খুঁজুন
                               
, ,

চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমীর ভোটার তালিকা প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমীর ভোটার তালিকা প্রকাশ

১৭ মার্চ চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দীন স্বাক্ষরিত ১২০ সদস্যের একটি ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, গঠনতন্ত্র উপ-পরিষদ সদস্য, আজীবন সদস্য, নির্বাহী পরিষদের সদস্য, সাধারণ সদস্যের সমন্বিত তালিকা (খসড়া ভোটার তালিকা) সাহিত্য একাডেমী, চাঁদপুর-এর গঠনতন্ত্র ১৪-এর ‘ক’ ধারা মোতাবেক প্রকাশ করা হলো।
তালিকায় ১৯৮৬ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে সদস্য হওয়াদের নাম রয়েছে। ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তারা হলেন।
১. জনাব এস এম শামসুল আলম, চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা, প্রথম সভাপতি ও আজীবন সদস্য
২. জনাব কাজী শাহাদাত, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, আজীবন সদস্য, সাবেক প্রধান সম্পাদক ও মহাপরিচালক
৩. অধ্যাপক রুহুল আমিন, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
৪. জনাব আবদুল্লাহিল কাফী, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
৫. জনাব আ ত ম আ. মতিন মোল্লা, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
৬. কাজী নজরুল ইসলাম, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
৭. অধ্যাপক ইসমাইল তপাদার, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
৮. জনাব মোহাম্মদ হোসেন খান, প্রতিষ্ঠাকালীন গঠনতন্ত্র উপ-পরিষদ সদস্য
৯. জনাব জীবন কানাই চক্রবর্তী, প্রতিষ্ঠাকালীন গঠনতন্ত্র উপ-পরিষদ সদস্য, সাবেক সহ-সভাপতি
১০. জনাব শ্যামাপদ ঘোষ ভুলু, প্রতিষ্ঠাকালীন গঠনতন্ত্র উপ-পরিষদ সদস্য
১১. জনাব এম এ মাসুদ ভূঁইয়া, প্রতিষ্ঠাকালীন গঠনতন্ত্র উপ-পরিষদ সদস্য ও সাবেক পরিচালক, নির্বাহী পরিষদ
১২. জনাব রণজিত কুমার বণিক, প্রতিষ্ঠাকালীন গঠনতন্ত্র উপ-পরিষদ সদস্য
১৩. জনাব অজয় কুমার ভৌমিক, সাবেক পরিচালক, নির্বাহী পরিষদ
১৪. জনাব মাহবুব আনোয়ার বাবলু, সাবেক সদস্য, নির্বাহী পরিষদ
১৫. জনাব মোরশেদা খানম বেবী, সাবেক সদস্য, নির্বাহী পরিষদ
১৬. জনাব জাহাঙ্গীর আখন্দ সেলিম, সাবেক সদস্য, নির্বাহী পরিষদ
১৭. জনাব সুভাষ চন্দ্র রায়, সাবেক সদস্য, নির্বাহী পরিষদ
১৮. জনাব ফজলুল হক সরকার, সাবেক সদস্য, নির্বাহী পরিষদ
১৯. জনাব ইকবাল বিন বাশার, সাবেক সদস্য, নির্বাহী পরিষদ
২০. জনাব গোলাম কিবরিয়া জীবন, সাবেক সদস্য, নির্বাহী পরিষদ
২১. জনাব জালাল চৌধুরী, সাবেক সদস্য, নির্বাহী পরিষদ
২২. জনাব ইকবাল হোসেন পাটওয়ারী, সাবেক পরিচালক, নির্বাহী পরিষদ
২৩. জনাব সামীম আহমেদ খান, সাবেক সদস্য, নির্বাহী পরিষদ
২৪. জনাব শহীদ পাটওয়ারী সাবেক সদস্য, নির্বাহী পরিষদ
২৫. জনাব ইফতেখারুল আলম মাসুম সাবেক সদস্য, নির্বাহী পরিষদ
২৬. ডা. পীযূষ কান্তি বড়ুয়া সাবেক সদস্য, নির্বাহী পরিষদ
২৭. জনাব এস এম জয়নাল আবেদীন সাবেক সদস্য, নির্বাহী পরিষদ
২৮. জনাব মির্জা জাকির সাবেক সদস্য, নির্বাহী পরিষদ
২৯. জনাব ম. নূরে আলম পাটওয়ারী সাবেক সদস্য, নির্বাহী পরিষদ
৩০. জনাব জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৩১. জনাব শেখ মহিউদ্দিন রাসেল, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৩২. জনাব মুহাম্মদ শেখ সাদী (সাদী শাশ^ত), সাধারণ সদস্য (২০১২)
৩৩. জনাব আশিক বিন রহিম, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৩৪. জনাব দুখাই মুহাম্মদ, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৩৫. জনাব মুহাঃ আবু বকর বিন ফারুক, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৩৬. জনাব খান মোঃ মনিরুজ্জামান উজ্জল, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৩৭. জনাব মিজানুর রহমান রানা, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৩৮. জনাব শ্যামল চন্দ্র দাস, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৩৯. জনাব লিটন ভূঁইয়া, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৪০. জনাব এ এফ এম ফতেউল বারী রাজা, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৪১. জনাব ডাঃ মোঃ আহসান উল্যাহ, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৪২. বিএম ওমর ফারুক, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৪৩. জনাব অভিজিৎ আচার্যী, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৪৪. জনাব খান-ই-আজম, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৪৫. জনাব দুলাল চন্দ্র দাস, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৪৬. জনাব জহির উদ্দিন বাবর, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৪৭. জনাব তপন সরকার, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৪৮. জনাব মোঃ হারুন অর রশীদ, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৪৯. জনাব মোঃ রফিক আহমেদ মিন্টু, সাধারণ সদস্য (২০১২)
৫০. জনাব গিয়াসউদ্দিন মিলন সাধারণ সদস্য (২০১২)
৫১. জনাব সোহেল রুশদী সাধারণ সদস্য (২০১২)
