খুঁজুন
                               
, ,

চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমী নির্বাচন বানচাল ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সর্বস্তরে লেখকদের মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমী নির্বাচন বানচাল ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সর্বস্তরে লেখকদের মানববন্ধন

চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমী নির্বাচনকে বানচাল, অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে চাঁদপুর জেলার সর্বস্তরে লেখক সমাজ।  বৃহস্পতিবার (১৫ মে ২০২৫) বেলা ১২টায় শহরের জোড় পুকুরপাড়স্থ চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমীর সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমীর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য কবি ও প্রাবন্ধিক আবদুল্লাহিল কাফী, চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির সাবেক নির্বাহী সদস্য প্রবীণ লেখক এবং চাঁদপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুব আনোয়ার বাবলু, সাহিত্য একাডেমীর এডহক কমিটির সদস্য, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এবং কবি গল্পকার ও প্রাবন্ধিক কাদের পলাশ, চাঁদপুর সাহিত্য মঞ্চের সাবেক সভাপতি কবি ও অনুবাদক মাইনুল ইসলাম মানিক, চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমী সাধারণ সদস্য কবি ও গল্পকার নুরুন্নাহার মুন্নি, সাহিত্য একাডেমীর নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য কবি ও সম্পাদক ম. নূরের আলম পাটোয়ার‌, চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমীর সাধারণ সদস্য এবং জেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কবি আশরাফুজ্জামান কাজী রাসেল, চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমীর সাবেক অডহক কমিটির সদস্য এবং চাঁদপুর সাহিত্য মঞ্চের সভাপতি কবি আশিক বিন রহিম, সাহিত্য একাডেমীর সাধারণ সদস্য কবি ও গীতিকার কবির হোসেন মিজি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির সাধারণ সদস্য মুখলেসুর রহমান ভূঁইয়া, সুমন কুমার দত্ত, পলাশ দে, আতিকুর রহমান রুবেল, আরিফুল ইসলাম শান্ত, এএম সাদ্দাম হোসেন, লেখক ও সংস্কৃতিকর্মী নূরে আলম, লেখক ও সাংবাদিক বিল্লাল ঢালী, এইচএম নিজাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন পর চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমীর সাধারণ সভা হতে যাচ্ছে.। এই সভায় সাধারণ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সাহিত্য একাডেমীর নিয়মিত কমিটি গঠন করা হবে। সাহিত্য একাডেমি নির্বাচনকে ঘিরে চাঁদপুর লেখকদের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। অথচ দুই একজন ব্যক্তি চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য অপপ্রচার এবং মিথ্যাচার করছে। তারা জেলা প্রশাসনের এই সুন্দর প্রয়াসকে বানচাল করতে উঠে পড়ে লেগেছে।

বক্তারা আরো বলেন, মূলত তাদের ক্ষোভ হলো সাহিত্য একাডেমী সদস্য হতে না পারা। গত এক বছর পূর্বে চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে স্থানীয় সকল পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সাহিত্য একাডেমীর সদস্য আহবান করা হয়। এছাড়া ব্যক্তিগতভাবে এক লেখক অপর লেখকের সাথে যোগাযোগ করেন। ‌পরবর্তীতে জেলা প্রশাসন সুদীর্ঘ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাথমিক সদস্য থেকে যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিক সদস্য পরে সাধারণ সদস্য করেন। পাশাপাশি যারা অলেখক তাদেরকে সদস্য থেকে বাতিল করেন।
পরবর্তীতে সাহিত্য একাডেমীর ইতিহাস এই প্রথমবারের মতো সাধারণ সভার আহবান করে প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্মিত কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেন জেলা প্রশাসন। এখন যারা সাহিত্য একাডেমির নির্বাচন নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে তারা কেউ তখন সদস্য হওয়ার জন্য আগ্রহ দেখায়নি। এখন নির্বাচনের উৎসব দেখে গাত্রদাহ থেকে তারা মূলত এই অপপ্রচার চালাচ্ছে।

