ভবিষ্যৎ এবং যুবসমাজের কল্যাণে কাজ করা সব সংসদ সদস্যের যৌথ দায়িত্ব।’