খুঁজুন
                               
, ,

গরমে কিশমিশ ভেজানো পানি পান করা কেন জরুরি?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৫, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ
গরমে কিশমিশ ভেজানো পানি পান করা কেন জরুরি?

গরমের সময়ে তাপ তীব্র হওয়ার সাথে সাথে, হাইড্রেটেড থাকা এবং সর্বোত্তম স্বাস্থ্য বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সেজন্য যদিও সাধারণ পানি অপরিহার্য, তবে একটি সহজ কিন্তু শক্তিশালী পানীয় আছে যা আপনি হয়তো খেয়াল করেননি, সেটি হলো কিশমিশ ভেজানো পানি। পানিতে কিশমিশ ভিজিয়ে তৈরি করা হয় এই পানীয়। তবে এটি কেবল সুস্বাদুই নয়, এর রয়েছে অনেক উপকারিতা। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. প্রাকৃতিক শক্তি বৃদ্ধিকারী : কিশমিশ ফ্রুক্টোজ এবং গ্লুকোজের একটি প্রাকৃতিক উৎস, যা প্রাকৃতিকভাবে শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি করে। কিশমিশের পানিতে চুমুক দিলে গ্রীষ্মের ক্লান্তি দূর হবে এবং সারাদিন আপনাকে সতেজ বোধ করতে সাহায্য করবে। সহজলভ্য চিনি সহজেই হজম হয়, যা ওয়ার্কআউটের আগে বা পরে একটি কার্যকরী পানীয় হতে পারে।

২. মৃদু ডিটক্সিফিকেশন : লিভার এবং কিডনি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ ফিল্টার করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে। কিশমিশের পানি তাদের সাহায্য করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ভেজানো কিশমিশের যৌগগুলো লিভারের কার্যকারিতা উন্নত করে এবং ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোকে সহায়তা করে কিশমিশের পানি হালকা ভাব এবং সামগ্রিক সুস্থতায় অবদান রাখতে পারে।

৩. হজম সহায়ক : গ্রীষ্মকালে খাদ্যাভ্যাস এবং রুটিনে পরিবর্তন কখনো কখনো হজমের অস্বস্তির কারণ হতে পারে। কিশমিশ খাদ্যতালিকাগত ফাইবারের একটি ভালো উৎস, যা সুস্থ অন্ত্রের গতিবিধি বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ফাইবার নরম হয়, হজম করা সহজ হয় এবং সম্ভাব্যভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। প্রতিদিন এক গ্লাস কিশমিশের পানি একটি মসৃণ এবং আরামদায়ক হজম ব্যবস্থা বজায় রাখতে কাজ করে।

৪. খনিজ পদার্থে ভরপুর : গ্রীষ্মের তাপে প্রচুর পরিমাণে ঘাম হলে গুরুত্বপূর্ণ ইলেক্ট্রোলাইটের ক্ষতি হতে পারে। কিশমিশের পানিতে প্রাকৃতিকভাবে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং আয়রনের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ থাকে। তরল ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং পেশীর খিঁচুনি প্রতিরোধে পটাসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, অন্যদিকে ম্যাগনেসিয়াম স্নায়ু এবং পেশীর কার্যকারিতায় সহায়তা করে। আয়রন ক্লান্তি মোকাবিলায় সাহায্য করে এবং শক্তির মাত্রা স্থিতিশীল রাখে। কিশমিশের পানি দিয়ে এই খনিজগুলো পূরণ করলে আপনি শক্তিতে ভরপুর থাকতে এবং ডিহাইড্রেশন-সম্পর্কিত সমস্যা প্রতিরোধ করতে পারবেন।

৫. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভান্ডার : গরমের সময়ে সূর্যের ক্ষতিকারক ইউভি রশ্মির সংস্পর্শে আসা বেড়ে যায়, যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের কারণ হতে পারে। কিশমিশ ফেনোলিক যৌগ সহ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, ফ্রি মুক্ত র‍্যাডিকেলের প্রভাব দূর করতে এবং কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। কিশমিশের পানি পান করলে তা অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরক্ষায় অবদান রাখতে পারে, যা দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমাতে এবং সুস্থ বার্ধক্য বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ণ
সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

রাঙামাটির সাজেকে স্থানীয় সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের মুখে আটকে পড়া প্রায় দুই হাজার পর্যটককে সম্পূর্ণ নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুর রকিব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের কঠোর পাহারায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হন পর্যটকরা। তবে দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের ডাকা অবরোধের কারণে মাঝপথে উজো বাজারসহ কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে বাধার মুখে পড়েন তারা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং শেষ পর্যন্ত পর্যটকদের বহর নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছায়।
উল্লেখ্য, সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের কারণে জেলা প্রশাসন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে পর্যটকদের নিরাপদে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল। বারবার এমন অবরোধের ফলে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং সাধারণ মানুষের জনজীবনও ব্যাহত হচ্ছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে বর্তমানে দেশটিতে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক ও যৌথ সংবাদ সম্মেলন শেষে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন। বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুরে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সানায়ে তাকাইচি। এ সময় জাপানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দুই নেতা নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইয়াসুতাকা নাকাসোনে। সফরকালে তিনি বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন এবং জাপানি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে সফরের প্রথম দিন তিনি জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসো, মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকি এবং জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।

দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ
দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। সে হিসেবে ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৩২৪ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে নতুন এ দর কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় দেশের বাজারে স্বর্ণের বিক্রয় মূল্য কমানো হচ্ছে। নতুন এই মূল্য আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হবে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা।
এর আগে গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছিলো বাজুস। ওই সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩৯১ টাকায়।
বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রুপার গহনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকবে। ক্রেতার কাছ থেকে ভ্যাট আলাদাভাবে আদায় করা যাবে না। মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলংকারের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। অলংকার ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে ঘোষিত বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।