মানববন্ধন থেকে লেখকরা দীর্ঘদিন পর সাহিত্য একাডেমী সাধারণ সভা এবং নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের আয়োজন করায় জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান।

সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে সব সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৮ অপরাহ্ণ
সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে সব সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন আইন অনুযায়ী সব ধরনের সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে আইন অনুযায়ী মো. সাহাবুদ্দিন সব ধরনের সুবিধা পাবেন। তার নিরাপত্তার জন্য এসএসএফ ও পিজিআরসহ ছয় মাসের একটি বিধান রয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার পক্ষ থেকেও তার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে। আইন অনুযায়ী যেসব সুবিধা প্রাপ্য, সেগুলোর সবই তিনি পাবেন। মো. সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংকটময় সময়ে তিনি সাংবিধানিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিধি-বিধান অনুযায়ীই তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা পেয়েছি।
তিনি বলেন, সেই সময় সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি বিশেষ সাংবিধানিক সুরক্ষা (প্রিভিলেজ) ভোগ করতেন। ফলে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধে বা এ-সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে কোনো মামলা করা যায় না। তবে এর বাইরে কোনো সময়ের বক্তব্য নিয়ে কেউ মতামত দিলে, সেটি তাদের স্বাধীনতা। কিন্তু আমরা আমলে নেওয়ার মতো কোনো বিষয় সেখানে দেখিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, যারা তার বিরুদ্ধে বক্তব্য দিচ্ছেন, তাদের সে অধিকার রয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের পর আমাদের প্রত্যাশা ছিল, মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে, সেটি রয়েছে। এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। তবে আমলে নেওয়ার মতো কোনো বক্তব্য সেখানে নেই।

একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ (বুধবার, ২২ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত! অনুমোদিত নতুন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে; স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে ‘বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প’। ১ হাজার ৪৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পটি ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিন জেলার গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২ হাজার ৮২ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প’ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৮ বিভাগের ৬৪ জেলার ৪৯৫টি উপজেলায় ৯১ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার পল্লী সড়ক নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পরিবারপ্রধান ৪৫ হাজার ৭৮০ জন দুঃস্থ নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অনুসন্ধান ও উৎপাদন কোম্পানি (বাপেক্স) এবং পেট্রোবাংলার উদ্যোগে ৭২৯ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ের ‘১টি মূল্যায়ন কূপ (বেগমগঞ্জ-৫) এবং ২টি অনুসন্ধান কূপ (বেগমগঞ্জ-৬ ও সুনেত্র-২) খনন’ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পটি সরকারি ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।

বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
বেসরকারিভাবে হজ পালনে ৩ প্যাকেজ ঘোষণা

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৭ সালের হজের জন্য তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার প্যাকেজগুলোর ঘোষণা দেন। এ সময় হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবার খাওয়া ও কোরবানিসহ তিনটি হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজের খরচ রাখা হয়েছে ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা এবং সর্বনিম্ন প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা।
হাব জানায়, তিনটি প্যাকেজের মধ্যে বিশেষ প্যাকেজ ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা, সাধারণ প্যাকেজ ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ও সাশ্রয়ী প্যাকেজ ৫ লাখ ১৩ হজার ৫৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর বিশেষ হজ প্যাকেজের খরচ ছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সাধারণ প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা এবং সাশ্রয়ী প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। সে হিসাবে এবার সাশ্রয়ী প্যাকেজের ব্যয় বেড়েছে ৩ হাজার ৫৪৫ টাকা। আর সাধারণ প্যাকেজের ব্যয় ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৭ হাজার টাকা বেশি। এ ছাড়া বিশেষ হজ প্যাকেজে ব্যয় বেড়েছে ৪১ হাজার ৬০ টাকা।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ২০২৭ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের ২টি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। হজ প্যাকেজ-১-এর খরচ ধরা হয়েছে ছয় লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী) এর খরচ ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ৬৪৮ টাকা।