খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

‘আমি চিৎকার করে দৌড়াচ্ছি, স্যার আমাকে বলছেন, আল্লাহকে ডাকেন’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
‘আমি চিৎকার করে দৌড়াচ্ছি, স্যার আমাকে বলছেন, আল্লাহকে ডাকেন’

রাজধানীর উত্তরায় গতকাল সোমবার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক‍্যাম্পাসে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে হতাহতের ঘটনার একটি বিবরণ দিয়েছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির একজন শিক্ষক। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক তাসলিমা আকতারের নিজের সন্তানও আটকা পড়েছিল দুর্ঘটনাস্থলে। তখন তিনিও ক্যাম্পাসে ছিলেন। বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানটি স্কুল চত্বরের একটি দোতলা ভবনে বিধ্বস্ত হয়। যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই আগুন ধরে যায় স্কুল ভবনে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৭ জনের নিহত হওয়ার তথ্য জানা গেছে। আহত দেড় শতাধিক। হতাহতের ঘটনায় আজ রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। ‘ভয়াবহ একুশে জুলাই ২০২৫’ শিরোনামে সেই ঘটনার বিবরণ গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে তাসলিমা আকতার তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন। তাঁর অনুমতি নিয়ে সেই বিবরণ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো: প্রতিদিনের নিয়ম অনুযায়ী ছুটি হয় দুপুর ১টায়। আজকে আমার পরীক্ষার ডিউটি ছিল চার নং ভবনের ৮০৪ নম্বর রুমে। বেলা একটায় পরীক্ষা ডিউটি শেষ করে ছেলের ভবনের সামনে যাব, হঠাৎ মনে হলো রেস্ট নিই। ও নিজেই চলে আসবে আমার টিচার্স রুমে প্রতিদিনের মতো। আমি টিচার্স রুমে রেস্ট নিচ্ছি। তখন দুপুর ১টা ১১ মিনিটে, আমার ছেলের ফরম মাস্টার বাবুল স্যার আমাকে ফোন দিয়ে বললেন, ম্যাডাম আজকের সিনানের ছুটি হবে ১টা ৪০ মিনিটে। আমি বললাম, ক্লাস শেষ হলে ৭নং ভবনের দোতলায় পাঠিয়ে দেবেন টিচার্স রুমে। আমি ওকে স্যার বলেই ফোনটা কেটে দিলাম। সাথে সাথে বোম ব্রাস্ট হওয়ার মত একটা সাউন্ড হইল—আমি মাঠের পাশে টিচার্স রুম থেকে দেখতে পেলাম, আমার ছেলের ভবনের সামনে আগুন।