৫২. জনাব ইকবাল পারভেজ, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৫৩. জনাব শাহাদাত হোসেন শান্ত, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৫৪. জনাব জসীম মেহেদী, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৫৫. জনাব নুরুন্নাহার মুন্নি, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৫৬. জনাব সৌম্য সালেক, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৫৭. জনাব স্বপন ভঞ্জ, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৫৮. জনাব মোঃ সাইদুজ্জামান, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৫৯. জনাব শরীফ মাহমুদ চিশ্তী, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৬০. জনাব সুমন কুমার দত্ত, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৬১. জনাব আবদুল গণি, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৬২. জনাব মাইনুল ইসলাম মানিক, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৬৩. জনাব মোঃ কবির হোসেন মিজি, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৬৪. জনাব এইচ এম জাকির, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৬৫. জনাব মুক্তা পীযূষ, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৬৬. জনাব মনিরা আক্তার, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৬৭. জনাব শাহমুব জুয়েল, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৬৮. জনাব খোকন চন্দ্র মজুমদার, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৬৯. জনাব জাহিদ নয়ন, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৭০. জনাব মাহমুদ হাসান খান, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৭১. জনাব সঞ্জয় দেওয়ান, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৭২. জনাব আরিফ রাসেল, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৭৩. জনাব মোখলেছুর রহমান ভূঁইয়া, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৭৪. জনাব পলাশ কুমার দে, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৭৫. জনাব আবু ইউসুফ, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৭৬. মনিরুজ্জামান বাবলু, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৭৭. জনাব আরিফুল ইসলাম শান্ত, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৭৮. জনাব ফারজানা মুন্নি, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৭৯. জনাব বিথী নন্দী, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৮০. জনাব মোঃ শাহাদাত হোসেন (সৌরভ সালেকীন), সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৮১. জনাব মোঃ আরিফ বিল্লাহ, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৮২. জনাব মোঃ কামরুজ্জামান, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৮৩. জনাব শিউলি মজুমদার, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৮৪. জনাব মুহাম্মদ সালাউদ্দীন, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৮৫. জনাব আসাদুল্লাহ কাহাফ, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৮৬. জনাব কাজী সাইফ, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৮৭. জনাব উজ্জ্বল হোসাইন, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৮৮. জনাব বাঁধন চন্দ্র শীল, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৮৯. জনাব হুসাইন মিলন, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৯০. জনাব তাশফীয়া কাফী, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৯১. জনাব খোরশেদ আলম বিপ্লব, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৯২. জনাব জাহিদ হাসান, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৯৩. দেওয়ান মাসুদ রহমান, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৯৪. জনাব আশরাফুজ্জামান কাজী রাসেল, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৯৫. জনাব এম. আর. ইসলাম বাবু, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৯৬. জনাব মানিক দাস, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৯৭. জনাব আলমগীর হোসেন আঁচল, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৯৮. জনাব হাজেরা বেগম, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
৯৯. জনাব রাজিব কুমার দাস, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১০০. জনাব কাদের পলাশ, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১০১. জনাব মোঃ আউয়াল হোসেন পাটওয়ারী, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১০২. জনাব মুহাম্মদ হানিফ, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১০৩. জনাব ইমরান শাকির ইমরু, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১০৪. জনাব শাদমান শরীফ, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১০৫. জনাব মোঃ ইয়াছিন দেওয়ান, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১০৬. জনাব সাদ আল-আমিন, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১০৭. জনাব রিয়াজ বেপারী, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১০৮. জনাব ইমরান নাহিদ, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১০৯. জনাব মুহাম্মদ ফরিদ হাসান, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১১০. জনাব মোঃ তাফাজ্জল ইসলাম, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১১১. জনাব মাইনুল তোহা, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১১২. জনাব সাদিয়া হোসেন মাধুরী, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১১৩. জনাব সুধীর বরণ মাঝি, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১১৪. জনাব সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১১৫. জনাব নূরুল ইসলাম ফরহাদ (অমৃত ফরহাদ), সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১১৬. জনাব মোহাম্মদ হাসান খান, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১১৭. জনাব আহনাফ আব্দুল কাদির, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১১৮. জনাব মোঃ আতিকুর রহমান রুবেল, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১১৯. জনাব মোঃ জিহাদ সরকার, সাধারণ সদস্য (২০২৪)
১২০. জনাব রেজাউল করিম, সাধারণ সদস্য (২০২৪)

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।