খুঁজুন
                               
, ,

চাঁদপুরে বহুমুখী পাটজাত পণ্যের তৈরি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ২:১৮ অপরাহ্ণ
চাঁদপুরে বহুমুখী পাটজাত পণ্যের তৈরি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী

এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চাঁদপুরে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য পাটজাত পণ্যের বহুমুখী ব্যবহার বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের কাজী নজরুল ইসলাম সড়কের চাঁদপুর মহিলা সংসদ মিনায়তনে এ আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন (এসএমই) আয়োজনে এবং চাঁদপুর উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতায় এইকর্মশালায় অংশ নেওয়া ৩০ জন নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সনদ বিতরণ করা হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী।‌ চাঁদপুর উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট মনিরা আক্তারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, দৈনিক যুগান্তরের সিটি এডিটর সাংবাদিক মিজান মালিক, জেলা মহিলা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাসিমা আক্তার, চাঁদপুর মহিলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক ও উইমেন চেম্বারের পরিচালক বেবী আকন্দ, বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষক কাজী আশরাফুল হক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী বলেন, পাট শিল্প বাংলাদেশের সোনালী আঁশ বলে গোটা পৃথিবীতে খ্যাত ছিল। এই শিল্পকে কেন্দ্র করে চাঁদপুরে বৃহৎ আকারে দুটি পাটকল স্থাপন করা হয়। ওই সময়ে চাঁদপুরের পাট শিল্পের সুনাম গোটা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। কালের পরিক্রমায় বাংলাদেশের পাটশিল্প অনেকটাই বিলুপ্তের পথে। চাঁদপুরের দুটি পাটকলও খুঁড়েয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। তবে গেল কয়েক বছর পাট শিল্প কিছুটা জৌলুস ফিরে পেয়েছে। সরকার পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পলিথিন নিষিদ্ধ করেছে। এতে করে পাট শিল্পের বিপুল সম্ভাবনার দার উন্মোচিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং চাঁদপুর উইমেন চেম্বার এর আয়োজনে স্থানীয় নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে বহুমুখী পাটজাত পণ্য তৈরী বিষয়ক পাঁচ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে। এটি একটি সময়ুপোযোগী সিদ্ধান্ত। আমরা এই প্রশিক্ষণের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং অংশ নেয়া প্রশিক্ষণার্থীদের আন্তরিক ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জানাই। এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমাদের চাঁদপুরে নারী উদ্যোক্তারা অনেক বেশি উপকৃত হয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাংবাদিক মিজান মালিক বলেন, নারী উদোক্তাদের এগিয়ে নিতে এ ধরণের প্রশিক্ষণ কর্মশালার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এখন প্রয়োজন প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নেওয়া নারী উদ্যোক্তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করা। তাদের তৈরি পাটজাত পণ্য বিক্রয়, বিপণন এবং প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা। এ বিষয়ে সরকারসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নারী উদোক্তাদের এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে আমরা উইমেন চেম্বার পাশে আছি।

এ বিষয়ে চাঁদপুর উইমেন চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ সভাপতি মনিরা আক্তার বলেন, চাঁদপুরে অসংখ্য মেধাবী নারী আছে যারা নিজের অঙনে থেকেও যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। তাদের জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত প্রশিক্ষণ। আমরা উইমেন চেম্বারের পক্ষ থেকে সে সব নারীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে তাঁদের যোগ্যতাকে কাজে লাগাতে চাই। আমরা চাই নারীরা তাদের যোগ্যতা নিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াক। আমরা আগামীতে এ ধরনের আরো প্রশিক্ষণ দিব এবং উদোক্তাদের বানানো পণ্য বাজারজাত করার জন্য চেম্বারের পক্ষ থেকে নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমরা চাঁদপুরে শক্তিশালী পাঁচশত উদোক্তা তৈরি করতে চাই। যাদের পণ্য জাতিয় পর্যায় থেকে বিশ্ববাজারে যাবে। দেশ বিদেশ থেকে ক্রতা আসবে পণ্য অর্ডার করতে। তিনি আরো জানান, দেশে বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্য সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে‌। যার অংশ হিসেবে এসএমই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দেশব্যাপী নারী উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। উদ্যোক্তাদেরও এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

চাঁদপুর উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সদস্য তানিয়া ইসলাম এবং রাখি মনি সিনহার যৌথ পরিচালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নেওয়া নারী উদ্যোক্তা সুমাইয়া নাজমীন, ফাহিমা মাহজাবীন, উম্মে কুলসুম, তুষমি, সাদিয়া, মালিহা ইসলাম, অর্পিতা মজুমদার।

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।