আমার টিচার্স রুমে আমার সামনে আমার একজন সিনিয়র সহকর্মী জনাব এজাজ মাসুদ স্যার বসা ছিলেন। আমি এক চিৎকারে বললাম, স্যার আমার ছেলের ভবনে তো আগুন লাগছে। উনার ছেলে ওই ভবনেই পড়ে, কোনো কারণে সে আজকে আসে নাই। আমি চিৎকার করে দৌড়াচ্ছি, স্যার আমাকে বলছেন, দোয়া করেন আল্লাহকে ডাকেন। ৪০ সেকেন্ডের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই।
দৌড়াতে দৌড়াতে আমার হাজব্যান্ডকে ফোন দিয়ে বলেছি, আমার ছেলের ভবনে আগুন লাগছে। যেখানে আগুন লাগছে, সেখানে গিয়ে দেখি, তিনটা গলিত লাশ। শুধু আইডি কার্ডটা পড়ে আছে। একটা বাচ্চার গায়ে কাপড় নাই, পুরো শরীর ঝলসে গেছে। সামনে গিয়ে দেখি, যে ভবনে আমার ছেলে ক্লাস করে, যেই রুমে আমার ছেলে ক্লাস করে, সেই রুমের চারদিকে ধোঁয়া। ছেলের ক্লাসরুমে আগুন, আমি বাইরে থেকে কী বুঝব, তাই ক্লাসে ঢুকতে চাইলাম। সেনাবাহিনীর দুইজন আর আমার কলেজের বিএনসিসি ছাত্ররা আমাকে ঢুকতে দিলো না…। আমি বারবার ঢুকতে চাইলাম, জোর করে ঢুকতে চাইলাম, আমাকে বাধা দিল দুজন, আমাকে জোর করে একপাশে নিয়ে গেল। আমি ডান পাশে ঘুরেই দেখি, আমার ছেলের ফরম মাস্টার বাবুল স্যার।
জিজ্ঞেস করলাম, স্যার আপনি এখানে, আমার ছেলে কই???
শুধু হাতটা ধরে বলল, ওরা ওপরে দুই তালায়। বিশ্বাস করলাম না। তারপর আমার একজন ছাত্র এসে বলল, ম্যাডাম কিছু হয় নাই, এই পাশে আসেন। ক্যানটিনের পাশে ওপরে ৭ থেকে আটজন মেয়ে বাচ্চাকে দেখা যাচ্ছিল। আমি আল্লাহর কাছে কী দোয়া পড়ছিলাম, আমার কিছুই মনে নাই। আমার বিভাগের আমার একজন সহকর্মী মুকুল স্যারের ভাগ্নিও ওই ভবনে আটকা পড়ছেন। সে পাশ থেকে ওপারে দৌড়াচ্ছেন আর চিৎকার করতেছেন। আমাকে দুইজন সেনাবাহিনী বসায় দিয়ে ধরে রাখলেন একপাশ থেকে। যেন আমি সামনে না যাই।
তারপর দোতলার সামনে গাছ ছিল, আম গাছ কেটে ফেলা হলো। গ্রিলের তালা ভাঙ্গা হলো, একপাশ ভেঙে ফেলা হলো। আমি শুধু দেখতে পাচ্ছি, কিছু ছাত্রী গ্রিলের নিচ দিয়ে দিয়ে বের হয়ে আসছে। ৮ থেকে ১০ জন ছাত্রী এবং একজন ম্যাডাম বের হওয়ার পর হঠাৎ আমার ছেলের চেহারা ভেসে উঠলো।
ওই মুহূর্তটা একজন মায়ের জন্য কী মুহূর্ত, সেটা বলে বোঝানো যাবে না, লিখেও শেষ করা যাবে না।
মুকুল স্যার যদি পারতো, তাকে দোতলা থেকেই টেনে বের করত। আমার ছেলেকে দেখার সাথে সাথে সে দৌড়ে গিয়ে জড়ায় ধরছে, বাবারে তুই তাড়াতাড়ি আয়। আমার মানিককে, আমার সন্তানকে আমি জড়াইয়া ধরলাম। যারা আমার ছেলের ক্লাসে আটকে ছিল, তারা কেউ বেঁচে ফিরে নাই। সবাই পুরে কয়লা হয়ে গেছে।
একজন মা বলতেছিল, বাবারে তুই আজকে আমার হাতের শেষ খাওয়াটা খাইয়া গেলি বাবা—আমি তো তোরে শেষ দেখা দেখতে পারলাম না।
মূলত বিমান ক্রাশ হয়ে ক্লাসরুমের ভিতরে ঢুকে গেছে। বিমান ক্রাশ হওয়ার সাথে সাথেই ১৫ মিনিটের মধ্যেই যা ধ্বংস হওয়ার, যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেছে।
যাতে শরীর পুড়ে গেছে, তাদের বাঁচানো খুবই অসম্ভব, খুব খারাপভাবে শরীর পুড়ে গেছে।
এত কাছ থেকে কখনো দেখিনি। এত ভয়ঙ্কর!!
আমি রাত আটটা দশ মিনিটে সেই দুর্ঘটনাস্থলে আবার যাই। আমার ফরমের দুইটা মেয়ে অসুস্থ, তাদেরকে দেখার জন্য।
সেই ভবনের সামনে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়েছিলাম। রাত ৮টা ১৫ মিনিটের সময় বিজিবির একজন সদস্য নাম মাসুদ, তিনি ফোনে কাউকে বলছিলেন, আরও একটি লাশ পাওয়া গেছে, কিন্তু কয়েকটি পুড়ে যাওয়া খন্ড বিখন্ড অংশ।
হে রাব্বুল আলামিন, রাহমানুর রাহিম, তুমি উত্তম পরিকল্পনাকারী—শিশুদের এমন মৃত্যু তুমি দিয়েছো, বাবা-মা তাঁদের গলে যাওয়া লাশের শেষ চিহ্নটুকু দেখতে পাবে না।

তাসলিমা আকতার
প্রভাষক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ, মাইলস্টোন কলেজ, ২১/০৭/২০২৫, সোমবার

সূত্র : প্রথম আলো।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।